খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

প্রবীণদের সুস্থতায় একাকিত্ব দূর ও অভিজ্ঞতা মূল্যায়নের তাগিদ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রবীণদের সুস্থতায় একাকিত্ব দূর ও অভিজ্ঞতা মূল্যায়নের তাগিদ

বক্তব্য দেন জাতীয় অধ্যাপক বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি চিকিৎসক এ কে আজাদ খান। ৩১ অক্টোবর

প্রবীণদের সুস্থ ও সুন্দর জীবন নিশ্চিতে তাঁদের একাকিত্ব মোচনের বিকল্প নেই। এজন্য পারিবারিক ভালোবাসা ও সান্নিধ্যের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং তাঁদের জীবনলব্ধ অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে। আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ সিনিয়র সিটিজেনস ওয়েলফেয়ার সোসাইটি আয়োজিত গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব মতামত তুলে ধরেন আলোচকেরা। তাঁরা প্রবীণ ও নবীন প্রজন্মের মাঝে নিয়মিত যোগাযোগ ও মেলবন্ধনের ওপর বিশেষ জোর দেন।

অনুষ্ঠানে সমাজের তিনজন বরেণ্য ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সংবর্ধিত ব্যক্তিরা হলেন—জাতীয় অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ডা. এ কে আজাদ খান, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং কৃষিবিজ্ঞানী জহুরুল করিম।

সম্মাননা গ্রহণ করে ডা. এ কে আজাদ খান বলেন, দেশে প্রবীণ মানুষের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাই তাঁদের অবহেলার কোনো সুযোগ নেই। প্রবীণদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা সমাজের বড় সম্পদ, যা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে লাগানো দরকার। শুধু অর্থবিত্ত থাকলেই প্রবীণরা ভালো থাকেন না; তাঁদের মানসিক শক্তি জোগাতে পরিবারের সন্তানদের নৈকট্য ও স্নেহ অত্যন্ত জরুরি। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সোসাইটির চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, সহমর্মিতার মনোভাব নিয়ে প্রবীণবান্ধব সমাজের পাশাপাশি নারী ও শিশুদের উপযোগী পরিবেশও তৈরি করতে হবে। প্রবীণরা করুণার পাত্র নন, বরং শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার দাবিদার। তরুণ ও প্রবীণদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে উভয় পক্ষই উপকৃত হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রবীণ জীবনের সংকট প্রসঙ্গে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রচুর সম্পদ থাকার পরও অনেকে নিঃসঙ্গতায় ভোগেন। আবার এমন অনেকেই আছেন যাঁদের দেখভালের কেউ নেই, তাঁদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা নিশ্চিত করা আবশ্যক। এ ছাড়া বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার জন্য দেশে বিশেষায়িত জেরিয়াট্রিক স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন। একজন কৃষকের সন্তান হিসেবে আজীবন কৃষির সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারায় গর্ব প্রকাশ করেন কৃষিবিজ্ঞানী জহুরুল করিম। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে এখনো জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা ও নিরাপদ আশ্রয়ের বড় ঘাটতি রয়েছে। প্রবীণদের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি সোসাইটির কার্যক্রম গ্রামপর্যায়েও ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন বাংলাদেশ লায়ন্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এ কে এম রেজাউল হক। এই আয়োজনকে ‘আলোকিত মানুষের সংবর্ধনা’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর দেশে অবকাঠামোগত বহু অগ্রগতি হলেও প্রবীণদের কল্যাণে সংশ্লিষ্টদের যথেষ্ট অদক্ষতা ও সীমাবদ্ধতা দেখা যায়। তিনি এই ঘাটতি দূর করে জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের কল্যাণে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

advertisement
advertisement

যকৃৎ প্রতিস্থাপনে প্রয়োজন ৫০ লাখ টাকা: জীবন বাঁচাতে আর্থিক সহায়তা চান শিক্ষক সাধন চক্রবর্তী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:০০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যকৃৎ প্রতিস্থাপনে প্রয়োজন ৫০ লাখ টাকা: জীবন বাঁচাতে আর্থিক সহায়তা চান শিক্ষক সাধন চক্রবর্তী

সাধন চক্রবর্তী

মারাত্মক লিভার সিরোসিস ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েছেন নোয়াখালীর মাইজদী বালিকা বিদ্যানিকেতনের ৪৩ বছর বয়সী শিক্ষক সাধন চক্রবর্তী। ভারতের দিল্লির চিকিৎসকেরা তাঁকে অনতিবিলম্বে যকৃৎ প্রতিস্থাপনের তাগিদ দিয়েছেন। এই জটিল অস্ত্রোপচারের জন্য তাঁর স্ত্রী সম্ভাব্য অঙ্গদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তবে এই চিকিৎসার পেছনে প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ের কথা জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। দীর্ঘদিন ধরে ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি বর্তমানে সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।

এমতাবস্থায় নিজের জীবন রক্ষার্থে সমাজের সর্বস্তরের হৃদয়বান ও বিভিন্ন পেশার মানুষের প্রতি জরুরি আর্থিক সহায়তার আকুল আবেদন জানিয়েছেন সাধন চক্রবর্তী। তাঁকে সহযোগিতা করার বিস্তারিত তথ্য—হিসাবের নাম: সাধন চক্রবর্তী, হিসাব নম্বর: ৪৯০৮১০১০০২৫৪০, রাউটিং নম্বর: ১৭৫৭৫১৫৪৭, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, মাইজদী বাজার শাখা। এ ছাড়া বিকাশ ও নগদ সেবার মাধ্যমে অর্থ পাঠানো যাবে এই নম্বরে: 01717589193।

