খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সিনেটের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ৭ অঙ্গরাজ্যের সব কটিতে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা: নিউইয়র্ক টাইমসের জরিপ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিনেটের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ৭ অঙ্গরাজ্যের সব কটিতে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা: নিউইয়র্ক টাইমসের জরিপ

সিনেটের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ৭ অঙ্গরাজ্যের সব কটিতে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা: নিউইয়র্ক টাইমসের জরিপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন সিনেট নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পূর্বাভাস পাওয়া গেছে। দেশের অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সাতটি অঙ্গরাজ্যের প্রতিটিতে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা রিপাবলিকানদের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের সাম্প্রতিক এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে, যা রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে রিপাবলিকান পার্টির দুর্গ বলে পরিচিত টেক্সাস এবং কানসাস অঙ্গরাজ্যেও এবার ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। রাজনৈতিক ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ঐতিহাসিক দিক থেকে এসব অঞ্চলের আসনগুলোতে ডেমোক্র্যাটদের জয় পাওয়া বেশ বিরল ঘটনা। দীর্ঘ রাজনৈতিক খরা কাটিয়ে এই রাজ্যগুলোতে এবার নাটকীয় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।

তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ১৯৮৮ সালের পর থেকে টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে কোনো ডেমোক্র্যাট প্রার্থী সিনেটর হিসেবে নির্বাচিত হতে পারেননি। একই ভাবে কানসাস অঙ্গরাজ্যের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও অনেক দীর্ঘস্থায়ী, যেখানে ১৯৩২ সালের পর থেকে কোনো ডেমোক্র্যাট দলের নেতা সিনেট আসনে জয়লাভ করতে সক্ষম হননি। ফলে এবারের জরিপ ফলাফলকে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি বড় ধরনের চমক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভোটারদের মনোভাবের এই পরিবর্তন মার্কিন রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। যদি জরিপের এই ধারা নির্বাচনের দিন পর্যন্ত বজায় থাকে, তবে তা দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন কংগ্রেসের ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। ডেমোক্র্যাট শিবিরের জন্য এটি অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক হলেও চূড়ান্ত ফল পেতে নির্বাচনের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

advertisement
advertisement

টেলিপ্যাথি ও ব্লাইন্ডসাইট তৈরি করছে ইলন মাস্কের নিউরালিংক, যে সুবিধা পাওয়া যাবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টেলিপ্যাথি ও ব্লাইন্ডসাইট তৈরি করছে ইলন মাস্কের নিউরালিংক, যে সুবিধা পাওয়া যাবে

টেলিপ্যাথি ও ব্লাইন্ডসাইট তৈরি করছে ইলন মাস্কের নিউরালিংক, যে সুবিধা পাওয়া যাবে

প্রযুক্তি ডেস্ক: প্রযুক্তি বিশ্বে নতুন এক দিগন্ত উন্মোচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্নায়ুপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান নিউরালিংক। প্রতিষ্ঠানটি এবার বাজারে আনতে চলেছে টেলিপ্যাথি এবং ব্লাইন্ডসাইট নামের দুটি অত্যাধুনিক ব্রেন কম্পিউটার ইন্টারফেসেস প্রযুক্তিনির্ভর তারহীন চিপ। এই উদ্ভাবনগুলো মানুষের মস্তিষ্ক ও কম্পিউটারের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হবে, যা চিকিৎসা ক্ষেত্রে এক বিশাল পরিবর্তন আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

টেলিপ্যাথি প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা শুধুমাত্র চিন্তার শক্তির সাহায্যেই কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন পরিচালনা করতে পারবেন। বিশেষ করে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে বা পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীরা এই প্রযুক্তির সুবাদে দৈনন্দিন নানা কাজ অত্যন্ত সহজে সম্পন্ন করতে পারবেন। এটি তাদের যোগাযোগের ক্ষেত্রে এক নতুন স্বাধীনতার অনুভূতি এনে দেবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট গবেষকরা।

অন্যদিকে ব্লাইন্ডসাইট নামক চিপটি দৃষ্টিশক্তিহীন বা অন্ধ ব্যক্তিদের আবার আলো ও পৃথিবীর রূপ দেখার সুযোগ করে দিতে কাজ করবে। যাদের চোখের স্নায়ু বা কর্নিয়া ক্ষতিগ্রস্ত, তাদের মস্তিষ্কের ভিজ্যুয়াল কর্টেক্সে সরাসরি সংকেত পাঠিয়ে এই চিপ দৃষ্টিশক্তি পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে। বিজ্ঞান কল্পকাহিনির মতো শোনানো এই ধারণাটি এখন বাস্তবে রূপ নেওয়ার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই তারহীন চিপগুলো অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিরাপদ উপায়ে মানুষের মস্তিষ্কে প্রতিস্থাপন করা হবে। মানবদেহে এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ ইতিমধ্যে আশাব্যঞ্জক ফলাফল দিয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে চিকিৎসাবিজ্ঞানের এই অভাবনীয় সাফল্য সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন নিউরালিংকের প্রকৌশলী ও চিকিৎসকরা।

