খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

মাইডাস সেন্টারে মুদ্রা ও ব্যাংকনোটের মহাযজ্ঞ: প্রদর্শনীতে লিডিয়া থেকে বাংলাদেশের আড়াই হাজার বছরের ইতিহাস

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মাইডাস সেন্টারে মুদ্রা ও ব্যাংকনোটের মহাযজ্ঞ: প্রদর্শনীতে লিডিয়া থেকে বাংলাদেশের আড়াই হাজার বছরের ইতিহাস

এই অঞ্চলের মুদ্রা

প্রাচীন লিডিয়া থেকে শুরু করে আধুনিক বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম—মুদ্রা ও কাগজের নোটে লিপিবদ্ধ সভ্যতার দীর্ঘ অভিযাত্রাকে উপজীব্য করে রাজধানীর মাইডাস সেন্টারে উদযাপিত হলো বাংলাদেশ নিউমিসম্যাটিক কালেক্টরস সোসাইটির ষষ্ঠ মুদ্রা প্রদর্শনী ২০২৬। বিচিত্র এই আয়োজনে ৪৩ জন সংগ্রাহকের সাজানো ৬১টি বিষয়ভিত্তিক সংগ্রহ স্থান পায়। উদ্বোধনী দিনে সংগঠনটির গবেষণাভিত্তিক মুখপত্র ‘বিএনসিএস জার্নাল’-এর প্রথম সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করা হয়, যা মুদ্রা বিষয়ক অনুসন্ধান ও তথ্য সংরক্ষণের ধারাকে বেগবান করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

আয়োজনের একটি বড় আকর্ষণ ছিল সুদীপ্ত পালের ‘লিডিয়া টু জাহাঙ্গীরনগর’ শীর্ষক পরিবেশনা। এতে প্রায় আড়াই হাজার বছরের উপমহাদেশীয় মুদ্রা ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় গান্ধার, মগধ, বঙ্গ, সমতট, মৌর্য, কুষাণ, গুপ্ত সাম্রাজ্য থেকে শুরু করে দিল্লি সালতানাত, বাংলার সুলতানি আমল, মোগল ও ব্রিটিশ শাসন এবং পাকিস্তান পেরিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পর্ব তুলে ধরা হয়। একইসঙ্গে উন্মোচিত হয় ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগরের নামকরণের ঐতিহাসিক রূপান্তর। সংগ্রাহক সুদীপ্ত পাল জানান, পুরোনো জিনিসের প্রতি ভালোলাগা থেকেই তাঁর সংগ্রহের সূচনা, যা পরবর্তী সময়ে অন্যান্য সংগ্রাহকদের সঙ্গে মতবিনিময় ও তথ্য অনুসন্ধানের মধ্য দিয়ে একটি জ্ঞানভিত্তিক চর্চায় রূপ নেয়।

সংগঠনটির নেপথ্য ইতিহাস তুলে ধরে সাধারণ সম্পাদক এন এম আমিন জানান, ২০০৮ সালে ডাক ও শুল্কসংক্রান্ত জটিলতা নিরসন এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সংগ্রাহকদের একটি প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিতে সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়, যা ২০০৯ সালে সরকারি নিবন্ধন লাভ করে। বর্তমান আয়োজনটি তাদের ষষ্ঠ প্রদর্শনী। সদস্য হতে সক্রিয় সদস্যের সুপারিশ এবং নির্বাহী কমিটির অনুমোদন আবশ্যক। নিয়মিত নিলাম ও বৈঠকের পাশাপাশি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সফর এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে সেমিনারের আয়োজন করে তারা। তিনি উল্লেখ করেন, তরুণ প্রজন্মকে মুঠোফোনের মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরতা, মাদক ও কিশোর অপরাধ থেকে দূরে রেখে গবেষণাধর্মী শখের প্রতি আকৃষ্ট করাও তাঁদের অন্যতম উদ্দেশ্য।

কাগুজে মুদ্রার বৈচিত্র্য নিয়ে প্রদর্শনীতে ছিল শামসুল আলমের ‘জার্নি অব ওয়ান রুপি/টাকা ফ্রম ১৯১৭–১৯৯৩’, যেখানে ১৯১৭ সালে ব্রিটিশ ভারতে প্রথম এক রুপির নোট চালুর ইতিহাস এবং শের শাহ সুরির রৌপ্যমুদ্রার পটভূমি তুলে ধরা হয়। এছাড়া মেজর পঙ্কজ মল্লিকের ‘মেডেলস অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ডস’, এম ডি নাজমুল হকের বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিককার মাটির ও ধাতব ব্যাংক নিয়ে ‘হিস্টোরিক্যাল কয়েন ব্যাংক’, আহসানুজ্জামান জুয়েলের মুক্তিযুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক সংঘাতভিত্তিক ‘ওয়ার অ্যান্ড সোলজার’ এবং বস্ত্রশিল্পের বিবর্তন নিয়ে সাজানো ‘দ্য কটন স্টোরি’ দর্শকদের নজর কাড়ে।

