খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

জামায়াত জোটে কী হচ্ছে, এনসিপিসহ শরিকদের সাথে দূরত্ব বাড়ছে?

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জামায়াত জোটে কী হচ্ছে, এনসিপিসহ শরিকদের সাথে দূরত্ব বাড়ছে?

জামায়াত জোটে কী হচ্ছে, এনসিপিসহ শরিকদের সাথে দূরত্ব বাড়ছে?

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটে ভাঙনের সুর শোনা যাচ্ছে বলে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন উঠেছে। বিশেষ করে আসন্ন নির্বাচনগুলোতে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা নিয়ে শরিক দলগুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দরকষাকষি চলছে। এর ফলে জোটের ভেতরের অভ্যন্তরীণ সম্পর্কের অবনতি ঘটছে এবং দূরত্ব ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

জোটের শরিক দলগুলোর ভেতরের সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রার্থী মনোনয়ন এবং আসন ভাগাভাগির ক্ষেত্রে নিজেদের মতামত বা দাবি যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না। জাতীয় রাজনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভালো ফল অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে দলগুলো মাঠে নামতে চাইছে। কিন্তু জোটের বড় শরিকের মনোভাবের কারণে ছোট দলগুলোর মধ্যে অসন্তোষ দানা বাঁধছে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে আগামী দিনের আন্দোলন ও নির্বাচনী কার্যক্রমে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রাজনীতি সচেতন মহলে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে যে জামায়াতের এই জোটের ভেতরে আসলে ঠিক কী ঘটছে। অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই দলগুলো একসঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে পারস্পরিক আস্থার ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। শরিক দলগুলোর ভেতরে তৈরি হওয়া এই চাপা ক্ষোভ শেষ পর্যন্ত জোটের ঐক্যকে টিকিয়ে রাখতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন অনেকে। বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এই বিরোধ বড় ধরনের রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি করতে পারে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে জোটের শীর্ষ নেতারা এই সংকট নিরসনে কোনো কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবেন কি না, সেদিকে এখন সবার নজর রয়েছে। শরিক দলগুলোর মধ্যকার এই দূরত্ব যদি দ্রুত দূর করা না যায়, তবে জোটের ভবিষ্যৎ অস্তিত্ব নিয়েই বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে বড় কোনো ভাঙনের কথা স্বীকার করা হয়নি, তবে ভেতরের টানাপোড়েন যে চরমে পৌঁছেছে তা তাদের বক্তব্যে কিছুটা হলেও প্রতিফলিত হচ্ছে।

advertisement
advertisement

১১২১ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে ৩ মামলার অনুমোদন দুদকের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১১২১ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে ৩ মামলার অনুমোদন দুদকের

১১২১ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে ৩ মামলার অনুমোদন দুদকের

অপরাধ ডেস্ক: বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রায় এক হাজার ১২১ কোটি টাকা ব্যাংক থেকে অবৈধভাবে তুলে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এই আর্থিক অনিয়মের সত্যতা পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যে, এই বিশাল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের জন্য সম্পূর্ণ নতুন বেশ কয়েকটি বেনামি প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হয়েছিল। কোনো ধরনের পূর্ব অভিজ্ঞতা বা ব্যবসায়িক ট্র্যাক রেকর্ড না থাকা সত্ত্বেও কেবল বিশেষ সুবিধার জোরে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুকূলে বড় অঙ্কের ঋণ এবং এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের সুবিধা মঞ্জুর করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রচলিত কোনো নিয়ম-কানুন ও ব্যাংকিং নীতিমালার তোয়াক্কা করা হয়নি। অতি দ্রুততার সঙ্গে নামসর্বস্ব কোম্পানিগুলোকে অর্থ পাইয়ে দিয়ে পরে তা ভিন্ন খাতে সরিয়ে নেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই কারসাজির পেছনে উচ্চপর্যায়ের প্রভাব খাটানো হয়েছিল বলে প্রতীয়মান হয়।

এই দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে মোট তিনটি পৃথক মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুতই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে এবং লুটপাট করা অর্থ পুনরুদ্ধারে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আগামী বছরের ছুটির তালিকা অনুমোদন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আগামী বছরের ছুটির তালিকা অনুমোদন

আগামী বছরের ছুটির তালিকা অনুমোদন

জাতীয় ডেস্ক: আসন্ন নতুন বছরের সরকারি ছুটির তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সাধারণ ও নির্বাহী আদেশের ছুটি মিলিয়ে আগামী বছর মোট কত দিন ছুটি থাকবে, তা এই তালিকার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রশাসনিক কার্যক্রম ও দাপ্তরিক কাজের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিশ্চিত করতে এই ছুটির তালিকাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

প্রতিবছরের মতো এবারও দেশের প্রচলিত নিয়ম ও ক্যালেন্ডার বিশ্লেষণ করে ছুটির এই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। সাধারণ ছুটির পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় দিবসের ঐচ্ছিক ছুটির বিষয়টিও এই তালিকায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি ও বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীরা আগামী বছরের ছুটির দিনগুলো সম্পর্কে আগে থেকেই ধারণা লাভ করতে পারবেন।

সাধারণত প্রতিবছর শেষ হওয়ার আগেই আগামী বছরের ছুটির অনুমোদন সম্পন্ন করে থাকে সরকার, যাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি-বেসরকারি অফিসগুলোর বার্ষিক পরিকল্পনা সাজাতে কোনো সমস্যা না হয়। অনুমোদিত এই তালিকাটি খুব দ্রুতই প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করা হবে এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সরকারি ওয়েবসাইটে তা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের সাক্ষাৎ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের সাক্ষাৎ

ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের সাক্ষাৎ

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সম্প্রতি রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এই সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৈঠক চলাকালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। এ সময় তার সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ প্রতিনিধিদলের রাজনীতিবিষয়ক কার্যালয়ের প্রথম কাউন্সেলর কামিলা পার্টিকা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে শীর্ষস্থানীয় নেতারা এই বৈঠকে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে নানা বিষয়ে আলোচনা করেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলে আহ্বায়কের সঙ্গে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও আন্তর্জাতিকবিষয়ক যুগ্ম সদস্যসচিব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক তাহসিন রিয়াজ, মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক আরমান হোসেন এবং আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপসম্পাদক আশরেফা খাতুন এই বৈঠকে অংশ নেন।

দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে অত্যন্ত খোলামেলা পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। এ সময় দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি এবং গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার নানা দিক নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও ইতিবাচক আলোচনা সম্পন্ন হয়।