নিজের অজান্তেই সঙ্গীর যে ৫ অভ্যাস রপ্ত করেন দম্পতিরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিজের অজান্তেই সঙ্গীর যে ৫ অভ্যাস রপ্ত করেন দম্পতিরা

নিজের অজান্তেই সঙ্গীর যে ৫ অভ্যাস রপ্ত করেন দম্পতিরা

লাইফস্টাইল ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে জীবনযাপন করার ফলে বিবাহিত দম্পতিদের মধ্যে নানা ধরনের মিল দেখা দেওয়া খুবই স্বাভাবিক একটি মনস্তাত্ত্বিক প্রক্রিয়া। প্রতিদিনের ছোটখাটো জীবনযাপন ও পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী অজান্তেই একে অপরের অনেক আচার-আচরণ নিজের মধ্যে আত্মস্থ করে নেন। এই পরিবর্তনের প্রক্রিয়াটি এতই সূক্ষ্ম ও ধীরগতির হয় যে সাধারণত মানুষ নিজের অজান্তেই সঙ্গীর অভ্যাসের দ্বারা প্রভাবিত হতে শুরু করে।

গবেষণা ও মনোবিজ্ঞানীদের মতে, এই মিল কেবল মানসিক চিন্তাভাবনার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তা দৈনন্দিন জীবনযাত্রার প্রতিটি স্তরে প্রকাশ পায়। দম্পতিদের খাবারের রুটিন, প্রিয় পদের পছন্দ, এমনকি কথা বলার বা যোগাযোগের ধরনেও এর স্পষ্ট ছাপ পড়তে দেখা যায়। অনেক সময় দেখা যায়, দীর্ঘদিন একসঙ্গে থাকতে থাকতে উভয়ের হাসির ভঙ্গি, শরীরী ভাষা এবং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে প্রতিক্রিয়া জানানোর পদ্ধতিতেও দারুণ মিল তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রিয় মানুষের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটানোর ফলে অবচেতন মন থেকেই তাদের অনুকরণ করার প্রবণতা তৈরি হয়। সম্পর্কের গভীরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই মনস্তাত্ত্বিক সংহতি আরও বেশি দৃশ্যমান হয়ে ওঠে এবং একে অপরকে বোঝার ক্ষমতাও বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। এই ধরণের অভিন্নতা মূলত পারস্পরিক ভালোবাসার এবং একটি সফল সম্পর্কের গভীর বন্ধনেরই বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

পরিশেষে বলা যায়, সঙ্গীর সঙ্গে দীর্ঘ পথচলা মানুষের ব্যক্তিত্ব ও আচরণে এক ধরনের ইতিবাচক ও সুন্দর পরিবর্তন নিয়ে আসে। এই মিলগুলো কেবল বৈবাহিক সম্পর্ককেই মধুর করে তোলে না, বরং একে অপরের প্রতি বোঝাপড়া ও সম্প্রীতি আরও অনেক বেশি সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এমপি সান্টুকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ জানাল উজিরপুর বিএনপি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এমপি সান্টুকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ জানাল উজিরপুর বিএনপি

এমপি সান্টুকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ জানাল উজিরপুর বিএনপি

রাজনীতি ডেস্ক: বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং উজিরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুকে জড়িয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশন ও বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। সম্প্রতি এ ধরনের অসত্য ও কুরুচিপূর্ণ তথ্য ছড়ানোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে উজিরপুর উপজেলা বিএনপি। এ বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয় এবং সেখানে ঘটনার আসল সত্যতা তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৩০ অক্টোবর উপজেলার নয়টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের মনোনয়ন ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কনভেনারদের ভোটদান কর্মসূচি চলছিল। সেই সময় শোলক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ কুন্ডের প্রার্থিতাকে কেন্দ্র করে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়। তিনি ও তার অনুসারীরা গোপন কক্ষে প্রবেশের চেষ্টা করলে অন্য প্রার্থীদের ভোটারদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।

উজিরপুর উপজেলা বিএনপির স্পষ্ট দাবি, ওই ঘটনার সময় সংসদ সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। এছাড়া অভিযুক্ত পলাশ কুন্ড বিএনপির কোনো অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নন এবং তিনি রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পূর্বে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রবল বিরোধিতার মুখে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয় এবং এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ অভিযোগপত্রও জমা দেওয়া হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ আরও অভিযোগ করেন যে, সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্য বা উপজেলা বিএনপির দায়িত্বশীল কোনো নেতার বক্তব্য নেওয়া হয়নি। কোনো পক্ষের বক্তব্য যাচাই না করে একতরফাভাবে এই সংবাদ প্রচার করা হয়েছে যা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিপন্থী। ভবিষ্যতে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্য যাচাই এবং সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসরণের জন্য সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।