খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

এআই-স্মার্ট স্পিকার কি সবই শোনে?

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এআই-স্মার্ট স্পিকার কি সবই শোনে?

এআই-স্মার্ট স্পিকার কি সবই শোনে?

প্রযুক্তি ডেস্ক: আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ ও গতিশীল করতে বাজারে এসেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন স্মার্ট স্পিকার। ঘরের কোণে বা টেবিলে বসে থাকা এই ডিভাইসগুলো সারাক্ষণ আমাদের কথপোকথন ও আশপাশের শব্দ শুনতে থাকে। ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন কাজ করার সুবিধা দিলেও এর পেছনে রয়েছে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা হারানোর বড় ধরনের ঝুঁকি। এসব ডিভাইসের সংবেদনশীল মাইক্রোফোন ঘরের সব ধরনের গোপনীয় আলাপও ধারণ করতে পারে কি না, তা নিয়ে প্রযুক্তিপ্রেমীদের মনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্মার্ট স্পিকারের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সঠিকভাবে কাজ করার জন্য ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বর ও নির্দেশ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। তবে এই প্রক্রিয়ার আড়ালে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য এবং ঘরোয়া কথোপকথন রেকর্ড হয়ে যাওয়ার শঙ্কা থেকেই যায়। প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তথ্য সুরক্ষার দাবি করলেও অনেকেই মনে করেন যে এই ধরনের প্রযুক্তি মানুষের ব্যক্তিগত পরিসরে একধরনের অনধিকার প্রবেশ। বিশেষ করে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা প্রায়ই এই বিষয়গুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন।

শুধু গোপনীয়তার প্রশ্নই নয়, আধুনিক এআই স্পিকারগুলোর উন্নত ও আকর্ষণীয় ফিচারগুলো ব্যবহারের জন্য এখন মাসিক বা বার্ষিক সাবস্ক্রিপশন ফি গুণতে হয়। সাধারণ সেবার বাইরে বিশেষ সুবিধা পেতে ব্যবহারকারীদের নিয়মিত অর্থ পরিশোধ করতে বাধ্য করা হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে বাড়তি খরচের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ফলে প্রযুক্তিপ্রেমীরা সুবিধা এবং খরচের ভারসাম্য রক্ষা করতে গিয়ে নানা দ্বিধাদ্বন্দ্বের মুখোমুখি হচ্ছেন।

প্রযুক্তির এই আধুনিক উৎকর্ষ একদিকে যেমন আমাদের জীবনযাত্রাকে আরামদায়ক করে তুলেছে, অন্যদিকে তেমনি তৈরি করছে নতুন সব চ্যালেঞ্জ। তাই এই ধরনের ডিভাইস ব্যবহারের আগে এর গোপনীয়তা নীতি এবং অতিরিক্ত খরচ সম্পর্কে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি। ব্যবহারকারীদের নিজেদের সুরক্ষার স্বার্থেই প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্ক ও বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন।

advertisement
advertisement

সৌদি রুটে ১৬৫ ফ্লাইট ব্যাহত, ভোগান্তিতে প্রায় ২৩ হাজার যাত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সৌদি রুটে ১৬৫ ফ্লাইট ব্যাহত, ভোগান্তিতে প্রায় ২৩ হাজার যাত্রী

সৌদি রুটে ১৬৫ ফ্লাইট ব্যাহত, ভোগান্তিতে প্রায় ২৩ হাজার যাত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরের ফ্লাইট পরিচালনার নিয়মে কড়াকড়ি ও নানা ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করায় বাংলাদেশ ও মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটির মধ্যকার বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপত্তি দেখা দিয়েছে। এর ফলে ঢাকা এবং অন্যান্য আঞ্চলিক কেন্দ্র থেকে সৌদি আরবগামী ১৬৫টি সরাসরি ও ট্রানজিট ফ্লাইট সময়মতো চলাচল করতে পারেনি। ফ্লাইট বাতিলের পাশাপাশি শিডিউল বিপর্যয়ের এই ঘটনায় আকাশপথে যাতায়াতকারী সাধারণ প্রবাসীরা চরম অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ করে উদ্ভূত এই ফ্লাইট সংকটের কারণে প্রায় ২৩ হাজার যাত্রী চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে অনেকেই বিমানবন্দরগুলোতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকে আবার কাজের মেয়াদ বা ছুটির সময়সীমা নিয়ে মারাত্মক উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে প্রবাসী শ্রমিক এবং ওমরাহ যাত্রীরা এই শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে সবচেয়ে বেশি আর্থিক ও মানসিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

