খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশিদের সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্ব

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশিদের সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্ব

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবতী নির্বাচনের প্রচারণা জমে উঠেছে

রাজনৈতিক বিশ্বাস কিংবা আদি নিবাস যা-ই হোক না কেন, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী প্রত্যেক অভিবাসীর দেশটির মূলধারার রাজনীতিতে শামিল হওয়া অত্যন্ত জরুরি। যাঁদের ভোটাধিকার রয়েছে, তাঁদের কালবিলম্ব না করে ভোটার হিসেবে নাম তালিকাভুক্ত করা এবং চলতি বছরের নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়া উচিত। একটি সুদৃঢ় ও উন্নত গণতান্ত্রিক দেশে কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা চাপ ছাড়াই ভোটাধিকার চর্চার সুযোগ পাওয়া বাংলাদেশি অভিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য একটি বড় সৌভাগ্য। অথচ এই অনন্য অধিকারটির তাৎপর্য আমরা অনেক সময়ই যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে পারি না। বিশ্বের বহু অঞ্চলেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে গেলে অর্থনৈতিক বা আর্থসামাজিক অবস্থানের ওপর নির্ভর করতে হয়; এমনকি আমাদের জন্মভূমি বাংলাদেশেও দলীয় আনুগত্য কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সর্বজনীন ভোটাধিকার এখনো বহু মানুষের কাছে এক অপূর্ণ স্বপ্ন হিসেবেই রয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে বামমুখী হাওয়া লক্ষ্য করা গেলেও আমেরিকার রাজনৈতিক দল ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় প্রবাসীদের বলিষ্ঠ সম্পৃক্ততা দেশটির জাতীয় স্বার্থের পাশাপাশি বাংলাদেশি আমেরিকান সমাজের স্বার্থ সমুন্নত রাখতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

বাঙালি হিসেবে রাজনীতি ও রাজনৈতিক সচেতনতা যেন আমাদের মজ্জাগত। পৃথিবীর যেখানেই আমরা থাকি না কেন, ভোটকে আমরা উৎসবমুখর পরিবেশে গ্রহণ করি এবং দেশের রাজনীতির প্রতিও গভীর অনুরাগ বজায় রাখি। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি শীর্ষ রাজনৈতিক দলেরই শাখা রয়েছে এবং এসব দলের অনুসারীরা প্রায়ই জন্মভূমির নানা ইস্যু নিয়ে রাজনৈতিক তৎপরতায় মেতে ওঠেন। এই সচেতনতা ও সক্রিয়তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার হলেও এটি উপলব্ধি করা দরকার যে, আমাদের এই কর্মকাণ্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি ও জাতীয় স্বার্থের নিরিখে পর্যালোচনা করতে হবে। বাংলাদেশ কিংবা ভেনেজুয়েলার মতো রাষ্ট্রগুলোর রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতিতে ওয়াশিংটনের প্রভাব কারো অজানা নয়। বিশ্বের শীর্ষ ক্ষমতাধর রাষ্ট্র হিসেবে দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আধিপত্য ও প্রভাব বজায় রাখা ওয়াশিংটনের লক্ষ্য। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাংলাদেশের বিশেষ ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে এবং সেখানে দেশটির ইতিবাচক ও গঠনমূলক ভূমিকা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি আমেরিকানরা বড় প্রভাবক হতে পারেন।

