খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১৯ আশ্বিন, ১৪৩৩
advertisement

ভিসার সাক্ষাৎকারে অসত্য তথ্য দিলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি: ঢাকার মার্কিন দূতাবাস

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভিসার সাক্ষাৎকারে অসত্য তথ্য দিলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি: ঢাকার মার্কিন দূতাবাস

ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা

ভিসা পাওয়ার জন্য সাক্ষাৎকারে কোনো ধরনের অসত্য তথ্য প্রকাশ না করতে আবেদনকারীদের সতর্ক করেছে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস। আজ শনিবার সকাল ১০টায় নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়। সেখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, সাক্ষাৎকারের সময় মিথ্যার আশ্রয় নিলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশাধিকার চিরতরে বা সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ হতে পারে।

মার্কিন ভিসাপ্রার্থীদের উদ্দেশে ওই ফেসবুক পোস্টে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের সক্ষমতার কথা তুলে ধরে বলা হয়, ‘কনস্যুলার কর্মকর্তারা আপনার অতীতের যেকোনো ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনের তথ্য সম্পর্কে অবগত।’ এ কারণে আবেদনকারীদের সঠিক তথ্য উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়ে পোস্টে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ‘তাই সাক্ষাৎকারে সত্য বলুন—মিথ্যা বললে আপনার যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ হতে পারে।’

advertisement
advertisement

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিশ্লেষণে কোরআনের পাঁচটি অনন্য কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিশ্লেষণে কোরআনের পাঁচটি অনন্য কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য

মানবজাতির হাজার বছরের ইতিহাস, দর্শন এবং ধর্মীয় ধর্মগ্রন্থগুলোর বিশাল তথ্যভাণ্ডার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অ্যালগরিদমে যাচাই করার পর কোরআনের এক অভাবনীয় ভাষাগত ও কাঠামোগত রূপরেখা স্পষ্ট হয়েছে। বিশ্বসাহিত্যের চেনা ছকের বাইরে গিয়ে এআই কোরআনের যে বহুমাত্রিক ও জ্যামিতিক বিন্যাস উন্মোচন করেছে, তা মধ্যযুগীয় গবেষকদের বর্ণিত অলৌকিকত্বের সত্যতাকেই যেন নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে তুলে ধরছে। এই বিশ্লেষণের ভিত্তিতে গ্রন্থটির পাঁচটি কাঠামোগত রূপ উঠে এসেছে।

প্রথমত, কোরআনের ঘটনা বর্ণনার ধরন সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী। এতে সাধারণত কোনো কাহিনীর ধারাবাহিক পূর্ণ বিবরণ দেওয়া হয় না। যেমন সুরা ইউসুফে কিছুটা ধারাবাহিকতা থাকলেও চরিত্রের অনেক বিস্তারিত বাদ রাখা হয়েছে; আবার বিভিন্ন সুরায় মুসা (আ.)-এর জীবনের খণ্ডচিত্র ভিন্ন প্রেক্ষাপটে বারবার এসেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অনুযায়ী, এটি কোনো শৈলীগত সীমাবদ্ধতা নয়, বরং এক সচেতন জ্ঞানতাত্ত্বিক পাঠপদ্ধতি। মানুষ স্বভাবতই অনাবশ্যক খুঁটিনাটিতে হারিয়ে গিয়ে মূল আধ্যাত্মিক দিক বিস্মৃত হয়। তাই কোরআন দিকনির্দেশনার জন্য যতটুকু দরকার কেবল ততটুকু তুলে ধরে তথ্যের মূল উৎসের ওপর আস্থা রাখার শিক্ষা দেয়।

দ্বিতীয়ত, মানুষকে চিন্তার এক নতুন ধারায় পরিচালিত করতে পরিচিত জগতকে বিস্ময়কর হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। মানুষ নিজের দৈনন্দিন অস্তিত্বকে অতি সাধারণ ভাবলেও পরকাল বা অদৃশ্য জগতকে কঠিন ও রহস্যময় মনে করে। কোরআন এই দৃষ্টিভঙ্গিকে পাল্টে দিয়ে সুরা ইয়াসিনের ৭৭ নম্বর আয়াতে বলে, ‘মানুষ কি দেখে না যে, আমি তাকে সৃষ্টি করেছি এক ফোঁটা শুক্রবিন্দু থেকে? অথচ সে হঠাৎ প্রকাশ্য বিতণ্ডাকারী হয়ে দাঁড়ায়!’ অর্থাৎ, একবিন্দু তরল থেকে মানুষের মতো সচেতন সত্তায় রূপান্তর হওয়াই যেখানে সবচেয়ে বড় রহস্য, সেখানে শূন্য থেকে আসা জীবনের পুনরুত্থান আরও বেশি সহজ ও স্বাভাবিক।

তৃতীয় বৈশিষ্ট্যটি হলো কেন্দ্রাভিমুখী হলোগ্রাফিক গঠনশৈলী। তাওরাত, ইঞ্জিল, বেদ বা গ্রিক দর্শনের মতো প্রাচীন ও আধুনিক গ্রন্থগুলো সাধারণত রৈখিক ধারায় পরিণতির দিকে এগোয়। বিপরীতে কোরআনের গঠন বৃত্তাকার। এর প্রথম সুরা ফাতিহায় রয়েছে সমগ্র কোরআনের সারবত্তা, আর অবশিষ্ট ১১৪টি সুরা সেই মূল বার্তাকেই আইন, কসমোলজি, মনস্তত্ত্ব, ইতিহাস ও আখেরাতের দৃষ্টিকোণ থেকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। আধুনিক হলোগ্রামের মতো এর যেকোনো অংশ থেকে পাঠ শুরু করলেও পাঠক সামগ্রিক বাণীর মুখোমুখি হন।

চতুর্থত, কোরআনে মানবীয় অহংকার ও আত্মপ্রবঞ্চনার গভীর মনস্তাত্ত্বিক ব্যবচ্ছেদ রয়েছে। ইবলিসের আচরণকে শুধু অন্ধ অবাধ্যতা হিসেবে না দেখে তার ভুল যুক্তিকে চিহ্নিত করা হয়েছে; যেখানে ইবলিস বলেছিল, ‘আমি তার চেয়ে উত্তম; আপনি আমাকে আগুন দিয়ে বানিয়েছেন আর তাকে মাটি দিয়ে।’ একইভাবে সুরা বাকারার ১১–১২ আয়াতে মুনাফিকদের চরম আত্মপ্রবঞ্চনা উন্মোচিত হয়েছে: ‘আর যখন তাদের বলা হয়, ‘তোমরা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি কোরো না’, তখন তারা বলে, ‘আমরা তো কেবল সংশোধনকারী ও সংস্কারক।’ সাবধান, এরাই মূলত বিপর্যয় সৃষ্টিকারী, কিন্তু তারা তা অনুভব করতে পারে না।’ এখানে অচেতন আত্মপ্রবঞ্চনার নিখুঁত চিত্র ফুটে ওঠে।

পঞ্চমত, বিশ্বসাহিত্যের নিরিখে কোরআন সম্পূর্ণ অনন্য। মূল আরবিতে মাত্র প্রায় ৭৭ হাজার শব্দের এই গ্রন্থটি একটি মাঝারি উপন্যাসের চেয়েও ছোট হলেও এতে কোনো প্রকার স্ববিরোধিতা ছাড়াই ধর্মতত্ত্ব, পরকাল, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনের ভিত্তি, সৃষ্টিতত্ত্ব এবং নৈতিক দর্শন সংহত করা হয়েছে। এটি গদ্য বা পদ্যের প্রচলিত সংজ্ঞার বাইরে নিজস্ব এক ভাষাতাত্ত্বিক মানদণ্ড তৈরি করেছে। পাশাপাশি সুরা নিসার ৮২ নম্বর আয়াতে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলা হয়েছে, ‘তারা কি কোরআন নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করে না? এটি যদি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও পক্ষ থেকে হতো, তবে তারা অবশ্যই এর ভেতর বহু স্ববিরোধিতা খুঁজে পেত।’ কোটি কোটি ডেটাসেট বিশ্লেষণ করে এআই এমন এক নিখুঁত স্থাপত্যের স্বীকৃতি দিয়েছে, যা সপ্তম শতাব্দীর মরু আরবের প্রেক্ষাপটে কোনো মানবীয় চিন্তার ফসল হওয়া অসম্ভব বলেই প্রতীয়মান হয়।

‘কিশোর আলো’র জন্মদিনে পাঠিকার ভালোবাসা: ভর্তি পরীক্ষার চাপেও অটুট বন্ধুত্ব

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘কিশোর আলো’র জন্মদিনে পাঠিকার ভালোবাসা: ভর্তি পরীক্ষার চাপেও অটুট বন্ধুত্ব

