খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

শুকিয়ে যাচ্ছে চলনবিল: ভূগর্ভস্থ পানির উচ্চ সম্ভাবনা কেবল ১ শতাংশ এলাকায়, গবেষণায় অশনিসংকেত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শুকিয়ে যাচ্ছে চলনবিল: ভূগর্ভস্থ পানির উচ্চ সম্ভাবনা কেবল ১ শতাংশ এলাকায়, গবেষণায় অশনিসংকেত

শরৎকালে চলনবিলের প্রকৃতি। পাবনার চাটমোহরে

নাটোরের সিংড়া উপজেলার চৌগ্রাম ইউনিয়নের বড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ লিটনের স্মৃতিতে শৈশবের চলনবিল ছিল এক অথৈ সমুদ্রের মতো। আগে আশ্বিন গড়িয়ে অগ্রহায়ণ মাস পর্যন্ত সেখানে থইথই পানি থাকলেও এখন এই সময়েই চারপাশ পানিশূন্য রূপ নেয়। কমে গেছে মাছের দেখাও। দেশের অন্যতম এই বৃহৎ জলাভূমির বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, চলনবিলের ভূগর্ভস্থ পানির আধার মারাত্মক ঝুঁকির মুখে রয়েছে এবং এর মাত্র ১ শতাংশ অঞ্চলে পানির সম্ভাবনা ‘খুব বেশি’।

চলতি মাসে ‘ডিসকভার জিওসায়েন্স’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের গবেষকেরা। রাজশাহী বিভাগের নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার ৫ হাজার ৯৭ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গবেষণাটি সম্পন্ন হয়। এর আওতায় নাটোরের সিংড়া ও গুরুদাসপুর, পাবনার চাটমোহর ও ভাঙ্গুড়া এবং সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও উল্লাপাড়া উপজেলা অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, চলনবিলের মাত্র ৬৫ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির সঞ্চয় খুব ভালো। বিপরীতে ৩ হাজার ৯৩৩ বর্গকিলোমিটার বা ৭৭ শতাংশ এলাকায় সম্ভাবনা মাঝারি এবং ১ হাজার ৯৯ বর্গকিলোমিটার বা ২২ শতাংশ এলাকায় সম্ভাবনা অত্যন্ত কম।

গবেষকেরা ১৯৯০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন উপাত্ত, স্যাটেলাইট চিত্র ও জিআইএস প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বৃষ্টিপাত, মাটির ধরন, ভূগর্ভস্থ পানির গভীরতা ও উদ্ভিদের পরিবর্তনসহ ১৭টি উপাদান বিশ্লেষণ করেন। এতে তথ্য সংগ্রহ করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা, ল্যান্ডস্যাট-৮ স্যাটেলাইট, ক্লাইমেট রিসার্চ ইউনিট, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে। গবেষণা দলের সদস্য ওয়াহিদুল আলম জানান, উচ্চ সম্ভাবনাময় অংশে বর্ষায় সর্বনিম্ন ৮ মিটার ও শুকনায় ২০ মিটারে পানি মিললেও কম সম্ভাবনার স্থানে শুকনো মৌসুমে পানি পেতে ৪০ মিটার পর্যন্ত গভীরে যেতে হয়। এলাকার ৪৪ শতাংশ অংশ কাদামাটি হওয়ায় মাটির নিচে পানি প্রবেশে স্বাভাবিকভাবেই বাধা তৈরি হয়।

গবেষণার প্রধান অধ্যাপক চৌধুরী সারোয়ার জাহানের মতে, পদ্মা ও যমুনার প্রবাহ কমে যাওয়া এবং শুকনো মৌসুমে কৃষিকাজে অতিরিক্ত পানি তোলার কারণে চলনবিলের ভূগর্ভস্থ জলস্তর বিপজ্জনকভাবে নেমে যাচ্ছে, যা পরিবেশ বিপর্যয়ের স্পষ্ট লক্ষণ। ১৯৮৫ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় সেচের আওতাভুক্ত জমি ৬ লাখ ৬৫ হাজার ৬৭৫ হেক্টর থেকে বেড়ে ২৪ লাখ ৪৬ হাজার ৪২৮ হেক্টরে পৌঁছেছে। এছাড়া নাটোরে বিএডিসির তথ্যানুযায়ী, ২০১৯-২০ মৌসুমে বিদ্যুৎ ও ডিজেলচালিত সেচযন্ত্র যেখানে ছিল ৩৬ হাজার ৫০৫টি, ২০২৫-২৬ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৪৪ হাজার ২২৯টি। বিএডিসির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেনও স্বীকার করেছেন যে, সেচযন্ত্রের বৃদ্ধি পানির স্তরে বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