স্বাধীন বাংলাদেশের পর্ব থেকে ১৯৭২ সাল-পরবর্তী সব মূল্যমানের নোট, নমুনা নোট, প্রথম ও শেষ ক্রমিক সংবলিত নোট, ত্রুটিপূর্ণ নোট এবং ৫০০ টাকার বিভিন্ন উপসর্গের নমুনা স্থান পায়। আন্তর্জাতিক অংশে ছিল বিলুপ্ত রাষ্ট্র, ঔপনিবেশিক আমল, ফকল্যান্ড যুদ্ধ, প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর জার্মানির স্থানীয় স্বল্পমূল্যের নোট, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের দখলকৃত অঞ্চলের নোট, পলিমার নোট, ক্যালিগ্রাফি ও মসজিদের ছবিযুক্ত নোট এবং বিশ্বের ক্ষুদ্রতম ও বৃহত্তম নোট।

ধাতব মুদ্রার অংশে ছিল সোনারগাঁওয়ে প্রস্তুত সুলতানি মুদ্রা, ত্রিপুরার মুদ্রা, দুই সহস্রাব্দের স্বর্ণমুদ্রা, দেশীয় রাজ্যগুলোর মুদ্রা এবং সুলতান নাসিরুদ্দিন মাহমুদের আমলের মুদ্রা। প্রদর্শনীতে চীনের ছুরির মতো মুদ্রা, কাতাঙ্গা ক্রস, বোট মানি, বুলেট মানি, টাইগার টাং, লাইবেরিয়ার কিসি পেনি, চায়ের পাতা নির্মিত মুদ্রা, দাস বাণিজ্যে ব্যবহৃত ব্রেসলেট মুদ্রা ও ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের ব্যাংকনোটও প্রদর্শিত হয়। এছাড়া রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশত জন্মবার্ষিকীতে ২০১১ সালের ১০ টাকা মূল্যের ২২ দশমিক ১০ গ্রাম ওজনের ৯২৫ মানের রৌপ্যমুদ্রা (ব্যাস ৩৮ মিমি), একই বছর বিজয়ের ৪০ বছর পূর্তির ২৫ গ্রাম ওজনের ৯৯৯ মানের ১০ টাকার রৌপ্যমুদ্রা এবং ২০১৩ সালে জাতীয় জাদুঘরের শতবর্ষে প্রকাশিত ১৮ শতকের অশ্বারোহী চিত্রসংবলিত স্মারক মুদ্রা বিশেষ গুরুত্ব পায়।

advertisement
advertisement

মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক শেষে এলো যে সিদ্ধান্ত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক শেষে এলো যে সিদ্ধান্ত

মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক শেষে এলো যে সিদ্ধান্ত

জাতীয় ডেস্ক: তৈরি পোশাক খাতের উৎপাদন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের এক উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি এবং শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়ে এই বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা করা হয়। বৈঠকে সরকারের শীর্ষ নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত থেকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সরকারের এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, আসন্ন ডিসেম্বর মাসকে সামনে রেখে একটি মহল তৈরি পোশাক শিল্পে কৃত্রিম অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা চালাতে পারে। এই ধরনের যেকোনো নাশকতামূলক বা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সরকার অত্যন্ত কঠোরভাবে এবং রাজনৈতিক শক্তির মাধ্যমেই মোকাবিলা করবে। শিল্পকারখানার উৎপাদন চাকা সচল রাখতে সরকার সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

দেশের অর্থনীতিতে পোশাক খাতের অসামান্য অবদানের কথা মাথায় রেখে সরকার উৎপাদন প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ব্যাঘাত ঘটাতে দিতে নারাজ। কারখানাগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখার পাশাপাশি শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলোকে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, পোশাক খাতের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা রোধে সরকার আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। দেশের অর্থনৈতিক ও জননিরাপত্তার স্বার্থে সরকার যেকোনো মূল্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বদ্ধপরিকর। সরকারের এই সময়োপযোগী ও কঠোর পদক্ষেপে শিল্পাঞ্চলে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে এবং সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।

প্রেমের খোঁজে বিশ্বের অবিবাহিতদের বিনা খরচে ফিনল্যান্ড ভ্রমণের আমন্ত্রণ—চলছে আবেদন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রেমের খোঁজে বিশ্বের অবিবাহিতদের বিনা খরচে ফিনল্যান্ড ভ্রমণের আমন্ত্রণ—চলছে আবেদন

