খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

কিশোরী বয়সেই শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী, রাজপুত্রকে চুম্বন থেকে প্রেমে গৃহত্যাগ: পদ্মিনী কোলহাপুরের বর্ণময় জীবন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কিশোরী বয়সেই শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী, রাজপুত্রকে চুম্বন থেকে প্রেমে গৃহত্যাগ: পদ্মিনী কোলহাপুরের বর্ণময় জীবন

পদ্মিনী কোলহাপুরে। এক্স থেকে

ভারতের হিন্দি চলচ্চিত্রের আশির দশকের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ পদ্মিনী কোলহাপুরের আজ ১ নভেম্বর জন্মদিন। ১৯৬৫ সালের ১ নভেম্বর মহারাষ্ট্রের এক সাঙ্গীতিক পরিবারে জন্ম নেন তিনি। তাঁর পিতা পণ্ডিত পণ্ডরীনাথ কোলহাপুরে ছিলেন বিশিষ্ট সুরসাধক। কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী লতা মঙ্গেশকর ও আশা ভোসলে সম্পর্কে তাঁর আত্মীয়। তিন বোনের মধ্যে মেজ পদ্মিনী শৈশবে গায়িকা হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন এবং দুই প্রখ্যাত পিসির দলের সঙ্গে কোরাসেও অংশ নেন; এমনকি নিজের কয়েকটি চলচ্চিত্রে কণ্ঠদানও করেন। তবে ভাগ্য তাঁকে টেনে নিয়ে যায় রূপালি পর্দায়। তাঁর বড় বোন শিবাঙ্গী কোলহাপুরের স্বামী অভিনেতা শক্তি কাপুর এবং তাঁদের মেয়ে অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুর; কনিষ্ঠ বোন তেজস্বিনীও অভিনয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত। মাত্র সাত বছর বয়সে ১৯৭২ সালে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়ের খাতায় নাম লেখান পদ্মিনী। ‘ইশক ইশক ইশক’, ‘জিন্দেগি’ ও ‘ড্রিম গার্ল’-এ ছোট চরিত্রে রূপদানের পর ১৯৭৮ সালে রাজ কাপুরের ‘সত্যম শিবম সুন্দরম’ চলচ্চিত্রে জিনাত আমান অভিনীত চরিত্র রূপার বাল্যকালের ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি প্রভূত খ্যাতি লাভ করেন।

এরপর ১৯৮০ সালে ‘ইনসাফ কা তারাজু’ সিনেমায় ধর্ষণের শিকার এক কিশোরীর জটিল যন্ত্রণাদায়ক চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় উপহার দেন তিনি। এই অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে মাত্র ১৫ বছর বয়সে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতে তাক লাগিয়ে দেন। ১৯৮১ সালে ‘আহিস্তা আহিস্তা’ ছবিতে বিশেষ প্রশংসা কুড়োনোর পর ১৯৮২ সালে রাজ কাপুর নির্মিত ‘প্রেম রোগ’-এ ঋষি কাপুরের বিপরীতে উচ্চবর্ণের এক তরুণ বিধবার ভূমিকায় অভিনয় করেন তিনি। কুসংস্কার ও সামাজিক বৈষম্যের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে করা সেই বলিষ্ঠ অভিনয়ের সুবাদে মাত্র ১৭ বছর বয়সে ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর খেতাব অর্জন করেন পদ্মিনী। পরবর্তী সময়ে ‘বিধাতা’, ‘ওহ সাত দিন’, ‘পেয়ার ঝুকতা নেহি’, ‘স্বর্গ সে সুন্দর’, ‘মুদ্দত’ ও ‘দাতা’র মতো অজস্র ব্যবসাসফল ছবি উপহার দেন তিনি। মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে তাঁর রসায়ন বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছিল।

