খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ভারতকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের শেষ ভালোর সুখস্মৃতি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারতকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের শেষ ভালোর সুখস্মৃতি

ভারতকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের শেষ ভালোর সুখস্মৃতি

খেলা ডেস্ক: ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথম তিন ম্যাচ হেরে আগেই শিরোপা হাতছাড়া করেছিল নিউজিল্যান্ড। তবে সিরিজের শেষ অংশে এসে দুর্দান্ত কামব্যাক করেছে কিউইরা। শেষ দুটি ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে তারা ভারত সফরের একটি সুখকর ও সন্তোষজনক সমাপ্তি টেনেছে। পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ভারতকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে সফরকারী দল। দুর্দান্ত ব্যাটিং ও বোলিং প্রদর্শনী উপহার দিয়ে শেষ পর্যন্ত মাঠ ছেড়েছে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা।

ভারতের দেওয়া ১৯২ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউজিল্যান্ড। ইনিংসের একদম শুরুতে মাত্র ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার ফিন অ্যালেন। তবে শুরুর সেই চাপ বেশ ভালোভাবে সামলে নেন টিম শেইফার্ট ও ড্যারেল মিচেল। দ্বিতীয় উইকেটে তাদের জুটিতে আসে মূল্যবান ৭৩ রান, যা দলের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। এরপর শেইফার্ট গ্লেন ফিলিপসকে সঙ্গে নিয়ে আরও ৮৬ রানের এক অসাধারণ জুটি গড়েন।

ম্যাচে সেঞ্চুরির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের ওপেনার টিম শেইফার্ট। মাত্র সাত রান দূরে থাকতে তিনি আউট হন, তবে তার আগে ৫০ বলে ৯৩ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। এছাড়া গ্লেন ফিলিপস ৩৮ বলে অপরাজিত ৬৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন। এই দুই ব্যাটারের অসাধারণ পারফরম্যান্সের সুবাদে ১৮ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল ভারত। দলীয় ১৯ রান তুলতেই সাজঘরে ফিরে যান দুই ওপেনার সাঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা। এরপর শ্রেয়াস আইয়ার ও ঈশান কিষান দলের হাল ধরেন এবং পাল্টা আক্রমণ চালান। ঈশান ৩২ বলে ৬১ এবং আইয়ার মাত্র ২৩ বলে ৫০ রানের চমৎকার ইনিংস খেলেন। শেষ পর্যন্ত নমন ধীর ও নিতিশ কুমার রেড্ডির ছোট কিন্তু কার্যকরী অবদানে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৯১ রানের পুঁজি পায় ভারত।

ভারতের বিশাল সংগ্রহ আটকে রাখতে নিউজিল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেন অ্যাডাম মিলনে। তিনি মাত্র ১৯ রান খরচ করে শিকার করেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৪টি উইকেট। এছাড়া নাথান স্মিথ ও ব্লাইর টিকনার প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট দখল করেন। বোলিংয়ে এমন নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সের ফলেই ভারত বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হয় এবং শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হেরে মাঠ ছাড়ে।

advertisement
advertisement

সোলমেট পেতে জাদুবিদ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন জেন–জিরা! প্রেমের জন্য ৬৪ শতাংশই ভরসা রাখছেন লাভ স্পেল, ট্যারো, ম্যানিফেস্টেশনে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সোলমেট পেতে জাদুবিদ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন জেন–জিরা! প্রেমের জন্য ৬৪ শতাংশই ভরসা রাখছেন লাভ স্পেল, ট্যারো, ম্যানিফেস্টেশনে

সোলমেট পেতে জাদুবিদ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন জেন–জিরা! প্রেমের জন্য ৬৪ শতাংশই ভরসা রাখছেন লাভ স্পেল, ট্যারো, ম্যানিফেস্টেশনে

লাইফস্টাইল ডেস্ক: বর্তমান প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা মনের মানুষের সন্ধান পেতে প্রচলিত ও প্রথাগত পদ্ধতির পাশাপাশি বিভিন্ন আধ্যাত্মিক ও রহস্যময় উপায়ের ওপর ভরসা করছেন। বিশেষ করে জেন জি বা বর্তমানের জেন-জি জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ রোমান্টিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নানা ধরনের অপ্রচলিত পদ্ধতির সাহায্য নিচ্ছেন। ভালোবাসা পাওয়ার এই আকুলতা থেকে তারা আধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি প্রাচীন বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক চর্চার দিকে ঝুঁকে পড়ছেন, যা ইতিমধ্যে সমাজ গবেষকদেরও নজর কেড়েছে।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন পরিসংখ্যান ও তথ্য অনুযায়ী, এই প্রজন্মের প্রায় চৌষট্টি শতাংশ তরুণ-তরুণী নিজেদের জীবনে উপযুক্ত সঙ্গী টানতে নানা ধরনের আধ্যাত্মিক পদ্ধতির সাহায্য নিচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে ভালোবাসার বিশেষ জাদুমন্ত্র বা লাভ স্পেল প্রয়োগ করা, ট্যারো কার্ডের মাধ্যমে ভবিষ্যতের ইঙ্গিত খোঁজা এবং মনের মধ্যে সুনির্দিষ্ট ইতিবাচক ভাবনা বা ম্যানিফেস্টেশনের চর্চা করা। অনেকেই বিশ্বাস করেন যে এই কৌশলগুলো তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রেমের নাগাল পেতে সাহায্য করতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে এই ধরনের প্রথাগত ও রহস্যময় চর্চাগুলোর জনপ্রিয়তা দিন দিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনলাইনে বিভিন্ন ভিডিও টিউটোরিয়াল এবং ব্লগের মাধ্যমে তরুণরা খুব সহজেই এই জাদুমন্ত্র বা ম্যানিফেস্টেশনের নিয়মকানুন শিখে নিচ্ছেন। ব্যস্ত ও যান্ত্রিক জীবনের একাকীত্ব কাটাতে এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রে দ্রুত ফল পেতে তারা এই বিকল্প মাধ্যমগুলোকে বেশ কার্যকর বলে মনে করছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক যুগের মানসিক চাপ এবং বাস্তব সম্পর্কের জটিলতা এড়ানোর একটি উপায় হিসেবে তরুণরা এই কাল্পনিক বা আধ্যাত্মিক জগতের আশ্রয় নিচ্ছেন। যদিও এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, তবুও একাংশ তরুণ প্রজন্মের কাছে এটি আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং মনের আশা প্রকাশ করার একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছে। দিন যতই যাচ্ছে, প্রেমের সংজ্ঞা এবং তা পাওয়ার উপায়গুলোর ক্ষেত্রেও তরুণদের এই মানসিকতার পরিবর্তন স্পষ্টভাবে ধরা পড়ছে।

