খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

দরকার ২০ লাখ, ব্যাংক দিতে চায় ৫ লাখ, চাহিদা অনুযায়ী ঋণ পাচ্ছেন না উদ্যোক্তারা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৫:১৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দরকার ২০ লাখ, ব্যাংক দিতে চায় ৫ লাখ, চাহিদা অনুযায়ী ঋণ পাচ্ছেন না উদ্যোক্তারা

দরকার ২০ লাখ, ব্যাংক দিতে চায় ৫ লাখ, চাহিদা অনুযায়ী ঋণ পাচ্ছেন না উদ্যোক্তারা

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের ব্যাংক খাতের রক্ষণশীল নীতির কারণে ক্ষুদ্র থেকে শুরু করে বড় উদ্যোক্তারা তাঁদের চাহিদামতো ঋণ পাচ্ছেন না। ব্যবসা পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত ঋণ চেয়ে আবেদন করলেও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো অনেক ক্ষেত্রে তার সিকিভাগ বা সামান্য অংশ দিতে চাইছে। জামানতের বিপরীতে আগের মতো পর্যাপ্ত অর্থ ছাড় করতে নারাজ ব্যাংকগুলো। ফলে নতুন বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা থাকলেও অর্থের সংকটে তা থমকে যাচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ সময় ধরে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ঐতিহাসিক সর্বনিম্ন স্তরের কাছাকাছি অবস্থান করছে। দেশের অর্ধেকের বেশি ব্যাংক শিল্পঋণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান নিয়েছে এবং নতুন কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছে না। অতীতে বেনামে প্রচুর ঋণ বিতরণ হওয়ায় এবং খেলাপি সংস্কৃতির কারণে ব্যাংকিং খাতে একধরনের স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় ঋণ বিতরণ না হওয়ায় সার্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করলেও এর সুফল পেতে ব্যবসায়ীদের নানা জটিলতার মুখে পড়তে হচ্ছে। বন্ধ ও আংশিক সচল কারখানাগুলো পুনরুজ্জীবিত করতে প্রণোদনা তহবিল থেকে ঋণ পাওয়ার কথা থাকলেও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর অনাগ্রহের কারণে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হচ্ছে না। পাশাপাশি ডলারের বাজারমূল্য বৃদ্ধি এবং ঋণপত্রের খরচ বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদনশীল প্রতিষ্ঠানগুলোর মূলধনের চাহিদা বহুগুণ বেড়েছে।

শিল্প খাতে এই মন্দাবস্থা কাটাতে এবং বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ বাড়াতে নীতি সুদহার কিছুটা হ্রাস করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর অর্থ সংগ্রহের খরচ কমানোর চেষ্টা করা হলেও উদ্যোক্তারা গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং দীর্ঘসূত্রতার মতো পুরোনো সমস্যাগুলোর কথা উল্লেখ করছেন। অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের মতে, ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নয়ন এবং সঠিক প্রণোদনা নিশ্চিত করা না গেলে বিনিয়োগে কাঙ্ক্ষিত আস্থা ফিরিয়ে আনা কঠিন হবে।

advertisement
advertisement

ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের ‘দ্বিমুখী’ আচরণের বিরুদ্ধে সরব এনসিপি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের ‘দ্বিমুখী’ আচরণের বিরুদ্ধে সরব এনসিপি

ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের ‘দ্বিমুখী’ আচরণের বিরুদ্ধে সরব এনসিপি

রাজনীতি ডেস্ক: ঠাকুরগাঁওয়ের একটি উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের সামগ্রিক প্রক্রিয়া ও এর ফলাফল প্রকাশের আগেই জামায়াতের পক্ষ থেকে নানা অনিয়মের জোরালো অভিযোগ তোলা হয়। দলটির তরফ থেকে দাবি করা হয় যে, ভোটগ্রহণের সময় ব্যাপক জালভোট দেওয়া হয়েছে এবং তাদের নির্ধারিত পোলিং এজেন্টদের শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে জোরপূর্বক কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগগুলোর ভিত্তিতেই নির্বাচনের দিনেই একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল জামায়াত।

তবে নির্বাচনের মাঠের এই পরিস্থিতির বিপরীত চিত্র তুলে ধরে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি জামায়াতের বিরুদ্ধে দ্বিমুখী আচরণের গুরুতর অভিযোগ এনেছে। এনসিপির নেতৃবৃন্দের মতে, নির্বাচন চলাকালে ও ফলাফল আসার আগে জামায়াত যে ধরনের কঠোর ভাষায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে মাঠে নেমেছিল, পরবর্তীতে তাদের সামগ্রিক কার্যক্রমে তার কোনো ধারাবাহিকতা দেখা যায়নি। এই ধরনের অবস্থান পরিবর্তনকে রাজনৈতিক অসততা এবং জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির একটি চতুর কৌশল হিসেবে দেখছে এই রাজনৈতিক দল।

