খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

আড়াই বছর পর ফিরছে ইউএস ট্রেড শো, লক্ষ্য মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:৫৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আড়াই বছর পর ফিরছে ইউএস ট্রেড শো, লক্ষ্য মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো

আড়াই বছর পর ফিরছে ইউএস ট্রেড শো, লক্ষ্য মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো

অর্থনীতি ডেস্ক: দীর্ঘ আড়াই বছরের দীর্ঘ বিরতি পেরিয়ে রাজধানী ঢাকায় পুনরায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ইউএস ট্রেড শো। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার এবং বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এই বিশেষ বাণিজ্য মেলার আয়োজন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই প্রদর্শনী দুই দেশের ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

বাণিজ্যিক সম্পর্কের এই নতুন যাত্রার মূল লক্ষ্য হলো আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশে প্রায় ৫০০ কোটি ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। দেশের বিভিন্ন খাতের উদ্যোক্তা এবং মার্কিন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে এই বিশাল বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।

এই বাণিজ্য প্রদর্শনীতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান তাদের আধুনিক পণ্য, প্রযুক্তি এবং সেবা প্রদর্শন করবে। এর মাধ্যমে স্থানীয় বাজারে মার্কিন পণ্যের পরিচিতি বাড়ার পাশাপাশি দেশীয় উদ্যোক্তারা আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারবেন। বিশেষ করে দেশের উদীয়মান শিল্পখাতগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

আয়োজক কর্তৃপক্ষের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই ট্রেড শো দুই দেশের ব্যবসায়িক সহযোগিতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মেলায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

advertisement
advertisement

এনসিপির স্পোর্টস উইংয়ের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে ফাহিম-নাজমুল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এনসিপির স্পোর্টস উইংয়ের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে ফাহিম-নাজমুল

এনসিপির স্পোর্টস উইংয়ের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে ফাহিম-নাজমুল

খেলা ডেস্ক: দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতাসক্ষম করে তোলার লক্ষ্যে নতুন একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। সম্প্রতি রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স। জাতীয় নাগরিক পার্টির এই নতুন ক্রীড়া উইং গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের খেলাধুলাকে দলীয় প্রভাবমুক্ত রেখে একটি স্বাধীন ও কার্যকর পরিবেশ তৈরি করা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ক্রীড়া ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা ও নানা অনিয়মের অবসান ঘটিয়ে ইতিবাচক পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

নয়া গঠিত এই সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বে আনা হয়েছে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের পরিচিত মুখ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বদের। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক পরিচালক ও প্রখ্যাত ক্রিকেট বিশ্লেষক নাজমুল আবেদীন ফাহিমকে এই সংগঠনের আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আরেক সাবেক পরিচালক এম. নাজমুল ইসলাম সংগঠনের সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ মোট পাঁচজনকে এই নবগঠিত সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক দেশের বিভিন্ন খাতের মতো ক্রীড়াঙ্গনেও দলীয়করণের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি জানান যে ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স কোনো দলীয় অঙ্গসংগঠন হিসেবে কাজ করবে না, বরং এটি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। রাজনৈতিক দল হিসেবে তারা কেবল এই প্ল্যাটফর্মের ভালো কাজের ক্ষেত্রে আদর্শিক ও নীতিগত সহযোগিতা প্রদান করবে। সংগঠনের কাজের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বা প্রেসক্রিপশন দেওয়া হবে না বলে তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় স্পষ্ট করে দিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশের বর্তমান ক্রীড়া ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ত্রুটি ও দুর্বলতা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন। জনসংখ্যার অনুপাতে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন নেতারা। ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের দীর্ঘদিনের হতাশা কাটিয়ে দেশের খেলাধুলাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। এই আংশিক কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি আগামী ছয় মাস দেশের ক্রীড়া উন্নয়নের রূপরেখা তৈরি করতে কাজ করবে এবং মাঠপর্যায়ের নানা সমস্যা দূর করতে জোরালো ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

হকি মাঠের অপূর্ণ স্বপ্ন আর ক্রিকেটের বিশ্বজয়ী সাম্রাজ্য: অন্য এক শাহরুখ খানের গল্প

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হকি মাঠের অপূর্ণ স্বপ্ন আর ক্রিকেটের বিশ্বজয়ী সাম্রাজ্য: অন্য এক শাহরুখ খানের গল্প

হকি মাঠের অপূর্ণ স্বপ্ন আর ক্রিকেটের বিশ্বজয়ী সাম্রাজ্য: অন্য এক শাহরুখ খানের গল্প

বিনোদন ডেস্ক: বলিউডের জনপ্রিয় সুপারস্টার শাহরুখ খানের জন্মদিন মানেই বিশ্বজুড়ে ভক্তদের উন্মাদনা ও বর্ণিল উৎসবের আমেজ। রূপালি পর্দার গণ্ডি পেরিয়ে বাস্তবের নানা ভুবনেও তার সফল পদচারণা রয়েছে, যা বিনোদন জগতের সীমানা ছাড়িয়ে গেছে। বিশেষ করে খেলাধুলার ময়দানে তার ব্যবসায়িক ও অভিভাবকসুলভ উপস্থিতি ক্রীড়াপ্রেমীদের মাঝে এক আলাদা আকর্ষণের জন্ম দিয়েছে। পর্দার রোমান্টিক নায়কের এই ভিন্ন রূপটি অনেকের কাছেই বেশ অনুপ্রেরণাদায়ক ও কৌতূহলোদ্দীপক।

