খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

এইচএসসির ফল: ইংরেজি-আইসিটিতেই বিপর্যয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:২৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসির ফল: ইংরেজি-আইসিটিতেই বিপর্যয়

এইচএসসির ফল: ইংরেজি-আইসিটিতেই বিপর্যয়

শিক্ষা ডেস্ক: উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বিগত দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় ধস নেমেছে। গত ২২ বছরের মধ্যে এবারই সর্বনিম্ন পাসের হার রেকর্ড করা হয়েছে এবং প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছেন। শিক্ষা বোর্ডগুলোর গড় পাসের হার এবং সর্বোচ্চ ফল অর্জনকারীর সংখ্যা উভয়ই উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। একই সঙ্গে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমে যাওয়ার পাশাপাশি কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে সার্বিক এই পতনের পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছে কয়েকটি নির্দিষ্ট বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আশানুরূপ ফল করতে না পারা।

ফলাফল বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়েছে যে মূলত ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ের খারাপ ফলাফলই সামগ্রিক বিপর্যয় ডেকে এনেছে। এই দুই বিষয়ে রেকর্ডসংখ্যক শিক্ষার্থী ফেল করেছেন, যা মোট অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর বড় একটি অংশ। শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, গ্রামাঞ্চলে দক্ষ শিক্ষকের তীব্র সংকট এবং শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশের দীর্ঘদিনের ইংরেজিভীতি এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ে পাঠদানের জন্য উপযুক্ত ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অভাব থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় শিখনদক্ষতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছেন, যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে পরীক্ষার ফলাফলে।

শিক্ষাবিদ ও শিক্ষা বোর্ডের শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের মতে, এবারের এই ফলাফল কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং দীর্ঘদিনের সংকটের বহিঃপ্রকাশ। প্রকৃত শিক্ষা ও মূল্যায়নের ঘাটতির কারণে শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত যোগ্যতা অর্জন করতে পারছেন না। এর পাশাপাশি মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের ফলাফলের করুণ দশা সামগ্রিক চিত্রকে আরও ম্লান করে দিয়েছে। অন্যান্য বিভাগের তুলনায় মানবিক বিভাগে পাসের হার সবচেয়ে কম রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের হিসাববিজ্ঞান বিষয়েও অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় নম্বর তুলতে পারেননি, যা ফল বিপর্যয়কে আরও ত্বরান্বিত করেছে।

এবারের ফলাফলের পেছনে নানামুখী প্রতিকূল পরিস্থিতিও বড় ধরনের প্রভাব রেখেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়েছিল কয়েকটি অঞ্চল এবং পরীক্ষা কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষার্থী আন্দোলন পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দীর্ঘ সময় ধরে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক শিখনঘাটতি তৈরি হয়েছিল। এর ওপর পরীক্ষার হলে কড়াকড়ি এবং উত্তরপত্র মূল্যায়নে কঠোর নীতি অনুসরণ করায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ এর সূচক একসঙ্গে নিম্নমুখী হয়েছে।

advertisement
advertisement

এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, মানতে হবে যে যে নিয়ম

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, মানতে হবে যে যে নিয়ম

এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, মানতে হবে যে যে নিয়ম

শিক্ষা ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা খাতা পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগ পাচ্ছেন। বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়া বা অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে এই আবেদন করতে পারবেন। গত ১ নভেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া এই আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

বোর্ড করণিক নির্দেশনা অনুযায়ী, ফল পুনর্নিরীক্ষণের পুরো আবেদন প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই ম্যানুয়াল আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। আবেদন করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রথমে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নিজেদের রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে এবং যোগাযোগের জন্য একটি সক্রিয় মোবাইল নম্বর প্রদান করতে হবে যাতে পরবর্তী সময়ে ফলাফল সংক্রান্ত এসএমএস পাঠানো সম্ভব হয়।

