খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

দীর্ঘ বিরতির পর আবার পড়াশোনা, ৫২ বছরে শেফালীর এইচএসসি জয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:২০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দীর্ঘ বিরতির পর আবার পড়াশোনা, ৫২ বছরে শেফালীর এইচএসসি জয়

দীর্ঘ বিরতির পর আবার পড়াশোনা, ৫২ বছরে শেফালীর এইচএসসি জয়

শিক্ষা ডেস্ক: জীবনের পঞ্চান্ন বছর পেরিয়ে এসে শিক্ষার আলোয় নতুন এক ইতিহাস গড়লেন নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার কালিগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা শেফালী বেগম। দীর্ঘ শিক্ষাবিরতি, পারিবারিক নানা প্রতিবন্ধকতা এবং জীবনের শত ব্যস্ততাকে পেছনে ফেলে তিনি এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ চার দশমিক একুশ অর্জন করেছেন। তাঁর এই অভাবনীয় সাফল্য কেবল নিজের পরিবার নয়, বরং পুরো সমাজকে নতুন করে স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছে। এই বয়সে এসেও এমন সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, ইচ্ছা থাকলে প্রতিকূল পরিস্থিতি জয় করা সম্ভব।

শেফালী বেগমের শিক্ষাজীবনের এই পথচলা ছিল বেশ দীর্ঘ ও সংগ্রামমুখর। মাত্র দেড় বছর বয়সে ফুফাতো ভাই মোকছেদুল আলমের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল এবং ১৯৮৫ সালে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় তাঁকে স্বামীর বাড়িতে চলে যেতে হয়। এরপর থেকেই পড়াশোনার দীর্ঘ বিরতি শুরু হয় এবং তিনি সংসার ও সন্তানদের লালন-পালনে পুরোপুরি মনোনিবেশ করেন। তবে পারিবারিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি জনপ্রতিনিধি হিসেবেও সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ২০১১ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এলাকায় নেতৃত্ব দিয়েছেন।

পরিবারের পূর্ণ সমর্থন ও নিজের প্রবল ইচ্ছাশ জোরে ২০২০ সালে তিনি দীর্ঘদিনের সুপ্ত বাসনাকে বাস্তবে রূপ দিতে আবারও পড়াশোনা শুরু করেন। স্বামী ও সন্তানের উৎসাহে তিনি ডোমার উপজেলার গোমনাতি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজে ভর্তি হন এবং ২০২৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ চার দশমিক ঊনত্রিশ অর্জন করেন। কোনো ধরনের গৃহশিক্ষক ছাড়াই নিজের চেষ্টায় প্রতিদিন রাতের বেলা পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন তিনি, এমনকি অনেক সময় গভীর রাত পর্যন্ত জেগে পড়ালেখা করেছেন। তাঁর এই নিরলস পরিশ্রম ও ধৈর্যই তাঁকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে।

শেফালী বেগমের এই সাফল্যে তাঁর পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তাঁর স্বামী মোকছেদুল আলম জানিয়েছেন যে তারা সবসময় তাঁর পড়াশোনার পথে পাশে থেকেছেন এবং সংসারের কাজে সহযোগিতা করেছেন যাতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেন। অন্যদিকে তাঁর বড় ছেলে আব্দুর রাজ্জাক মায়ের এই অর্জনে নিজের আনন্দ প্রকাশ করে নিজেকে একজন সৌভাগ্যবান সন্তান হিসেবে অভিহিত করেছেন। শেফালী বেগম এখানেই থেমে থাকতে চান না, বরং তিনি এবার উচ্চশিক্ষার জন্য অনার্সে ভর্তি হয়ে সামনে আরও এগিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

advertisement
advertisement

এইচএসসিতে প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী ফেল কী কারণে?

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসিতে প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী ফেল কী কারণে?

এইচএসসিতে প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী ফেল কী কারণে?

শিক্ষা ডেস্ক: বাংলাদেশে সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিক বা এইচএসসি এবং সমমান পরীক্ষার ফলাফলে একটি বড় বিপর্যয় দেখা গেছে। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এবার পরীক্ষায় মাত্র বাহান্ন দশমিক বারো শতাংশ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পেরেছে। এর অর্থ হলো, অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের প্রায় অর্ধেকই এবার কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। দেশজুড়ে এমন ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষাবিদদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

পরীক্ষায় এমন বিপর্যয়ের পেছনে বিভিন্ন কারণ চিহ্নিত করেছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত পাঠদান ও ক্লাসে উপস্থিতির হার কমে যাওয়া এর অন্যতম প্রধান কারণ। এছাড়া করোনা পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অভ্যাস ও মনোনিবেশে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী কলেজমুখী না হয়ে ঘরোয়া কোচিং বা নোট গাইডের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল, যা তাদের প্রকৃত জ্ঞানার্জনে বাধা সৃষ্টি করেছে।

শিক্ষাবিদদের একাংশের মতে, পরীক্ষার মূল্যায়ন প্রক্রিয়া ও খাতা দেখার পদ্ধতিতে কিছু কড়াকড়ি বা পরিবর্তনের কারণেও পাসের হার হঠাৎ করে কমে যেতে পারে। সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের পরীক্ষা বা বিগত কয়েক বছরের বিশেষ ছাড়ের সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসার ফলে শিক্ষার্থীরা মানসম্মত প্রস্তুতি নিতে পারেনি। বিশেষ করে ইংরেজি ও গণিতের মতো মৌলিক বিষয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের ভীতি এবং দুর্বলতা বরাবরের মতোই এবারও বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