ঢাকায় এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট, আসবেন হাজারের বেশি প্রবাসী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকায় এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট, আসবেন হাজারের বেশি প্রবাসী

ঢাকায় এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট, আসবেন হাজারের বেশি প্রবাসী

অর্থনীতি ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের মেধা, দক্ষতা এবং মূলধন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে আগামী ডিসেম্বরে রাজধানীতে বসছে আন্তর্জাতিক সম্মেলন। এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬ শিরোনামের এই দুই দিনব্যাপী আয়োজনটি রাজধানীর হোটেল শেরাটনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। থিংক বাংলাদেশ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এই সম্মেলনে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে এক হাজারের বেশি প্রবাসী উদ্যোক্তা ও পেশাজীবী অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের সরাসরি সম্পৃক্ততা বাড়াতে এই সম্মেলন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই মহাসম্মেলনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এনআরবি ওয়ার্ল্ডের সভাপতি মোহা. সাহিদুজ্জামান টরিক। তিনি জানান, এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে দেশের শীর্ষস্থানীয় নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের সেতুবন্ধন তৈরি করা। এর মাধ্যমে দেশে নতুন বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা তৈরি হবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের যোগাযোগ বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। দুই দিনের এই বিশাল আয়োজনে মন্ত্রী, রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও বিভিন্ন খাতের বিশেষজ্ঞরা যোগ দেবেন।

সম্মেলনের মূল আলোচ্যসূচিতে দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাত, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং টেকসই উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্যানেল আলোচনা, মতবিনিময় এবং পারস্পরিক নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে দেশি ব্যবসায়ী ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীদের অর্জিত পেশাগত অভিজ্ঞতা দেশের কল্যাণে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হবে।

ইতিমধ্যেই এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন সফল করার জন্য যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে এবং কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপানসহ বিশ্বের নানা দেশে প্রস্তুতিমূলক বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক ও অরাজনৈতিক সংগঠন এনআরবি ওয়ার্ল্ড প্রবাসীদের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। এবারের এই সামিট আয়োজনে বিজনেস আমেরিকা ম্যাগাজিন, অর্থকণ্ঠ এবং গ্লোবাল এনআরবি চেম্বার আনুষ্ঠানিকভাবে সহযোগিতা প্রদান করছে।

মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক শেষে এলো যে সিদ্ধান্ত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক শেষে এলো যে সিদ্ধান্ত

মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক শেষে এলো যে সিদ্ধান্ত

জাতীয় ডেস্ক: তৈরি পোশাক খাতের উৎপাদন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের এক উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি এবং শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়ে এই বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা করা হয়। বৈঠকে সরকারের শীর্ষ নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত থেকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সরকারের এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, আসন্ন ডিসেম্বর মাসকে সামনে রেখে একটি মহল তৈরি পোশাক শিল্পে কৃত্রিম অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা চালাতে পারে। এই ধরনের যেকোনো নাশকতামূলক বা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সরকার অত্যন্ত কঠোরভাবে এবং রাজনৈতিক শক্তির মাধ্যমেই মোকাবিলা করবে। শিল্পকারখানার উৎপাদন চাকা সচল রাখতে সরকার সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

দেশের অর্থনীতিতে পোশাক খাতের অসামান্য অবদানের কথা মাথায় রেখে সরকার উৎপাদন প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ব্যাঘাত ঘটাতে দিতে নারাজ। কারখানাগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখার পাশাপাশি শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলোকে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, পোশাক খাতের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা রোধে সরকার আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। দেশের অর্থনৈতিক ও জননিরাপত্তার স্বার্থে সরকার যেকোনো মূল্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বদ্ধপরিকর। সরকারের এই সময়োপযোগী ও কঠোর পদক্ষেপে শিল্পাঞ্চলে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে এবং সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।