খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

‘ঢাবি অমানুষদের জায়গা’—ফজলুর রহমানকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান সাদিক কায়েমের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘ঢাবি অমানুষদের জায়গা’—ফজলুর রহমানকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান সাদিক কায়েমের

‘ঢাবি অমানুষদের জায়গা’—ফজলুর রহমানকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান সাদিক কায়েমের

রাজনীতি ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে সম্প্রতি অত্যন্ত অবমাননাকর ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে। দেশের সর্বোচ্চ এই বিদ্যাপীঠ ও এর সঙ্গে জড়িতদের নিয়ে এমন বিরূপ মন্তব্য করায় রাজনৈতিক ও ছাত্র মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহসভাপতি সাদিক কায়েম এই ঘটনার জোরালো প্রতিবাদ জানিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি ফজলুর রহমানের এ ধরনের বক্তব্যকে চরম বিদ্বেষপূর্ণ ও অপ্রত্যাশিত বলে উল্লেখ করেছেন।

ডাকসু সহসভাপতি তার বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করেন যে, ফজলুর রহমান অতীতে বাকশালের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে বিএনপির সংসদ সদস্য হলেও তার ভেতরে সেই ফ্যাসিবাদী আদর্শ ও মানসিকতা এখনো রয়ে গেছে। রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিন্নতার কারণে দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সামগ্রিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ধরনের মানসিকতা গণতান্ত্রিক চর্চা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সাদিক কায়েম তার বক্তব্যে আরও স্পষ্ট করে বলেন যে, এ ধরনের উগ্র মানসিকতার দায়ভার ফজলুর রহমানকে মনোনয়ন প্রদানকারী রাজনৈতিক দল বিএনপিও এড়াতে পারে না। দলীয় কোনো সদস্যের এমন বিতর্কিত আচরণের দায় সংশ্লিষ্ট দলের ওপরও বর্তায় বলে তিনি মনে করেন। তাই বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের কাছে এই অপমানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে অবিলম্বে ফজলুর রহমানকে তার এই অবমাননাকর বক্তব্য প্রত্যাহার করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর কাছে তাকে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে বলে জোর দাবি জানিয়েছেন ডাকসু সহসভাপতি। অন্যথায় এই ধরনের দায়িত্বহীন আচরণের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আরও কঠোর অবস্থান নিতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

advertisement
advertisement

বিজ্ঞাপনে এআইয়ের ধাক্কা, গুগলের বাজারমূল্য কমল ৫০০ বিলিয়ন ডলার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিজ্ঞাপনে এআইয়ের ধাক্কা, গুগলের বাজারমূল্য কমল ৫০০ বিলিয়ন ডলার

বিজ্ঞাপনে এআইয়ের ধাক্কা, গুগলের বাজারমূল্য কমল ৫০০ বিলিয়ন ডলার

প্রযুক্তি ডেস্ক: প্রযুক্তির বাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রবল উত্থানের মাঝে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল। সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞাপনের আয় বিশ্লেষকদের প্রাক্কলন অনুযায়ী না হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটের শেয়ারবাজারে, যেখানে একদিনেই তাদের বাজারমূল্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিভিন্ন সেবা ও চ্যাটবট বাজারে আসার পর থেকে অনলাইন বিজ্ঞাপনের গতানুগতিক ধারায় পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে। ব্যবহারকারীরা এখন কেবল প্রথাগত সার্চ ইঞ্জিনের ওপর নির্ভর না করে এআই মাধ্যমের দিকে ঝুঁকছেন, যা গুগলের প্রধান আয়ের উৎসে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে না পারলে ভবিষ্যতে প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর আয়ের প্রবৃদ্ধি আরও মন্থর হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

বিনিয়োগকারী ও শেয়ারহোল্ডাররা বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন এবং গুগলের ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক কৌশল পুনর্মূল্যায়নের দাবি তুলেছেন। তারা মনে করছেন, প্রযুক্তি খাতের ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে প্রতিষ্ঠানটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে আরও আগ্রাসী ও কার্যকর বিনিয়োগ করতে হবে। অন্যথায় প্রতিযোগীদের তুলনায় তারা বাজার হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

এই অর্থনৈতিক ধাক্কার পর গুগলের নীতিনির্ধারকরা নতুন প্রযুক্তির বিকাশ ও তার সফল বাণিজ্যিকীকরণের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাজারে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে বিভিন্ন গবেষণা ও নতুন সেবা চালুর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করেছে। তবে বর্তমান আর্থিক ক্ষতির ধাক্কা কাটিয়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে গুগলের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

তেভেজের বিদায়ী ম্যাচে এক মাঠে খেলবেন মেসি ও রোনালদো!

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তেভেজের বিদায়ী ম্যাচে এক মাঠে খেলবেন মেসি ও রোনালদো!

তেভেজের বিদায়ী ম্যাচে এক মাঠে খেলবেন মেসি ও রোনালদো!

