খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:০৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের

আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের

অর্থনীতি ডেস্ক: আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ সংকট সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সৌরবিদ্যুৎ থেকে তিন থেকে চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এই লক্ষ্য অর্জনে ভবনগুলোর ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন তথা রুফটপ সোলার ব্যবস্থাকে অন্যতম সহজ ও কার্যকর সমাধান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনবিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় এই পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত গ্রীষ্মে সাধারণ মানুষকে বিদ্যুৎ নিয়ে যে তীব্র ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হয়েছিল, আগামী দিনে তার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে সরকার এখন থেকেই আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে। সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার দ্রুত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে মাত্র দুই মাসের মধ্যে একটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে এটি প্রয়োজনে সংশোধনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্রয়োজন, আর্থিক সক্ষমতা ও বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং এই কার্যক্রমে সরকার ও ইউজিসি সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবে।

সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে কেবল বিদ্যুৎ সাশ্রয়ই নয়, বরং কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্বন ক্রেডিট অর্জনের সম্ভাবনার দিকটিও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এই বিশেষ ক্রেডিট অর্জনে সার্বিক সহযোগিতা দেবে বিদ্যুৎ বিভাগ এবং এই ক্রেডিট পরবর্তীতে বিক্রির সুযোগও রয়েছে। এই উদ্যোগের প্রচার ও প্রসারের অংশ হিসেবে আগামী নভেম্বর মাসে ঢাকায় বাংলাদেশ সোলার এক্সপো আয়োজন করা হতে যাচ্ছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের রূপরেখা ও কার্যকারিতা নিয়ে উপাচার্যদের অংশগ্রহণে খুব শীঘ্রই একটি বিশেষ বিশেষজ্ঞ সভারও আয়োজন করা হবে বলে তিনি জানান।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন নিয়ে বিদ্যমান নানা বিভ্রান্তি দূর করতেই এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরিচালন ব্যয়ের একটি বড় অংশই বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল পরিশোধে ব্যয় হয়, তাই ব্যয় কমাতে ওপেক্স মডেলে সৌরবিদ্যুৎ চালুর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। ইতিমধ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই মডেলে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও একই ধরনের ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। অনুষ্ঠানে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ডিন অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম ও বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব তাহমিলুর রহমান সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন বিষয়ে পৃথক দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা আলোচনায় অংশ নেন।

advertisement
advertisement

নিজের অজান্তেই সঙ্গীর যে ৫ অভ্যাস রপ্ত করেন দম্পতিরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিজের অজান্তেই সঙ্গীর যে ৫ অভ্যাস রপ্ত করেন দম্পতিরা

নিজের অজান্তেই সঙ্গীর যে ৫ অভ্যাস রপ্ত করেন দম্পতিরা

লাইফস্টাইল ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে জীবনযাপন করার ফলে বিবাহিত দম্পতিদের মধ্যে নানা ধরনের মিল দেখা দেওয়া খুবই স্বাভাবিক একটি মনস্তাত্ত্বিক প্রক্রিয়া। প্রতিদিনের ছোটখাটো জীবনযাপন ও পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী অজান্তেই একে অপরের অনেক আচার-আচরণ নিজের মধ্যে আত্মস্থ করে নেন। এই পরিবর্তনের প্রক্রিয়াটি এতই সূক্ষ্ম ও ধীরগতির হয় যে সাধারণত মানুষ নিজের অজান্তেই সঙ্গীর অভ্যাসের দ্বারা প্রভাবিত হতে শুরু করে।

গবেষণা ও মনোবিজ্ঞানীদের মতে, এই মিল কেবল মানসিক চিন্তাভাবনার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তা দৈনন্দিন জীবনযাত্রার প্রতিটি স্তরে প্রকাশ পায়। দম্পতিদের খাবারের রুটিন, প্রিয় পদের পছন্দ, এমনকি কথা বলার বা যোগাযোগের ধরনেও এর স্পষ্ট ছাপ পড়তে দেখা যায়। অনেক সময় দেখা যায়, দীর্ঘদিন একসঙ্গে থাকতে থাকতে উভয়ের হাসির ভঙ্গি, শরীরী ভাষা এবং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে প্রতিক্রিয়া জানানোর পদ্ধতিতেও দারুণ মিল তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রিয় মানুষের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটানোর ফলে অবচেতন মন থেকেই তাদের অনুকরণ করার প্রবণতা তৈরি হয়। সম্পর্কের গভীরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই মনস্তাত্ত্বিক সংহতি আরও বেশি দৃশ্যমান হয়ে ওঠে এবং একে অপরকে বোঝার ক্ষমতাও বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। এই ধরণের অভিন্নতা মূলত পারস্পরিক ভালোবাসার এবং একটি সফল সম্পর্কের গভীর বন্ধনেরই বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

