খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

তিস্তা চুক্তির আশা বাদ দিতে হবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তিস্তা চুক্তির আশা বাদ দিতে হবে

তিস্তা চুক্তির আশা বাদ দিতে হবে

জাতীয় ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা একপ্রকার শেষ বললেই চলে। বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে এই চুক্তি কেবল আলোচনার টেবিলেই সীমাবদ্ধ রয়েছে এবং কোনো স্থায়ী সমাধান মেলেনি। ভারতের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় নানা অজুহাত দেখানো হলেও মূলত তাদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত নদী সংযোগ প্রকল্পের কারণেই এই চুক্তি আলোর মুখ দেখছে না। ফলে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য তিস্তা চুক্তি নিয়ে নতুন করে কোনো আশা করা বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়।

উজানে ভারতের বিভিন্ন একতরফা পদক্ষেপের কারণে তিস্তার স্বাভাবিক প্রবাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ভারত গজলডোবা বাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি আরও বেশ কিছু স্থাপনা তৈরি করে শুষ্ক মৌসুমে সম্পূর্ণ পানি একতরফাভাবে সরিয়ে নিচ্ছে। এর ফলে ডিমলা, জলঢাকা, রংপুর ও গাইবান্ধা সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ৫ হাজারের বেশি গ্রামের মানুষ চরম বিপাকে পড়েছে। নদী শুকিয়ে যাওয়ায় শুধু সেচ কার্যক্রমই ব্যাহত হচ্ছে না, বরং বরেন্দ্র অঞ্চলসহ সমগ্র ভাটি এলাকায় ধীরে ধীরে মরূকরণের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

নদীর পানি না থাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে গেছে এবং তিস্তা অববাহিকার জীববৈচিত্র্য আজ ধ্বংসের মুখে। একসময়ের প্রমত্তা তিস্তা নদী এখন শুষ্ক মৌসুমে প্রায় পানিশূন্য হয়ে বালুচরে পরিণত হয়। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে করতোয়া, ঘাঘট, যমুনেশ্বরী ও বুড়িতিস্তাসহ অন্যান্য শাখা নদীগুলোর ওপরও। ফলস্বরূপ, হাজার হাজার হেক্টর জমির চাষাবাদ বন্ধ রয়েছে এবং নদীকেন্দ্রিক মৎস্যসম্পদ ও জলজ জীবন বিলুপ্তির পথে চলে গেছে।

আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের নীতিমালার তোয়াক্কা না করে ভারত একতরফাভাবে নদীর পানি সরিয়ে নিলেও বাংলাদেশ কূটনৈতিকভাবে এর কার্যকর প্রতিকার পাচ্ছে না। তাই এই দীর্ঘমেয়াদি সংকট থেকে উত্তরণের জন্য বাংলাদেশকে এখন নিজেদের অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বাড়াতে হবে। ডালিয়া পয়েন্ট থেকে সুন্দরগঞ্জ পর্যন্ত ১১৫ কিলোমিটার নদীর প্রশস্ততা কমিয়ে এবং শাখানদীগুলো খনন করে পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করা জরুরি। নিজেদের নদী বাঁচানোর দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হবে, কারণ প্রতিবেশী দেশের ওপর ভরসা করে বসে থাকলে দেশের উত্তরাঞ্চল সম্পূর্ণ পানিশূন্য হয়ে পড়বে।

advertisement
advertisement

সোনার দামে বড় লাফ, ভরি এখন কত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সোনার দামে বড় লাফ, ভরি এখন কত

সোনার দামে বড় লাফ, ভরি এখন কত

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের বাজারে মূল্যবান ধাতু সোনার দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। এর আগে গত কিছুদিন দাম কিছুটা কমানো হলেও সম্প্রতি বড় ব্যবধানে তা আবার বাড়ল। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী দেশের বাজারে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ বিশ হাজার আটশ আটান্ন টাকা। ক্রেতাদের এই নির্ধারিত মূল্যেই সোনা কিনতে হবে এবং নতুন এই হার সকাল থেকেই কার্যকর করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

শুধু ২২ ক্যারেট নয় বরং অন্যান্য মানের সোনায়ও দামের পরিবর্তন আনা হয়েছে। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা দুই লাখ দশ হাজার নয়শ তিপ্পান্ন টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এক লাখ একাশি হাজার দুইশ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ আটচল্লিশ হাজার ষোলো টাকা।

স্বর্ণালংকার বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত ভ্যাট ও মজুরি সংক্রান্ত নীতিমালা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। গ্রাহকদের অলংকার কেনার সময় ভ্যাট পরিশোধ করতে হবে এবং বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে তা যুক্ত থাকায় আলাদা করে কোনো অর্থ নেওয়া যাবে না। তবে সোনার দাম বাড়লেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন হয়নি এবং আগের নির্ধারিত মূল্যেই রুপা বিক্রি হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে শুরু হচ্ছে এআই বিষয়ক সার্টিফিকেট কোর্স

