খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

তারেক রহমানের জাপান সফর: বিনিয়োগ ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ২:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তারেক রহমানের জাপান সফর: বিনিয়োগ ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা

তারেক রহমানের জাপান সফর: বিনিয়োগ ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং শিল্পায়নের গতিকে আরও বেগবান করার লক্ষ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বন্ধুরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন এক উচ্চতায় উন্নীত করার প্রচেষ্টা চলছে। দুই দেশের মধ্যকার এই সহযোগিতামূলক সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিভিন্ন মেগা প্রকল্প এবং শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার নানা উদ্যোগ। সম্প্রতি জাপান সফরকালে বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদারত্বে অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে বিখ্যাত বিগ-বি বা বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট উদ্যোগ। এই মহাপরিকল্পনার আওতায় দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি শক্তিশালী শিল্প করিডর গড়ে তোলার কাজ চলছে, যা সমগ্র অঞ্চলের বাণিজ্যের গতিপথ বদলে দিতে পারে। যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ এবং বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে জাপানি অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে দেশের অর্থনীতিতে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

জাপানি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আরও বেশি মাত্রায় পুঁজি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বিভিন্ন মহলে ইতিবাচক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান শ্রমবাজার, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর সুবিধা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ জাপানি উদ্যোক্তাদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে। পাশাপাশি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এই পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে কেবল শিল্পায়নই ত্বরান্বিত হবে না, বরং লাখ লাখ যুবকের নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের প্রবৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।

পরিশেষে, এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক কেবল অর্থনৈতিক লেনদেনের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং দুই দেশের বন্ধুত্বের শেকড় আরও গভীরে প্রোথিত করার একটি অনন্য মাধ্যম। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং উন্নত বিশ্বের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে দেশের তরুণ প্রজন্মকে যুক্ত করতে এ ধরনের কূটনৈতিক সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। উভয় দেশের শীর্ষপর্যায়ের নেতৃবৃন্দের আন্তরিক সদিচ্ছা এবং সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের এই অংশীদারত্ব ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সফল হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।

advertisement
advertisement

নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, বিপুল মজুতের আশা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, বিপুল মজুতের আশা

নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, বিপুল মজুতের আশা

অর্থনীতি ডেস্ক: নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত নতুন একটি গ্যাসকূপে জ্বালানির সন্ধান পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, এই কূপ থেকে দেশের জ্বালানি খাতের চাহিদা পূরণে সহায়ক হতে পারে এমন একটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্যাসের মজুত রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাসের নতুন উৎস অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এই খননকার্য চালানো হয়েছিল।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে পরিচালিত এই অনুসন্ধান কার্যক্রমে গ্যাসের এই নতুন ভান্ডার উন্মোচিত হয়েছে। কূপটির প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করার পরই এই আশাব্যঞ্জক তথ্য সামনে আসে। দেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট উত্তরণে এবং দীর্ঘমেয়াদি শক্তির জোগান নিশ্চিত করতে এই আবিষ্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পেট্রোবাংলা এবং সংশ্লিষ্ট জ্বালানি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর তত্ত্বাবধানে এই কূপ খননের কাজ পরিচালিত হয়। কূপের প্রকৃত ধারণক্ষমতা এবং সেখান থেকে দৈনিক কী পরিমাণ গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে, তা নির্ধারণ করতে বর্তমানে আরও কিছু প্রযুক্তিগত পরীক্ষা চলছে। খুব দ্রুতই এ বিষয়ে বিস্তারিত সুসংবাদ জাতির সামনে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে নিজস্ব উৎস থেকে গ্যাস আহরণের ওপর বরাবরই জোর দিয়ে আসছে নীতিনির্ধারকেরা। নোয়াখালীর এই নতুন গ্যাসকূপ থেকে সফলভাবে গ্যাস উত্তোলন শুরু হলে তা দেশের শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতের উৎপাদনে গতি আনবে। একই সঙ্গে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে এই আবিষ্কার উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।

এনসিপির স্পোর্টস উইংয়ের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে ফাহিম-নাজমুল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ২:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এনসিপির স্পোর্টস উইংয়ের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে ফাহিম-নাজমুল

এনসিপির স্পোর্টস উইংয়ের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে ফাহিম-নাজমুল

খেলা ডেস্ক: দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতাসক্ষম করে তোলার লক্ষ্যে নতুন একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। সম্প্রতি রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স। জাতীয় নাগরিক পার্টির এই নতুন ক্রীড়া উইং গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের খেলাধুলাকে দলীয় প্রভাবমুক্ত রেখে একটি স্বাধীন ও কার্যকর পরিবেশ তৈরি করা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ক্রীড়া ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা ও নানা অনিয়মের অবসান ঘটিয়ে ইতিবাচক পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

