খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

রাজশাহীতে শিশু থিয়েটারের ৩৪তম বর্ষপূর্তি উৎসব

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাজশাহীতে শিশু থিয়েটারের ৩৪তম বর্ষপূর্তি উৎসব

রাজশাহীতে শিশু থিয়েটারের ৩৪তম বর্ষপূর্তি উৎসব

বিনোদন ডেস্ক: সাংস্কৃতিক নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্প্রতি রাজশাহীতে বরেন্দ্র শিশু থিয়েটারের চৌত্রিশতম বর্ষপূর্তি উৎসব উদ্‌যাপিত হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী এই নাট্য সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, আলোচনা সভা এবং নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের মাধ্যমে উৎসবটি মুখরিত হয়ে ওঠে। দূরদূরান্ত থেকে আসা নাট্যপ্রেমী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা এই আনন্দ আয়োজনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

নগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। তাদের মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মুহম্মদ আলমগীর, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শহীদ ইকবাল এবং রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. ফখরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও নিউ গভর্নমেন্ট ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শিখা রানী সরকার, আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মতিউর রহমানসহ সমাজের বিশিষ্টজনেরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন বরেন্দ্র শিশু থিয়েটারের সম্পাদক ইকবাল আলী। পরে আয়োজক কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের বক্তারা শিশু থিয়েটারের দীর্ঘ পথচলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের নানা দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। সংহিতা রায় ও অঙ্কনা সেনের সাবলীল সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দ্বিজেন্দ্রনাথ ব্যানার্জীর শিক্ষক নিমাই চন্দ্র সরকার। বক্তারা নতুন প্রজন্মকে সংস্কৃতির আলোয় বড় করে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

উৎসবের একটি অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী রচিত দুটি নতুন গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন পর্ব। আমন্ত্রিত অতিথিরা 'বিশ্বকবি: বিশ্বের বিস্ময়' এবং 'বাংলাভাষা ও ব্যাকরণের মেলবন্ধন' নামক গ্রন্থ দুটির মোড়ক উন্মোচন করেন। এ সময় আলোচকরা লেখকের সাহিত্যকর্মের গভীরতা ও বৈচিত্র্য নিয়ে আলোচনা করেন এবং তার সৃজনশীল লেখনীর ভূয়সী প্রশংসা করেন।

advertisement
advertisement

নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে জাল ফেলতেই আবহাওয়ার চোখরাঙানি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে জাল ফেলতেই আবহাওয়ার চোখরাঙানি

নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে জাল ফেলতেই আবহাওয়ার চোখরাঙানি

জাতীয় ডেস্ক: দীর্ঘ ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে সাগরে মাছ শিকারে নেমে চরম বৈরী আবহাওয়ার মুখোমুখি হয়েছেন বরগুনার পাথরঘাটার জেলেরা। দীর্ঘদিন কর্মহীন থাকার পর জালে প্রচুর ইলিশ পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে তাঁরা সমুদ্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু মৌসুমের শুরুতেই আবহাওয়ার মতিগতি বদলে যাওয়ায় জেলেদের মাঝে গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে।

সম্প্রতি পাথরঘাটা অঞ্চলের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার পাশাপাশি দফায় দফায় বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়া বয়ে যেতে দেখা গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সামুদ্রিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও এর সংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে যা আরও ঘনীভূত হতে পারে। এছাড়া বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন অংশে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় সমুদ্রগামী মানুষ আরও বেশি সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

নিষেধাজ্ঞার দীর্ঘ সময়ে কোনো আয় না থাকায় অনেক জেলেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে কোনোমতে সংসার চালাতে হয়েছে। এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে তারা সাগরে ছুটে গিয়েছিলেন, কিন্তু আবহাওয়ার এই চোখরাঙানি তাদের সব পরিকল্পনাকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। ফলে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ মাছ শিকার করা নিয়ে বড় ধরনের সংশয় তৈরি হয়েছে।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, গত মৌসুমেও বিরূপ আবহাওয়ার কারণে জেলেরা চরম দুর্ভোগ পোহাতে বাধ্য হয়েছেন এবং অনেক জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। এবারের নিষেধাজ্ঞা শেষে নতুন আশায় বুক বেঁধে জেলেরা সাগরে গেলেও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে একদিকে যেমন মাছ পাওয়ার আশা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে জীবনের ঝুঁকিও বহুগুণ বেড়ে গেছে।

এদিকে সাগরে অবস্থানরত জেলেদের পাশাপাশি উপকূলের পরিবারগুলোর সদস্যরাও চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। গত বছরের নিখোঁজ হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনাগুলো তাদের স্মৃতিতে ভেসে আসায় প্রিয়জনদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিয়ে স্বজনেরা প্রতিমুহূর্তে উৎকণ্ঠায় দিন পার করছেন। আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই শঙ্কা কাটবে না বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

নো ইয়াবা, নো হেরোইন বাস্তবায়নের আহ্বান বিএনপি এমপির

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নো ইয়াবা, নো হেরোইন বাস্তবায়নের আহ্বান বিএনপি এমপির

