খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

অনুমতি পেলেও ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিনে যেতে পারছেন না পর্যটকেরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অনুমতি পেলেও ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিনে যেতে পারছেন না পর্যটকেরা

অনুমতি পেলেও ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিনে যেতে পারছেন না পর্যটকেরা

জাতীয় ডেস্ক: সরকারি পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য সেন্ট মার্টিন দ্বীপ উন্মুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা পেছাচ্ছে। পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে নির্ধারিত সময়ে দ্বীপটিতে ভ্রমণ করতে যেতে পারছেন না সাধারণ পর্যটকেরা। পরিবেশ সংরক্ষণের নানা দিক বিবেচনা করেই এই সময়সীমা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

পরিবেশ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, সেন্ট মার্টিন দ্বীপে অতিরিক্ত পর্যটক সমাগমের কারণে সেখানকার সামুদ্রিক পরিবেশ এবং প্রবাল প্রাচীর মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে। গত কয়েক বছর ধরে পর্যটকদের অনিয়ন্ত্রিত চলাফেরা এবং প্লাস্টিক দূষণের ফলে দ্বীপের প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের পক্ষ থেকে পর্যটন মৌসুম শুরুর সময় কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে কিছুটা আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। তবে পরিবেশবাদীরা সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, দ্বীপটির ভঙ্গুর পরিবেশ রক্ষায় পর্যটকদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং ভ্রমণের নিয়মকানুন কঠোর করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছিল।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, সেন্ট মার্টিনে যাতায়াত এবং সেখানে অবস্থানের ক্ষেত্রে নতুন কিছু নিয়ম ও শর্ত আরোপ করা হতে পারে। কবে নাগাদ পর্যটকেরা সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন, সে বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে খুব শীঘ্রই নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে। দ্বীপটির জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজও চলমান থাকবে।

advertisement
advertisement

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করা হলে একদফা দাবি রূপান্তর করা হবে: জামায়াত আমির

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করা হলে একদফা দাবি রূপান্তর করা হবে: জামায়াত আমির

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করা হলে একদফা দাবি রূপান্তর করা হবে: জামায়াত আমির

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন যে, গণভোটের রায় পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা না হলে তাদের রাজনৈতিক আন্দোলন একদফা দাবিতে রূপ নেবে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, তাদের দল দেশে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায় না, তবে জনগণের রায়ের বাস্তবায়ন ব্যাহত হলে তারা চুপ করে বসে থাকবে না। সম্প্রতি ঝিনাইদহ শহরের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে আয়োজিত এক বিশাল পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেন।

১১ দলীয় ঐক্যের সাত দফা দাবি আদায়ের অংশ হিসেবে ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত আয়োজিত লংমার্চের ঝিনাইদহ অংশে এই পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। ডা. শফিকুর রহমান তাঁর বক্তব্যে জানান যে, তাদের এই সাত দফা দাবি কেবল কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির নয়, বরং এটি দেশের ১৮ কোটি মানুষের মৌলিক অধিকারের বিষয়। জনগণের এই ন্যায্য দাবিকে পাশ কাটিয়ে তাদের একপ্রকার অপমান করা হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন এবং সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

এ সময় বিগত নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন যে, অতীতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিপুলসংখ্যক মানুষ ইতিবাচক রায় দিলেও সেই রায়কে সম্মান জানানো হয়নি। যদি গণভোটকে অবৈধ বলে গণ্য করা হয়, তবে একই প্রক্রিয়ায় গঠিত সংসদ নির্বাচনও বৈধতা হারায় বলে তিনি দাবি করেন। সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো রকম সংঘাত এড়াতে সমঝোতার পথেই এই রাজনৈতিক সংকটের সমাধান করতে হবে এবং জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে।

ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমির ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবুবকরের সভাপতিত্বে এই জনসভায় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হকসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। সভায় বক্তারা অবিলম্বে জনগণের দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

শতভাগ উৎসব ভাতা ও নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন চান এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শতভাগ উৎসব ভাতা ও নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন চান এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা

শতভাগ উৎসব ভাতা ও নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন চান এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা

শিক্ষা ডেস্ক: নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট প্রকাশ, দ্রুত বদলি ব্যবস্থা চালু এবং শতভাগ উৎসব ভাতার দাবিতে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার গোয়ালাবাজারে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা একত্রিত হয়ে এই কর্মসূচি পালন করেন। দীর্ঘদিন ধরে নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকার কথা জানিয়ে তারা এই আন্দোলনে নামেন এবং অবিলম্বে তাদের ন্যায়সংগত দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান।

সমাবেশে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা তাদের মৌলিক অধিকার থেকে দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত রয়েছেন। তারা আসন্ন ঈদুল ফিতর থেকেই সম্পূর্ণ উৎসব ভাতা প্রদান এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বদলি প্রক্রিয়া দ্রুত চালুর জোর দাবি জানান। এছাড়া শিক্ষা খাতের সার্বিক উন্নয়নে নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন অবিলম্বে প্রকাশের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন তারা।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা এ সময় এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজীর বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটি অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান। তারা অভিযোগ করেন যে শিক্ষক নেতাদের অযৌক্তিকভাবে হেনস্তা করার চেষ্টা চলছে, যা শিক্ষক সমাজের মধ্যে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে। এই ধরনের হয়রানিমূলক কার্যক্রম বন্ধ না হলে আন্দোলন আরও কঠোর রূপ ধারণ করবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।

দেশের ছয় লাখের বেশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর অধিকার রক্ষার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয় সমাবেশ থেকে। তিন দফা দাবি আদায় নিশ্চিত করতে আগামী চার নভেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মহাসমাবেশে সর্বাত্মক অংশগ্রহণের ঘোষণা দেন শিক্ষক নেতারা। সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত সাড়া না মিললে শিক্ষকরা আরও বড় ধরনের কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন বলে সমাবেশে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।

গুম হওয়া নেতাকর্মীদের সন্ধান ও নির্যাতনকারীদের বিচার দাবি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গুম হওয়া নেতাকর্মীদের সন্ধান ও নির্যাতনকারীদের বিচার দাবি

গুম হওয়া নেতাকর্মীদের সন্ধান ও নির্যাতনকারীদের বিচার দাবি

রাজনীতি ডেস্ক: বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে গুম ও নিখোঁজ হওয়া যুবদলের নেতাকর্মীদের দ্রুত সন্ধান এবং তাদের ওপর চালানো অবর্ণনীয় নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর বিচারের দাবি জানানো হয়েছে। সম্প্রতি নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার অজিফা খাতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই জোরালো দাবি উত্থাপন করা হয়। স্থানীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় নেতারাও এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বিগত সরকারের নানা দমনপীড়নের তীব্র নিন্দা জানান এবং দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ও নোয়াখালী জেলা সভাপতি মনজুরুল আজিম সুমন উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘ সতেরো বছর ধরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলন, জেল-জুলুম ও মিথ্যা মামলা মোকাবিলা করে বিএনপি দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করেছে। অতীতে স্বৈরাচারী সরকারের আমলে তাদের বহু নেতাকর্মী গুম, খুন ও পঙ্গুত্বের শিকার হয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। যারা এখনো নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের সন্ধান পাওয়ার আকুল আবেদন জানিয়ে তিনি এই পৈশাচিক ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান তার বক্তব্যে বলেন যে, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী যুবদল সর্বদা ঐক্যবদ্ধ ও সজাগ রয়েছে। সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী যেকোনো দখলদারি ও চাঁদাবাজির মতো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে তিনি ঘোষণা দেন। বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিবেশে সাধারণ মানুষ যেন নির্ভয়ে ও শান্তিতে বসবাস করতে পারে, সে বিষয়ে যুবদল সবসময় অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেন সুমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। আলোচনা সভা শেষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয় যা স্থানীয় প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালিতে হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ নিয়ে গুম হওয়া ভাইদের ফিরিয়ে আনা এবং নির্যাতনকারীদের বিচারের দাবিতে স্লোগান দেন।