খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

এইচএসসিতে ছাত্রদের অর্ধেকই ফেল, ছাত্রী ৪৩.৬৯ শতাংশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসিতে ছাত্রদের অর্ধেকই ফেল, ছাত্রী ৪৩.৬৯ শতাংশ

এইচএসসিতে ছাত্রদের অর্ধেকই ফেল, ছাত্রী ৪৩.৬৯ শতাংশ

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরে অনুষ্ঠিত উচ্চমাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে শিক্ষাবোর্ডে পাসের হারে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এবার সারা দেশে গড় পাসের হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। অথচ এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের এই পাবলিক পরীক্ষায় সার্বিক পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার প্রায় সাড়ে ছয় শতাংশেরও বেশি হ্রাস পাওয়ার ফলে শিক্ষা অঙ্গনে নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এবারের ফলাফলের বিস্তারিত বিশ্লেষণে দেখা যায়, ছাত্র এবং ছাত্রী উভয়ের ক্ষেত্রেই ফলাফলের এই নিম্নমুখী ধারা বজায় রয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রদের ক্ষেত্রে পাসের হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে অর্ধেক শিক্ষার্থীর মধ্যেই সীমিত হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে ছাত্রীদের ক্ষেত্রেও পাসের হার গতবারের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে, যদিও তারা সার্বিক ফলাফলের দিক থেকে তুলনামূলক কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। বোর্ডের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবছর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রীদের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।

শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন প্রক্রিয়া এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার ঘাটতির কারণে সামগ্রিক ফলাফলে এই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। করোনাকালীন শিক্ষাজীবনে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে ওঠার দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলেও পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে কিছু দুর্বলতা রয়ে গেছে। তাছাড়া ইংরেজি ও অন্যান্য কঠিন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ফলাফল আশানুরূপ না হওয়ায় সার্বিক পাসের হার এত নিচে নেমে এসেছে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ শিক্ষকরা।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে প্রকাশিত এই ফলাফলের পর এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে কোন কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার সবচেয়ে বেশি কমেছে। যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি বা যাদের ফলাফল অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জক, তাদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। আগামী দিনে শিক্ষাদানের মান উন্নত করতে এবং পাসের হার বাড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলো সুনির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে।

advertisement
advertisement

মাসের শুরুতেই নতুন পোশাক কেনার কথা ভাবছেন? কেনার আগে যে বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মাসের শুরুতেই নতুন পোশাক কেনার কথা ভাবছেন? কেনার আগে যে বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে

মাসের শুরুতেই নতুন পোশাক কেনার কথা ভাবছেন? কেনার আগে যে বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক: প্রতি মাসের শুরুতেই বেতন পাওয়ার পর নতুন জামাকাপড় বা ফ্যাশন অনুষঙ্গ কেনার ঝোঁক অনেকেরই থাকে। তবে শপিংমলে গিয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জিনিস কিনে ফেলা কিংবা আবেগতাড়িত হয়ে পোশাক কেনার অভ্যাস অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় খরচের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ঘরে এনে দেখা যায় এমন অনেক জিনিস জমেছে যা হয়তো আর কখনোই পরা হয় না। তাই যেকোনো পোশাক বা অনুষঙ্গ কেনার আগে একটু থেমে নিজের প্রয়োজন ও উপযোগিতা সম্পর্কে ভেবে দেখা অত্যন্ত বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

পরিবেশবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে টেকসই জীবনযাপনের ওপর জোর দিয়ে আসছেন এবং তাঁদের মতে মানুষের আলমারির ভেতরের চিত্রও পৃথিবীর পরিবেশের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। কোনো পোশাক বা ফ্যাশন পণ্য কেনার সময় ভাবা উচিত সেটি তৈরিতে কী ধরনের উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে এবং তা পৃথিবীজুড়ে বর্জ্য বাড়াতে কতটা ভূমিকা রাখছে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত কেনাকাটা বন্ধ করে ফ্যাশনে পরিমিতিবোধ বজায় রাখা এবং একই পোশাক দীর্ঘদিন ব্যবহার করার মানসিকতা গড়ে তোলা দরকার। এতে একদিকে যেমন ব্যক্তিগত সঞ্চয় বাড়ে, অন্যদিকে তেমনি পৃথিবীও অতিরিক্ত বর্জ্যের হাত থেকে রক্ষা পায়।

নতুন কোনো পোশাক বা ব্যাগ কেনার আগে নিজেকে কয়েকটি মৌলিক প্রশ্ন করা উচিত, যেমন এই জিনিসটি আসলে আপনার কতটা প্রয়োজন এবং আপনি তা কতবার পরবেন। যদি এমন হয় যে পোশাকটি ইতিমধ্যে আপনার সংগ্রহে রয়েছে কিংবা সেটি আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানানসই নয়, তবে কেনা থেকে বিরত থাকাই ভালো। বিশেষ করে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে পরার জন্য ভারী ও জমকালো পোশাক একবারের বেশি পরা হয় না বললেই চলে। এর পরিবর্তে পুরোনো দিনের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি বা ওড়না একটু নতুন নকশায় ব্যবহার করলে যেমন খরচ কমে, তেমনি পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতেও সাহায্য করা যায়।

