খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

এইচএসসিতে এমন ভয়াবহ ফল বিপর্যয় কেন অশনিসংকেত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসিতে এমন ভয়াবহ ফল বিপর্যয় কেন অশনিসংকেত

এইচএসসিতে এমন ভয়াবহ ফল বিপর্যয় কেন অশনিসংকেত

শিক্ষা ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট অর্থাৎ এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল দেশজুড়ে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। ২২ বছরের মধ্যে এত বড় অবনতি এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়া গোটা শিক্ষাব্যবস্থার ভঙ্গুর অবস্থাকেই স্পষ্ট করে তুলেছে। দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় প্রায় সাড়ে ১০ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। একই সঙ্গে শূন্য পাসের হারের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি এবং শতভাগ পাসের হার কমার মতো নেতিবাচক চিত্রও সামনে এসেছে।

শিক্ষার্থীদের এমন বিপর্যয়ের পেছনে একাধিক কাঠামোগত ত্রুটি ও সামাজিক কারণ দায়ী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন আন্দোলন এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা থেকে দূরে সরে গেছে। পাশাপাশি অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের হাতে মুঠোফোনের অবাধ ব্যবহার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনিয়ন্ত্রিত আসক্তি তাদের মনোযোগ পুরোপুরি বিঘ্নিত করেছে। অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকদের উদাসীনতা এবং অতিরিক্ত প্রশ্রয় কিশোর সমাজকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিক্ষা কার্যক্রমে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসালয় পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায় যে, অনেক অভিভাবক সন্তানদের অনিয়মিত উপস্থিতি বা অমনোযোগিতার বিষয়ে চরম উদাসীনতা প্রদর্শন করেন। শিক্ষক-শিক্ষিকারা যোগাযোগ করলেও অনেক সময় অভিভাবকেরা সঠিক দায়িত্ব পালন করেন না, যা তরুণ প্রজন্মকে আরও বেপরোয়া করে তুলছে। এমনকি বিদ্যালয়স্তরের মেধাবী শিক্ষার্থীরাও পরবর্তী সময়ে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল ধরে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে, যা সামগ্রিক শিক্ষাসংকটকে আরও ঘনীভূত করছে।

এই ভয়াবহ ফল বিপর্যয়কে কেবল একটি সাময়িক ব্যর্থতা হিসেবে উড়িয়ে দেওয়ার কোনো অবকাশ নেই। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বড় অশনিসংকেত এবং জাতিকে পিছিয়ে দেওয়ার উপক্রম তৈরি করেছে। সুশিক্ষিত ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের পাশাপাশি পারিবারিক নজরদারি ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

advertisement
advertisement

ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের সাক্ষাৎ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের সাক্ষাৎ

ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের সাক্ষাৎ

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সম্প্রতি রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এই সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৈঠক চলাকালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। এ সময় তার সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ প্রতিনিধিদলের রাজনীতিবিষয়ক কার্যালয়ের প্রথম কাউন্সেলর কামিলা পার্টিকা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে শীর্ষস্থানীয় নেতারা এই বৈঠকে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে নানা বিষয়ে আলোচনা করেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলে আহ্বায়কের সঙ্গে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও আন্তর্জাতিকবিষয়ক যুগ্ম সদস্যসচিব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক তাহসিন রিয়াজ, মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক আরমান হোসেন এবং আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপসম্পাদক আশরেফা খাতুন এই বৈঠকে অংশ নেন।

দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে অত্যন্ত খোলামেলা পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। এ সময় দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি এবং গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার নানা দিক নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও ইতিবাচক আলোচনা সম্পন্ন হয়।

আর্মি স্টেডিয়ামে চলছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের বিশেষ ডিসপ্লের অনুশীলন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আর্মি স্টেডিয়ামে চলছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের বিশেষ ডিসপ্লের অনুশীলন

আর্মি স্টেডিয়ামে চলছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের বিশেষ ডিসপ্লের অনুশীলন

জাতীয় ডেস্ক: আসন্ন জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি হিসেবে রাজধানীর ঐতিহাসিক আর্মি স্টেডিয়ামে চলছে বিশেষ ডিসপ্লের অনুশীলন। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় ও জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালনের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও শরীরচর্চামূলক ইভেন্টের মহড়া শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ইভেন্ট আয়োজকদের তত্ত্বাবধানে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এই অনুশীলন কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

