খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০১ নভেম্বর ২০২৬

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:২৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আজকের নামাজের সময়সূচি: ০১ নভেম্বর ২০২৬

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০১ নভেম্বর ২০২৬

ধর্ম ডেস্ক: দৈনন্দিন জীবনের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা অপরিহার্য। একজন মুমিনের জীবনে ইবাদতের মাধ্যমে আত্মিক প্রশান্তি ও বরকত অর্জনের এটিই হলো সর্বোত্তম মাধ্যম। ইসলাম ধর্মে নির্ধারিত সময়ে সালাত আদায় করা সব প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমের ওপর ফরজ বা অবশ্য পালনীয় হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে। ব্যস্ততম জীবনধারার মাঝেও সৃষ্টিকর্তার স্মরণে নির্দিষ্ট সময়ে ইবাদত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

রাজধানী ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য দিনের বিভিন্ন ওয়াক্তের সঠিক সময় তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত এই সময়সূচির ওপর ভিত্তি করে নগরবাসী তাদের দৈনন্দিন কাজ ও ইবাদতের সময় নির্ধারণ করতে পারবেন। তবে ভৌগোলিক অবস্থানের পার্থক্যের কারণে রাজধানী ঢাকার সময়ের সাথে দেশের অন্যান্য জেলার সময়ের কিছুটা তারতম্য হয়ে থাকে। সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় সময়ের ব্যবধান যোগ বা বিয়োগ করে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মুসুল্লিদের সঠিক সময়ে ইবাদত সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ইবাদত কেবল আত্মাকে পরিশুদ্ধই করে না, বরং মানুষের দৈহিক পবিত্রতা ও নিয়মানুবর্তিতা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জীবনের নানাবিধ ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, পরম করুণাময়ের সন্তুষ্টি অর্জনে সালাতের জন্য সময় বরাদ্দ করা প্রতিটি মুমিনের প্রধান কর্তব্য। সময়মতো ইবাদত পালনের এই অভ্যাস মানুষের নৈতিক চরিত্র গঠনে এবং সৎ পথে জীবন পরিচালনা করতে সহায়তা করে।

নিয়মিত সালাত আদায়ের মাধ্যমে মুমিন বান্দারা নিজেদের স্রষ্টার আরও কাছাকাছি নিয়ে যেতে সচেষ্ট হন। অন্তরে ইমানের আলো বা নুর জাগিয়ে তুলতে এবং দুনিয়াবি প্রলোভন থেকে মুক্ত থাকতে সঠিক সময়ে ইবাদত করার কোনো বিকল্প নেই। তাই আসুন, সকল ব্যস্ততা পেছনে ফেলে সঠিক সময়ে সালাত আদায়ের মাধ্যমে নিজেদের জীবনকে সুশৃঙ্খল ও পবিত্র করে তুলি।

advertisement
advertisement

বাংলাদেশে নগর স্বাস্থ্যসেবার রূপরেখা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:২৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশে নগর স্বাস্থ্যসেবার রূপরেখা

বাংলাদেশে নগর স্বাস্থ্যসেবার রূপরেখা

স্বাস্থ্য ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার অধীনে থাকা নগর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর দায়িত্ব স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তরের পর এর কার্যপরিধি নিয়ে স্পষ্ট ধারণার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি কয়েকটি এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো হস্তান্তরের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পরিচালিত হলেও সার্বিক ব্যবস্থাপনা এবং এর সুনির্দিষ্ট পরিধি এখনো পুরোপুরি নির্ধারিত হয়নি। বিশেষ করে কোন কোন অঞ্চলের কেন্দ্রগুলো সরাসরি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিচালনা করবে এবং এর রূপরেখা কী হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনার অবকাশ রয়েছে। শহর ও গ্রামের মানুষের গড় আয়ুর ব্যবধান কিছুটা কমলেও স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক চিত্রে বেশ কিছু ভিন্নতা ও জটিলতা এখনো স্পষ্ট হয়ে রয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী শহর ও গ্রামীণ এলাকায় বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব এবং পুষ্টিহীনতার চিত্রে বড় ধরনের তারতম্য লক্ষ্য করা যায়। শহরাঞ্চলে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের হার তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও গ্রামীণ জনপদে শিশুদের অপুষ্টি এবং খর্বাকৃতির হার এখনো বেশ উদ্বেগজনক। এছাড়া দারিদ্র্য, শিক্ষার অভাব, অপর্যাপ্ত প্রসব-পরবর্তী সেবা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে নবজাতক ও প্রসূতি মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রামীণ এলাকা ও শহরের বস্তিগুলোতে বেশি দেখা যায়। এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার জন্য টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার কমানো এবং সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