সাফল্যের পাশাপাশি কিছু হাতছাড়া হয়ে যাওয়া কাজের আক্ষেপও রয়েছে তাঁর ক্যারিয়ারে। ‘সিলসিলা’, ‘তোহফা’ ও ‘এক দুজে কে লিয়ে’র মতো ছবিগুলো ছেড়ে দিতে হয়েছিল তাঁকে, যে চরিত্রগুলোতে পরবর্তী সময়ে যথাক্রমে রেখা, শ্রীদেবী ও রতি অগ্নিহোত্রী অভিনয় করেন। তবে তাঁর সবচেয়ে বড় আক্ষেপ রাজ কাপুরের ‘রাম তেরি গঙ্গা মেইলি’। পর্দায় চুম্বনদৃশ্যে আপত্তি থাকায় তিনি মুখ্য চরিত্রটির প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন, যা পরবর্তীতে মন্দাকিনীকে খ্যাতি এনে দেয়। পরিচালক মন্দাকিনীকে নিয়ে ৪৫ দিন চিত্রগ্রহণের পরও পদ্মিনীকে নেওয়ার কথা ভাবলেও তিনি নিজের সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। পর্দার বাইরে ১৯৮১ সালে মুম্বাইয়ের রাজকমল স্টুডিওতে ‘আহিস্তা আহিস্তা’র সেটে ব্রিটিশ সিংহাসনের উত্তরাধিকারী প্রিন্স চার্লস (বর্তমান রাজা তৃতীয় চার্লস) উপস্থিত হলে তাঁকে স্বাগত জানাতে গিয়ে অভিনেত্রী শশীকলা আরতি করার পর পদ্মিনী সরল আনন্দ ও সৌজন্যবশত চার্লসের গালে একটি চুম্বন আঁকেন। সেই দৃশ্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে শোরগোল ফেলে দেয় এবং পদ্মিনীকে নিয়ে প্রবল বিতর্কের সৃষ্টি হয়, এমনকি তাঁর আইনজীবী চাচাকে নোটিশের জবাব দিতে হয়। ২০২২ সালে চার্লসের সিংহাসনে আরোহণের পরও এই স্মৃতি ফিরে আসে; যুক্তরাজ্যে একবার অভিবাসন কর্মকর্তাও পদ্মিনীর পরিচয় পেয়ে এই প্রসঙ্গ তোলেন।

ব্যক্তিজীবনে পর্দার সহশিল্পী ঋষি কাপুরের ঘোর ভক্ত ছিলেন পদ্মিনী; বাল্যকালে স্কুল ফাঁকি দিয়ে এবং মা-বাবাকে মিথ্যা বলেও ঋষির ছবি দেখতে যেতেন। পরে তাঁর সঙ্গেই ‘জামানে কো দিখানা হ্যায়’ ছবির ‘পুছো না ইয়ার ক্যায়া হুয়া’ গানের দৃশ্যে অভিনয়ের স্মৃতি তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। ২০২০ সালে ঋষি কাপুরের মৃত্যুতে তিনি গভীর শোকাহত হন। এদিকে তাঁর বাস্তব জীবনের প্রণয়কাহিনীও কোনো চিত্রনাট্যের চেয়ে কম রোমাঞ্চকর ছিল না। ১৯৮৬ সালে ‘আইসা পেয়ার কাহাঁ’ ছবির শুটিং চলাকালে প্রযোজক প্রদীপ শর্মা ওরফে টুটু শর্মার সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও প্রেম গড়ে ওঠে। কিন্তু রক্ষণশীল মারাঠি পরিবারের আপত্তির মুখে পদ্মিনী নিজের ভালোবাসাকে ত্যাগ করেননি। বড় বোন শিবাঙ্গী, দুলাভাই শক্তি কাপুর এবং অন্তরঙ্গ বান্ধবী পুনম ধিল্লনের সহযোগিতায় বাড়ির পেছনের প্রাচীর টপকে পালিয়ে গিয়ে ১৯৮৬ সালে প্রদীপকে বিয়ে করেন তিনি। এরপর নবদম্পতি জয়পুরে পাড়ি জমান এবং ওই ছবির কিছু দৃশ্য পুনরায় ধারণ করতে হয়। পরবর্তীতে তাঁদের একমাত্র সন্তান প্রিয়াঙ্ক শর্মা ২০২১ সালে প্রযোজক করিম মোরানির কন্যা শাজা মোরানিকে বিয়ে করেন। দীর্ঘ দাম্পত্যে পদ্মিনী ও টুটু শর্মা আজও একসঙ্গেই রয়েছেন।

