খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন-অর-রশিদকে বরখাস্ত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন-অর-রশিদকে বরখাস্ত

ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন-অর-রশিদকে বরখাস্ত

জাতীয় ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার গুরুতর অভিযোগে পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক বা ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তা মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করেছে সরকার। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বা ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবে ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস দায়িত্বে থাকাকালীন তিনি এই শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা ঘটান। প্রচলিত সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী তার এই স্বেচ্ছায় অনুপস্থিতিকে আইনগতভাবে পলায়ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী এই কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা শাখা থেকে সম্প্রতি এই বরখাস্তের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয় এবং সরকারি আদেশ অনুযায়ী এই বরখাস্তের সিদ্ধান্ত ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের ষষ্ঠ দিন থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে। কর্মস্থলে তার এই অনুপস্থিতির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের জন্য তার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার পাশাপাশি ইলেকট্রনিক ঠিকানায় একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কর্মস্থলে যোগদান করা থেকে বিরত থাকেন।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠায় পুলিশ অধিদপ্তর। এর ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয় এবং আনীত অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়। তবে তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নোটিশের কোনো লিখিত জবাব দেওয়া থেকে বিরত থাকেন এবং সময় বাড়ানোর জন্যও কোনো ধরনের আবেদন করেননি।

দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন দায়িত্বশীল পদে থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে এবং বিভাগীয় কার্যক্রমে সহযোগিতা না করায় তার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপ অনিবার্য হয়ে ওঠে। এই প্রজ্ঞাপন জারির মধ্য দিয়ে পুলিশ বাহিনীতে শৃঙ্খলা বজায় রাখার বার্তা দেওয়া হয়েছে এবং পলাতক এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক বিধি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপগুলো সম্পন্ন করা হচ্ছে।

advertisement
advertisement

খেলাপি ঋণের জালে আটকা ব্যাংকিং খাতের ভবিষ্যৎ কী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
খেলাপি ঋণের জালে আটকা ব্যাংকিং খাতের ভবিষ্যৎ কী

খেলাপি ঋণের জালে আটকা ব্যাংকিং খাতের ভবিষ্যৎ কী

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের আর্থিক ভিত্তি দিন দিন দুর্বল করে তুলছে পাহাড়সম খেলাপি ঋণ। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেশের আর্থিক খাতের এই ভয়ঙ্কর চিত্র উঠে এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ঋণগ্রহীতারা কিস্তি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা অর্থের বড় একটি অংশ আটকে গেছে। এই বিশাল অঙ্কের খেলাপি ঋণ দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি এবং সাধারণ আমানতকারীদের নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলোর তারল্য সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। অনেক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ে তাদের ঋণ পরিশোধ না করায় ব্যাংকগুলো নতুন বিনিয়োগ বা ঋণ বিতরণে হিমশিম খাচ্ছে। এর ফলে সাধারণ গ্রাহকদের আমানতের নিরাপত্তা নিয়েও নানা মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খেলাপি ঋণের এই সংস্কৃতি অব্যাহত থাকলে পুরো আর্থিক খাত একসময় স্থবির হয়ে পড়তে পারে।

এই সংকট উত্তরণে ব্যাংক খাতের নীতিনির্ধারক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো নানা ধরনের সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে। বিশেষ করে কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা এবং ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। তবে শুধু আইনি প্রক্রিয়াই যথেষ্ট নয়, বরং ব্যাংকগুলোর অভ্যন্তরীণ সুশাসন নিশ্চিত করা এবং ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব ও দুর্নীতি দূর করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।

দেশের ব্যাংক খাতের এই দীর্ঘমেয়াদি ক্ষত সারাতে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকেও কার্যকর দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে খেলাপি ঋণ আদায়ের বিশেষ অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সময়মতো যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া না গেলে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হয়ে যেতে পারে এবং সাধারণ মানুষের ওপর মুদ্রাস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে।

আন্দোলন করে সরকার গঠন করা যায় না: চিফ হুইপ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আন্দোলন করে সরকার গঠন করা যায় না: চিফ হুইপ

আন্দোলন করে সরকার গঠন করা যায় না: চিফ হুইপ

রাজনীতি ডেস্ক: আন্দোলনের নামে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করার অপচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। সম্প্রতি রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কঠোর বার্তা দেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে কেবল আন্দোলনের মাধ্যমে কখনো সরকার গঠন করা সম্ভব নয়, কারণ রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষমতা পরিবর্তনের একমাত্র বৈধ ও গণতান্ত্রিক পথ হলো নির্বাচন। বর্তমান সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং কাজের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জনে তারা বদ্ধপরিকর বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

