খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

কাল শিল্পকলায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিল্পীদের নিয়ে আয়োজন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কাল শিল্পকলায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিল্পীদের নিয়ে আয়োজন

কাল শিল্পকলায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিল্পীদের নিয়ে আয়োজন

বিনোদন ডেস্ক: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে সম্প্রতি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিল্পীদের অংশগ্রহণে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানটির নামকরণ করা হয়েছিল 'বিস্ময়ের অভিযাত্রী, কাননের কোকিল'। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বাস্তবায়িত এই আয়োজনে সমাজের বিভিন্ন প্রান্তের শারীরিক ও মানসিক চ্যালেঞ্জ জয় করা শিল্পীরা তাদের প্রতিভার দ্যুতি ছড়ান। আমন্ত্রিত অতিথিদের আলোচনা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে পুরো অনুষ্ঠানটি একটি ইনক্লুসিভ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক মিলনমেলায় পরিণত হয়। সমাজের মূলধারার সাথে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের আরও গভীরভাবে সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

সাংস্কৃতিক পর্বের শুরুতেই সুইড বাংলাদেশের শিল্পীরা 'মন আমার দেহ ঘড়ি সন্ধান করি' শিরোনামে একটি চমৎকার সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন, যার কোরিওগ্রাফি করেছিলেন রেশমী আবেদীন। এরপর চুয়াডাঙ্গা জেলা কালচারাল অফিসার সুজন রহমান 'আলগা করো গো খোঁপার বাঁধন' গান গেয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেন। ল্যাবরেটরি মডেল স্কুলের শিক্ষার্থীরা অমিত হাসানের নির্দেশনায় 'এই রাঙামাটির পথে লো' গানের সাথে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে। এছাড়া শারমিন আক্তার শিকু ও সায়মা শারমিন ইমার একক সংগীত পরিবেশনা অনুষ্ঠানে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।

অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্যায়ে এক্সপ্রেশন ওয়েলফেয়ার সোসাইটির শিল্পীরা রাফিয়া খন্দকারের পরিচালনায় 'বিহুর এ লগন মধুর এ লগন' শিরোনামের সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন। এ ছাড়া শান্ত রহমানের একক সংগীত 'আমার স্বপ্নগুলো কেন এমন হয়' এবং শাহিন রেজা রাসেলের একক আবৃত্তি উপস্থিত দর্শকদের দারুণভাবে আনন্দিত করে। সবশেষে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় 'আয় তব সহচরি হাতে হাতে ধরি' সমবেত নৃত্য দিয়ে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা পর্বের সমাপ্তি ঘটে। সবার জন্য উন্মুক্ত থাকায় এই আয়োজনে বিভিন্ন স্তরের বহু দর্শক উপস্থিত হয়ে শিল্পীদের উৎসাহ জোগায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি সচিব ইয়াসমিন বেগম এবং মুখ্য আলোচক ছিলেন সরকারি সংগীত কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আলেয়া পারভীন। যুগ্ম সচিব ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহা. হারুন-অর-রশীদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষের সৃজনশীল বিকাশ ও সাংস্কৃতিক অধিকার নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

advertisement
advertisement

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার জন্য নতুন একটি আংশিক আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এই কমিটি গঠনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

সংগঠনের সহ-দফতর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটি অনুমোদনের কথা জানানো হয়। এই আংশিক কমিটিতে মাত্র দুজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ রূপ লাভ করবে। ঘোষিত এই দুই সদস্যের আংশিক কমিটিই মূলত মহানগর উত্তরের বর্তমান সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করবে।

নতুন এই আংশিক কমিটিতে শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। অন্যদিকে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনকে এই কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ও সক্রিয় নেতাদের এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ায় দলের তৃণমূল স্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা গেছে।

দলীয় নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গঠিত এই আংশিক আহ্বায়ক কমিটিকে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই একটি পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করতে হবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তারা পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে জমা দেবেন এবং রাজধানীর রাজনীতিতে দলের কার্যক্রম আরও জোরদার করবেন।

মাথায় ডিম, পরনে শাড়ি: মীনা রূপে জয়া আহসান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মাথায় ডিম, পরনে শাড়ি: মীনা রূপে জয়া আহসান

মাথায় ডিম, পরনে শাড়ি: মীনা রূপে জয়া আহসান

বিনোদন ডেস্ক: জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা জয়া আহসান সম্প্রতি এক ব্যতিক্রমী ও মনোমুগ্ধকর রূপ নিয়ে হাজির হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশিত তার নতুন কিছু ছবি মুহূর্তেই ভক্তদের নজর কেড়েছে। এই ছবিগুলোতে তাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক মেজাজে দেখতে পাওয়া গেছে, যা দর্শকদের শৈশবের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়।