নো ইয়াবা, নো হেরোইন বাস্তবায়নের আহ্বান বিএনপি এমপির

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফ অঞ্চলে ইয়াবা এবং হেরোইনের মতো মারাত্মক সব মাদকের বিস্তার রোধে যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সম্প্রতি উখিয়া উপজেলার কোটবাজার এলাকায় আয়োজিত এক যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী এই আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, যুবসমাজকে সামনে রেখেই মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে শক্ত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। মাদক কেবল একটি ব্যক্তি বা পরিবারকেই নয়, বরং পুরো সমাজ ও দেশকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সমাবেশে শাহজাহান চৌধুরী উখিয়া ও টেকনাফ এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে নো ইয়াবা ও নো হেরোইন স্লোগান বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। তিনি উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার তাগিদ দিয়ে বলেন, এই অন্ধকার জগতের সঙ্গে জড়িতদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। পাশাপাশি মাদক নির্মূলের এই কার্যক্রমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সার্বিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য তিনি এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

এ সময় যুবদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে সংসদ সদস্য জানান যে, জনগণের সার্বিক কল্যাণ ও উন্নয়নে সকলকে অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। সরকার থেকে প্রাপ্ত উন্নয়ন বরাদ্দের একটি বড় অংশ যুবদলের নেতাকর্মীদের মাধ্যমেই জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে বলে তিনি জানান। প্রতিটি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বরাদ্দের প্রকৃত সুফল যেন সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়ে নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম সাইফুর রহিম সিকদার ও সদস্যসচিব খাইরুল আমিনের উদ্যোগে আয়োজিত এই যুব সমাবেশে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষ অংশ নেন। যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‍্যালি শেষে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন কক্সবাজার জেলা যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ আহমদ উজ্জ্বল। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরওয়ার জাহান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ চৌধুরী এবং জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জিসান উদ্দিন জিসানসহ দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অস্বীকারকারীদের পাকিস্তান চলে যেতে বললেন ফজলুর রহমান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অস্বীকারকারীদের পাকিস্তান চলে যেতে বললেন ফজলুর রহমান

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অস্বীকারকারীদের পাকিস্তান চলে যেতে বললেন ফজলুর রহমান

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে যারা বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং দেশের স্বাধীনতা অস্বীকার করে, তাদের কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমেই এই দেশের জন্ম হয়েছে এবং যারা এই ঐতিহাসিক সত্যকে অবিশ্বাস করতে চায়, তাদের এদেশে থাকার কোনো অধিকার নেই। রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিকের স্মরণসভায় বক্তব্য রাখার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। এই ধরনের স্বাধীনতাবিরোধী মনোভাব দেশের অর্জনকে ম্লান করে দিচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম হতাশার সৃষ্টি করছে বলে তিনি মনে করেন।

স্মরণসভায় ফজলুর রহমান একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং একটি বিশেষ মহল কর্তৃক তা নিয়ে অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানান। তিনি উল্লেখ করেন, যুদ্ধের সময় ভারত সরকার প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় ও খাদ্য সহায়তা দিয়ে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল এবং মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছিল। ভারতীয় সেনাদের রক্তের বিনিময়েও অর্জিত হয়েছে এই স্বাধীনতা, যা কোনোভাবেই অস্বীকার করা যায় না। তিনি আরও জানান, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার কারণে তাকে অতীতে বিভিন্ন সময় হুমকি দেওয়া হয়েছে, এমনকি তার বাসভবন ঘেরাও করে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সময়োপযোগী হস্তক্ষেপে তিনি রক্ষা পান এবং নিজের অবস্থান থেকে একচুলও সরে আসেননি।

দেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর বিশেষ জোর দিয়ে এই সংসদ সদস্য বলেন, বাঙালি হিসেবে সকলের পরিচয় অভিন্ন, যদিও ধর্মীয় বিশ্বাস ভিন্ন হতে পারে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে চাল, ডাল বা অন্য কোনো উপকরণের দাম হিন্দু কিংবা মুসলমানের জন্য আলাদা নয়, বরং সবার জীবনে একই ধরনের অর্থনৈতিক সংকট বিরাজ করে। তাই কৃত্রিম ধর্মীয় বিভাজন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী অপশক্তিকে প্রতিহত করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, ৩০ লাখ শহীদ এবং অসংখ্য মা-বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই দেশ কখনোই রাজাকারদের আস্তানায় পরিণত হতে দেওয়া হবে না। বাঙালির সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে সব সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি স্মরণসভার মূল ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিকের বর্ণাঢ্য জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন এবং আজীবন মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বাস্তবায়নে তার অবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। ফজলুর রহমান বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে প্রণীত সংবিধানে যে চার মূলনীতি অর্থাৎ জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা পূর্ণাঙ্গভাবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। এই চার মূলনীতির সঠিক বাস্তবায়ন ছাড়া দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সম্ভব নয় বলে তিনি সতর্ক করেন। সাম্প্রদায়িক শক্তির অপতৎপরতা রুখে দিয়ে একটি সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি দেশবাসীর প্রতি ঐক্যের ডাক দেন।