আইনগত কাঠামো অনুযায়ী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার এখতিয়ার থাকলেও বাস্তবে খুব অল্পসংখ্যক সিটি করপোরেশনেরই পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর স্বাস্থ্য বিভাগ রয়েছে। বেশিরভাগ পৌরসভা বা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্য খাতের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট পেশার বাইরে অন্য পেশার ব্যক্তিরা দায়িত্ব পালন করে আসায় সেবার মান ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য প্রকল্প থাকলেও তাদের দাপ্তরিক কার্যপরিধিতে স্বাস্থ্যসেবার সুনির্দিষ্ট ভূমিকার উল্লেখ না থাকায় সমন্বয়ের ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা তৈরি হয়। তা সত্ত্বেও বড় কিছু শহর এলাকায় মাতৃসদন, টিকাদান কর্মসূচি ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিচালিত হলেও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় আরও শৃঙ্খলার প্রয়োজন রয়েছে।

ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সম্ভবত বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পরিচালনার কৌশল গ্রহণ করতে পারে, যা একটি অত্যন্ত জটিল এবং সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। এই পদ্ধতি সফল করতে হলে পূর্ব অভিজ্ঞতা, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা, স্বচ্ছ দরপত্র প্রক্রিয়া এবং চুক্তি ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়গুলো অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করতে হবে। একই সঙ্গে বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে সেবা পাওয়ার উপযুক্ত দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সঠিকভাবে শনাক্ত করা এবং তাদের তালিকাভুক্ত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে কাজ করবে। তাই নগরবাসীর জন্য মানসম্মত ও টেকসই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি।

তিস্তা চুক্তির আশা বাদ দিতে হবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:১৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তিস্তা চুক্তির আশা বাদ দিতে হবে

তিস্তা চুক্তির আশা বাদ দিতে হবে

জাতীয় ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা একপ্রকার শেষ বললেই চলে। বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে এই চুক্তি কেবল আলোচনার টেবিলেই সীমাবদ্ধ রয়েছে এবং কোনো স্থায়ী সমাধান মেলেনি। ভারতের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় নানা অজুহাত দেখানো হলেও মূলত তাদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত নদী সংযোগ প্রকল্পের কারণেই এই চুক্তি আলোর মুখ দেখছে না। ফলে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য তিস্তা চুক্তি নিয়ে নতুন করে কোনো আশা করা বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়।

উজানে ভারতের বিভিন্ন একতরফা পদক্ষেপের কারণে তিস্তার স্বাভাবিক প্রবাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ভারত গজলডোবা বাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি আরও বেশ কিছু স্থাপনা তৈরি করে শুষ্ক মৌসুমে সম্পূর্ণ পানি একতরফাভাবে সরিয়ে নিচ্ছে। এর ফলে ডিমলা, জলঢাকা, রংপুর ও গাইবান্ধা সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ৫ হাজারের বেশি গ্রামের মানুষ চরম বিপাকে পড়েছে। নদী শুকিয়ে যাওয়ায় শুধু সেচ কার্যক্রমই ব্যাহত হচ্ছে না, বরং বরেন্দ্র অঞ্চলসহ সমগ্র ভাটি এলাকায় ধীরে ধীরে মরূকরণের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

নদীর পানি না থাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে গেছে এবং তিস্তা অববাহিকার জীববৈচিত্র্য আজ ধ্বংসের মুখে। একসময়ের প্রমত্তা তিস্তা নদী এখন শুষ্ক মৌসুমে প্রায় পানিশূন্য হয়ে বালুচরে পরিণত হয়। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে করতোয়া, ঘাঘট, যমুনেশ্বরী ও বুড়িতিস্তাসহ অন্যান্য শাখা নদীগুলোর ওপরও। ফলস্বরূপ, হাজার হাজার হেক্টর জমির চাষাবাদ বন্ধ রয়েছে এবং নদীকেন্দ্রিক মৎস্যসম্পদ ও জলজ জীবন বিলুপ্তির পথে চলে গেছে।

আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের নীতিমালার তোয়াক্কা না করে ভারত একতরফাভাবে নদীর পানি সরিয়ে নিলেও বাংলাদেশ কূটনৈতিকভাবে এর কার্যকর প্রতিকার পাচ্ছে না। তাই এই দীর্ঘমেয়াদি সংকট থেকে উত্তরণের জন্য বাংলাদেশকে এখন নিজেদের অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বাড়াতে হবে। ডালিয়া পয়েন্ট থেকে সুন্দরগঞ্জ পর্যন্ত ১১৫ কিলোমিটার নদীর প্রশস্ততা কমিয়ে এবং শাখানদীগুলো খনন করে পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করা জরুরি। নিজেদের নদী বাঁচানোর দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হবে, কারণ প্রতিবেশী দেশের ওপর ভরসা করে বসে থাকলে দেশের উত্তরাঞ্চল সম্পূর্ণ পানিশূন্য হয়ে পড়বে।

আবুল হাসনাত স্মরণে কয়েকটি কথা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:২৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আবুল হাসনাত স্মরণে কয়েকটি কথা

আবুল হাসনাত স্মরণে কয়েকটি কথা

ফিচার ডেস্ক: সাহিত্যসাধনা ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের মাঝের দ্বন্দ্ব নিয়ে বুদ্ধদেব বসু একসময় বলেছিলেন যে সাংবাদিকতা সাহিত্যের শত্রু। আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জীবিকা নির্বাহের তাগিদে পেশা বদল করার সুযোগ খুবই সীমিত থাকে, যা লেখকদের ক্ষেত্রে বড় এক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। তবে এই সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সাহিত্যের প্রতি অবিচল থেকে অনন্য নজির স্থাপন করেছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সম্পাদক আবুল হাসনাত। দীর্ঘ সময় ধরে সম্পাদনার কঠিন দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি তিনি নিজের সাহিত্যিক সত্তাকেও টিকিয়ে রেখেছিলেন সযত্নে।

সম্পাদক হিসেবে আবুল হাসনাতের অবদান বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। তিনি ঐতিহ্যবাহী দৈনিক সংবাদের সাহিত্য সাময়িকীর পাতার সম্পাদনার কাজটি একটানা দীর্ঘ চব্বিশ বছর অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে পরিচালনা করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি জনপ্রিয় সাহিত্য পত্রিকা কালি ও কলম এবং চিত্রকলাবিষয়ক ত্রৈমাসিক শিল্প ও শিল্পী পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্বও সফলভাবে পালন করেন। প্রখ্যাত কবি আবদুল মান্নান সৈয়দ তাঁর এক গ্রন্থের ভূমিকায় কৃতজ্ঞতাভরে উল্লেখ করেছিলেন যে আবুল হাসনাতের নিরন্তর তাগিদ ও চাপের ফলেই তাঁর অনেক গুরুত্বপূর্ণ সমালোচনামূলক লেখা রচিত হয়েছিল। তিনি সিকান্দার আবু জাফর ও হাসান হাফিজুর রহমানের মতো প্রথিতযশা সম্পাদকদের গৌরবোজ্জ্বল ধারারই সুযোগ্য উত্তরসূরি ছিলেন।

মাহমুদ আল জামান ছদ্মনামে নিয়মিত গল্প, কবিতা, উপন্যাস ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন এই প্রতিভাবান লেখক। ষাটের দশকের প্রতিবাদী ও সংগ্রামমুখর জীবন তাঁর কাব্যবোধকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল, যা পরবর্তী সময়ে তাঁর বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। জ্যোৎস্না ও দুর্বিপাক কিংবা ভুবনডাঙার মেঘ ও নধর কালো বেড়াল কাব্যগ্রন্থের পঙ্‌ক্তিগুলো সময়ের সীমানা পেরিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পাঠকদের মনে অনুরণিত হতে থাকবে। এ ছাড়াও সতীনাথ, মানিক, রবিশঙ্কর ও অন্যান্য কিংবা জয়নুল, কামরুল, সফিউদ্দীন ও অন্যান্য প্রবন্ধগ্রন্থ বাংলা সাহিত্যভাণ্ডারকে করেছে আরও সমৃদ্ধ। শিশু ও কিশোরদের জন্যও তিনি বেশ কিছু চমৎকার বই উপহার দিয়েছিলেন, যা তরুণ প্রজন্মকে আজও অনুপ্রাণিত করে।

জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে নানা স্মৃতি ও আত্মকথন লিখে গেছেন আবুল হাসনাত, যার মধ্যে তাঁর হারানো সিঁড়ির চাবির খোঁজে বইটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য। এই স্মৃতিকথায় তিনি নিজেকে কোনো বীর বা বিপ্লবী হিসেবে উপস্থাপন না করে বরং মধ্যবিত্ত সমাজের একজন সাধারণ গৃহস্থ মানুষ হিসেবেই তুলে ধরেছেন। অতিরিক্ত পারিবারিক শাসন ও দারিদ্র্যের কশাঘাত কীভাবে তাঁর শৈশবকে প্রভাবিত করেছিল, সে বিষয়েও তিনি অত্যন্ত অকপটে কলম ধরেছেন। ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে এই গুণী ব্যক্তিত্বের জীবনাবসান ঘটে, যা বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে রয়ে গেছে।