প্রকাশিত ছবিগুলোতে দেখা যায়, জয়া আহসানের পরনে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী শাড়ি। তার মাথার ওপর এবং দুই হাতে বেশ কয়েকটি ডিম সাজানো রয়েছে। চারপাশ ঘিরে রয়েছে কিছু জীবন্ত মুরগি এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে রয়েছে একটি রঙিন ক্যানভাস। এই পুরো আয়োজনটি সাজানো হয়েছিল অত্যন্ত নিখুঁতভাবে, যা বিখ্যাত অ্যানিমেশন চরিত্র মীনার কথা মনে করিয়ে দেয়।

তার এই সৃজনশীল রূপায়ন সাধারণ দর্শক থেকে শুরু করে তার শুভানুধ্যায়ীদের মাঝেও বেশ কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। অভিনয়ের পাশাপাশি নিজের কাজের মাধ্যমে বরাবরই নতুনত্ব আনতে পছন্দ করেন এই অভিনেত্রী। তার এমন অদ্ভুত অথচ চমৎকার উপস্থাপন সামাজিক মাধ্যমে দারুণ সাড়া ফেলেছে এবং প্রশংসিত হয়েছে।

ছবিগুলো প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের ইতিবাচক মন্তব্য করছেন। জয়া আহসানের এমন শৈল্পিক অভিব্যক্তি তার ভক্তদের জন্য একটি চমৎকার উপহার হয়ে এসেছে। কাজের ব্যস্ততার মাঝেও তার এই ভিন্নধর্মী আয়োজন বিনোদন জগতে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ইরাসমাসের পথে এক চিকিৎসকের যাত্রা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইরাসমাসের পথে এক চিকিৎসকের যাত্রা

ইরাসমাসের পথে এক চিকিৎসকের যাত্রা

লাইফস্টাইল ডেস্ক: চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও কাজের অভিজ্ঞতার সুবাদে চিকিৎসাবিজ্ঞানের গণ্ডি পেরিয়ে জনস্বাস্থ্যের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় ডা. জারিন তাসনিমের। প্রখ্যাত ইরাসমাস মুন্ডুস বৃত্তি অর্জন করে তিনি বর্তমানে ইউরোপের উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়েছেন এবং স্পেনের ওভিয়েদো শহরে নিজের নতুন শিক্ষাজীবন শুরু করেছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীরা মহাদেশের বিভিন্ন দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার অনন্য সুযোগ পেয়ে থাকেন। চিকিৎসাজীবনের ব্যস্ততা ও নানা স্মৃতির বোঝা পেছনে ফেলে তিনি যখন নতুন ক্লাসের উদ্দেশ্যে রওনা হন, তখন তাঁর মনে এক মিশ্র অনুভূতির জন্ম হয়েছিল।

পেশাগত জীবনের প্রথম ধাপে কাজের সুবাদে মাঠপর্যায়ের নানা বাস্তবতার মুখোমুখি হন এই চিকিৎসক। ২০২০ সালে ইন্টার্নশিপ শেষ করার পর তিনি দিনাজপুরে আইসিডিডিআরবির একটি ক্লিনিক্যাল গবেষণায় যুক্ত হন এবং পরবর্তীতে সেভ দ্য চিলড্রেনের হয়ে রংপুরে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্য কার্যক্রমে অংশ নেন। এই অভিজ্ঞতাগুলো তাঁকে বুঝিয়ে দেয় যে রোগীকে শুধু চিকিৎসাসেবা দেওয়াই যথেষ্ট নয়, বরং একজন মানুষ কেন অসুস্থ হচ্ছেন তার পেছনে সামাজিক ও পরিবেশগত কারণগুলোও গভীরভাবে জড়িত। বিশেষ করে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাঁর চিন্তাধারায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনে দেয়।

বাস্তুচ্যুত মানুষের শারীরিক ও মানসিক সংকটের বিষয়টি খুব কাছ থেকে দেখার পর চিকিৎসকের ভূমিকার অর্থ তাঁর কাছে সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি অনুধাবন করেন যে সংকটময় পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করাই তাঁর আসল লক্ষ্য। এই উপলব্ধি থেকেই তিনি দুর্যোগকালীন জনস্বাস্থ্য বিষয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য ইরাসমাস মুন্ডুস জয়েন্ট মাস্টার্স প্রোগ্রামে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নেন। দীর্ঘ প্রস্তুতি ও নিজের অভিজ্ঞতাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করার মাধ্যমেই তিনি এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বৃত্তি অর্জন করতে সক্ষম হন।

স্পেনের ওভিয়েদো দিয়ে এই শিক্ষাযাত্রা শুরু হলেও তাঁর গন্তব্য কেবল একটি দেশে সীমাবদ্ধ নয়, বরং পরবর্তীতে তাঁকে সুইডেনের কারোলিন্সকা ইনস্টিটিউটেও পড়াশোনা করতে হবে। বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, ভিন্ন স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং নতুন শিক্ষকদের সান্নিধ্যে আসার ফলে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি আরও প্রসারিত হবে বলে তিনি আশাবাদী। চিকিৎসকের পরিচয় অক্ষুণ্ণ রেখেই তিনি এখন বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রমাণভিত্তিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ব্রত নিয়ে এগিয়ে চলেছেন।