টানা অভিনয়ের ক্লান্তি এবং দাম্পত্য ও মাতৃত্বকে প্রাধান্য দিতে ১৯৮৯ সালের দিকে অভিনয়জীবন থেকে দীর্ঘ বিরতি নেন পদ্মিনী। দীর্ঘ ব্যবধানের পর ২০০৩ সালে ‘চিমানি পাখর’ নামক মারাঠি ছবির মাধ্যমে প্রত্যাবর্তন করে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পান। পরবর্তীতে ‘মাই’, ‘দ্য ডটার’, ‘ফাটা পোস্টার নিকলা হিরো’ ও ২০১৯ সালের ‘পানিপথ’-এ তিনি কাজ করেন। ছোট পর্দায় ‘এক নায়ি পেহচান’ ধারাবাহিক, ওটিটিতে ‘দিল বেকারার’ এবং মঞ্চে ‘বাপ কা বাপ’ নাটকে তাঁর উপস্থিতি দর্শকদের মুগ্ধ করে। ২০২৪ সালে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন যে পাঁচ দশকের পথচলায় থিয়েটার তাঁকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার নতুন স্বাদ দিয়েছে। প্রায় ১২ বছর পর ২০২৫ সালে ঐতিহাসিক মেগা ধারাবাহিক ‘চক্রবর্তী সম্রাট পৃথ্বীরাজ চৌহান’-এ রাজমাতার চরিত্রে ছোট পর্দায় প্রত্যাবর্তন ঘটে তাঁর। তবে সুবিশাল ক্যারিয়ারে অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে না পারার খামতি আজও তাঁর মনে আক্ষেপ হয়ে রয়ে গেছে।

advertisement
advertisement

আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের কাছে জামায়াত আমিরের লেখা চিঠি হস্তান্তর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের কাছে জামায়াত আমিরের লেখা চিঠি হস্তান্তর

আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের কাছে জামায়াত আমিরের লেখা চিঠি হস্তান্তর

জাতীয় ডেস্ক: আলজেরিয়ার বাহাত্তরতম বিপ্লব বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিদল। ঢাকার নিকুঞ্জের লা মেরিডিয়ান ঢাকার স্কাই বলরুমে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশে নিযুক্ত আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত ড. আবদেলওয়াহাব সাইদানি এবং তাঁর সহধর্মিণী মেরিয়েম সাইদানি এই বর্ণাঢ্য সংবর্ধনার আয়োজক ছিলেন। বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। এ সময় দলের আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের লেখা একটি বিশেষ চিঠি আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের হাতে তুলে দেওয়া হয়। রাষ্ট্রদূত ড. আবদেলওয়াহাব সাইদানি অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্টের উদ্দেশ্যে লেখা ওই চিঠিটি গ্রহণ করেন। দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই পত্রবিনিময় একটি তাৎপর্যপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জামায়াত আমিরের পাঠানো ওই চিঠিতে বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সুসম্পর্কের কথা স্মরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী দিনগুলোতে উভয় দেশের মধ্যকার পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় ও জোরদার হবে বলে গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। রাষ্ট্রদূতও দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে আলজেরিয়া সরকারের ইতিবাচক মনোভাবের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন ছাড়াও জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের বেশ কয়েকজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে নুরুন্নিছা সিদ্দিকা, মারজিয়া বেগম, নাজমুন্নাহার নীলু ও সাবিকুন্নাহার মুন্নি অংশ নেন। এ ছাড়া বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুরসহ দলটির অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারাও এই কূটনৈতিক আয়োজনে সক্রিয়ভাবে উপস্থিত ছিলেন।

সোলমেট পেতে জাদুবিদ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন জেন–জিরা! প্রেমের জন্য ৬৪ শতাংশই ভরসা রাখছেন লাভ স্পেল, ট্যারো, ম্যানিফেস্টেশনে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সোলমেট পেতে জাদুবিদ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন জেন–জিরা! প্রেমের জন্য ৬৪ শতাংশই ভরসা রাখছেন লাভ স্পেল, ট্যারো, ম্যানিফেস্টেশনে

সোলমেট পেতে জাদুবিদ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন জেন–জিরা! প্রেমের জন্য ৬৪ শতাংশই ভরসা রাখছেন লাভ স্পেল, ট্যারো, ম্যানিফেস্টেশনে

