খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

জয়ের আশা বিএনপির প্রার্থীর, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জয়ের আশা বিএনপির প্রার্থীর, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের

জয়ের আশা বিএনপির প্রার্থীর, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের

রাজনীতি ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও এক আসনের উপনির্বাচনে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন। সকালের দিকে নিজ নিজ কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে তারা ভোট দেন এবং নির্বাচনী পরিবেশ ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। উপনির্বাচন উপলক্ষে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে কেন্দ্রগুলোতে কিছুটা উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়।

ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন নিজেদের জয়ের ব্যাপারে অত্যন্ত আশাবাদী মনোভাব ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, ভোটাররা নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে এসে তাদের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দিতে পারছেন এবং দিনশেষে তাদের পক্ষেই বিজয় আসবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া শেষ পর্যন্ত ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হলে এই উপনির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীর জয় সুনিশ্চিত বলে তিনি দাবি করেন।

অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন ভোটদান শেষে নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় কিছু ত্রুটির অভিযোগ তোলেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, অনেক প্রিসাইডিং কর্মকর্তার পরিচয়পত্রে নির্ধারিত ছবি অনুপস্থিত রয়েছে, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। এ ধরনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের অন্তরায় হতে পারে বলে তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি সন্তোষজনক থাকলে তারা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে থাকার ঘোষণা দেন।

নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ভোটগ্রহণ অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোথাও কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রার্থীর অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা সজাগ দৃষ্টি রেখেছেন বলে প্রশাসন সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

advertisement
advertisement

যশোর বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যশোর বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ

যশোর বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ

শিক্ষা ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট তথা এইচএসসি এবং সমমান পরীক্ষার ফলাফলে যশোর শিক্ষা বোর্ডে সামগ্রিক পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই বোর্ডে এবার সফলতার হার দাঁড়িয়েছে মাত্র চুয়াল্লিশ দশমিক বিরানব্বই শতাংশ। দেশজুড়ে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এই মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ আশানুরূপ ফলাফল অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই ফলাফল উন্মোচন করেন। এর পরপরই দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা কেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং মোবাইল ফোনের খুদে বার্তার মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের জন্য ফল উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

সারাদেশের সামগ্রিক ফলাফলের চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট বারো লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী এই গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নেন। এর মধ্যে ছয় লাখ সাত হাজার ৬৪৯ জন ছাত্র এবং ছয় লাখ ৩৩ হাজার ১৪৯ জন ছাত্রী ছিলেন। দেশের দুই হাজার ৭৬০টি নির্ধারিত কেন্দ্রে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল পরিবেশে এই পাবলিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছিল বলে শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।

চলতি বছরে দেশের সব শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে নেমে এসেছে, যেখানে মোট পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছয় লাখ ছিয়াচল্লিশ হাজার ৬৮৫ জন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ গ্রেড বা জিপিএ ফাইভ অর্জন করেছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী, যা গত বছরের তুলনায় বেশ কম। উল্লেখ্য, বিগত বছরগুলোতে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পাসের হার এবং জিপিএ ফাইভ পাওয়ার সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেকটাই বেশি ছিল।

জনগণের অধিকার হরণ করলে এক দফার ডাক দেওয়া হবে: মামুনুল হক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জনগণের অধিকার হরণ করলে এক দফার ডাক দেওয়া হবে: মামুনুল হক

জনগণের অধিকার হরণ করলে এক দফার ডাক দেওয়া হবে: মামুনুল হক

রাজনীতি ডেস্ক: জনসাধারণের মৌলিক অধিকার হরণ করার চেষ্টা করা হলে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে চূড়ান্ত এক দফার ডাক দেওয়া হবে বলে সরকারের প্রতি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক। সম্প্রতি শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা এলাকায় আয়োজিত এক বিশাল পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই হুঙ্কার দেন। দেশের সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করতে এবং তাদের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই তারা এই রাজনৈতিক লড়াইয়ে নেমেছেন বলে জানান তিনি।

বর্তমান সরকারের বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদানের নীতির সমালোচনা করে এই ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা বলেন, নানা ধরনের কার্ড বিতরণের কূটকৌশল ও লোকদেখানো প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলার প্রবণতা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। যদি সাধারণ মানুষের ভাগ্য নিয়ে এই ধরনের ছক সাজানো অব্যাহত থাকে, তবে এ দেশের খেটে খাওয়া জনতা সম্মিলিতভাবে সরকারকে চূড়ান্ত লাল কার্ড প্রদর্শন করবে। জনগণের অধিকার রক্ষায় যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে তারা প্রস্তুত রয়েছেন বলে সমাবেশে উপস্থিত জনতার সামনে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সরকার যদি জনগণের ভোটাধিকার এবং অন্যান্য গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার পথ থেকে সরে না আসে, তবে যেকোনো মুহূর্তে চূড়ান্ত আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে তিনি জানান। সেই সম্ভাব্য এক দফার আন্দোলনের ডাক আসা মাত্রই রাজধানী ঢাকার রাজপথে সর্বস্তরের জনসাধারণকে দলমত নির্বিশেষে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান এই শীর্ষনেতা। অধিকার আদায়ের এই সংগ্রামকে চূড়ান্ত পরিণতিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য রাজপথ দখলের বিকল্প নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

উক্ত পথসভায় দেশের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং তারাও সরকারের বর্তমান কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক নিয়ে সমালোচনা করেন। এই সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দিন আহমদ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিবসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন। দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে সভায় বক্তারা বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য তুলে ধরেন।

এই বাড়তি সময়কে কাজে লাগিয়ে সংস্কার করতে হবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এই বাড়তি সময়কে কাজে লাগিয়ে সংস্কার করতে হবে

এই বাড়তি সময়কে কাজে লাগিয়ে সংস্কার করতে হবে

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে উন্নীত হওয়ার পথে রয়েছে। এই উত্তরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর দেশের অর্থনীতিতে নানা ধরনের নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে। এই পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করার জন্য এখন থেকেই পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার কার্যক্রম জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশের নীতিনির্ধারক ও অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা টিকিয়ে রাখতে হলে অভ্যন্তরীণ নীতিমালায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা আবশ্যক। এলডিসি উত্তরণের ফলে অনেক ধরনের শুল্ক সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাবে। ফলে রপ্তানি বাজার টিকিয়ে রাখতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং নীতিগত সহায়তা আরও যুগোপযোগী করা ছাড়া বিকল্প কোনো পথ খোলা থাকবে না।

এই রূপান্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফেরানো এবং ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করার কাজটি এখন সময়ের দাবি। কেবল বিদেশি বা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর চাপের মুখে নয়, বরং নিজেদের অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই এই সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যবসায়িক খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি না পেলে বৈশ্বিক বাজারে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।

সার্বিকভাবে, উত্তরণের জন্য অতিরিক্ত যে সময় পাওয়া গেছে, তাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে। সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে কাঠামোগত সংস্কারগুলো দ্রুত সম্পন্ন করতে পারলে ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক ঝুঁকিগুলো সফলভাবে এড়ানো সম্ভব হবে। এতে দেশের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি টেকসই হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।