খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ত্বককে আরও তরুণ দেখাতে কী খাবেন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ত্বককে আরও তরুণ দেখাতে কী খাবেন

ত্বককে আরও তরুণ দেখাতে কী খাবেন

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ত্বকের তারুণ্য বজায় রাখতে এবং বলিরেখা দূর করতে খাবারের তালিকায় বিশেষ কিছু পরিবর্তন আনা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক খাদ্যাভ্যাস কেবল শরীরের ভেতর থেকেই পুষ্টি জোগায় না, বরং ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত সঠিক পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করলে ত্বকের গঠন উন্নত হয় এবং বয়স বাড়ার ছাপ সহজে পড়তে পারে না।

আমাদের ত্বকের প্রধান প্রোটিন হলো কোলাজেন, যা ত্বককে টানটান ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করে। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরে কোলাজেনের মাত্রা কমতে শুরু করে, যার ফলে ত্বক কুঁচকে যায়। তবে উদ্ভিদভিত্তিক খাবার নিয়মিত খাওয়ার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াকে ধীর করা সম্ভব। তাজা শাকসবজি, ফলমূল এবং নানা ধরনের বাদাম ও বীজ কোলাজেন উৎপাদন বাড়াতে বিশেষভাবে কার্যকরী।

খাদ্যতালিকায় স্বাস্থ্যকর চর্বি বা ফ্যাট অন্তর্ভুক্ত করাও ত্বকের সুরক্ষার জন্য সমানভাবে প্রয়োজন। এ ছাড়া দই বা কিমচির মতো গাঁজানো খাবার পরিপাকতন্ত্রের পাশাপাশি ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে দারুণ কাজ করে। এসব খাবার অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি করে, যা পরোক্ষভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা ও সতেজতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

সামগ্রিকভাবে, ত্বককে দীর্ঘকাল তরুণ ও বলিরেখা মুক্ত রাখতে প্রসেসড খাবারের পরিবর্তে প্রাকৃতিক ও পুষ্টিকর উপাদানের ওপর জোর দেওয়া উচিত। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পানের পাশাপাশি উদ্ভিজ্জ খাবার, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং গাঁজানো খাবারের সঠিক সমন্বয়ে তৈরি ডায়েট আপনার ত্বককে রাখবে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত।

advertisement
advertisement

খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল অত্যন্ত হতাশাজনক এবং পাসের হার শূন্য, সেগুলোকে কঠোর জবাবদিহির আওতায় নিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এই ফলাফলের পরিসংখ্যান প্রকাশের পর থেকেই দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই পরিস্থিতিতে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্টদের প্রতি কড়া বার্তা দিয়েছেন। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিষ্ক্রিয়তা দূর করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর দেশের মোট ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি, অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানের পাসের হার সম্পূর্ণ শূন্য। অথচ এর আগের বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি, যা থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে বিগত বছরের তুলনায় এবার ফলাফল বিপর্যয় ঘটা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এক লাফে একানব্বইটি বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা মাত্র ১৩৯টিতে এসে ঠেকেছে। সামগ্রিক এই পরিসংখ্যান দেশের সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থার মান ও তদারকির ওপর এক বড় ধরনের প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছে।

এই শোচনীয় ফলাফলের নেপথ্যের কারণ উদঘাটন এবং দায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নড়েচড়ে বসেছে শিক্ষা প্রশাসন। শিক্ষামন্ত্রী তাঁর ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি জরুরি নির্দেশনা জারি করেছেন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এই ধরনের শূন্য পাস করা এবং আশঙ্কাজনকভাবে খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

শিক্ষাবিদ ও সচেতন মহল মনে করছেন, শিক্ষার মানের এই অবনতি রোধ করতে হলে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিয়মিত নজরদারি এবং শিক্ষকদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। যেসব প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এনে দিতে ব্যর্থ হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি একাডেমিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার কোনো বিকল্প নেই। সংশ্লিষ্ট মহলের আশা, শিক্ষা প্রশাসনের এই তদারকি ও কঠোর পদক্ষেপের ফলে আগামীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পাঠদান প্রক্রিয়া আরও দায়িত্বশীল ও কার্যকর করতে বাধ্য হবে।

বাংলাদেশে আসছেন মুফতি তাকি উসমানি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশে আসছেন মুফতি তাকি উসমানি

বাংলাদেশে আসছেন মুফতি তাকি উসমানি

ধর্ম ডেস্ক: মুসলিম বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় আলেম ও পাকিস্তানের বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়ার সভাপতি মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি খুব শীঘ্রই বাংলাদেশ সফরে আসছেন। আগামী ২২ নভেম্বর তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে এবং সফর শেষে আগামী ২৮ নভেম্বর তার নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে। রাজধানীর শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক ও শাইখুল হাদিস মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসলামি অর্থনীতি, ফিকহ ও হাদিস শাস্ত্রের গবেষক হিসেবে তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে এবং তিনি পাকিস্তানের দারুল উলুম করাচির মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের শরিয়াহ আপিল বেঞ্চের সাবেক বিচারপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।

