খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সাত দফা না মানলে এক দফা অনিবার্য হয়ে উঠবে: কুষ্টিয়ায় শফিকুর রহমান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৫৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাত দফা না মানলে এক দফা অনিবার্য হয়ে উঠবে: কুষ্টিয়ায় শফিকুর রহমান

সাত দফা না মানলে এক দফা অনিবার্য হয়ে উঠবে: কুষ্টিয়ায় শফিকুর রহমান

রাজনীতি ডেস্ক: কুষ্টিয়ায় শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজিত ১১-দলীয় ঐক্যের লংমার্চের সমাপনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সেখানে আয়োজিত এই জনসভায় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য তুলে ধরেন রাজনৈতিক নেতারা। সরকারের পক্ষ থেকে এই দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা না হলে ভবিষ্যতে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান বলেন যে জনগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে পেশকৃত সাত দফা দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক। এই দাবিগুলো দ্রুত মেনে নেওয়ার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যথায় দেশের সাধারণ মানুষ অধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে চূড়ান্ত ও কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো অত্যন্ত জরুরি। অতীতে যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে এবং দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের ওপরও তিনি বিশেষ জোর দেন। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনৈতিক সংস্কারের বিকল্প নেই বলে তিনি মনে করেন।

সমাপনী এই জনসভায় বিভিন্ন দলীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। লংমার্চ ও জনসভার মাধ্যমে ১১-দলীয় ঐক্য তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি আরও জোরদার করার বার্তা দিয়েছে। আগামী দিনগুলোতে নিজেদের দাবি বাস্তবায়নের জন্য তারা দেশব্যাপী গণসংযোগ ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

advertisement
advertisement

ব্যাংক ‘লুট করে’ আটলান্টিকের ওপারে আবদুল হাই, বললেন ‘আমি বলির পাঁঠা’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৯:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ব্যাংক ‘লুট করে’ আটলান্টিকের ওপারে আবদুল হাই, বললেন ‘আমি বলির পাঁঠা’

ব্যাংক ‘লুট করে’ আটলান্টিকের ওপারে আবদুল হাই, বললেন ‘আমি বলির পাঁঠা’

অর্থনীতি ডেস্ক: রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে আলোচিত এক ব্যাংক কর্মকর্তার দেশত্যাগ ও বর্তমান অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিগত সরকারের পতনের বহু আগেই ২০২৩ সালের কোনো এক সময়ে তিনি বাংলাদেশ ত্যাগ করে আটলান্টিক মহাসাগরের অপর পারে চলে যান। পরবর্তীতে গত বছরের আগস্ট মাসের রাজনৈতিক পালাবদলের পর তার এই দেশত্যাগের বিষয়টি জনসমক্ষে আরও জোরালোভাবে আলোচিত হতে থাকে।

অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি দেশের ব্যাংক খাত থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ অনিয়মের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন। এই অর্থ কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ মাথায় নিয়ে তিনি বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন। তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা এই সমস্ত গুরুতর আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তিনি দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন এবং পুরো পরিস্থিতির জন্য নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ বলে দাবি করেছেন।

গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে আবদুল হাই দাবি করেন যে, তিনি কোনো ধরনের আর্থিক অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না বরং তাকে পরিকল্পিতভাবে একটি বড় চক্রের বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে। তার মতে, একটি প্রভাবশালী মহলের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে তাকে সমস্ত অন্যায়ের দায়ভার নিতে বাধ্য করা হচ্ছে এবং তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রচার করা হচ্ছে।

ব্যাংকিং খাতে সংঘটিত বিভিন্ন জালিয়াতি ও অর্থ পাচারের ঘটনার পর অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও কর্মকর্তা দেশ ছেড়ে চলে গেছেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এই তালিকায় আবদুল হাইয়ের নামও জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করছে।

শৌখিন থিয়েটারের নতুন নাটক ‘পালিয়ে বেড়ায়’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৯:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শৌখিন থিয়েটারের নতুন নাটক ‘পালিয়ে বেড়ায়’

শৌখিন থিয়েটারের নতুন নাটক ‘পালিয়ে বেড়ায়’

ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের নাট্যাঙ্গনে নতুন কাজের অংশ হিসেবে মঞ্চে আসছে নাট্যদল শৌখিন থিয়েটারের নতুন নাটক পালিয়ে বেড়ায়। খ্যাতিমান নাট্যকার মনোজ মিত্রের রচনায় এই নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন হামিদুর রহমান পাপ্পু। এটি এই নাট্যদলের দ্বাদশ প্রযোজনা হিসেবে মঞ্চে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে এই নাটকের উদ্বোধনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।