নূরুল ইসলাম মনি বলেন, যদি কোনো কারণে দেশের জনগণ বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট না হয়, তবে তারা আগামী নির্বাচনে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নতুন সরকার বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে। গণতান্ত্রিক ধারা ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সুপ্রতিষ্ঠিত করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক হলেও পারস্পরিক বিরোধ বা সংঘাতের পথ বেছে নিলে তা তৃতীয় পক্ষের সুবিধা করে দিতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন। নিজেদের গৃহবিবাদের সুযোগ বাইরের কেউ যেন নিতে না পারে, সে বিষয়ে সব রাজনৈতিক দলকে অত্যন্ত সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

দেশের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সবাইকে একযোগে কাজ করার তাগিদ দেন জাতীয় সংসদের এই শীর্ষ কর্মকর্তা। তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, গত বাহান্ন বছরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা ধরনের দ্বন্দ্ব ও সংঘাতে অনেক মূল্যবান সময় অপচয় হয়েছে, যা এখন আর কাম্য নয়। দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে এখন হানাহানি ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে। বর্তমান প্রজন্মকে একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধশালী ভবিষ্যৎ উপহার দেওয়ার দায়িত্ব দেশের প্রতিটি নাগরিকের রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সম্প্রতি বিভিন্ন মহলের আন্দোলন ও জ্বালানি খাতের নানা প্রসঙ্গ টেনে চিফ হুইপ বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির চাপ সামাল দিতে সরকার সাধ্যমতো ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি অনুকূলে রাখার চেষ্টা করছে। অথচ একটি কুচক্রী মহল কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দেশের কোটি কোটি সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে ফেলার পাঁয়তারা করছে। এই ধরনের জনবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দেশের সব স্তরের মানুষকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি, দেশের অবহেলিত উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন এবং সার্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগানোর ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।

সোরিয়াসিস ছোঁয়াচে রোগ নয়, চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সোরিয়াসিস ছোঁয়াচে রোগ নয়, চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব

সোরিয়াসিস ছোঁয়াচে রোগ নয়, চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ত্বকের গণ্ডি পেরিয়ে মানুষটিকে দেখুন বা লুক বিয়ন্ড মাই স্কিন প্রতিপাদ্য নিয়ে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব সোরিয়াসিস দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সোরিয়াসিস অ্যাওয়ারনেস ক্লাব ও বাংলাদেশ ডার্মাটোলজিস্ট সোসাইটির উদ্যোগে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে গিয়ে শেষ হয়। এই আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগের শিক্ষক, চিকিৎসক, রেসিডেন্ট, কর্মকর্তা, নার্স ও কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। শোভাযাত্রার পর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের লেকচার হলে একটি বিশেষ বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফএম সিদ্দিকী সোরিয়াসিস রোগ নিয়ে মানুষের ভুল ধারণার কথা তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে সোরিয়াসিস কোনো অবস্থাতেই কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। অনেক সময় আক্রান্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে পরিবারের সদস্য বা সমাজের মানুষ দূরত্ব বজায় রাখেন, যা মোটেও কাম্য নয়। এই ধরনের অবহেলা বা বৈষম্যমূলক আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন যে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে সংবেদনশীল ও স্বাভাবিক আচরণ করা উচিত। সাধারণ মানুষের মাঝে এই বার্তা ছড়িয়ে দিতে চিকিৎসক সমাজের পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদেরও জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে।

উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে এই রোগের শারীরিক জটিলতা এবং সঠিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি জানান যে সোরিয়াসিসে আক্রান্ত রোগীদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ পরবর্তীতে আর্থ্রাইটিসের সমস্যায় ভুগে থাকেন। প্রাথমিক অবস্থায় এই আর্থ্রাইটিস শনাক্ত করা সম্ভব হলে এবং সময়মতো সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে পরিস্থিতি ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিন্তু অবহেলা করা হলে এই আর্থ্রাইটিস মারাত্মক রূপ নিতে পারে এবং মানুষের মেরুদণ্ডসহ বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আক্রান্ত করে চলাচলের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে পারে। যুগের অগ্রগতির সঙ্গে এখন চিকিৎসাবিজ্ঞানে অনেক আধুনিক পদ্ধতি চলে এসেছে, যা ব্যবহার করে রোগীরা সুস্থ জীবন কাটাতে পারেন।

সেমিনারে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ডার্মাটোলজিস্টরা ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমি, রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. হালিমুর রশীদ এবং পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অফিসের পরিচালক অধ্যাপক ডা. এরফানুল হক সিদ্দিকী। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তিন শতাধিক চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে সেমিনারে অংশ নেন এবং সোরিয়াসিসের আধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতি ও মেডিক্যাল ম্যানেজমেন্ট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।