একই সাথে অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৪ সময়কালে এ অঞ্চলে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ছিল ১ হাজার ৫৯৫ মিলিমিটার, যা ২০২৪ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৭০ মিলিমিটারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক মতিন উদ্দিন খান উল্লেখ করেন, বৃষ্টিপাত কমে যাওয়া ও ভূগর্ভস্থ পানির যথেচ্ছ ব্যবহারই সংকটের মূল কারণ। বিদ্যমান সংকট নিরসনে তিনি চলনবিল অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির বদলে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধির তাগিদ দেন।

advertisement
advertisement

নানা প্রান্তের খণ্ডচিত্র: প্রকৃতি ও উৎসবের আবহে প্রাত্যহিক জীবনের কোলাজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নানা প্রান্তের খণ্ডচিত্র: প্রকৃতি ও উৎসবের আবহে প্রাত্যহিক জীবনের কোলাজ

সূর্যোদয়ের সময় আকাশজুড়ে সোনালি আভা। মাউন্টেনিয়ারিং ভ্যালি, রাঙামাটি, ১৮ অক্টোবর

গত ১৮ অক্টোবর দেশের বিভিন্ন জনপদে ধরা পড়েছে ঋতুবৈচিত্র্য, উৎসব এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবনের নানা মুহূর্ত। এদিন সকালে রাঙামাটির মাউন্টেনিয়ারিং ভ্যালিতে সূর্যোদয়ের সময় সোনালি আভায় রঙিন হয়ে ওঠে আকাশ। তবে একই দিনে রাঙামাটির আরেকটি এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের বাঁশ ও কাঠের তৈরি নড়বড়ে সাঁকো দিয়ে বিপজ্জনকভাবে পারাপার করতে দেখা গেছে। এদিকে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার কৃষ্ণনগরে পূজামণ্ডপের কাছে নির্মিত ঘোড়ার গাড়ির আদলে গড়া কাঠামোতে বসে সময় কাটান দুই তরুণ। সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার তামাই ফকিরপাড়ায় এদিন শোভা পায় সদ্য ফোটা কাঠগোলাপ ফুল।

শারদীয় দুর্গাপূজার মহাসপ্তমীর সকালে রংপুরের করুণাময়ী কালীবাড়ি মন্দিরে দেখা যায় ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। ওই দিনই রংপুরের দমদমা এলাকায় হেমন্তের হালকা কুয়াশা ভেদ করে মহাসড়কে যান চলাচল করতে দেখা যায়। রংপুরের ছিলিমপুরে কৃষকদের খেত থেকে সরাসরি করলা তুলে সেখানেই বিক্রি করতে দেখা গেছে। খুলনার রূপসা উপজেলার জাবুসা এলাকায় ধানখেতের পাশের জলাশয়ে জমে থাকা পানিতে দেখা মেলে বকের বিচরণ। এ ছাড়া ফরিদপুরের রামকান্তপুরে কৃষকেরা জমিতে ব্যস্ত সময় কাটান ভুট্টার বীজ বপনে এবং কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার নোয়াদ্দায় বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করে এক ব্যক্তিকে আনন্দ প্রকাশ করতে দেখা যায়।

বাংলাদেশ সফরের টেস্ট দল থেকে ছিটকে গেলেন কিমো পল, ডাক পেলেন স্প্রিঙ্গার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশ সফরের টেস্ট দল থেকে ছিটকে গেলেন কিমো পল, ডাক পেলেন স্প্রিঙ্গার