কেবল পছন্দের রাজনৈতিক নেতাদের নাম মুখে নিয়ে কিংবা মুখোমুখি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাদানুবাদে লিপ্ত হয়ে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য মিলবে না। বরং ডেমোক্র্যাট, রিপাবলিকান কিংবা স্বতন্ত্র ভোটার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশ নিতে হবে। এর সূচনা হওয়া উচিত চলতি বছরের নভেম্বর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার লক্ষ্যে ভোটার নিবন্ধন করার মাধ্যমে। অভিবাসীদের তীর্থভূমি হিসেবে পরিচিত নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য এবং এর ঐতিহাসিক এলিস আইল্যান্ড লাখ লাখ মানুষের আমেরিকায় প্রবেশের ঐতিহাসিক সাক্ষী। এখানকার রাজনীতিবিদরা অভিবাসী জনগোষ্ঠীর অবদান ও গুরুত্ব সম্পর্কে পুরোপুরি ওয়াকিবহাল। নিউইয়র্কে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশির বসবাসের কারণে অঙ্গরাজ্য এবং জাতীয়—উভয় পর্যায়ের রাজনীতিতেই আমাদের তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখার বড় সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সেখানকার যোগ্য সকল বাংলাদেশিকে ভোটার তালিকায় নাম লেখানোর আহ্বান জানাই। অঙ্গরাজ্যের নিয়ম অনুযায়ী কোনো দলের অন্তর্ভুক্ত হয়ে কিংবা স্বতন্ত্র ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হওয়া সম্ভব। একই সাথে সবাইকে রাজনৈতিক সংগঠনে সক্রিয় হওয়া, সভা-সমাবেশে মত প্রকাশ এবং নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার উৎসাহ দেওয়া প্রয়োজন। রাজনীতিতে এই সক্রিয়তাই দিনশেষে আমেরিকার জাতীয় স্বার্থ ও প্রবাসীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করবে। (লেখক: ড. দিলওয়ার আরিফ, সহযোগী অধ্যাপক, মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম এবং পরিচালক, জার্নালিজম, ক্যানিসিয়াস ইউনিভার্সিটি, বাফেলো, নিউইয়র্ক। ইমেইল: delawarearif@gmail.com)

advertisement
advertisement

মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক শেষে এলো যে সিদ্ধান্ত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক শেষে এলো যে সিদ্ধান্ত

মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক শেষে এলো যে সিদ্ধান্ত

জাতীয় ডেস্ক: তৈরি পোশাক খাতের উৎপাদন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের এক উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি এবং শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়ে এই বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা করা হয়। বৈঠকে সরকারের শীর্ষ নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত থেকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সরকারের এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, আসন্ন ডিসেম্বর মাসকে সামনে রেখে একটি মহল তৈরি পোশাক শিল্পে কৃত্রিম অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা চালাতে পারে। এই ধরনের যেকোনো নাশকতামূলক বা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সরকার অত্যন্ত কঠোরভাবে এবং রাজনৈতিক শক্তির মাধ্যমেই মোকাবিলা করবে। শিল্পকারখানার উৎপাদন চাকা সচল রাখতে সরকার সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

দেশের অর্থনীতিতে পোশাক খাতের অসামান্য অবদানের কথা মাথায় রেখে সরকার উৎপাদন প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ব্যাঘাত ঘটাতে দিতে নারাজ। কারখানাগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখার পাশাপাশি শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলোকে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, পোশাক খাতের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা রোধে সরকার আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। দেশের অর্থনৈতিক ও জননিরাপত্তার স্বার্থে সরকার যেকোনো মূল্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বদ্ধপরিকর। সরকারের এই সময়োপযোগী ও কঠোর পদক্ষেপে শিল্পাঞ্চলে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে এবং সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।

প্রেমের খোঁজে বিশ্বের অবিবাহিতদের বিনা খরচে ফিনল্যান্ড ভ্রমণের আমন্ত্রণ—চলছে আবেদন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রেমের খোঁজে বিশ্বের অবিবাহিতদের বিনা খরচে ফিনল্যান্ড ভ্রমণের আমন্ত্রণ—চলছে আবেদন

