খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

হ্যালোউইনে ভৌতিকতার বদলে নস্টালজিয়া: আইকনিক রূপ ও পুরোনো স্মৃতিতে তারকাদের চমক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৫১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হ্যালোউইনে ভৌতিকতার বদলে নস্টালজিয়া: আইকনিক রূপ ও পুরোনো স্মৃতিতে তারকাদের চমক

১৯৬৮ সালের সায়েন্স ফিকশন সিনেমা ‘বারবারেলা’র জনপ্রিয় চরিত্রের সাজে ধরা দিয়েছেন মার্কিন অভিনেত্রী ও সংগীতশিল্পী জেনিফার লোপেজ। জেন ফন্ডা অভিনীত এই আইকনিক চরিত্রের সাজ নতুন করে ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি।

সাধারণত হ্যালোউইনের মূল আকর্ষণ থাকে ভৌতিক পোশাকে, তবে এবার বিনোদন অঙ্গনের তারকারা ভিন্ন পথ বেছে নিয়ে ফিরে গেছেন সোনালী অতীতে। ফ্যাশন ও পপসংস্কৃতির স্মরণীয় মুহূর্তগুলোকে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন করেছেন অনেকেই। কেউ কালজয়ী সিনেমার আইকনিক চরিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন, আবার কেউ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিনোদনজগতের জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বদের। প্রয়াত মা শ্রীদেবীকে স্মরণ করে জাহ্নবী কাপুরের ‘নাগিন’ রূপ ধারণ থেকে শুরু করে জেনিফার লোপেজের ‘বারবারেলা’ অবতার—সব মিলিয়ে তারকাদের এবারের উদ্‌যাপনে ছিল সৃজনশীলতা ও স্মৃতিকাতরতার দারুণ মিশেল।

১৯৬৮ সালের সায়েন্স ফিকশন ঘরানার ছবি ‘বারবারেলা’য় জেন ফন্ডা অভিনীত স্মরণীয় চরিত্রটির সাজ নতুন করে সামনে আনেন মার্কিন গায়িকা ও অভিনেত্রী জেনিফার লোপেজ। সুপারহিরো ‘ওয়ান্ডার ওম্যান’ রূপে হাজির হন খুশি কাপুর; সোনালি মুকুটের সঙ্গে মেটালিক লাল-সোনালি করসেট টপ এবং নীল জমিনে তারার নকশার বটমসে দেখা যায় তাঁকে। ২০০১ সালের এমটিভি ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসে ব্রিটনি স্পিয়ার্সের পরা ‘আই’ম আ স্লেভ ৪ ইউ’ গানের ঐতিহাসিক সাজটি নতুনভাবে ফুটিয়ে তোলেন প্যারিস হিলটন। আর বিপরীতধর্মী দেবদূত ও শয়তানের সাজের দারুণ সমন্বয়ে জুটিতে হাজির হন জাস্টিন বিবার ও হেইলি বিবার।

হ্যালোউইনে পরিবার নিয়ে অংশ নেন বলিউড তারকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস। গোলাপি চুল ও নজরকাড়া লুকে ‘কিং কাইলি’ সেজে প্রিয়াঙ্কা স্মরণ করিয়ে দেন কাইলি জেনারের পুরোনো ফ্যাশন। তাঁর সঙ্গে স্বামী নিক জোনাসকে কাউবয় এবং কন্যা মালতী মেরিকে দেখা যায় ‘ঘোস্ট প্রিন্সেস’ পোশাকে। মার্কিন ফ্যাশন উদ্যোক্তা কিম কার্ডাশিয়ান চমকে দিয়েছেন নিজের ১৩ বছর বয়সী কন্যা নর্থ ওয়েস্টের অবিকল সাজ ধারণ করে; যার মধ্যে ছিল ইলেকট্রিক ব্লু চুল, পিয়ার্সিং ও একই ধরনের পোশাকের অনুকরণ।