পরিশেষে বলা যায়, সঙ্গীর সঙ্গে দীর্ঘ পথচলা মানুষের ব্যক্তিত্ব ও আচরণে এক ধরনের ইতিবাচক ও সুন্দর পরিবর্তন নিয়ে আসে। এই মিলগুলো কেবল বৈবাহিক সম্পর্ককেই মধুর করে তোলে না, বরং একে অপরের প্রতি বোঝাপড়া ও সম্প্রীতি আরও অনেক বেশি সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এমপি সান্টুকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ জানাল উজিরপুর বিএনপি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এমপি সান্টুকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ জানাল উজিরপুর বিএনপি

এমপি সান্টুকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ জানাল উজিরপুর বিএনপি

রাজনীতি ডেস্ক: বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং উজিরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুকে জড়িয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশন ও বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। সম্প্রতি এ ধরনের অসত্য ও কুরুচিপূর্ণ তথ্য ছড়ানোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে উজিরপুর উপজেলা বিএনপি। এ বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয় এবং সেখানে ঘটনার আসল সত্যতা তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৩০ অক্টোবর উপজেলার নয়টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের মনোনয়ন ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কনভেনারদের ভোটদান কর্মসূচি চলছিল। সেই সময় শোলক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ কুন্ডের প্রার্থিতাকে কেন্দ্র করে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়। তিনি ও তার অনুসারীরা গোপন কক্ষে প্রবেশের চেষ্টা করলে অন্য প্রার্থীদের ভোটারদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।

উজিরপুর উপজেলা বিএনপির স্পষ্ট দাবি, ওই ঘটনার সময় সংসদ সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। এছাড়া অভিযুক্ত পলাশ কুন্ড বিএনপির কোনো অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নন এবং তিনি রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পূর্বে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রবল বিরোধিতার মুখে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয় এবং এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ অভিযোগপত্রও জমা দেওয়া হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ আরও অভিযোগ করেন যে, সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্য বা উপজেলা বিএনপির দায়িত্বশীল কোনো নেতার বক্তব্য নেওয়া হয়নি। কোনো পক্ষের বক্তব্য যাচাই না করে একতরফাভাবে এই সংবাদ প্রচার করা হয়েছে যা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিপন্থী। ভবিষ্যতে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্য যাচাই এবং সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসরণের জন্য সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।

তারেক রহমানের জাপান সফর: বিনিয়োগ ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তারেক রহমানের জাপান সফর: বিনিয়োগ ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা

তারেক রহমানের জাপান সফর: বিনিয়োগ ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং শিল্পায়নের গতিকে আরও বেগবান করার লক্ষ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বন্ধুরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন এক উচ্চতায় উন্নীত করার প্রচেষ্টা চলছে। দুই দেশের মধ্যকার এই সহযোগিতামূলক সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিভিন্ন মেগা প্রকল্প এবং শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার নানা উদ্যোগ। সম্প্রতি জাপান সফরকালে বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদারত্বে অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে বিখ্যাত বিগ-বি বা বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট উদ্যোগ। এই মহাপরিকল্পনার আওতায় দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি শক্তিশালী শিল্প করিডর গড়ে তোলার কাজ চলছে, যা সমগ্র অঞ্চলের বাণিজ্যের গতিপথ বদলে দিতে পারে। যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ এবং বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে জাপানি অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে দেশের অর্থনীতিতে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

জাপানি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আরও বেশি মাত্রায় পুঁজি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বিভিন্ন মহলে ইতিবাচক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান শ্রমবাজার, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর সুবিধা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ জাপানি উদ্যোক্তাদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে। পাশাপাশি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এই পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে কেবল শিল্পায়নই ত্বরান্বিত হবে না, বরং লাখ লাখ যুবকের নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের প্রবৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।

পরিশেষে, এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক কেবল অর্থনৈতিক লেনদেনের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং দুই দেশের বন্ধুত্বের শেকড় আরও গভীরে প্রোথিত করার একটি অনন্য মাধ্যম। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং উন্নত বিশ্বের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে দেশের তরুণ প্রজন্মকে যুক্ত করতে এ ধরনের কূটনৈতিক সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। উভয় দেশের শীর্ষপর্যায়ের নেতৃবৃন্দের আন্তরিক সদিচ্ছা এবং সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের এই অংশীদারত্ব ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সফল হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।