চলচ্চিত্র জগতের এই মহাতারকার কৈশোর ও তারুণ্যের দিনগুলোতে হকির প্রতি ছিল গভীর ও অপ্রতিরোধ্য অনুরাগ। তিনি অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে হকি খেলতেন এবং এই খেলায় নিজেকে পুরোপুরি বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু জীবনের নানা বাস্তব প্রতিকূলতা এবং চোট-আঘাতের কারণে মাঠে খেলোয়াড় হিসেবে নিজের পেশাদার ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্নটি অপূর্ণই থেকে যায়। তারুণ্যের সেই না পাওয়ার বেদনা এবং খেলার প্রতি আজন্ম ভালোবাসা পরবর্তীতে তার ক্রীড়া উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার নেপথ্যে বড় ভূমিকা রেখেছে।

খেলাধুলার প্রতি সেই সুপ্ত টান থেকেই তিনি পরবর্তী সময়ে ক্রিকেট সাম্রাজ্য গড়ে তোলার বিশাল উদ্যোগে সম্পৃক্ত হন। বিশ্বখ্যাত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ বা আইপিএল-এর ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের প্রধান কর্ণধার হিসেবে তিনি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেন। শুধু আইপিএল নয়, বরং ক্রিকেট দুনিয়ায় নিজের গণ্ডি আরও প্রসারিত করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে টি-টোয়েন্টি লিগের দল কিনে তিনি এক শক্তিশালী বৈশ্বিক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। মাঠের বাইরে খেলোয়াড়দের পাশে থেকে উৎসাহ জোগানো এবং প্রতিটি জয়ে তাদের সঙ্গে উল্লাস করার কারণে তিনি দলের অত্যন্ত প্রিয় একজন অভিভাবকে পরিণত হয়েছেন।

সিনেমা জগতের শীর্ষস্থান দখল করার পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনে এমন এক সফল সাম্রাজ্য তৈরি করার এই যাত্রাটি একেবারেই সহজ ছিল না। বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তিনি আজ চলচ্চিত্র ও খেলাধুলা—উভয় জগতেই এক অবিসংবাদিত সফল ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন। তার এই বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্মজীবন প্রমাণ করে যে, হৃদয়ে যদি দৃঢ় জেদ আর স্বপ্ন থাকে, তবে অপূর্ণতাকেও সাফল্যের আলোয় রাঙানো সম্ভব। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি ভক্ত আজ এই ক্ষণজন্মা তারকার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে তার জন্মদিন উদ্‌যাপন করছেন।

টেলিপ্যাথি ও ব্লাইন্ডসাইট তৈরি করছে ইলন মাস্কের নিউরালিংক, যে সুবিধা পাওয়া যাবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টেলিপ্যাথি ও ব্লাইন্ডসাইট তৈরি করছে ইলন মাস্কের নিউরালিংক, যে সুবিধা পাওয়া যাবে

টেলিপ্যাথি ও ব্লাইন্ডসাইট তৈরি করছে ইলন মাস্কের নিউরালিংক, যে সুবিধা পাওয়া যাবে

প্রযুক্তি ডেস্ক: প্রযুক্তি বিশ্বে নতুন এক দিগন্ত উন্মোচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্নায়ুপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান নিউরালিংক। প্রতিষ্ঠানটি এবার বাজারে আনতে চলেছে টেলিপ্যাথি এবং ব্লাইন্ডসাইট নামের দুটি অত্যাধুনিক ব্রেন কম্পিউটার ইন্টারফেসেস প্রযুক্তিনির্ভর তারহীন চিপ। এই উদ্ভাবনগুলো মানুষের মস্তিষ্ক ও কম্পিউটারের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হবে, যা চিকিৎসা ক্ষেত্রে এক বিশাল পরিবর্তন আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

টেলিপ্যাথি প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা শুধুমাত্র চিন্তার শক্তির সাহায্যেই কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন পরিচালনা করতে পারবেন। বিশেষ করে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে বা পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীরা এই প্রযুক্তির সুবাদে দৈনন্দিন নানা কাজ অত্যন্ত সহজে সম্পন্ন করতে পারবেন। এটি তাদের যোগাযোগের ক্ষেত্রে এক নতুন স্বাধীনতার অনুভূতি এনে দেবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট গবেষকরা।

অন্যদিকে ব্লাইন্ডসাইট নামক চিপটি দৃষ্টিশক্তিহীন বা অন্ধ ব্যক্তিদের আবার আলো ও পৃথিবীর রূপ দেখার সুযোগ করে দিতে কাজ করবে। যাদের চোখের স্নায়ু বা কর্নিয়া ক্ষতিগ্রস্ত, তাদের মস্তিষ্কের ভিজ্যুয়াল কর্টেক্সে সরাসরি সংকেত পাঠিয়ে এই চিপ দৃষ্টিশক্তি পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে। বিজ্ঞান কল্পকাহিনির মতো শোনানো এই ধারণাটি এখন বাস্তবে রূপ নেওয়ার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই তারহীন চিপগুলো অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিরাপদ উপায়ে মানুষের মস্তিষ্কে প্রতিস্থাপন করা হবে। মানবদেহে এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ ইতিমধ্যে আশাব্যঞ্জক ফলাফল দিয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে চিকিৎসাবিজ্ঞানের এই অভাবনীয় সাফল্য সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন নিউরালিংকের প্রকৌশলী ও চিকিৎসকরা।