খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

মিথ্যা ঘোষণায় বন্দরে বাড়ছে আমদানি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মিথ্যা ঘোষণায় বন্দরে বাড়ছে আমদানি

মিথ্যা ঘোষণায় বন্দরে বাড়ছে আমদানি

অর্থনীতি ডেস্ক: চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অসাধু আমদানিকারকরা কম শুল্ক পরিশোধের উদ্দেশ্যে নতুন নতুন কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছেন বলে বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারিতে এই ধরনের বহু অবৈধ চালান ধরা পড়ে। মূলত ভুল ট্যারিফ নির্ধারণ, পণ্যের প্রকৃত পরিমাণ ও দাম গোপন করা এবং নিষিদ্ধ বা উচ্চ শুল্কের পণ্য লুকিয়ে আনার মতো অনিয়মগুলো বেশি ঘটছে। কাস্টমস হাউসের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ শাখা এসব জালিয়াতি রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে যেসব পণ্য আনা হয়েছে, তার মধ্যে স্ক্র্যাপের আড়ালে যন্ত্রপাতি বা গাড়ি এবং সাধারণ পণ্যের আড়ালে মোবাইল ফোন বা প্রসাধনী আমদানির মতো ঘটনা রয়েছে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সময়ে মিথ্যা ঘোষণা সন্দেহে মোট ৪৬৭টি আমদানি চালান জব্দ করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকদের বিরুদ্ধে মোট ২৭০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। জব্দ করা এসব চালান থেকে শুল্ক ফাঁকি রোধ এবং জরিমানা বাবদ মোট ৫৮ কোটি দুই লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। কাস্টমসের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এবার চালান জব্দের হার প্রায় ত্রিশ শতাংশ বেশি। এর আগের অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ৩৬১টি চালান জব্দ করা হয়েছিল এবং মামলা হয়েছিল ১৯৯টি। সময়ের ব্যবধানে অনিয়মের মাত্রা বাড়ার পাশাপাশি রাজস্ব ও জরিমানা আদায়ের পরিমাণও বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার ও মুখপাত্র মোহাম্মদ শরীফ আল আমিন জানান, বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির অপচেষ্টা বাড়ায় কাস্টমস কর্মকর্তারা তাদের তদারকি আরও জোরদার করেছেন। ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারের পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে অপরাধ দমনের কাজ চলছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কাস্টমসের এআইআর শাখার পাশাপাশি শুল্ক গোয়েন্দা এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা ইউনিট অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে মাঠে কাজ করছে। কাসটমস কর্মকর্তাদের এই কঠোর অবস্থানের ফলে অসাধু চক্রগুলোর অনেক জালিয়াতি ইতিমধ্যে ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। অনিয়ম রোধে নিয়মিত চালানের শতভাগ কায়িক পরীক্ষাও চালানো হচ্ছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

ব্যবসায়ী সমাজের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা এই ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক ও চট্টগ্রাম কাস্টম অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য মো. ইসমাইল খান বলেন, মিথ্যা ঘোষণা দেওয়ার পেছনে অনেক সময় একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় থাকে। তাই ইচ্ছাকৃতভাবে যারা শুল্ক ফাঁকি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন যে, কাস্টমসের কড়াকড়ির কারণে যেন কোনোভাবেই বৈধ আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা অহেতুক হয়রানির শিকার না হন। সামগ্রিক বাণিজ্য পরিবেশ ঠিক রেখে অনিয়মকারীদের আইনের আওতায় আনতে পারলে সরকারের রাজস্ব আয় আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

advertisement
advertisement

সাজেকে অবরোধ: দুই সশস্ত্র সংগঠনের বলির পাঁঠা স্থানীয় বাসিন্দারা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাজেকে অবরোধ: দুই সশস্ত্র সংগঠনের বলির পাঁঠা স্থানীয় বাসিন্দারা