এনসিপির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে যে, নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে জামায়াত শুরু থেকেই জনমনে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তাদের এই আন্দোলনের কোনো দৃশ্যমান ও সুনির্দিষ্ট পরিণতি দেখা যায়নি। ভোটের মাঠে নিজেদের সুবিধাজনক অবস্থান তৈরি করতে জামায়াত ইচ্ছাকৃতভাবে অসত্য তথ্য ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন দলটির নেতারা। নির্বাচনের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এমন দায়িত্বহীন ও সুবিধাবাদী রাজনৈতিক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না বলে তারা মন্তব্য করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় এই উপনির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের এই পরস্পরবিরোধী অবস্থান নির্বাচনী মাঠের পরিবেশকে আরও জটিল করে তুলেছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এর ফলে এক ধরনের অনাস্থা ও বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। দলগুলোর এমন পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় নির্বাচনগুলোর প্রকৃত চিত্র এবং দলীয় সংস্কৃতির আসল রূপ আবারও জনসমক্ষে উন্মোচিত হয়েছে।

পোশাকশ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পোশাকশ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন

পোশাকশ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান চালিকাশক্তি পোশাক খাতের শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট খাতের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে শ্রমিকদের জীবনমান উন্নত করা এবং তাদের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই গুরুত্বপূর্ণ বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দেশের প্রচলিত শ্রম আইনের ১৩৯ ধারার বিধান অনুযায়ী এই নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। আইনের এই ধারা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কোনো শিল্প খাতের মালিকপক্ষ কিংবা শ্রমিকপক্ষ অথবা উভয়পক্ষ যৌথভাবে আবেদন করলে সরকার সেখানে ন্যূনতম মজুরির হার নতুন করে নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে পোশাক খাতের শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মজুরি বাড়ানোর দাবি জোরালো হচ্ছিল। মূলত শ্রমিক ও মালিকপক্ষের এই পারস্পরিক চাহিদা এবং সার্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতার আলোকেই সরকার আইনানুগভাবে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

নতুন গঠিত এই মজুরি বোর্ড অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পোশাক শ্রমিকদের বর্তমান বাজারদর ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিশ্লেষণ করবে। পরবর্তীতে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে একটি বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য ন্যূনতম মজুরি কাঠামো প্রস্তাব করবে এই বোর্ড। সরকারের এই উদ্যোগে পোশাক খাতের শ্রমবাজারে দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব আসবে বলে আশা করছেন খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের ক্ষেত্রে এই বোর্ড একটি কার্যকরী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মজুরি বোর্ডের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকেই শ্রমিক সংগঠনগুলোর মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা গেছে। শ্রমিক নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, বর্তমান মূল্যস্ফীতির বাজারে এই উদ্যোগের মাধ্যমে শ্রমিকরা একটি সম্মানজনক ও জীবনমুখী মজুরি পাবে। অন্যদিকে মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরাও আশা করছেন যে, আলোচনার মাধ্যমে এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ মজুরি নির্ধারিত হবে যা শিল্পের প্রতিযোগিতাপূর্ণ অবস্থান অক্ষুণ্ণ রাখতে সাহায্য করবে। আগামীতে বোর্ডের নিয়মিত সভার মাধ্যমে খুব শীঘ্রই শ্রমিকদের নতুন বেতন কাঠামোর রূপরেখা চূড়ান্ত করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

মন্ত্রীর আগ্রহে নেওয়া ৩৬৭ কোটি টাকার সাইলো প্রকল্প বাতিল, ১৫ একর জমিতে এখন কী হবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মন্ত্রীর আগ্রহে নেওয়া ৩৬৭ কোটি টাকার সাইলো প্রকল্প বাতিল, ১৫ একর জমিতে এখন কী হবে

মন্ত্রীর আগ্রহে নেওয়া ৩৬৭ কোটি টাকার সাইলো প্রকল্প বাতিল, ১৫ একর জমিতে এখন কী হবে

অর্থনীতি ডেস্ক: খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে এর আগে নওগাঁয় একটি আধুনিক স্টিল সাইলো নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এই মেগা প্রকল্পের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রায় ৩৬৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল এবং প্রায় ১৫ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। তবে সম্প্রতি সরকারের উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনার পর এই ব্যয়বহুল প্রকল্পটির বাস্তবায়ন থেকে সরে আসার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের নতুন নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণে প্রকল্পটি পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে।

প্রকল্পটি বাতিলের ফলে এই বিশাল পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হলেও অধিগ্রহণকৃত জমির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, পূর্বে অধিগ্রহণ করা এই ১৫ একর জমিতে একটি নতুন সেন্ট্রাল স্টোরেজ ডিপো বা সিএসডি নির্মাণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে স্থানীয় পর্যায়ে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও বিতরণের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, বরং নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদ সঠিক উপায়ে ব্যবহার করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

মূলত দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং সার্বিক ব্যয় সংকোচন নীতির অংশ হিসেবে এই বড় ধরনের প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে নতুন করে স্টিল সাইলো নির্মাণের চেয়ে বিদ্যমান খাদ্য সংরক্ষণাগারগুলোর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ করা বেশি যুক্তিযুক্ত। সেই ভাবনা থেকেই নওগাঁর এই নির্দিষ্ট প্রকল্পটি পুনর্বিবেচনা করে তা বাদ দেওয়ার এই ঘোষণা আসে।

এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন নির্ধারিত জমিতে সিএসডি নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। দ্রুতই এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনা সম্পন্ন হবে এবং নতুন এই প্রকল্পের নকশা ও প্রাক্কলন তৈরির কাজ শুরু হবে। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে এলাকার খাদ্য ব্যবস্থাপনা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।