অনলাইন প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপে শিক্ষার্থীদের সামনে বিষয়ভিত্তিক ফলাফল প্রদর্শিত হবে এবং সেখান থেকে কাঙ্ক্ষিত বিষয় বা পত্রগুলো নির্বাচন করতে হবে। প্রতিটি পত্রের পুনর্নিরীক্ষণের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা এবং যেসব বিষয়ে দুটি পত্র রয়েছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্যই আবেদন করতে হবে। বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় কিংবা সোনালী সেবার মতো ডিজিটাল মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে সহজেই এই ফি পরিশোধ করা যাবে।

ফি পরিশোধের পর পোর্টালে প্রবেশ করে চূড়ান্তভাবে আবেদন জমা দিতে হবে এবং একবার ফি জমা হয়ে গেলে তা আর কোনোভাবেই ফেরত দেওয়া বা বাতিল করা যাবে না। তবে ফি প্রদানের আগে প্রয়োজন হলে নির্বাচিত বিষয়গুলো পরিবর্তন বা পরিমার্জন করার সুযোগ রয়েছে। শিক্ষার্থীরা যথাযথ নিয়ম মেনে এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করলে সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলো তাদের খাতা পুনরায় যাচাই করে ফলাফল প্রকাশ করবে।

বাংলাদেশে নগর স্বাস্থ্যসেবার রূপরেখা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:২৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশে নগর স্বাস্থ্যসেবার রূপরেখা

বাংলাদেশে নগর স্বাস্থ্যসেবার রূপরেখা

স্বাস্থ্য ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার অধীনে থাকা নগর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর দায়িত্ব স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তরের পর এর কার্যপরিধি নিয়ে স্পষ্ট ধারণার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি কয়েকটি এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো হস্তান্তরের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পরিচালিত হলেও সার্বিক ব্যবস্থাপনা এবং এর সুনির্দিষ্ট পরিধি এখনো পুরোপুরি নির্ধারিত হয়নি। বিশেষ করে কোন কোন অঞ্চলের কেন্দ্রগুলো সরাসরি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিচালনা করবে এবং এর রূপরেখা কী হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনার অবকাশ রয়েছে। শহর ও গ্রামের মানুষের গড় আয়ুর ব্যবধান কিছুটা কমলেও স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক চিত্রে বেশ কিছু ভিন্নতা ও জটিলতা এখনো স্পষ্ট হয়ে রয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী শহর ও গ্রামীণ এলাকায় বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব এবং পুষ্টিহীনতার চিত্রে বড় ধরনের তারতম্য লক্ষ্য করা যায়। শহরাঞ্চলে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের হার তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও গ্রামীণ জনপদে শিশুদের অপুষ্টি এবং খর্বাকৃতির হার এখনো বেশ উদ্বেগজনক। এছাড়া দারিদ্র্য, শিক্ষার অভাব, অপর্যাপ্ত প্রসব-পরবর্তী সেবা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে নবজাতক ও প্রসূতি মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রামীণ এলাকা ও শহরের বস্তিগুলোতে বেশি দেখা যায়। এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার জন্য টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার কমানো এবং সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

আইনগত কাঠামো অনুযায়ী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার এখতিয়ার থাকলেও বাস্তবে খুব অল্পসংখ্যক সিটি করপোরেশনেরই পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর স্বাস্থ্য বিভাগ রয়েছে। বেশিরভাগ পৌরসভা বা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্য খাতের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট পেশার বাইরে অন্য পেশার ব্যক্তিরা দায়িত্ব পালন করে আসায় সেবার মান ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য প্রকল্প থাকলেও তাদের দাপ্তরিক কার্যপরিধিতে স্বাস্থ্যসেবার সুনির্দিষ্ট ভূমিকার উল্লেখ না থাকায় সমন্বয়ের ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা তৈরি হয়। তা সত্ত্বেও বড় কিছু শহর এলাকায় মাতৃসদন, টিকাদান কর্মসূচি ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিচালিত হলেও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় আরও শৃঙ্খলার প্রয়োজন রয়েছে।

ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সম্ভবত বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পরিচালনার কৌশল গ্রহণ করতে পারে, যা একটি অত্যন্ত জটিল এবং সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। এই পদ্ধতি সফল করতে হলে পূর্ব অভিজ্ঞতা, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা, স্বচ্ছ দরপত্র প্রক্রিয়া এবং চুক্তি ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়গুলো অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করতে হবে। একই সঙ্গে বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে সেবা পাওয়ার উপযুক্ত দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সঠিকভাবে শনাক্ত করা এবং তাদের তালিকাভুক্ত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে কাজ করবে। তাই নগরবাসীর জন্য মানসম্মত ও টেকসই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি।

তিস্তা চুক্তির আশা বাদ দিতে হবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:২৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তিস্তা চুক্তির আশা বাদ দিতে হবে

তিস্তা চুক্তির আশা বাদ দিতে হবে

জাতীয় ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা একপ্রকার শেষ বললেই চলে। বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে এই চুক্তি কেবল আলোচনার টেবিলেই সীমাবদ্ধ রয়েছে এবং কোনো স্থায়ী সমাধান মেলেনি। ভারতের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় নানা অজুহাত দেখানো হলেও মূলত তাদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত নদী সংযোগ প্রকল্পের কারণেই এই চুক্তি আলোর মুখ দেখছে না। ফলে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য তিস্তা চুক্তি নিয়ে নতুন করে কোনো আশা করা বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়।

উজানে ভারতের বিভিন্ন একতরফা পদক্ষেপের কারণে তিস্তার স্বাভাবিক প্রবাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ভারত গজলডোবা বাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি আরও বেশ কিছু স্থাপনা তৈরি করে শুষ্ক মৌসুমে সম্পূর্ণ পানি একতরফাভাবে সরিয়ে নিচ্ছে। এর ফলে ডিমলা, জলঢাকা, রংপুর ও গাইবান্ধা সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ৫ হাজারের বেশি গ্রামের মানুষ চরম বিপাকে পড়েছে। নদী শুকিয়ে যাওয়ায় শুধু সেচ কার্যক্রমই ব্যাহত হচ্ছে না, বরং বরেন্দ্র অঞ্চলসহ সমগ্র ভাটি এলাকায় ধীরে ধীরে মরূকরণের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

নদীর পানি না থাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে গেছে এবং তিস্তা অববাহিকার জীববৈচিত্র্য আজ ধ্বংসের মুখে। একসময়ের প্রমত্তা তিস্তা নদী এখন শুষ্ক মৌসুমে প্রায় পানিশূন্য হয়ে বালুচরে পরিণত হয়। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে করতোয়া, ঘাঘট, যমুনেশ্বরী ও বুড়িতিস্তাসহ অন্যান্য শাখা নদীগুলোর ওপরও। ফলস্বরূপ, হাজার হাজার হেক্টর জমির চাষাবাদ বন্ধ রয়েছে এবং নদীকেন্দ্রিক মৎস্যসম্পদ ও জলজ জীবন বিলুপ্তির পথে চলে গেছে।

আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের নীতিমালার তোয়াক্কা না করে ভারত একতরফাভাবে নদীর পানি সরিয়ে নিলেও বাংলাদেশ কূটনৈতিকভাবে এর কার্যকর প্রতিকার পাচ্ছে না। তাই এই দীর্ঘমেয়াদি সংকট থেকে উত্তরণের জন্য বাংলাদেশকে এখন নিজেদের অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বাড়াতে হবে। ডালিয়া পয়েন্ট থেকে সুন্দরগঞ্জ পর্যন্ত ১১৫ কিলোমিটার নদীর প্রশস্ততা কমিয়ে এবং শাখানদীগুলো খনন করে পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করা জরুরি। নিজেদের নদী বাঁচানোর দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হবে, কারণ প্রতিবেশী দেশের ওপর ভরসা করে বসে থাকলে দেশের উত্তরাঞ্চল সম্পূর্ণ পানিশূন্য হয়ে পড়বে।