এই করুণ ফলাফলের পর দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। শিক্ষক এবং অভিভাবকদের পাশাপাশি নীতিনির্ধারকদেরও এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে আগামী দিনে এমন হতাশাজনক পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রোধ করা যায়। নিয়মিত তদারকি, ক্লাসে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং পাঠদানের মান বৃদ্ধির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন আরও সুরক্ষিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

পিএসসির নতুন সদস্য ড. শামীমা সুলতানার শপথ আগামীকাল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পিএসসির নতুন সদস্য ড. শামীমা সুলতানার শপথ আগামীকাল

পিএসসির নতুন সদস্য ড. শামীমা সুলতানার শপথ আগামীকাল

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের বা পিএসসির নতুন সদস্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়া অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা খুব শীঘ্রই আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। সাংবিধানিক এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে এবং এর কাজের পরিধি আরও সুচারুভাবে পরিচালনার উদ্দেশ্যে তাকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার এই যোগদান কমিশনকে তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে আরও বেশি শক্তিশালী করে তুলবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আগামী রবিবার বিকেল তিনটায় নবনিযুক্ত এই সদস্যকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। সুপ্রিম কোর্ট জাজেস লাউঞ্জে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও আনুষ্ঠানিক পরিবেশে এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হবে। অনুষ্ঠানটি সফলভাবে আয়োজনের জন্য সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট বিচারপতির পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সম্মানিত সদস্যরা উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এছাড়া সরকারের উচ্চপর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত বিশিষ্ট অতিথিরাও এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। অনুষ্ঠান শেষে নবনিযুক্ত সদস্য ড. শামীমা সুলতানা আনুষ্ঠানিকভাবে তার দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করবেন।

উল্লেখ্য, পিএসসির মতো একটি সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা এবং মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নতুন সদস্যদের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ড. শামীমা সুলতানার দীর্ঘ শিক্ষাজীবন ও কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা এই কমিশনের কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তার এই শপথগ্রহণের মধ্য দিয়ে পিএসসির নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় নতুন মাত্রা যোগ হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯ বিষয়ে কারিকুলাম আধুনিকায়নের কাজ শুরু

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯ বিষয়ে কারিকুলাম আধুনিকায়নের কাজ শুরু

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯ বিষয়ে কারিকুলাম আধুনিকায়নের কাজ শুরু

শিক্ষা ডেস্ক: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজসমূহের তিন বছর মেয়াদি স্নাতক বা পাস ডিগ্রি প্রোগ্রামের বিভিন্ন বিষয়ের শিক্ষাক্রম আধুনিক ও সময়োপযোগী করার নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মোট ১৯টি বিষয়ের সিলেবাস যুগোপযোগী করার কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশনস ফ্রেমওয়ার্ক অনুসরণ করে আউটকাম বেজড এডুকেশন ভিত্তিক এই কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক উন্নয়নের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। দেশের উচ্চশিক্ষার মান বৃদ্ধি এবং বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা তৈরির লক্ষ্যেই মূলত এই বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি গাজীপুরে অবস্থিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসের সিনেট হলে তিন বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি প্রোগ্রামের কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক উন্নয়ন শীর্ষক এই কার্যক্রমের শুভ সূচনা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর এই কার্যক্রমের পরবর্তী ধাপগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ও গবেষকরা এই সিলেবাস উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের যৌথ অংশগ্রহণে আধুনিক পাঠ্যসূচি প্রণয়নের এই কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ জানান যে শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যাপক সংস্কারমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অধ্যয়নরত প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী এবং প্রতিবছর পাস করা পাঁচ থেকে ছয় লাখ গ্র্যাজুয়েটের গুণগত মান নিশ্চিত করার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন। তাছাড়া আইন ও বিএডসহ বিভিন্ন বিষয়ের কারিকুলাম উন্নয়ন এবং অধিভুক্তি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের জটিলতা নিরসনেও কাজ চলমান রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

উপাচার্য আরও বলেন যে বিভিন্ন বিষয়ের মডেল প্রশ্নপত্র তৈরি এবং আধুনিক সিলেবাস প্রণয়নের ক্ষেত্রে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের আন্তরিক সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। নানা ধরনের পারিপার্শ্বিক চ্যালেঞ্জ ও চাপ থাকা সত্ত্বেও একটি বৈষম্যহীন, আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই যুগোপযোগী উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের তরুণ প্রজন্ম আধুনিক জ্ঞান ও প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করে অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক কর্মবাজারে নিজেদের সফলভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন যে কারিকুলাম প্রণয়ন, ভ্যালিডেশন ও তার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। তবে জাতির এই গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনে যেকোনো বাধা মোকাবিলা করে যুগান্তকারী এই উদ্যোগ সফল করতে প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যসহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা মূল্যবান বক্তব্য রাখেন।