ব্ল্যাকপিংকের জেনি কিম সেজেছিলেন ২০০৩ সালের ‘টু ফাস্ট টু ফিউরিয়াস’ সিনেমায় ডেভন আওকি অভিনীত জনপ্রিয় চরিত্র সুকির সাজে। ব্যান্ডের আরেক তারকা লিসা নিজেকে সাজিয়েছিলেন রহস্যময় জলপরীর সাজে, যেখানে রূপালি লেজসহ কালো সাইরেন মারমেইড কস্টিউম নজর কাড়ে। লিওনার্দো দা ভিঞ্চির বিখ্যাত সৃষ্টি ‘মোনালিসা’র আদলে তৈরি পরিধানযোগ্য পোশাক পরে ভিন্নধর্মী এক কৌতুকপূর্ণ আবহ তৈরি করেন মার্কিন মডেল ও ইন্টারনেট তারকা অ্যালেক্স কনসানি। ব্রিটিশ মডেল নীলম কৌর গিলের সাজে উঠে আসে ‘কাভি খুশি কাভি গম’ ছবিতে কারিনা কাপুর খানের অনবদ্য ‘পু’ চরিত্রটি। অন্যদিকে, ১৯৮৬ সালের ফ্যান্টাসি চলচ্চিত্র ‘নাগিনা’র বিখ্যাত ইচ্ছাধারী নাগিন রূপটি হুবহু ফুটিয়ে তুলে মা শ্রীদেবীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান জাহ্নবী কাপুর।

advertisement
advertisement

সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

প্রযুক্তি ডেস্ক: ইউরোপের সাতটি দেশের অসংখ্য সুপারমার্কেটের হিমায়ন ব্যবস্থায় বড় ধরনের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই আকস্মিক সাইবার আক্রমণের ফলে দোকানগুলোর বহু রেফ্রিজারেটর এবং ডিপ ফ্রিজ সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়ে। এর ফলে বিপণি বিতানগুলোতে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ কাঁচা ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর একাধিক সুপারমার্কেট চেইন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আক্রান্ত হওয়া দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বেলজিয়াম, সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড এবং লুক্সেমবার্গ। বেলজিয়াম ও লুক্সেমবার্গে ডেলহেইজের প্রায় চল্লিশটি শাখা এই হামলার শিকার হয়েছে। এছাড়া ফরাসি মালিকানাধীন সুপারমার্কেট ক্যারেফোরের বেলজিয়াম শাখা এবং কোলরুইট গ্রুপের পরিচালনাধীন স্পার স্টোরের বেশ কয়েকটি দোকানেও একই সমস্যা দেখা দিয়েছে। সুইডেনের আইকিয়া, আইসিএ এবং কুপের পাশাপাশি আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের বিভিন্ন খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানও এই হামলার কবলে পড়েছে।

ফ্রিজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সাবকোবেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফান মোয়েলানস বেলগা সংবাদ সংস্থাকে জানান যে হ্যাকাররা সুনির্দিষ্ট কৌশলে ফ্রিজগুলোর ইভাপোরেটর ডিফ্রস্ট মোডে পাঠিয়ে দেয়। এর ফলে যন্ত্রগুলোর তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে এবং কিছু ক্ষেত্রে তা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়। এর আগে কিছুদিন আগে ফ্রান্সেও একই কায়দায় সাইবার হামলা চালানো হয়েছিল। ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার সুবাদে দূর থেকেই এই ত্রুটি ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রগুলো নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করতে কারিগরি দলগুলো রাতভর পরিশ্রম করেছে।

এই সাইবার হামলার পেছনে কারা জড়িত রয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে এটি করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। বেলজিয়াম, সুইডেন ও যুক্তরাজ্যের জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাগুলো যৌথভাবে পুরো বিষয়টি গভীর পর্যবেক্ষণে রেখেছে। মার্কিন সামরিক ঘাঁটির হিমায়ন ব্যবস্থায় সম্প্রতি ঘটিত কোনো ত্রুটির সঙ্গে ইউরোপের এই ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে কি না, তাতি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বেলজিয়ামের একটি শাখা কর্তৃপক্ষ প্রায় এক লাখ ইউরো মূল্যের পণ্য নষ্ট হওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছে।