সাজেকে অবরোধ: দুই সশস্ত্র সংগঠনের বলির পাঁঠা স্থানীয় বাসিন্দারা

জাতীয় ডেস্ক: পার্বত্য অঞ্চলের দুই সশস্ত্র সংগঠনের মধ্যকার আধিপত্য বিস্তার ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চলমান দ্বন্দ্বের জেরে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক এলাকায় চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। এই দীর্ঘস্থায়ী সংকটের কারণে একদিকে যেমন পর্যটন শিল্প মুখ থুবড়ে পড়েছে, অন্যদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ বাসিন্দারা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। পাহাড়ি এই জনপদে দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সংঘাতের ফলে সাধারণ মানুষ একপ্রকার জিম্মি দশায় দিন কাটাচ্ছেন। উৎপাদিত কৃষিপণ্য সঠিক সময়ে বাজারে সরবরাহ করতে না পারায় স্থানীয় কৃষকদের বড় ধরনের লোকসানের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। বিগত কয়েক দশক ধরে শান্তি ফেরার চেষ্টা চললেও বারবার সশস্ত্র গোষ্ঠীর হানাহানিতে এখানকার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বারবার ব্যাহত হচ্ছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গত ২৬ অক্টোবর রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা এবং দুই সংসদ সদস্য সাজেকের উজোবাজারে অবরোধকারীদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মিলিত হন। ওই বৈঠকে অবরোধকারীরা পাঁচটি সুনির্দিষ্ট দাবি উপস্থাপন করলেও জেএসএস সদস্যদের এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়ার মূল দাবিটিতে সরকারি পক্ষ কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত দিতে পারেনি। ফলে দুই পক্ষের মধ্যেকার ওই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি কোনো ধরনের সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। মূলত ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চুক্তির পর সাজেক এলাকায় শান্তি ফিরে এলেও পরবর্তীতে ইউপিডিএফের একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং সাম্প্রতিক সময়ে দলটির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। এই সুযোগে প্রতিপক্ষ জেএসএস সাজেকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি ও খামার নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়।

হারিয়ে যাওয়া আধিপত্য ফিরে পেতে ইউপিডিএফ প্রথমে পর্যটকদের জিম্মি করার কৌশল নেয় এবং পরবর্তীতে স্থানীয় জনসাধারণকে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করে। সংকট শুরুর দিকে প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী অত্যন্ত নমনীয় অবস্থান নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করলেও বর্তমানে তাদের অবস্থানে পরিবর্তন এসেছে। একজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধির ভাষ্য অনুযায়ী, পর্যটকদের নিরাপদে উদ্ধারের পর থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই অবরোধ নিয়ে আর বিশেষ কোনো আগ্রহ বা তৎপরতা দেখাচ্ছে না। সরকারের তরফ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, এই অবরোধ দীর্ঘমেয়াদি হলেও নিরাপত্তা বাহিনী আর এতে হস্তক্ষেপ করবে না। ফলে স্থানীয় মানুষ সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

বর্তমানে সাজেকে কলা, কাঁচা মরিচ ও কমলার মতো পচনশীল কৃষিপণ্যের ভরা মৌসুম চললেও যাতায়াত ব্যবস্থার অভাবে কৃষকরা তা বাজারে পাঠাতে পারছেন না। টানা আট দিন ধরে সাজেক ভ্যালির প্রায় পঁয়ত্রিশ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কে সব ধরনের যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। পর্যটকের আনাগোনা না থাকায় স্থানীয় পরিবহন শ্রমিক, হোটেল ব্যবসায়ী ও সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের আয়রোজগার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান জানিয়েছেন যে, সাজেকের অবরোধ পরিস্থিতির এখনো কোনো উন্নতি হয়নি এবং বর্তমানে নতুন করে কোনো আলোচনার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে না। সার্বিক এই পরিস্থিতিতে সাজেকের সাধারণ মানুষের জনজীবন এক অনিশ্চিত ও দুর্বিষহ সংকটের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে।

এইচএসসির ফল আজ, এবার ফল দেখতে এসএমএস পাঠাতে হবে নতুন নম্বরে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১:৪০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসির ফল আজ, এবার ফল দেখতে এসএমএস পাঠাতে হবে নতুন নম্বরে

এইচএসসির ফল আজ, এবার ফল দেখতে এসএমএস পাঠাতে হবে নতুন নম্বরে

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৩১ অক্টোবর এই কাঙ্ক্ষিত ফল ঘোষণা করা হবে। দেশজুড়ে লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা এই ফলাফলের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। দীর্ঘ প্রস্তুতি ও পরীক্ষা গ্রহণের প্রক্রিয়া শেষে এই ফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পরবর্তী ধাপের পথ সুগম হতে চলেছে।

শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত সহজ ও বিভিন্ন সুবিধাজনক মাধ্যমে নিজেদের ফলাফল জানতে পারবেন। শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ফল প্রাপ্তির জন্য পরীক্ষার্থীদের মূলত তিনটি ভিন্ন উপায় অনুসরণ করার সুযোগ রাখা হয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা তাদের সুবিধা অনুযায়ী ইন্টারনেট বা মুঠোফোনের মাধ্যমে খুব সহজেই পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ নম্বরপত্রসহ ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন।