তার এই সফরকে কেন্দ্র করে ঢাকার বিভিন্ন মহলে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের উদ্যোগে আয়োজিত ১৫ সালা দস্তারবন্দী মহাসম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন এই বিশিষ্ট আলেম। আগামী ২২ নভেম্বর বাদ জোহর রাজধানীর কাওলা নামাপাড়ায় এই মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই বড় ধর্মীয় আয়োজন ছাড়াও তার ঢাকা সফরকালে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামে কেরাম ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত থাকবেন।

এই মহাসম্মেলনে মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি ছাড়াও পাকিস্তানের আরও একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তিনি হলেন পাকিস্তানের বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়ার মহাসচিব এবং মুলতানের খাইরুল মাদারিসের মুহতামিম মাওলানা হানিফ জালন্ধরী। বিদেশি এসব খ্যাতনামা আলেমের উপস্থিতি এই মহাসম্মেলনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষ এই সম্মেলনে অংশ নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানির মতো একজন বিশ্বমানের ইসলামি গবেষক ও বিচারপতির আগমন বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মাঝে দারুণ উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। তার এই সফর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের আলেম সমাজের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। সফরকালীন কর্মসূচিগুলো সফল ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে।

সিরিজ হেরে ওয়ার্নারের কাঠগড়ায় অস্ট্রেলিয়া

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরিজ হেরে ওয়ার্নারের কাঠগড়ায় অস্ট্রেলিয়া

সিরিজ হেরে ওয়ার্নারের কাঠগড়ায় অস্ট্রেলিয়া

খেলা ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট সিরিজ হারের পর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া দল। কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের শেষ ম্যাচে প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত লিড পাওয়ার পরও জয় তুলে নিতে ব্যর্থ হয় সফরকারী দল। স্বাগতিকদের বিপক্ষে এই শোচনীয় পরাজয়ের পর থেকেই ক্রিকেট মহলে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। বিশেষ করে অজি ব্যাটারদের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন পারফরম্যান্স মেনে নিতে পারছেন না দেশের সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। প্যাট কামিন্সের দলের এই হতাশাজনক ফলাফলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সফল ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারও।

ম্যাচটিতে জয়ের জন্য ২৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১১১ রানেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ানরা। এর ফলে ১৭৬ রানের বড় জয় নিয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডেভিড ওয়ার্নার দলের এমন ব্যাটিং বিপর্যয়ের কঠোর সমালোচনা করেন। তাঁর মতে, ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে জয় ছিনিয়ে আনার মতো ন্যূনতম লড়াইয়ের মানসিকতাও দেখাতে পারেনি অজি ব্যাটাররা। দলের এমন আত্মসমর্পণমূলক হারকে তিনি লজ্জাজনক ও অস্ট্রেলীয় সংস্কৃতির পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেন।

ওয়ার্নার আরও উল্লেখ করেন যে, পুরো সিরিজ জুড়েই ব্যাটাররা তাদের বাজে পারফরম্যান্স দিয়ে বোলারদের চরম হতাশ করেছেন। প্রথম টেস্টে ম্যাট রেনশ কিছুটা লড়াইয়ের মানসিকতা প্রদর্শন করলেও সামগ্রিক ব্যাটিং ছিল হতাশাজনক। বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে কাগিসো রাবাদার বলে রেনশের দায়িত্বজ্ঞানহীন শট নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এই সাবেক ওপেনার। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের সামনে অজিদের এই আত্মসমর্পণের পেছনে কৌশলগত ঘাটতিও দায়ী বলে মনে করেন তিনি। স্বাগতিকদের পক্ষে সাইমন হারমার ও কাগিসো রাবাদার দুর্দান্ত বোলিং আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি সফরকারীরা।

ম্যাচের এক পর্যায়ে ক্যামেরন গ্রিন ও নাথান লায়ন কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও তা জয় এনে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল না। গ্রিনের ভুল কলের কারণে জশ ইংলিস রানআউট হয়ে ফিরে গেলে দলের পরাজয় ত্বরান্বিত হয়। গ্রিনের ওই ভুল সিদ্ধান্তটির কড়া সমালোচনা করেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক গ্রায়েম স্মিথও। এই জয়ের সুবাদে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থান দখল করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, আর অস্ট্রেলিয়া নেমে গেছে তিন নম্বরে। সিরিজ হারের এই ক্ষত কাটিয়ে উঠতে অজিদের কৌশলগত জায়গায় বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।