পোশাক নির্বাচনের সময় এর উপাদানের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া উচিত কারণ সিনথেটিক বা পলিয়েস্টারজাতীয় কাপড় পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এই ধরনের কৃত্রিম পোশাক তৈরিতে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করা হয় এবং ব্যবহারের পর তা মাটিতে মিশতেও অনেক সময় নেয়। এর পরিবর্তে জৈব তুলার তৈরি পোশাক বেছে নেওয়া ভালো যা উৎপাদনে কম পানি লাগে এবং কোনো ক্ষতিকর কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না। এছাড়া কেনার সময় পোশাকটিতে পরিবেশবান্ধব আন্তর্জাতিক সনদ আছে কি না তা যাচাই করে নেওয়া উচিত।

দৈনন্দিন জীবনে কৃত্রিম উপাদানের পোশাক পুরোপুরি বর্জন করা সম্ভব না হলেও কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। সিনথেটিক কাপড় ধোয়ার সময় প্রচুর মাইক্রোপ্লাস্টিক নির্গত হয়ে নদী ও সমুদ্রের পানিতে মিশে যায় যা জলজ প্রাণীর জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করে। এই সমস্যা রোধ করতে ধোয়ার সময় মাইক্রোপ্লাস্টিক ফিল্টার বা বিশেষ ব্যাগ ব্যবহার করা যেতে পারে। সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত ফ্যাশনের নামে অতিরিক্ত খরচ ও পরিবেশ দূষণ রোধে আরও বেশি দায়িত্বশীল ও সংযত হওয়া।

আজিমপুরে সরকারি ফ্ল্যাট ছাড়ার নোটিশ: বিপাকে শিক্ষার্থীরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আজিমপুরে সরকারি ফ্ল্যাট ছাড়ার নোটিশ: বিপাকে শিক্ষার্থীরা

আজিমপুরে সরকারি ফ্ল্যাট ছাড়ার নোটিশ: বিপাকে শিক্ষার্থীরা

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর আজিমপুর এলাকার সরকারি কোয়ার্টার বা ফ্ল্যাটগুলো খালি করার জন্য সম্প্রতি একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে সেখানে বসবাসরত শিক্ষার্থীরা তীব্র অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে পড়েছেন। আকস্মিক এই নোটিশ পাওয়ার পর থেকে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এবং পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন যে তাদের অনেকেরই ফাইনাল পরীক্ষা দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মাথার ওপর থেকে ছাদ সরে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার পরিবর্তে এখন তাদের বাসা খোঁজা এবং নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে, যা তাদের একাডেমিক ফলাফলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাজনক ও সাশ্রয়ী মূল্যের এই আবাসনগুলোতে থেকে পড়াশোনা চালিয়ে আসছিলেন এই শিক্ষার্থীরা। কিন্তু হঠাৎ করে ফ্ল্যাট ছাড়ার এই তাগাদা আসায় তারা চরম বিপাকে পড়েছেন। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না করে এমন আকস্মিক উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী ছাত্রীরা।

এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আরও কিছু সময় বাড়ানোর আবেদন জানানোর কথা ভাবছেন। তারা আশা করছেন, মানবিক দিক বিবেচনা করে অন্তত পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত ফ্ল্যাটগুলোতে থাকার সুযোগ দেওয়া হবে, যাতে তারা কোনো ধরনের বাড়তি দুশ্চিন্তা ছাড়া পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন।

মুজিব-হাসিনার জন্মস্থানে দাঁড়িয়ে জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি, দাবি আদায়ে আমরা অনড়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:২১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মুজিব-হাসিনার জন্মস্থানে দাঁড়িয়ে জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি, দাবি আদায়ে আমরা অনড়

মুজিব-হাসিনার জন্মস্থানে দাঁড়িয়ে জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি, দাবি আদায়ে আমরা অনড়

রাজনীতি ডেস্ক: রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে শুরু হওয়া ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চ বিভিন্ন পথ পেরিয়ে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া মোড়ে এসে পৌঁছায়। সেখানে এই লংমার্চকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায় এবং হাজার হাজার নারী-পুরুষ বহরটিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। রাস্তার দুই পাশে অবস্থান নেওয়া জনতা ও দলীয় নেতাকর্মীদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ পুরো এলাকায় এক ভিন্ন রাজনৈতিক আমেজের সৃষ্টি করে।

ভাটিয়াপাড়া মোড়ে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি সাধারণ মানুষের এই বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে উত্থাপিত সাত দফা দাবি বাস্তবায়নে আপসহীন সংগ্রামের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে জনগণের অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই রাজনৈতিক কর্মসূচি ও আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

গোপালগঞ্জের পথসভা শেষে লংমার্চের এই বিশাল বহরটি নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী খুলনার দিকে রওনা হয়। পরবর্তীতে খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর ও ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বরে আয়োজিত পথসভায় তাদের যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া যাতায়াত পথেই বিভিন্ন স্থানে সংক্ষিপ্ত গণজমায়েত ও পথসভায় অংশ নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখবেন এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিবাদন গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।

এর আগে নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে শরীয়তপুরের নাওডোবায় একটি পথসভায় অংশ নেয় লংমার্চের গাড়ি বহরটি। উল্লেখ্য, এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম এবং পরবর্তীতে ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে লংমার্চ সফলভাবে সম্পন্ন করেছিল এই ১১ দলীয় ঐক্য জোট। আজকের এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমা ও বিভিন্ন জেলার পথসভা শেষে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে একটি বিশাল সমাপনী সমাবেশের মাধ্যমে এই লংমার্চ কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।