খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের ‘দ্বিমুখী’ আচরণের বিরুদ্ধে সরব এনসিপি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৪৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের ‘দ্বিমুখী’ আচরণের বিরুদ্ধে সরব এনসিপি

ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের ‘দ্বিমুখী’ আচরণের বিরুদ্ধে সরব এনসিপি

রাজনীতি ডেস্ক: ঠাকুরগাঁওয়ের একটি উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের সামগ্রিক প্রক্রিয়া ও এর ফলাফল প্রকাশের আগেই জামায়াতের পক্ষ থেকে নানা অনিয়মের জোরালো অভিযোগ তোলা হয়। দলটির তরফ থেকে দাবি করা হয় যে, ভোটগ্রহণের সময় ব্যাপক জালভোট দেওয়া হয়েছে এবং তাদের নির্ধারিত পোলিং এজেন্টদের শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে জোরপূর্বক কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগগুলোর ভিত্তিতেই নির্বাচনের দিনেই একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল জামায়াত।

তবে নির্বাচনের মাঠের এই পরিস্থিতির বিপরীত চিত্র তুলে ধরে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি জামায়াতের বিরুদ্ধে দ্বিমুখী আচরণের গুরুতর অভিযোগ এনেছে। এনসিপির নেতৃবৃন্দের মতে, নির্বাচন চলাকালে ও ফলাফল আসার আগে জামায়াত যে ধরনের কঠোর ভাষায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে মাঠে নেমেছিল, পরবর্তীতে তাদের সামগ্রিক কার্যক্রমে তার কোনো ধারাবাহিকতা দেখা যায়নি। এই ধরনের অবস্থান পরিবর্তনকে রাজনৈতিক অসততা এবং জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির একটি চতুর কৌশল হিসেবে দেখছে এই রাজনৈতিক দল।

এনসিপির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে যে, নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে জামায়াত শুরু থেকেই জনমনে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তাদের এই আন্দোলনের কোনো দৃশ্যমান ও সুনির্দিষ্ট পরিণতি দেখা যায়নি। ভোটের মাঠে নিজেদের সুবিধাজনক অবস্থান তৈরি করতে জামায়াত ইচ্ছাকৃতভাবে অসত্য তথ্য ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন দলটির নেতারা। নির্বাচনের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এমন দায়িত্বহীন ও সুবিধাবাদী রাজনৈতিক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না বলে তারা মন্তব্য করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় এই উপনির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের এই পরস্পরবিরোধী অবস্থান নির্বাচনী মাঠের পরিবেশকে আরও জটিল করে তুলেছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এর ফলে এক ধরনের অনাস্থা ও বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। দলগুলোর এমন পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় নির্বাচনগুলোর প্রকৃত চিত্র এবং দলীয় সংস্কৃতির আসল রূপ আবারও জনসমক্ষে উন্মোচিত হয়েছে।

advertisement
advertisement

বেসরকারি সংস্থা পিসিডিতে চাকরি, পদ ২২০

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বেসরকারি সংস্থা পিসিডিতে চাকরি, পদ ২২০

বেসরকারি সংস্থা পিসিডিতে চাকরি, পদ ২২০

চাকরি ডেস্ক: দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি উন্নয়নমূলক সংস্থা প্রোগ্রাম ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্টে (পিসিডি) বড় পরিসরে জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সংস্থাটির বিভিন্ন প্রকল্পে একাধিক ক্যাটাগরিতে সর্বমোট দুই শতাধিক প্রার্থীকে চাকরি দেওয়া হবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সংস্থাটির চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে এবং শূন্যপদগুলো পূরণের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, আগ্রহী প্রার্থীরা সব মিলিয়ে মোট নয়টি ভিন্ন ক্যাটাগরির পদে আবেদন করার সুযোগ পাচ্ছেন। পদগুলোর ধরন অনুযায়ী শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং অন্যান্য শর্ত আলাদা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষিত ও কর্মমুখী তরুণদের জন্য এটি একটি চমৎকার কর্মসংস্থানের সুযোগ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য, প্রার্থীর প্রয়োজনীয় যোগ্যতা, বেতন-ভাতা এবং আবেদন করার নিয়মাবলী সংস্থাটির অফিসিয়াল মাধ্যম বা নির্দিষ্ট বিজ্ঞপ্তিতে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। সাধারণত এ ধরনের উন্নয়ন সংস্থায় কাজের জন্য মাঠপর্যায়ে কাজের মানসিকতা এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে পূর্বঅভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়ে থাকে। পদভেদে নির্ধারিত অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতার মাপকাঠি ভিন্ন হতে পারে।

আগ্রহী এবং যোগ্য প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নিয়ম মেনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমে প্রাথমিক বাছাইয়ের পর যোগ্য প্রার্থীদের পরীক্ষা বা ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হবে। প্রতিষ্ঠানটির নীতিমালা অনুযায়ী চূড়ান্ত নির্বাচিত প্রার্থীরা আকর্ষণীয় বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

এবার নিকি মিনাজকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি করায় আগ্রহ ট্রাম্পের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এবার নিকি মিনাজকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি করায় আগ্রহ ট্রাম্পের

এবার নিকি মিনাজকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি করায় আগ্রহ ট্রাম্পের

ডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে সম্প্রতি এক অভিনব আলোচনার জন্ম দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জনপ্রিয় র‍্যাপার নিকি মিনাজকে হোয়াইট হাউসের পরবর্তী প্রেস সেক্রেটারি পদে নিয়োগ দেওয়ার একটি ধারণার কথা শুনে নিজের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি। মার্কিন বিনোদন বিষয়ক সংবাদমাধ্যম টিএমজেডের একটি প্রতিবেদনের সুবাদে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। তবে এ বিষয়ে তিনি এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি বলেই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।

একটি জনপ্রিয় পডকাস্ট অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় উপস্থাপক বেনি জনসন নিকি মিনাজের প্রেস সেক্রেটারি হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে কথা তোলেন। এই প্রস্তাব শুনে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান যে এটি একটি ভালো ধারণা হতে পারে এবং বিষয়টি নিয়ে তাঁর ভেবে দেখা উচিত। একই আলাপচারিতায় উপস্থাপক বেনি জনসন নিজেও এই পদের জন্য একজন উপযুক্ত প্রার্থী হতে পারেন বলে মন্তব্য করেন মার্কিন এই প্রেসিডেন্ট।

এর আগে মার্কিন প্রশাসনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে বিশেষ বিমানে করে একটি নির্বাচনী সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন এই তারকা র‍্যাপার। সেই ভ্রমণের পরই কর্মকর্তারা তাঁকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন বলে জানা যায়। এরপর হোয়াইট হাউসের যোগাযোগবিষয়ক পরিচালক স্টিভেন চেউং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন যে তাঁরা হয়তো প্রশাসন পরিচালনার জন্য নতুন প্রেস সেক্রেটারি খুঁজে পেয়েছেন। ট্রাম্পের আরেক উপদেষ্টা অ্যালেক্স ব্রুসেউইৎজও সামাজিক মাধ্যমে নিকি মিনাজের ভক্তদের উদ্দেশ্যে এই বিষয়ে তাদের মতামত জানতে চান।

নিকি মিনাজকে নিয়ে এই আলোচনার সূত্রপাত হওয়ার আগে তাঁর শারীরিক সৌন্দর্য নিয়েও জনসমক্ষে প্রশংসা করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মিশিগানের একটি নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য রাখার সময় তিনি র‍্যাপারের সৌন্দর্যের কথা উল্লেখ করে নিজের মুগ্ধতা প্রকাশ করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আগামী দিনে মার্কিন প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে এমন অপ্রচলিত ব্যক্তিত্বদের যুক্ত করার বিষয়টি পুরোপুরি নাকচ করে দেওয়া যায় না। ফলে এই আলোচনা ভবিষ্যতে বাস্তব রূপ নেয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

অটোরিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা ঘোষণা, চলতে পারবে না যেসব সড়কে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৫২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অটোরিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা ঘোষণা, চলতে পারবে না যেসব সড়কে

অটোরিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা ঘোষণা, চলতে পারবে না যেসব সড়কে

জাতীয় ডেস্ক: সিটি করপোরেশন এলাকায় পরিবেশবান্ধব এবং স্বল্পগতির তিন চাকার ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল সুশৃঙ্খল করতে একটি নতুন বিধিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার। সম্প্রতি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই যুগান্তকারী নীতিমালার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। স্থানীয় সরকার সিটি করপোরেশন আইন, ২০০৯-এর ১২০ ধারার ক্ষমতাবলে এই নীতিমালা কার্যকর করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে শহরের অগোছালো যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই মূলত এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন এই নির্দেশিকা অনুযায়ী, এখন থেকে নিবন্ধন বা নবায়ন ছাড়া কোনো ই-রিকশা শহরের সড়কে চলাচল করতে পারবে না। দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার যানের জন্য এককালীন নিবন্ধন ফি আট হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি চার হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে। অন্যদিকে চার যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যানের ক্ষেত্রে নিবন্ধন ফি দশ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি পাঁচ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি যানের ফিটনেস সনদের জন্য এক হাজার টাকা ফি দিতে হবে এবং একজন ব্যক্তি জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে সর্বোচ্চ পাঁচটি যানের নিবন্ধন নিতে পারবেন।

যাত্রীদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি নিবন্ধিত যানের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। দৃশ্যমান স্থানে কিউআর কোডযুক্ত স্বতন্ত্র নম্বরপ্লেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং প্রতিটি যানের অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল নির্ধারণ করা হয়েছে বারো বছর। নিরাপত্তার স্বার্থে এসব যানের সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় পঁচিশ কিলোমিটার বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসালয়, প্রার্থনালয় এবং জনবহুল এলাকায় গতি কমিয়ে সর্বোচ্চ ঘণ্টায় পনেরো কিলোমিটারে নামিয়ে আনতে হবে।

নতুন নিয়মে নির্দিষ্ট কিছু সড়কে এই যানগুলোর চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, উড়াল সড়ক, প্রধান বাস রুট, ফুটপাত এবং প্রশাসনের নিষিদ্ধ এলাকায় এগুলো চলতে পারবে না। পাশাপাশি এক সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত যান অন্য কোনো সিটি করপোরেশনে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অবৈধ চার্জিং এবং যত্রতত্র চলাচল বন্ধের মাধ্যমে সড়কে স্বস্তি ফিরিয়ে আনাই এই নীতিমালার মূল উদ্দেশ্য বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।