লাইফস্টাইল ডেস্ক: বর্তমান প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা মনের মানুষের সন্ধান পেতে প্রচলিত ও প্রথাগত পদ্ধতির পাশাপাশি বিভিন্ন আধ্যাত্মিক ও রহস্যময় উপায়ের ওপর ভরসা করছেন। বিশেষ করে জেন জি বা বর্তমানের জেন-জি জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ রোমান্টিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নানা ধরনের অপ্রচলিত পদ্ধতির সাহায্য নিচ্ছেন। ভালোবাসা পাওয়ার এই আকুলতা থেকে তারা আধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি প্রাচীন বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক চর্চার দিকে ঝুঁকে পড়ছেন, যা ইতিমধ্যে সমাজ গবেষকদেরও নজর কেড়েছে।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন পরিসংখ্যান ও তথ্য অনুযায়ী, এই প্রজন্মের প্রায় চৌষট্টি শতাংশ তরুণ-তরুণী নিজেদের জীবনে উপযুক্ত সঙ্গী টানতে নানা ধরনের আধ্যাত্মিক পদ্ধতির সাহায্য নিচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে ভালোবাসার বিশেষ জাদুমন্ত্র বা লাভ স্পেল প্রয়োগ করা, ট্যারো কার্ডের মাধ্যমে ভবিষ্যতের ইঙ্গিত খোঁজা এবং মনের মধ্যে সুনির্দিষ্ট ইতিবাচক ভাবনা বা ম্যানিফেস্টেশনের চর্চা করা। অনেকেই বিশ্বাস করেন যে এই কৌশলগুলো তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রেমের নাগাল পেতে সাহায্য করতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে এই ধরনের প্রথাগত ও রহস্যময় চর্চাগুলোর জনপ্রিয়তা দিন দিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনলাইনে বিভিন্ন ভিডিও টিউটোরিয়াল এবং ব্লগের মাধ্যমে তরুণরা খুব সহজেই এই জাদুমন্ত্র বা ম্যানিফেস্টেশনের নিয়মকানুন শিখে নিচ্ছেন। ব্যস্ত ও যান্ত্রিক জীবনের একাকীত্ব কাটাতে এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রে দ্রুত ফল পেতে তারা এই বিকল্প মাধ্যমগুলোকে বেশ কার্যকর বলে মনে করছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক যুগের মানসিক চাপ এবং বাস্তব সম্পর্কের জটিলতা এড়ানোর একটি উপায় হিসেবে তরুণরা এই কাল্পনিক বা আধ্যাত্মিক জগতের আশ্রয় নিচ্ছেন। যদিও এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, তবুও একাংশ তরুণ প্রজন্মের কাছে এটি আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং মনের আশা প্রকাশ করার একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছে। দিন যতই যাচ্ছে, প্রেমের সংজ্ঞা এবং তা পাওয়ার উপায়গুলোর ক্ষেত্রেও তরুণদের এই মানসিকতার পরিবর্তন স্পষ্টভাবে ধরা পড়ছে।

ঢাকায় এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট, আসবেন হাজারের বেশি প্রবাসী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকায় এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট, আসবেন হাজারের বেশি প্রবাসী

ঢাকায় এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট, আসবেন হাজারের বেশি প্রবাসী

অর্থনীতি ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের মেধা, দক্ষতা এবং মূলধন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে আগামী ডিসেম্বরে রাজধানীতে বসছে আন্তর্জাতিক সম্মেলন। এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬ শিরোনামের এই দুই দিনব্যাপী আয়োজনটি রাজধানীর হোটেল শেরাটনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। থিংক বাংলাদেশ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এই সম্মেলনে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে এক হাজারের বেশি প্রবাসী উদ্যোক্তা ও পেশাজীবী অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের সরাসরি সম্পৃক্ততা বাড়াতে এই সম্মেলন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই মহাসম্মেলনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এনআরবি ওয়ার্ল্ডের সভাপতি মোহা. সাহিদুজ্জামান টরিক। তিনি জানান, এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে দেশের শীর্ষস্থানীয় নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের সেতুবন্ধন তৈরি করা। এর মাধ্যমে দেশে নতুন বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা তৈরি হবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের যোগাযোগ বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। দুই দিনের এই বিশাল আয়োজনে মন্ত্রী, রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও বিভিন্ন খাতের বিশেষজ্ঞরা যোগ দেবেন।

সম্মেলনের মূল আলোচ্যসূচিতে দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাত, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং টেকসই উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্যানেল আলোচনা, মতবিনিময় এবং পারস্পরিক নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে দেশি ব্যবসায়ী ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীদের অর্জিত পেশাগত অভিজ্ঞতা দেশের কল্যাণে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হবে।

ইতিমধ্যেই এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন সফল করার জন্য যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে এবং কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপানসহ বিশ্বের নানা দেশে প্রস্তুতিমূলক বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক ও অরাজনৈতিক সংগঠন এনআরবি ওয়ার্ল্ড প্রবাসীদের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। এবারের এই সামিট আয়োজনে বিজনেস আমেরিকা ম্যাগাজিন, অর্থকণ্ঠ এবং গ্লোবাল এনআরবি চেম্বার আনুষ্ঠানিকভাবে সহযোগিতা প্রদান করছে।