শামার স্প্রিঙ্গার

ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষ করে আজই ঢাকায় পা রাখছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট দল। তবে বাংলাদেশে আসার আগমুহূর্তে স্কোয়াডে একটি পরিবর্তন আনতে বাধ্য হয়েছে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ (সিডব্লিউআই)। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে ভারত থেকেই দেশে ফিরে যাচ্ছেন কিমো পল। তাঁর জায়গায় প্রথমবারের মতো টেস্ট স্কোয়াডে সুযোগ পেয়েছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার শামার স্প্রিঙ্গার। এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ক্যারিবীয় ক্রিকেট বোর্ড।

জাতীয় দলের হয়ে ৩টি ওয়ানডে ও ১২টি টি-টোয়েন্টি খেলা ২৮ বছর বয়সী স্প্রিঙ্গারের এখনো টেস্ট অভিষেক হয়নি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২৩ ম্যাচে ৩২.৫৯ গড়ে ১ হাজার ৪৩ রান করার পাশাপাশি বল হাতে ৫৮টি উইকেট শিকার করেছেন তিনি। বার্বাডোজের হয়ে ২০২৬ সালের ওয়েস্ট ইন্ডিজ চ্যাম্পিয়নশিপে ব্যাট হাতে তিনি দুর্দান্ত সময় পার করেন; যেখানে চার ম্যাচে ৫০.২০ গড়ে আসে ২৫১ রান। তবে বোলিংয়ে তুলনামূলক নিষ্প্রভ থেকে ৮ ইনিংসে ৪২ গড়ে নেন ৭ উইকেট। সিডব্লিউআই জানায়, পলের বদলি হিসেবে ওজে শিল্ডস ও নিয়াল স্মিথের নামও তালিকায় ছিল, কিন্তু চোটের কারণে তাঁদের দলে নেওয়া যায়নি। এর আগে ওয়ার্কলোড বিবেচনায় পেসার আলজারি জোসেফকে বাদ দেওয়া হয় এবং সাদা বলের অধিনায়ক শাই হোপকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। শুরুতে জোসেফের বিকল্প হিসেবেই দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন পল। এদিকে অন্য এক প্রসঙ্গে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান নির্বাহী উল্লেখ করেছিলেন যে ভারত দুই থেকে তিন কোটি ডলার পেলেও তাঁদের প্রাপ্তি শূন্য।

ভারতের বিপক্ষে সীমিত ওভারের স্কোয়াডে পল ও স্প্রিঙ্গার উভয়েই অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। শনিবার বেঙ্গালুরুতে পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হওয়ায় পাঁচ ম্যাচের সিরিজটি ২–২ সমতায় শেষ হয়। এর আগে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটিতে ২–১ ব্যবধানে হেরেছিল সফরকারীরা। ঘোষিত সূচি অনুসারে, বাংলাদেশে এসে ২২ থেকে ২৪ অক্টোবর একটি তিন দিনের প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ খেলবে ক্যারিবীয়রা। পরবর্তীতে মিরপুরে ২৮ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে প্রথম টেস্ট। এরপর ৫ নভেম্বর থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টটি অনুষ্ঠিত হবে সিলেটে।

বাংলাদেশ সফরের ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্কোয়াড: রোস্টন চেজ (অধিনায়ক), জোমেল ওয়ারিকান (সহ-অধিনায়ক), জশুয়া বিশপ, জন ক্যাম্পবেল, তেজনারায়ণ চন্দরপল, জশুয়া দা সিলভা (উইকেটকিপার), জাস্টিন গ্রিভস, কাভেম হজ, আমির জাঙ্গু (উইকেটকিপার), শামার জোসেফ, ব্রেন্ডন কিং, কেমার রোচ, জেইডেন সিলস, শামার স্প্রিঙ্গার ও কেভিন উইকহাম।

২০২৭ সালের এসএসসির ফরম পূরণের সূচি প্রকাশ, পরীক্ষার্থীদের জন্য বোর্ডের ৬ জরুরি নির্দেশনা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
২০২৭ সালের এসএসসির ফরম পূরণের সূচি প্রকাশ, পরীক্ষার্থীদের জন্য বোর্ডের ৬ জরুরি নির্দেশনা

এসএসসি পরীক্ষার্থী

২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার অনলাইনে ফরম পূরণ ও ফি জমা দেওয়ার সময়সূচি প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়ে বিলম্ব ফি ছাড়া অনলাইনে ফরম পূরণ চলবে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত। এই প্রক্রিয়ার পাশাপাশি জিপিএ মানোন্নয়ন, বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থী ও অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের বিষয়ে বেশ কিছু নিয়মাবলি তুলে ধরে ৬টি জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় সব বিষয়ে অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও যারা জিপিএ-৫ পায়নি, তারা রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ সাপেক্ষে ২০২৭ সালে মানোন্নয়ন পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। এজন্য তাদের ২০২৬ সালের পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস অনুযায়ী সব বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হবে। মানোন্নয়ন হলে নতুন ফল কার্যকর হবে, নতুবা আগের জিপিএ বহাল থাকবে। আবেদনকারীদের পূর্বের প্রবেশপত্র ও একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের সত্যায়িত ফটোকপি প্রিন্ট কপির সঙ্গে জমা দিতে হবে। এছাড়া যেসব বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীর শাস্তির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে এবং নিবন্ধনের মেয়াদ রয়েছে, তারা অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে সব বিষয়ে অংশ নিতে পারবে।

চতুর্থ বিষয়ের সুবিধার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ সালের রেজিস্ট্রেশনধারী যারা ২০২৫ ও ২০২৬ সালের পরীক্ষায় বসেনি, তারা অনিয়মিত হিসেবে ২০২৭ সালে চতুর্থ বিষয়সহ সব বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে। একই সেশনের যেসব শিক্ষার্থী বিগত দুই বছরের পরীক্ষায় সব বিষয়ে অংশ নিয়ে চতুর্থ বিষয়ে পাস করলেও এক থেকে চারটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে, তারা অনুত্তীর্ণ বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে পাস করলে চতুর্থ বিষয়ের সুবিধা লাভ করবে। নির্বাচনী পরীক্ষার বিষয়ে জানানো হয়েছে, জিপিএ উন্নয়ন ও পূর্বে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থী ছাড়া অন্য সবার জন্য নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ নেওয়া বাধ্যতামূলক।

পাঠ্যসূচির নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের জন্য ২০২৫ ও ২০২৬ সালের এবং নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য ২০২৭ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হবে। শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার এডুকেশন বিষয়ের ক্ষেত্রে এনসিটিবির নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে পাঠাবে। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ব্যবহারিক নম্বরের সাথে এই নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাবে এবং ধারাবাহিক মূল্যায়নের হাতে লেখা মূল নম্বর ফর্দ মাধ্যমিক পরীক্ষা শাখায় সশরীরে জমা দেবে।

অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের নিয়মে বলা হয়েছে, ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ সেশনের পরীক্ষায় অংশ না নেওয়া শিক্ষার্থীদের কোনোভাবেই নিয়মিত হিসেবে গণ্য করা যাবে না। ২০২৬ সালে চতুর্থ বিষয় ছাড়া এক থেকে চারটি বিষয়ে অকৃতকার্যরা চাইলে শুধু অকৃতকার্য বিষয়ে কিংবা সব বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে। ২০২৫ সালে এক থেকে তিনটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়ে ২০২৬ সালে অংশ না নেওয়া বা পুনরায় ফেল করা শিক্ষার্থীরাও একই সুযোগ পাবে, তবে আংশিক বিষয়ে অংশ নিলে চতুর্থ বিষয়ের পরীক্ষা দেওয়া যাবে না। অন্যদিকে ২০২২-২৩ সেশনের মেয়াদোত্তীর্ণ অথচ চতুর্থ বিষয় বাদে এক বিষয়ে ফেল থাকা শিক্ষার্থীরা বিশেষ বিবেচনায় কেবল এক বছরের জন্য রেজিস্ট্রেশন নবায়ন করে পরীক্ষা দিতে পারবে; এ জন্য প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে মূল কার্ড বিদ্যালয় পরিদর্শকের দপ্তরে জমা দিয়ে নবায়নকৃত কার্ড সংগ্রহ করতে হবে। এসব শিক্ষার্থীর পূর্বে উত্তীর্ণ বিষয়ের জিপি সংরক্ষিত থাকবে এবং তা নতুন ফলের সাথে যোগ করে চূড়ান্ত জিপিএ নির্ধারিত হবে।