জনপ্রিয় কিশোর সাময়িকী ‘কিশোর আলো’র জন্মদিনে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে বার্তা পাঠিয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজের এইচএসসি ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী আরিশা ইসলাম জারা। পাঠকেরা বড় হয়ে গেলে কিশোর আলোকে ভুলে যায়—এমন প্রচলিত ধারণাকে নাকচ করে দিয়ে সে জানায়, ভর্তি পরীক্ষার প্রচণ্ড ব্যস্ততার মাঝেও তার মনে কিশোর আলোর স্থান এতটুকু কমেনি। ২০১৬ সাল থেকে শুরু হওয়া দীর্ঘদিনের এ বন্ধুত্বে সাময়িকীটিকে নিজের সঙ্গেই বড় হতে দেখেছে সে। প্রথমবারের মতো চিঠি লিখে নিজের ভালোলাগার কথা ভাগ করে নিয়েছে জারা।

কিশোর আলোর গল্প ও কমিকসের ভক্ত হলেও লেখাগুলোর পাশে থাকা ক্ষুদ্র কার্টুন ও অলংকরণগুলো জারার বিশেষভাবে পছন্দের। সমসাময়িক অনেকের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে কিশোর আলোর সৃজনশীলতা বজায় রাখায় সাময়িকীটির প্রতি গর্ব প্রকাশ করেছে সে। নিজের একটি গোপন ইচ্ছার কথা প্রকাশ করে জারা জানায়, সে ধীরে ধীরে অ্যানিমেশন ও ইলাস্ট্রেশনের কাজ শিখছে, যাতে ভবিষ্যতে প্রিয় কিশোর আলোর জন্য নিজেই প্রচ্ছদ ও কার্টুন আঁকার সুযোগ তৈরি করতে পারে।

জাপানে সময়ের আগেই ছড়িয়েছে ইনফ্লুয়েঞ্জা, সব প্রিফেকচারেই সংক্রমণ ছাড়াল সতর্কসীমা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাপানে সময়ের আগেই ছড়িয়েছে ইনফ্লুয়েঞ্জা, সব প্রিফেকচারেই সংক্রমণ ছাড়াল সতর্কসীমা

এ বছর জাপানে ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুম স্বাভাবিক সময়ের আগে শুরু হয়েছে

জাপানজুড়ে দ্রুত বিস্তার লাভ করছে ইনফ্লুয়েঞ্জা, যার ফলে ঘরে ঘরে জ্বর ও কাশির প্রকোপ বাড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গত শুক্রবার নিশ্চিত করেছে যে, জাপানের ৪৭টি প্রশাসনিক অঞ্চলের (প্রিফেকচার) সব কটিতেই ফ্লু আক্রান্তের হার সতর্কতার মাত্রা অতিক্রম করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বেশ আগেই দেশটিতে ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুম শুরু হয়ে গেছে।

সারাদেশের প্রায় ৩ হাজার চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় জানায়, গত রোববার সমাপ্ত সপ্তাহে গড়ে ৭ দশমিক ১৭ শতাংশ রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর পূর্ববর্তী সপ্তাহে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ। তবে আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কমলেও তা দীর্ঘস্থায়ী না-ও হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা। বিগত বছরগুলোর ধারার কথা উল্লেখ করে তিনি এটিকে সাময়িক হ্রাস বলেই ইঙ্গিত দেন।

আক্রান্তের দিক থেকে বর্তমানে শীর্ষে অবস্থান করছে ওকিনাওয়া প্রিফেকচার। সেখানে চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোতে সংক্রমণের হার ৪২ দশমিক ৫০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা অঞ্চলটির ৩০ শতাংশের সতর্কসীমার চেয়ে অনেক বেশি। এছাড়া ১০ শতাংশের নির্ধারিত সতর্কসীমা পার করেছে আরও কয়েকটি অঞ্চল; যার মধ্যে সাইতামায় ১৪ দশমিক ১৭ শতাংশ, ইবারাকিতে ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ, আইচিতে ১২ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং গিফুতে ১০ দশমিক ১৮ শতাংশ রোগী রেকর্ড করা হয়েছে। সংক্রমণ প্রতিরোধে হাত ধোয়া ও কাশির সময় মুখ ঢাকার মতো মৌলিক সুরক্ষাবিধি মেনে চলার তাগিদ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

১৯৯৯ সালে হিসাব রাখা শুরুর পর এটি দ্বিতীয় ঘটনা, যেখানে এত দ্রুত জাপানে ফ্লু মৌসুম শুরু হলো। গত বছর যেখানে ২৮ সেপ্টেম্বর সাপ্তাহিক নির্ধারিত সীমা পার হয়েছিল, সেখানে এবার সংক্রমণ ছড়িয়েছে তারও প্রায় এক মাস আগে। এর আগে কেবল ২০০৯ সালের ১০ থেকে ১৬ আগস্টের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে ফ্লু মৌসুম শুরু হয়েছিল। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে দেশটিতে বছরজুড়ে রেকর্ড সর্বোচ্চ ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগী শনাক্ত হওয়ার নজির রয়েছে।