লোকসংগীতের গ্রাম সিংহীমারী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
লোকসংগীতের গ্রাম সিংহীমারী

লোকসংগীতের গ্রাম সিংহীমারী

ফিচার ডেস্ক: কুড়িগ্রাম-রংপুর মহাসড়কের ছিনাই বাজার থেকে একটু ভেতরে প্রবেশ করলেই সবুজে ঘেরা বৈদ্যেরবাজার সিংহীমারী গ্রামে কান পাতলে ভেসে আসে শিশুদের কণ্ঠে লালনগীতির সুর। স্থানীয় সংগীতজ্ঞ নারায়ণ চন্দ্র রায়ের বাড়িতে নিয়মিত বসে এই লোকসংগীতের আসর, যা স্থানীয়ভাবে সেবালয় গুরুগৃহ হিসেবে পরিচিত। এখানে গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকবাদ্যযন্ত্রের তালে তালে কচিকাঁচাদের গান শেখানোর এক অনন্য কর্মযজ্ঞ চলছে। হারিয়ে যেতে বসা লোকসংস্কৃতিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে বাঁচিয়ে রাখতে দীর্ঘ এক দশক ধরে এই উদ্যোগ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সেবালয় গুরুগৃহ ছাড়াও মায়ের তরী নামের একটি সংগঠনের উদ্যোগে কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটে বর্তমানে মোট নয়টি গুরুগৃহ পরিচালিত হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে প্রতি ছুটির দিনে শিশু-কিশোরদের সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে দোতারা, একতারা, বাঁশিসহ বিভিন্ন লোকবাদ্যযন্ত্র ও লোকসংগীতের তালিম দেওয়া হয়। নরওয়ের লোকগবেষক উয়েরা সেথেরের অনুপ্রেরণায় এবং স্থানীয় সংস্কৃতিসেবীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই সংগঠনটি গড়ে উঠেছে। মূলত গ্রামীণ সংস্কৃতির গভীর জীবনদর্শন ও মানবিক শিক্ষা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতেই এই গুরুগৃহগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

স্বেচ্ছাশ্রম ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা থেকে এই কার্যক্রম পরিচালিত হলেও অর্থসংকট ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাব এর বড় চ্যালেঞ্জ। বাদ্যযন্ত্র সংগ্রহ, মেরামত এবং প্রশিক্ষকদের সম্মানী দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রায়ই নানামুখী অর্থনৈতিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় আয়োজকদের। তা সত্ত্বেও গুরুদের আন্তরিকতা ও শিক্ষার্থীদের প্রবল আগ্রহের কারণে এই লোকসংগীতের চর্চা থেমে থাকেনি। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরাও এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত বোধ করছেন।

মায়ের তরী সংগঠনের পক্ষ থেকে লোকসংস্কৃতি রক্ষায় বেশ কিছু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রান্তিক ও অবহেলিত প্রবীণ শিল্পীদের জন্য একটি আনন্দ আশ্রম প্রতিষ্ঠা, উত্তরাঞ্চলের লোকসংগীত ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষণ এবং একটি পূর্ণাঙ্গ লোকসংগীত ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার স্বপ্ন রয়েছে। সংগঠকদের মতে, লোকসংস্কৃতি কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি একটি জাতির ইতিহাস ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক। তাই এই ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে সমাজের বিত্তবানদের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা অত্যন্ত জরুরি।

পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইন্ধন দেখছে সরকার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইন্ধন দেখছে সরকার

পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইন্ধন দেখছে সরকার

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের পোশাক শিল্প খাতে চলমান সংকট নিরসনে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হলেও রাজধানী ঢাকা ও তার আশপাশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে শ্রমিক বিক্ষোভ এবং ভাংচুরের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। এমন এক অস্থির ও থমথমে পরিস্থিতির মধ্যে গত রোববার রাতে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের শীর্ষস্থানীয় নীতিনির্ধারকদের এই বৈঠকে সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষের পেছনের কারণ এবং এর নেপথ্য চক্রান্ত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত ওই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সরকারের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী মন্ত্রী অংশ নেন, যার মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং শ্রমমন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই বৈঠকে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সংগৃহীত বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়। বৈঠকে মূলত শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবির আড়ালে কোনো বিশেষ রাজনৈতিক মহল পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে কি না, সে বিষয়ে গভীর পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠক শেষে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক মহল থেকে জানানো হয় যে, সাধারণ শ্রমিকদের অসন্তোষকে পুঁজি করে এবং তাদের কাঁধে ভর দিয়ে দেশের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে পরিচিত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবে এই সহিংসতা ও ভাংচুরের ইন্ধন জুগিয়ে যাচ্ছে। সরকারের মতে, পোশাক খাতকে অস্থিতিশীল করার মাধ্যমে দেশে একটি অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র চলছে এবং এর পেছনে ওই রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে মন্ত্রীরা এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পক্ষে মত দেন।

এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার শ্রমিকদের ধৈর্য ধারণ করার এবং যেকোনো সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানানো হলেও মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি সহজে শান্ত হচ্ছে না। সাধারণ শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার আন্তরিক থাকলেও স্বার্থান্বেষী মহলের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে অর্থনীতি ও রপ্তানি আয়ের মূল চালিকাশক্তি এই খাতটি বর্তমানে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার এখন একদিকে যেমন শ্রমিকদের দাবি দাওয়া পূরণে দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি এই নাশকতার পেছনে জড়িত কুশীলবদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও জোরদার করেছে।