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ডেমোক্র্যাট দলের ভেতরকার কোন্দল ও বিভক্তি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান হ্যালি স্টিভেন্স নিজ দলের প্রার্থী আবদুল আল-সাইয়েদকে সমর্থন না দিয়ে উল্টো বিরোধী দলের সিনেট প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। দলের একজন প্রভাবশালী নেতার এমন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আল-সাইয়েদের সমর্থকেরা দমে যাননি। বরং এই অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে তারা আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন এবং প্রচারণায় নতুন গতিশীলতা এসেছে।

সম্প্রতি মিশিগানের সাউথফিল্ডে আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে আল-সাইয়েদের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে। সমাবেশে অংশ নেওয়া সাধারণ কর্মী ও সমর্থকেরা জানান, দলীয় নেতার এমন অবস্থান তাদের জন্য কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলেনি, বরং তাদের মনোবল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ডেমোক্র্যাট দলের সমর্থকেরা মনে করেন, দলের ভেতরের এই অনৈক্য উপেক্ষা করে আল-সাইয়েদের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে আরও জোরালোভাবে কাজ করতে হবে।

সমাবেশে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি মন্তব্য করেছেন যে, দলীয় প্রার্থীর বদলে রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত হ্যালি স্টিভেন্সের নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্যই ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে। তাদের মতে, এই ধরনের অবস্থান দলের ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে যা শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষেই বেশি কাজে লাগতে পারে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের এমন ঘটনাকে তারা একধরনের বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবেও অভিহিত করেছেন।

এদিকে দলীয় কোন্দলের মাঝেও আল-সাইয়েদের নির্বাচনি প্রচারশিবির দারুণ এক আর্থিক সাফল্যের মুখ দেখেছে। স্টিভেন্সের বিরোধিতার ঘোষণার পরপরই মাত্র একদিনের ব্যবধানে তাদের তহবিলে চব্বিশ লাখ ডলারের বেশি জমা হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ঊনত্রিশ কোটি টাকা। প্রচারণা শুরু হওয়ার পর এটিই তাদের একদিনে সর্বোচ্চ ফান্ড সংগ্রহের রেকর্ড। এই অভাবনীয় সাফল্যকে সমর্থকেরা নিছক কাকতালীয় বলতে নারাজ, বরং একে তারা দলীয় ঐক্যের বড় প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।

১১২১ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে ৩ মামলার অনুমোদন দুদকের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১১২১ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে ৩ মামলার অনুমোদন দুদকের

১১২১ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে ৩ মামলার অনুমোদন দুদকের

অপরাধ ডেস্ক: বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রায় এক হাজার ১২১ কোটি টাকা ব্যাংক থেকে অবৈধভাবে তুলে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এই আর্থিক অনিয়মের সত্যতা পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যে, এই বিশাল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের জন্য সম্পূর্ণ নতুন বেশ কয়েকটি বেনামি প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হয়েছিল। কোনো ধরনের পূর্ব অভিজ্ঞতা বা ব্যবসায়িক ট্র্যাক রেকর্ড না থাকা সত্ত্বেও কেবল বিশেষ সুবিধার জোরে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুকূলে বড় অঙ্কের ঋণ এবং এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের সুবিধা মঞ্জুর করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রচলিত কোনো নিয়ম-কানুন ও ব্যাংকিং নীতিমালার তোয়াক্কা করা হয়নি। অতি দ্রুততার সঙ্গে নামসর্বস্ব কোম্পানিগুলোকে অর্থ পাইয়ে দিয়ে পরে তা ভিন্ন খাতে সরিয়ে নেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই কারসাজির পেছনে উচ্চপর্যায়ের প্রভাব খাটানো হয়েছিল বলে প্রতীয়মান হয়।

এই দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে মোট তিনটি পৃথক মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুতই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে এবং লুটপাট করা অর্থ পুনরুদ্ধারে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।