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে শুরু হচ্ছে এআই বিষয়ক সার্টিফিকেট কোর্স

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে শুরু হচ্ছে এআই বিষয়ক সার্টিফিকেট কোর্স

শিক্ষা ডেস্ক: আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে করপোরেট পেশাজীবীদের দক্ষতা বাড়াতে একটি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। পরিবর্তিত ব্যবসায়িক পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে করপোরেট নির্বাহীদের জন্য ছয় সপ্তাহ মেয়াদি একটি বিশেষ সার্টিফিকেট কোর্স চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্রোগ্রামটি মূলত ডিজিটাল যুগে ব্যবস্থাপকদের প্রযুক্তিগত সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাস্তবমুখী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কৌশলে দক্ষ করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সাজানো হয়েছে। বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজারে টিকে থাকতে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পেশাজীবীদের কর্মক্ষেত্রে আরও বেশি উদ্ভাবনী ও আধুনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ছয় সপ্তাহের এই নিবিড় প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে আধুনিক ব্যবসা ব্যবস্থাপনায় জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তবমুখী ব্যবহার, প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং স্বয়ংক্রিয় কর্মপদ্ধতি পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। অংশগ্রহণকারীরা ব্যবসায়িক চিঠিপত্র তৈরি, উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেলের সঠিক প্রয়োগ সম্পর্কে বিস্তারিত শিখবেন। এ ছাড়া ব্যক্তিগত ও করপোরেট প্রম্পট লাইব্রেরি তৈরি, দৈনন্দিন কাজ স্বয়ংক্রিয় করা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক দল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা।

এই কোর্সে অংশ নিতে হলে প্রার্থীদের যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রির পাশাপাশি অন্তত পাঁচ বছরের পেশাগত কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, তবে ব্যতিক্রমী যোগ্যতার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা শিথিলযোগ্য। কোর্সটিতে ভর্তির জন্য আগ্রহীদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে এবং প্রাথমিক বাছাইয়ের পর নির্বাচিতদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। চূড়ান্তভাবে মনোনীত প্রার্থীদের জন্য কোর্স ফি নির্ধারণ করা হয়েছে চল্লিশ হাজার টাকা এবং প্রতিটি ক্লাসে অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের নিজ দায়িত্বে ল্যাপটপ সঙ্গে আনতে হবে।

আইবিএ ভবন সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সেকশন অনুযায়ী ক্লাসগুলোতে প্রতি সপ্তাহের ছুটির দিনগুলোতে তিন ঘণ্টা করে মোট বারোটি ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। কোর্স সম্পর্কিত যেকোনো ধরনের বিস্তারিত তথ্য ও সহায়তার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ ভবনের চতুর্থ তলার নির্দিষ্ট কার্যালয়ে বা প্রদত্ত যোগাযোগ নম্বরে সরাসরি যোগাযোগ করা যাবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগের ফলে দেশের করপোরেট খাতের ব্যবস্থাপকরা বিশ্বমানের প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন এবং দেশের সার্বিক ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপনায় এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

রাজশাহী কর আপিল অঞ্চলে চাকরির সুযোগ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাজশাহী কর আপিল অঞ্চলে চাকরির সুযোগ

রাজশাহী কর আপিল অঞ্চলে চাকরির সুযোগ

চাকরি ডেস্ক: রাজশাহী কর আপিল অঞ্চলের কার্যালয়ে জনবল নিয়োগের জন্য নতুন একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। সরকারি এই প্রতিষ্ঠানে ১৩ থেকে ২০ গ্রেডের বিভিন্ন পদে মোট এগারো জনকে চাকরি দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। দেশের চাকরিপ্রার্থীদের জন্য এটি একটি চমৎকার সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বিভিন্ন পদে যোগ্য প্রার্থী নিয়োগ করা হবে। পদের তালিকায় রয়েছে ব্যক্তিগত সহকারী, উচ্চমান সহকারী, সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক এবং অফিস সহায়ক পদ। পদভেদে বেতন স্কেল নির্ধারিত হয়েছে এবং ভিন্ন ভিন্ন গ্রেডে এই বেতন প্রদান করা হবে।

আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ২৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখের মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে ফরম পূরণের মাধ্যমে প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন এবং পদের ধরন অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণে আবেদন ফি জমা দিতে হবে।

এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাজশাহী কর আপিল অঞ্চলে শূন্য পদগুলো পূরণ করা হবে। যারা সরকারি চাকরির প্রত্যাশায় আছেন, তারা সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। বিস্তারিত তথ্য এবং নির্দেশনার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা প্রকাশিত মূল বিজ্ঞপ্তি দেখে নেওয়া যেতে পারে।