খেলা ডেস্ক: সবুজ মাঠকে বিদায় জানানোর দীর্ঘ কয়েক বছর পর অবশেষে ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলার ঘোষণা দিয়েছেন আর্জেন্টাইন ফুটবলের জনপ্রিয় ফরোয়ার্ড কার্লোস তেভেজ। আগামী ২০ ডিসেম্বর আর্জেন্টিনার ঐতিহাসিক লা বোম্বোনেরা স্টেডিয়ামে তার এই বহুলপ্রতীক্ষিত বিদায়ী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। গুডবাই আপাচে ফ্রম বল বয় টু লিজেন্ড শিরোনামে আয়োজিত হতে যাওয়া এই রাজকীয় ম্যাচটিকে নিছক একটি প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে রাখতে নারাজ এই তারকা। বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকাদের এক মহামিলনমেলায় পরিণত করতে বেশ বড়সড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন তিনি এবং তার এই আয়োজনে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে বিশ্বজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসির।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক সতীর্থ রিও ফার্দিনান্দের সঙ্গে আলাপকালে কার্লোস তেভেজ নিশ্চিত করেছেন যে তার বিশেষ এই দিনে মাঠে থাকবেন লিওনেল মেসি এবং বোকা জুনিয়র্সের বর্তমান সভাপতি হুয়ান রোমান রিকেলমে। তবে এখানেই থেমে না থেকে ফুটবল দুনিয়ার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই বরপুত্র লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে একই মাঠে নামানোর রোমাঞ্চকর এক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চান তিনি। নিজেই পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে এই ম্যাচে আমন্ত্রণ জানানোর উদ্যোগ নিয়েছেন এই ফরোয়ার্ড, যা সফল হলে বিশ্ববাসী বুয়েনস আইরেসের সবুজ গালিচায় এক অবিস্মরণীয় মুহূর্তের সাক্ষী হবে।

এই বিশেষ প্রীতি ম্যাচে ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকার সোনালি প্রজন্মের সাবেক সতীর্থদের মাঠে দেখা যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। সম্ভাব্য অতিথি তালিকায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, জুভেন্টাস এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের একসময়ের তারকা সতীর্থদের মধ্যে সার্জিও আগুয়েরো, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, পল স্কোলস, রায়ান গিগস, ওয়েইন রুনি এবং আন্দ্রেয়া পিরলোর নাম আলোচিত হচ্ছে। বর্ণিল এই ক্যারিয়ারের ইতি টানতে বিশ্বের বাঘা বাঘা ফুটবলারদের উপস্থিতি এই আয়োজনকে এক ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে বোকা জুনিয়র্সের জার্সিতে পেশাদার ফুটবল অঙ্গনে পথচলা শুরু করা কার্লোস তেভেজ ক্লাবটির হয়ে ২৭৯ ম্যাচে ৯৪ গোল করে নিজেদের ইতিহাসের অংশ হয়ে আছেন। ২০০৩ সালের কোপা লিবার্তাদোরেস ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ জয়ে তিনি রেখেছিলেন অবিস্মরণীয় অবদান যা তাকে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার স্বীকৃতি এনে দেয়। মাঠের লড়াই ছাড়ার পর কোচিং পেশায় কিছুকাল কাটালেও বর্তমানে ব্যবসায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি, তবে সব ব্যস্ততা দূরে ঠেলে শেকড়ের টানে সেই চিরচেনা লা বোম্বোনেরার গ্যালারির সামনে শেষবারের মতো বুট জোড়া পায়ে নামবেন এই কিংবদন্তি।

নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে জাল ফেলতেই আবহাওয়ার চোখরাঙানি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে জাল ফেলতেই আবহাওয়ার চোখরাঙানি

নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে জাল ফেলতেই আবহাওয়ার চোখরাঙানি

জাতীয় ডেস্ক: দীর্ঘ ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে সাগরে মাছ শিকারে নেমে চরম বৈরী আবহাওয়ার মুখোমুখি হয়েছেন বরগুনার পাথরঘাটার জেলেরা। দীর্ঘদিন কর্মহীন থাকার পর জালে প্রচুর ইলিশ পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে তাঁরা সমুদ্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু মৌসুমের শুরুতেই আবহাওয়ার মতিগতি বদলে যাওয়ায় জেলেদের মাঝে গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে।

সম্প্রতি পাথরঘাটা অঞ্চলের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার পাশাপাশি দফায় দফায় বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়া বয়ে যেতে দেখা গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সামুদ্রিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও এর সংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে যা আরও ঘনীভূত হতে পারে। এছাড়া বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন অংশে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় সমুদ্রগামী মানুষ আরও বেশি সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

নিষেধাজ্ঞার দীর্ঘ সময়ে কোনো আয় না থাকায় অনেক জেলেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে কোনোমতে সংসার চালাতে হয়েছে। এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে তারা সাগরে ছুটে গিয়েছিলেন, কিন্তু আবহাওয়ার এই চোখরাঙানি তাদের সব পরিকল্পনাকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। ফলে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ মাছ শিকার করা নিয়ে বড় ধরনের সংশয় তৈরি হয়েছে।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, গত মৌসুমেও বিরূপ আবহাওয়ার কারণে জেলেরা চরম দুর্ভোগ পোহাতে বাধ্য হয়েছেন এবং অনেক জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। এবারের নিষেধাজ্ঞা শেষে নতুন আশায় বুক বেঁধে জেলেরা সাগরে গেলেও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে একদিকে যেমন মাছ পাওয়ার আশা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে জীবনের ঝুঁকিও বহুগুণ বেড়ে গেছে।

এদিকে সাগরে অবস্থানরত জেলেদের পাশাপাশি উপকূলের পরিবারগুলোর সদস্যরাও চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। গত বছরের নিখোঁজ হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনাগুলো তাদের স্মৃতিতে ভেসে আসায় প্রিয়জনদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিয়ে স্বজনেরা প্রতিমুহূর্তে উৎকণ্ঠায় দিন পার করছেন। আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই শঙ্কা কাটবে না বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।