নয়া গঠিত এই সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বে আনা হয়েছে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের পরিচিত মুখ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বদের। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক পরিচালক ও প্রখ্যাত ক্রিকেট বিশ্লেষক নাজমুল আবেদীন ফাহিমকে এই সংগঠনের আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আরেক সাবেক পরিচালক এম. নাজমুল ইসলাম সংগঠনের সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ মোট পাঁচজনকে এই নবগঠিত সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক দেশের বিভিন্ন খাতের মতো ক্রীড়াঙ্গনেও দলীয়করণের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি জানান যে ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স কোনো দলীয় অঙ্গসংগঠন হিসেবে কাজ করবে না, বরং এটি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। রাজনৈতিক দল হিসেবে তারা কেবল এই প্ল্যাটফর্মের ভালো কাজের ক্ষেত্রে আদর্শিক ও নীতিগত সহযোগিতা প্রদান করবে। সংগঠনের কাজের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বা প্রেসক্রিপশন দেওয়া হবে না বলে তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় স্পষ্ট করে দিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশের বর্তমান ক্রীড়া ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ত্রুটি ও দুর্বলতা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন। জনসংখ্যার অনুপাতে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন নেতারা। ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের দীর্ঘদিনের হতাশা কাটিয়ে দেশের খেলাধুলাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। এই আংশিক কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি আগামী ছয় মাস দেশের ক্রীড়া উন্নয়নের রূপরেখা তৈরি করতে কাজ করবে এবং মাঠপর্যায়ের নানা সমস্যা দূর করতে জোরালো ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

হকি মাঠের অপূর্ণ স্বপ্ন আর ক্রিকেটের বিশ্বজয়ী সাম্রাজ্য: অন্য এক শাহরুখ খানের গল্প

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হকি মাঠের অপূর্ণ স্বপ্ন আর ক্রিকেটের বিশ্বজয়ী সাম্রাজ্য: অন্য এক শাহরুখ খানের গল্প

হকি মাঠের অপূর্ণ স্বপ্ন আর ক্রিকেটের বিশ্বজয়ী সাম্রাজ্য: অন্য এক শাহরুখ খানের গল্প

বিনোদন ডেস্ক: বলিউডের জনপ্রিয় সুপারস্টার শাহরুখ খানের জন্মদিন মানেই বিশ্বজুড়ে ভক্তদের উন্মাদনা ও বর্ণিল উৎসবের আমেজ। রূপালি পর্দার গণ্ডি পেরিয়ে বাস্তবের নানা ভুবনেও তার সফল পদচারণা রয়েছে, যা বিনোদন জগতের সীমানা ছাড়িয়ে গেছে। বিশেষ করে খেলাধুলার ময়দানে তার ব্যবসায়িক ও অভিভাবকসুলভ উপস্থিতি ক্রীড়াপ্রেমীদের মাঝে এক আলাদা আকর্ষণের জন্ম দিয়েছে। পর্দার রোমান্টিক নায়কের এই ভিন্ন রূপটি অনেকের কাছেই বেশ অনুপ্রেরণাদায়ক ও কৌতূহলোদ্দীপক।

চলচ্চিত্র জগতের এই মহাতারকার কৈশোর ও তারুণ্যের দিনগুলোতে হকির প্রতি ছিল গভীর ও অপ্রতিরোধ্য অনুরাগ। তিনি অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে হকি খেলতেন এবং এই খেলায় নিজেকে পুরোপুরি বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু জীবনের নানা বাস্তব প্রতিকূলতা এবং চোট-আঘাতের কারণে মাঠে খেলোয়াড় হিসেবে নিজের পেশাদার ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্নটি অপূর্ণই থেকে যায়। তারুণ্যের সেই না পাওয়ার বেদনা এবং খেলার প্রতি আজন্ম ভালোবাসা পরবর্তীতে তার ক্রীড়া উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার নেপথ্যে বড় ভূমিকা রেখেছে।

খেলাধুলার প্রতি সেই সুপ্ত টান থেকেই তিনি পরবর্তী সময়ে ক্রিকেট সাম্রাজ্য গড়ে তোলার বিশাল উদ্যোগে সম্পৃক্ত হন। বিশ্বখ্যাত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ বা আইপিএল-এর ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের প্রধান কর্ণধার হিসেবে তিনি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেন। শুধু আইপিএল নয়, বরং ক্রিকেট দুনিয়ায় নিজের গণ্ডি আরও প্রসারিত করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে টি-টোয়েন্টি লিগের দল কিনে তিনি এক শক্তিশালী বৈশ্বিক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। মাঠের বাইরে খেলোয়াড়দের পাশে থেকে উৎসাহ জোগানো এবং প্রতিটি জয়ে তাদের সঙ্গে উল্লাস করার কারণে তিনি দলের অত্যন্ত প্রিয় একজন অভিভাবকে পরিণত হয়েছেন।

সিনেমা জগতের শীর্ষস্থান দখল করার পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনে এমন এক সফল সাম্রাজ্য তৈরি করার এই যাত্রাটি একেবারেই সহজ ছিল না। বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তিনি আজ চলচ্চিত্র ও খেলাধুলা—উভয় জগতেই এক অবিসংবাদিত সফল ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন। তার এই বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্মজীবন প্রমাণ করে যে, হৃদয়ে যদি দৃঢ় জেদ আর স্বপ্ন থাকে, তবে অপূর্ণতাকেও সাফল্যের আলোয় রাঙানো সম্ভব। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি ভক্ত আজ এই ক্ষণজন্মা তারকার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে তার জন্মদিন উদ্‌যাপন করছেন।