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানার প্রক্রিয়াটিতে এবার কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের ফল দেখতে হলে নির্দিষ্ট একটি নতুন নম্বরে খুদে বার্তা পাঠাতে হবে, যা শিক্ষা বোর্ডগুলো আগেই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে। এই নতুন নিয়মের কারণে শিক্ষার্থীদের এসএমএস পাঠানোর সময় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের ভুল ছাড়াই সঠিক তথ্য দিয়ে ফল জেনে নেওয়া যায়।

অনলাইন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করেও শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং শিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় পোর্টাল থেকে ফল দেখতে পারবেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও নির্ধারিত সময়ে তাদের নিজস্ব ইমেল ও পোর্টাল থেকে প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফল ডাউনলোড করতে পারবে। ফল প্রকাশের দিন সকাল থেকেই এই অনলাইন ও এসএমএস সেবাগুলো সচল থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ছোট পর্দায় বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্টের সঙ্গে থাকছে ইউরোপিয়ান ফুটবলের উন্মাদনা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১:৫২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ছোট পর্দায় বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্টের সঙ্গে থাকছে ইউরোপিয়ান ফুটবলের উন্মাদনা

ছোট পর্দায় বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্টের সঙ্গে থাকছে ইউরোপিয়ান ফুটবলের উন্মাদনা

খেলা ডেস্ক: ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের জন্য ছোট পর্দায় আসছে রোমাঞ্চকর এক সময়, যেখানে একই সঙ্গে উপভোগ করা যাবে টেস্ট ক্রিকেট ও ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় ফুটবল লিগগুলোর ম্যাচ। বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার টেস্ট ম্যাচের লড়াইয়ের পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দীর্ঘ পরিসরের সিরিজও টেলিভিশনের পর্দায় সরাসরি সম্প্রচারিত হবে। ক্রিকেটপ্রেমীরা সকাল থেকে শুরু করে পুরো দিন জুড়ে দেশের ও বিদেশের বিভিন্ন রোমাঞ্চকর ক্রিকেট ম্যাচ উপভোগ করার সুযোগ পাবেন।

ক্রিকেটের বাইরে বিশ্ব ফুটবলের অনুরাগীদের জন্যও এই দিনটিতে থাকছে দারুণ কিছু আকর্ষণীয় ম্যাচ। ইউরোপিয়ান ফুটবলের অন্যতম জমজমাট লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে বায়ার্ন মিউনিখ ও বরুশিয়া ডর্টমুন্ড, যা ফুটবল দর্শকদের বাড়তি আনন্দ দেবে। এছাড়া জার্মানির বুন্দেসলিগায় বায়ার লেভারকুসেন ও স্টুটগার্ট একে অপরের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে এবং ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে টটেনহ্যাম হটস্পার ও ক্রিস্টাল প্যালেসের ম্যাচটিও বেশ উপভোগ্য হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইতালিয়ান ক্লাব ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী মিলান ডার্বিতে এসি মিলান ও ইন্টার মিলান একে অপরের মুখোমুখি হবে, যা মধ্যরাতের রোমাঞ্চ বাড়িয়ে দেবে বহুগুণ। খেলাধুলাপ্রেমীরা টি স্পোর্টস, পিটিভি স্পোর্টস, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট এইচডি ওয়ান এবং জিফাইভের মতো বিভিন্ন জনপ্রিয় চ্যানেল ও প্ল্যাটফর্মে এই ম্যাচগুলো সরাসরি দেখতে পাবেন। প্রতিটি ম্যাচই নির্দিষ্ট সময়ে টেলিভিশনের পর্দায় ও ডিজিটাল মাধ্যমে সম্প্রচারিত হওয়ায় দর্শকরা ঘরে বসেই নিজেদের পছন্দের খেলা উপভোগ করতে পারবেন।

বিশ্বজুড়ে চলা এই গুরুত্বপূর্ণ ক্রীড়া ইভেন্টগুলো দর্শকের চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন চ্যানেলে অত্যন্ত সুচারুভাবে সাজানো হয়েছে। ক্রিকেট ও ফুটবলের এই মিলনমেলা ক্রীড়াজগতে এক নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে এবং দর্শকদের নজর এখন টেলিভিশনের পর্দার দিকে। ছুটির দিন বা ব্যস্ত সময়ে এই লাইভ সম্প্রচারগুলো ক্রীড়াপ্রেমীদের বিনোদনের খোরাক জোগাতে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।