প্রেমের খোঁজে বিশ্বের অবিবাহিতদের বিনা খরচে ফিনল্যান্ড ভ্রমণের আমন্ত্রণ—চলছে আবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বের অন্যতম সুখী দেশ হিসেবে খ্যাত ফিনল্যান্ডে ভালোবাসার মানুষ খোঁজার দারুণ এক সুযোগ তৈরি হয়েছে। দেশটির সরকারি পর্যটন সংস্থা ভিজিট ফিনল্যান্ড বিশ্বজুড়ে থাকা অবিবাহিত তরুণ-তরুণীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনা খরচে এই দেশ ভ্রমণের আয়োজন করেছে। ফিনিশ সংস্কৃতি, সুস্বাদু স্থানীয় খাবার ও নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এই দারুণ অভিজ্ঞতা পেতে অনেকেই এখন থেকেই আগ্রহ প্রকাশ করছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফোর্বসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অবিবাহিত মানুষেরা একসঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ পাবেন।

ফিনিশ ডিনার ডেট নামক এই ব্যতিক্রমী আয়োজনের আওতায় সারা বিশ্ব থেকে নির্বাচিত মোট ১৬ জন অবিবাহিত অতিথিকে ফিনল্যান্ডে আমন্ত্রণ জানানো হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আগামী ২০২৭ সালের ৯ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই ভ্রমণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই পুরো সফরে অংশগ্রহণকারীদের যাতায়াত খরচ, হোটেল বা আবাসনের ব্যবস্থা, প্রতিদিনের খাবার এবং অন্যান্য সব আয়োজনের সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করবে ফিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষ। এর ফলে বিজয়ীরা কোনো প্রকার আর্থিক চিন্তা ছাড়াই দেশটির চমৎকার আবহাওয়া ও সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।

এই ভ্রমণের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো দেশটির স্থানীয় নাগরিকদের সঙ্গে বিশেষ নৈশভোজে অংশ নেওয়ার সুযোগ। হেলসিংকি ও তাম্পেরে শহরের নামী রেস্তোরাঁয় স্থানীয় অবিবাহিত ফিনিশ নাগরিকদের সঙ্গে একই টেবিলে বসে খাবার খাওয়ার অভিজ্ঞতা লাভ করবেন বিদেশি অতিথিরা। দেশটির শীর্ষস্থানীয় শেফদের তৈরি বিশেষ মেন্যুতে স্থান পাবে বুনো মাছ, বিভিন্ন ধরনের বুনো বেরি এবং বন থেকে সংগৃহীত সুস্বাদু মাশরুম। বিজনেস ফিনল্যান্ডের আন্তর্জাতিক বিপণন বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক হেলি হিমেনেজ জানিয়েছেন, ফিনল্যান্ডের এই খাবারগুলো মূলত তাদের সুখী জীবনযাপনের সংস্কৃতিরই আসল রূপ ফুটিয়ে তোলে। খাবারের আয়োজনের মাধ্যমেই মানুষ প্রকৃতি এবং একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত হতে পারে।

এই বিশেষ উদ্যোগের পেছনের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে ফিনল্যান্ডের জনপ্রিয় একটি ডেটিং প্রবণতা, যাকে স্থানীয় ভাষায় বলা হয় সিঙ্কুকোরি। বাংলায় এর অর্থ দাঁড়ায় অবিবাহিতদের ঝুড়ি। দেশটির বেশ কিছু সুপারশপে সিঙ্গেল ক্রেতাদের জন্য গোলাপি রঙের বিশেষ ঝুড়ি রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। এই ঝুড়ি ব্যবহারের মাধ্যমে ক্রেতারা নিজেদের অবিবাহিত পরিচয় প্রকাশ করে সহজেই অন্য মানুষের সঙ্গে কথা বলার বা পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান। ফিনল্যান্ডের এই সহজ ও সুন্দর সংস্কৃতির আলোকেই মূলত আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এই ডিনার ডেটের আয়োজন করা হয়েছে।

এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হলে আবেদনকারীকে অবশ্যই কমপক্ষে আঠারো বছর বয়সী হতে হবে এবং ফিনল্যান্ড বাদে বিশ্বের যে কোনো দেশের অবিবাহিত নাগরিক হতে হবে। আবেদনের শেষ সময় নির্ধারিত হয়েছে আগামী ২০২৬ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত এবং চূড়ান্ত বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশিত হবে একই বছরের ১ ডিসেম্বর। এতে অংশ নেওয়ার জন্য প্রার্থীদের ইংরেজিতে একটি ছোট্ট ভিডিও তৈরি করতে হবে। ভিডিওতে ডিনার ডেটে সঙ্গীকে কী খাবার খাওয়াতে চান এবং কেন খাওয়াতে চান, সে বিষয়ে উত্তর দিতে হবে। এরপর সেই ভিডিও টিকটক, ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউবের মতো কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্দিষ্ট হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে পোস্ট করতে হবে এবং ভিজিট ফিনল্যান্ডকে ট্যাগ করতে হবে।

ভারতকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের শেষ ভালোর সুখস্মৃতি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারতকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের শেষ ভালোর সুখস্মৃতি

ভারতকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের শেষ ভালোর সুখস্মৃতি

খেলা ডেস্ক: ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথম তিন ম্যাচ হেরে আগেই শিরোপা হাতছাড়া করেছিল নিউজিল্যান্ড। তবে সিরিজের শেষ অংশে এসে দুর্দান্ত কামব্যাক করেছে কিউইরা। শেষ দুটি ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে তারা ভারত সফরের একটি সুখকর ও সন্তোষজনক সমাপ্তি টেনেছে। পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ভারতকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে সফরকারী দল। দুর্দান্ত ব্যাটিং ও বোলিং প্রদর্শনী উপহার দিয়ে শেষ পর্যন্ত মাঠ ছেড়েছে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা।

ভারতের দেওয়া ১৯২ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউজিল্যান্ড। ইনিংসের একদম শুরুতে মাত্র ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার ফিন অ্যালেন। তবে শুরুর সেই চাপ বেশ ভালোভাবে সামলে নেন টিম শেইফার্ট ও ড্যারেল মিচেল। দ্বিতীয় উইকেটে তাদের জুটিতে আসে মূল্যবান ৭৩ রান, যা দলের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। এরপর শেইফার্ট গ্লেন ফিলিপসকে সঙ্গে নিয়ে আরও ৮৬ রানের এক অসাধারণ জুটি গড়েন।

ম্যাচে সেঞ্চুরির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের ওপেনার টিম শেইফার্ট। মাত্র সাত রান দূরে থাকতে তিনি আউট হন, তবে তার আগে ৫০ বলে ৯৩ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। এছাড়া গ্লেন ফিলিপস ৩৮ বলে অপরাজিত ৬৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন। এই দুই ব্যাটারের অসাধারণ পারফরম্যান্সের সুবাদে ১৮ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল ভারত। দলীয় ১৯ রান তুলতেই সাজঘরে ফিরে যান দুই ওপেনার সাঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা। এরপর শ্রেয়াস আইয়ার ও ঈশান কিষান দলের হাল ধরেন এবং পাল্টা আক্রমণ চালান। ঈশান ৩২ বলে ৬১ এবং আইয়ার মাত্র ২৩ বলে ৫০ রানের চমৎকার ইনিংস খেলেন। শেষ পর্যন্ত নমন ধীর ও নিতিশ কুমার রেড্ডির ছোট কিন্তু কার্যকরী অবদানে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৯১ রানের পুঁজি পায় ভারত।

ভারতের বিশাল সংগ্রহ আটকে রাখতে নিউজিল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেন অ্যাডাম মিলনে। তিনি মাত্র ১৯ রান খরচ করে শিকার করেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৪টি উইকেট। এছাড়া নাথান স্মিথ ও ব্লাইর টিকনার প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট দখল করেন। বোলিংয়ে এমন নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সের ফলেই ভারত বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হয় এবং শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হেরে মাঠ ছাড়ে।