মনোজ মিত্রের এই নাটকটিতে মূলত মানুষের মনস্তত্ত্ব, পলায়নপর মানসিকতা এবং বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ের নানা দিক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। নাটকের মূল চরিত্র রূপচাঁদ একজন ভবঘুরে ও শিকড়ছেঁড়া মানুষ, যাকে সমাজ ও সংসার অপদার্থ হিসেবে দেখে। জীবনের কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্য কিংবা স্থায়ীভাবে বসবাসের ইচ্ছা তার মধ্যে নেই। দায়িত্ব এবং জটিল সংকটের মুখোমুখি হওয়ার পরিবর্তে সে বারবার জীবন থেকে পালিয়ে বেড়ানোর পথ বেছে নেয়।

রূপচাঁদের এই পলায়ন কেবল স্থান পরিবর্তন নয়, বরং তার ভেতরের ভয়, অসহায়ত্ব ও বাস্তবতাকে অস্বীকার করার প্রবণতা প্রকাশ করে। জীবনের নানা পর্যায়ে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের জীবনসংগ্রাম, স্বার্থপরতা ও সম্পর্কের টানাপোড়েন উন্মোচিত হয়। নির্দেশক হামিদুর রহমান পাপ্পু জানিয়েছেন যে এই নাটকে প্রান্তিক মানুষের জীবন এবং সমাজের অসংগতি গভীর জীবনদর্শনের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।

নাটকটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন দীপু মাহমুদ, জাবেদ হামিদ, জয়া আহমেদ, রায়হান হোসেন, রাশিদুল হাসান লিটনসহ আরও অনেকে। এর মঞ্চ ও আলোক পরিকল্পনার দায়িত্ব পালন করছেন ফজলে রাব্বি সুকর্ণ। এছাড়া পোশাক ও রূপসজ্জা পরিকল্পনা করেছেন শুভাশীষ দত্ত তন্ময় এবং সংগীত পরিচালনা ও কোরিওগ্রাফি করেছেন মো. আলমগীর।

বাবাকে হারিয়ে দিনমজুর, সেই আরাফাত পেলেন জিপিএ-৫

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাবাকে হারিয়ে দিনমজুর, সেই আরাফাত পেলেন জিপিএ-৫

বাবাকে হারিয়ে দিনমজুর, সেই আরাফাত পেলেন জিপিএ-৫

শিক্ষা ডেস্ক: অভাব-অনটনকে পেছনে ফেলে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি পরীক্ষায় অসামান্য ফলাফল অর্জন করেছেন মো. আরাফাত। এলাকার মানুষের কাছে তিনি কেবল একজন দিনমজুর হিসেবেই পরিচিত ছিলেন, যিনি পেটের টানে কায়িক পরিশ্রম করতেন। তবে সকল প্রতিকূলতাকে জয় করে তিনি এবার পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন, যা স্থানীয়বাসীর মধ্যে দারুণ আনন্দের সৃষ্টি করেছে।

পরিবারের বড় ছেলেকে হারাতে হয়েছে অনেক আগেই। জীবিকার তাগিদে এবং সংসারের হাল ধরতে পড়াশোনার পাশাপাশি কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে তাকে। প্রতিদিনের শারীরিক পরিশ্রান্তির পরও বইয়ের সঙ্গে তার গভীর মিতালি ছিল অটুট। একটু সুযোগ পেলেই তিনি পড়াশোনায় মন দিতেন, যা তার এই সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।

আরাফাতের এই সাফল্যে তার পরিবার ও শিক্ষকরা অত্যন্ত আনন্দিত। তারা জানান, নানা ধরনের সামাজিক ও আর্থিক সংকট মোকাবিলা করে আরাফাত যে ধৈর্য ও মেধার পরিচয় দিয়েছেন, তা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। তার এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং আশপাশের বহু তরুণের জন্য একটি দারুণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

উচ্চশিক্ষার পথচলা বেশ দীর্ঘ এবং কণ্টকাকীর্ণ হলেও আরাফাত নিজের লক্ষ্য থেকে সরে দাঁড়াতে চান না। সমাজের বিত্তবান ও সহানুভূতিশীল মানুষ পাশে দাঁড়ালে তিনি তার উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন। অদম্য এই তরুণ প্রমাণ করেছেন যে, প্রবল ইচ্ছা থাকলে অভাবের বেড়াজাল ভেঙেও সফলতার শিখরে পৌঁছানো সম্ভব।