বিমান চলাচল খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সৌদি কর্তৃপক্ষের প্রবর্তিত নতুন নিয়মকানুন এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের নানা জটিলতার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণত হজ ও ওমরাহ মৌসুম কিংবা পর্যটন মরশুমে অতিরিক্ত বিমান চলাচলের চাপে বিমানবন্দরের কার্যক্রমে এমন স্থবিরতা দেখা দেয়। তবে এই ধরনের আকস্মিক বিধিনিষেধ আরোপের ফলে আন্তর্জাতিক রুটের যাত্রীদের স্বাভাবিক চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং এয়ারলাইন্সগুলোও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং আটকে পড়া যাত্রীদের দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছে দিতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলো যৌথভাবে কাজ করছে বলে জানা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের বিকল্প ফ্লাইটে আসন বরাদ্দ দেওয়া কিংবা টিকিটের অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, দ্রুত এই জটিলতার অবসান ঘটবে এবং সৌদি আরব রুটে আকাশপথের যোগাযোগ পুনরায় পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল অত্যন্ত হতাশাজনক এবং পাসের হার শূন্য, সেগুলোকে কঠোর জবাবদিহির আওতায় নিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এই ফলাফলের পরিসংখ্যান প্রকাশের পর থেকেই দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই পরিস্থিতিতে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্টদের প্রতি কড়া বার্তা দিয়েছেন। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিষ্ক্রিয়তা দূর করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর দেশের মোট ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি, অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানের পাসের হার সম্পূর্ণ শূন্য। অথচ এর আগের বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি, যা থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে বিগত বছরের তুলনায় এবার ফলাফল বিপর্যয় ঘটা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এক লাফে একানব্বইটি বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা মাত্র ১৩৯টিতে এসে ঠেকেছে। সামগ্রিক এই পরিসংখ্যান দেশের সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থার মান ও তদারকির ওপর এক বড় ধরনের প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছে।

এই শোচনীয় ফলাফলের নেপথ্যের কারণ উদঘাটন এবং দায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নড়েচড়ে বসেছে শিক্ষা প্রশাসন। শিক্ষামন্ত্রী তাঁর ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি জরুরি নির্দেশনা জারি করেছেন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এই ধরনের শূন্য পাস করা এবং আশঙ্কাজনকভাবে খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

শিক্ষাবিদ ও সচেতন মহল মনে করছেন, শিক্ষার মানের এই অবনতি রোধ করতে হলে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিয়মিত নজরদারি এবং শিক্ষকদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। যেসব প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এনে দিতে ব্যর্থ হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি একাডেমিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার কোনো বিকল্প নেই। সংশ্লিষ্ট মহলের আশা, শিক্ষা প্রশাসনের এই তদারকি ও কঠোর পদক্ষেপের ফলে আগামীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পাঠদান প্রক্রিয়া আরও দায়িত্বশীল ও কার্যকর করতে বাধ্য হবে।

বাংলাদেশে আসছেন মুফতি তাকি উসমানি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশে আসছেন মুফতি তাকি উসমানি

বাংলাদেশে আসছেন মুফতি তাকি উসমানি

ধর্ম ডেস্ক: মুসলিম বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় আলেম ও পাকিস্তানের বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়ার সভাপতি মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি খুব শীঘ্রই বাংলাদেশ সফরে আসছেন। আগামী ২২ নভেম্বর তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে এবং সফর শেষে আগামী ২৮ নভেম্বর তার নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে। রাজধানীর শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক ও শাইখুল হাদিস মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসলামি অর্থনীতি, ফিকহ ও হাদিস শাস্ত্রের গবেষক হিসেবে তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে এবং তিনি পাকিস্তানের দারুল উলুম করাচির মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের শরিয়াহ আপিল বেঞ্চের সাবেক বিচারপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।

তার এই সফরকে কেন্দ্র করে ঢাকার বিভিন্ন মহলে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের উদ্যোগে আয়োজিত ১৫ সালা দস্তারবন্দী মহাসম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন এই বিশিষ্ট আলেম। আগামী ২২ নভেম্বর বাদ জোহর রাজধানীর কাওলা নামাপাড়ায় এই মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই বড় ধর্মীয় আয়োজন ছাড়াও তার ঢাকা সফরকালে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামে কেরাম ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত থাকবেন।

এই মহাসম্মেলনে মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি ছাড়াও পাকিস্তানের আরও একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তিনি হলেন পাকিস্তানের বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়ার মহাসচিব এবং মুলতানের খাইরুল মাদারিসের মুহতামিম মাওলানা হানিফ জালন্ধরী। বিদেশি এসব খ্যাতনামা আলেমের উপস্থিতি এই মহাসম্মেলনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষ এই সম্মেলনে অংশ নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানির মতো একজন বিশ্বমানের ইসলামি গবেষক ও বিচারপতির আগমন বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মাঝে দারুণ উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। তার এই সফর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের আলেম সমাজের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। সফরকালীন কর্মসূচিগুলো সফল ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে।