খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

এক মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষা দিতে পারবে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্যরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:২৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এক মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষা দিতে পারবে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্যরা

এক মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষা দিতে পারবে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্যরা

শিক্ষা ডেস্ক: এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা মাত্র এক মাসের ব্যবধানে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। সম্প্রতি সচিবালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বিস্তারিত জানান শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। এবারের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় সারা দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে প্রকাশিত ফলে দেখা গেছে, এবার গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় কিছুটা কম।

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে শুরু হলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছিল। গত দুই জুলাই শুরু হওয়া এই পরীক্ষা আট আগস্ট শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা যথাসময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় নয় সেপ্টেম্বর। সারা দেশের দুই হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে নয় হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।

শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর যৌথ ওয়েবসাইট এবং নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে মার্কশিটসহ ফলাফল দেখতে ও ডাউনলোড করতে পারছেন। এ ছাড়া যেকোনো মোবাইল অপারেটরের নম্বর থেকে নির্দিষ্ট ফরম্যাটে এসএমএস পাঠিয়েও খুব সহজে ফল জেনে নেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোনো কেন্দ্র বা দপ্তর থেকে সরাসরি ফলাফল বা শিট বিতরণ করা হচ্ছে না, সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন করা হচ্ছে।

এদিকে প্রকাশিত ফলাফলে কোনো শিক্ষার্থী সন্তুষ্ট না হলে তাদের জন্য উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। আগামী এক নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে সাত নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে পুনর্নিরীক্ষার আবেদন গ্রহণ করা হবে। এসংক্রান্ত বিস্তারিত নিয়মাবলি এবং ফি পরিশোধের পদ্ধতি ইতিমধ্যে শিক্ষা বোর্ডগুলোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুনর্নিরীক্ষণের পর ফল পরিবর্তিত হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

advertisement
advertisement

ঢাকা কর অঞ্চল-১৯–এর অধীন চাকরি, পদ ৬০

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকা কর অঞ্চল-১৯–এর অধীন চাকরি, পদ ৬০

ঢাকা কর অঞ্চল-১৯–এর অধীন চাকরি, পদ ৬০

চাকরি ডেস্ক: রাজধানীর কর ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল ও দক্ষ করে তুলতে নতুন করে জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা কর অঞ্চল-১৯। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির অধীন বিভিন্ন দপ্তরে লোকবল সংকট দূর করতে একটি আনুষ্ঠানিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। সরকারি নিয়মকানুন ও প্রবিধান অনুসরণ করে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সর্বমোট ৬০ জনকে শূন্য পদে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষিত ও যোগ্য প্রার্থীরা নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে এই পদগুলোর জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন। কর অঞ্চলের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য এই কর্মী বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় যোগ্যতার বিস্তারিত বিবরণ কর বিভাগের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে বা নির্দিষ্ট নিয়মে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে এবং কেবল যোগ্য ও মেধার ভিত্তিতে প্রার্থীরা চূড়ান্ত নির্বাচিত হবেন।

সরকারি চাকরির প্রত্যাশীদের জন্য এটি একটি চমৎকার সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বেকারত্ব দূরীকরণ এবং শিক্ষিত তরুণ সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। সঠিক সময়ে আবেদন সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

‘সরকারি অফিসগুলো এখন বিএনপির অফিস, সেখান থেকে তারা টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করে’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘সরকারি অফিসগুলো এখন বিএনপির অফিস, সেখান থেকে তারা টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করে’

‘সরকারি অফিসগুলো এখন বিএনপির অফিস, সেখান থেকে তারা টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করে’

রাজনীতি ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন সরকারি অফিস ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর বর্তমান কার্যক্রম নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম। সম্প্রতি রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত এক উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন। ১১ দলীয় ঐক্যের ব্যানারে ঢাকা থেকে খুলনা, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়া অভিমুখে আয়োজিত লংমার্চের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তিনি। সরকারের নীতিনির্ধারক ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে অনিয়ম ও দখলের রাজত্ব চলছে বলে দাবি করেন এই রাজনৈতিক নেতা। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি সরকারের শীর্ষ মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অলি আহমদ বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে জেলা পরিষদ, ওয়াসা, বিভিন্ন করপোরেশন, সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো একরকম দলীয় কার্যালয়ে রূপ নিয়েছে। এসব সরকারি দপ্তর থেকে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণসহ নানা অনিয়ম পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া সাধারণ মানুষের বাড়িঘর ও সম্পত্তি দখল করার মতো ঘটনাও ঘটছে বলে তিনি দাবি করেন। বিভিন্ন স্থানে অপ্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ বাড়ানো হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি অবিলম্বে এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ করার জোরালো দাবি জানান। দলীয় পরিচয়ে এ ধরনের দখলদারি ও সিন্ডিকেট তৈরির ফলে সার্বিক প্রশাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে বলে জানান তিনি।

বর্তমান প্রশাসনের এই অনিয়মের দায় শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে নিতে হবে বলে সতর্ক করেন এলডিপি সভাপতি। তিনি মন্তব্য করেন যে, বর্তমানে যারা সরকারের সঙ্গে রয়েছে, সুযোগ পেলেই তারা পিছু হটবে এবং তখন এই ব্যর্থতার সব দায়ভার প্রধানমন্ত্রীর ওপরই বর্তাবে। বর্তমান সহযোগীরা বিপদের সময় পাশে থাকবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। সরকারপ্রধানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, সময়ের কাজ সময়ে না করলে পরবর্তীতে বড় ধরনের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিপদের মুখোমুখি হতে হবে। তাই আত্মঘাতী এসব কর্মকাণ্ড থেকে বেরিয়ে এসে অবিলম্বে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ১১ দলীয় ঐক্যের অন্যান্য নেতৃবৃন্দও দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং জনজীবনের নানা সংকট নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই লংমার্চের গুরুত্ব তুলে ধরেন বক্তারা। দেশব্যাপী জনমত গড়ে তোলার মাধ্যমে বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অলি আহমদের এই সতর্কবার্তা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থে প্রশাসনকে জনমুখী ও দুর্নীতিমুক্ত করার দাবি জানান লংমার্চে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দলের নেতারা।

এক দফা আদায়ে সময়মতো ডাক আসবে, ঢাকায় সমবেত হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন: মামুনুল হক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এক দফা আদায়ে সময়মতো ডাক আসবে, ঢাকায় সমবেত হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন: মামুনুল হক

এক দফা আদায়ে সময়মতো ডাক আসবে, ঢাকায় সমবেত হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন: মামুনুল হক

রাজনীতি ডেস্ক: জনগণের ভোটাধিকার রক্ষা এবং এক দফা দাবি আদায়ের আন্দোলনের অংশ হিসেবে প্রয়োজনে রাজধানীর রাজপথে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। সম্প্রতি এক ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত ঢাকা, খুলনা ও কুষ্টিয়া অভিমুখে লংমার্চের অংশ হিসেবে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা পয়েন্টে অনুষ্ঠিত এক পথসভায় তিনি এই আহ্বান জানান। দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের রায়ের সম্মান রক্ষার লক্ষ্যেই এই রাজনৈতিক জোট রাজপথে নেমেছে বলে তিনি জোরালো মন্তব্য করেন।

পথসভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের সমালোচনা করে বলেন যে, কেবল বিভিন্ন ধরনের কার্ড বিতরণের প্রহসনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অপচেষ্টা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় দেশের সচেতন জনগণ এই সরকারকে চূড়ান্তভাবে লালকার্ড দেখাতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। বিগত জুলাই মাসের বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত সফলতা ও জনগণের অধিকার সম্পূর্ণভাবে আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন কোনোভাবেই থামবে না বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

লংমার্চে স্থানীয় সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সংহতি প্রকাশের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এই ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা বলেন যে, সঠিক সময়ে আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সেই সময় সারাদেশের আপামর জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উক্ত সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন এবং দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।