এই বিশেষ ডিসপ্লে মহড়ায় দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় তিন হাজার বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর অর্থাৎ বিএনসিসি ক্যাডেট অংশ নিচ্ছেন। সুশৃঙ্খল ও আকর্ষণীয় পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে ক্যাডেটদের নিয়ে নিয়মিত ও কঠোর অনুশীলন পরিচালনা করা হচ্ছে। কুচকাওয়াজ ও শারীরিক কসরতের বিভিন্ন কৌশল নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে তারা নিবিড় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন।

আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দিবসটির মূল অনুষ্ঠানে দর্শকদের সামনে একটি মনোমুগ্ধকর ডিসপ্লে উপস্থাপনের প্রস্তুতি হিসেবে এই মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে। ক্যাডেটদের শারীরিক দক্ষতা, শৃঙ্খলা এবং দলগত ঐক্য প্রদর্শনের মাধ্যমেই এই ডিসপ্লের মূল ভাব ফুটিয়ে তোলা হবে। অংশগ্রহণকারী তরুণ ক্যাডেটদের উৎসাহ ও উদ্দীপনা ছিল লক্ষণীয়।

নির্ধারিত দিনে বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই বিশেষ ডিসপ্লেটি সর্বসাধারণের সামনে উপস্থাপন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সব মহলের সার্বিক সহযোগিতায় মহড়া কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ঢাকা থেকে আন্তর্জাতিক রুটে উড়োজাহাজ ভাড়া বেশি কেন, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকা থেকে আন্তর্জাতিক রুটে উড়োজাহাজ ভাড়া বেশি কেন, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

ঢাকা থেকে আন্তর্জাতিক রুটে উড়োজাহাজ ভাড়া বেশি কেন, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

জাতীয় ডেস্ক: জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির বৈঠকে ঢাকা থেকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গন্তব্যে উড়োজাহাজের টিকিটের বাড়তি মূল্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা, পরিচালন কার্যক্রম এবং বিভিন্ন নিরীক্ষা প্রতিবেদন বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে মূলত তুলনামূলক কম দূরত্বের অন্যান্য আন্তর্জাতিক রুটের তুলনায় ঢাকার রুটে ভাড়ার পরিমাণ কেন এত বেশি, সেই বিষয়টি স্পষ্ট করার তাগিদ দেওয়া হয়।

আলোচনাকালে কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, কুয়ালালামপুর থেকে ম্যানিলার দূরত্বের সঙ্গে ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরের দূরত্বের প্রায় মিল থাকলেও টিকিটের মূল্যে আকাশপাতাল ব্যবধান দেখা যায়। অন্যান্য গন্তব্যের তুলনায় ঢাকার যাত্রীদের বহু গুণ বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে। এর সুনির্দিষ্ট কারণ কী এবং বিমানভাড়া নিয়ন্ত্রণে কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কমিটির সদস্যরা। জবাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায় যে আন্তর্জাতিক রুটের ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা নেই, বরং সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাগুলোই নিজেদের মতো করে এই ভাড়া নির্ধারণ করে থাকে।

ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে একটি কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখার জন্য বৈঠকে সুনির্দিষ্ট পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিভিন্ন নিরীক্ষা আপত্তি এবং নানা অনিয়মের বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় উঠে আসে। বিশেষ করে ঢাকা–গুয়াংজু–ঢাকা রুটে চার্টার্ড কার্গো পরিচালনা এবং রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে শত শত কোটি টাকার অনিয়মের বিষয়টি নিয়ে কঠোর অবস্থান নেয় কমিটি। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজে বারবার যান্ত্রিক ত্রুটির নেপথ্য কারণ, ত্রুটিপূর্ণ উড়োজাহাজ ও অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ক্রয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তারও জবাব তলব করা হয়।

বৈঠকে বিমানের টিকিট বুকিং ও ফাঁকা আসনের অসঙ্গতি ছাড়াও হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জের সেবার মান এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে সদস্যরা তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। বিমান পরিচালনার ক্ষেত্রে চেক-ইন কাউন্টারের স্বল্পতা, বোর্ডিং ব্রিজের ঘাটতি এবং ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে প্রায়ই ফ্লাইট বিলম্বিত হওয়ার ব্যাখ্যা দেয় বিমান কর্তৃপক্ষ। সংসদ সচিবালয়ের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে প্রতিটি নিরীক্ষা আপত্তির বিপরীতে আদায় করা অর্থের পরিমাণ, অনাদায়ি অর্থ এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সংসদের বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট সদস্য অংশ নেন।