প্রেমের খোঁজে বিশ্বের অবিবাহিতদের বিনা খরচে ফিনল্যান্ড ভ্রমণের আমন্ত্রণ—চলছে আবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বের অন্যতম সুখী দেশ হিসেবে খ্যাত ফিনল্যান্ডে ভালোবাসার মানুষ খোঁজার দারুণ এক সুযোগ তৈরি হয়েছে। দেশটির সরকারি পর্যটন সংস্থা ভিজিট ফিনল্যান্ড বিশ্বজুড়ে থাকা অবিবাহিত তরুণ-তরুণীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনা খরচে এই দেশ ভ্রমণের আয়োজন করেছে। ফিনিশ সংস্কৃতি, সুস্বাদু স্থানীয় খাবার ও নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এই দারুণ অভিজ্ঞতা পেতে অনেকেই এখন থেকেই আগ্রহ প্রকাশ করছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফোর্বসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অবিবাহিত মানুষেরা একসঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ পাবেন।

ফিনিশ ডিনার ডেট নামক এই ব্যতিক্রমী আয়োজনের আওতায় সারা বিশ্ব থেকে নির্বাচিত মোট ১৬ জন অবিবাহিত অতিথিকে ফিনল্যান্ডে আমন্ত্রণ জানানো হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আগামী ২০২৭ সালের ৯ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই ভ্রমণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই পুরো সফরে অংশগ্রহণকারীদের যাতায়াত খরচ, হোটেল বা আবাসনের ব্যবস্থা, প্রতিদিনের খাবার এবং অন্যান্য সব আয়োজনের সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করবে ফিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষ। এর ফলে বিজয়ীরা কোনো প্রকার আর্থিক চিন্তা ছাড়াই দেশটির চমৎকার আবহাওয়া ও সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।

এই ভ্রমণের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো দেশটির স্থানীয় নাগরিকদের সঙ্গে বিশেষ নৈশভোজে অংশ নেওয়ার সুযোগ। হেলসিংকি ও তাম্পেরে শহরের নামী রেস্তোরাঁয় স্থানীয় অবিবাহিত ফিনিশ নাগরিকদের সঙ্গে একই টেবিলে বসে খাবার খাওয়ার অভিজ্ঞতা লাভ করবেন বিদেশি অতিথিরা। দেশটির শীর্ষস্থানীয় শেফদের তৈরি বিশেষ মেন্যুতে স্থান পাবে বুনো মাছ, বিভিন্ন ধরনের বুনো বেরি এবং বন থেকে সংগৃহীত সুস্বাদু মাশরুম। বিজনেস ফিনল্যান্ডের আন্তর্জাতিক বিপণন বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক হেলি হিমেনেজ জানিয়েছেন, ফিনল্যান্ডের এই খাবারগুলো মূলত তাদের সুখী জীবনযাপনের সংস্কৃতিরই আসল রূপ ফুটিয়ে তোলে। খাবারের আয়োজনের মাধ্যমেই মানুষ প্রকৃতি এবং একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত হতে পারে।

এই বিশেষ উদ্যোগের পেছনের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে ফিনল্যান্ডের জনপ্রিয় একটি ডেটিং প্রবণতা, যাকে স্থানীয় ভাষায় বলা হয় সিঙ্কুকোরি। বাংলায় এর অর্থ দাঁড়ায় অবিবাহিতদের ঝুড়ি। দেশটির বেশ কিছু সুপারশপে সিঙ্গেল ক্রেতাদের জন্য গোলাপি রঙের বিশেষ ঝুড়ি রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। এই ঝুড়ি ব্যবহারের মাধ্যমে ক্রেতারা নিজেদের অবিবাহিত পরিচয় প্রকাশ করে সহজেই অন্য মানুষের সঙ্গে কথা বলার বা পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান। ফিনল্যান্ডের এই সহজ ও সুন্দর সংস্কৃতির আলোকেই মূলত আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এই ডিনার ডেটের আয়োজন করা হয়েছে।

এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হলে আবেদনকারীকে অবশ্যই কমপক্ষে আঠারো বছর বয়সী হতে হবে এবং ফিনল্যান্ড বাদে বিশ্বের যে কোনো দেশের অবিবাহিত নাগরিক হতে হবে। আবেদনের শেষ সময় নির্ধারিত হয়েছে আগামী ২০২৬ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত এবং চূড়ান্ত বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশিত হবে একই বছরের ১ ডিসেম্বর। এতে অংশ নেওয়ার জন্য প্রার্থীদের ইংরেজিতে একটি ছোট্ট ভিডিও তৈরি করতে হবে। ভিডিওতে ডিনার ডেটে সঙ্গীকে কী খাবার খাওয়াতে চান এবং কেন খাওয়াতে চান, সে বিষয়ে উত্তর দিতে হবে। এরপর সেই ভিডিও টিকটক, ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউবের মতো কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্দিষ্ট হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে পোস্ট করতে হবে এবং ভিজিট ফিনল্যান্ডকে ট্যাগ করতে হবে।

ভারতকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের শেষ ভালোর সুখস্মৃতি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারতকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের শেষ ভালোর সুখস্মৃতি

ভারতকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের শেষ ভালোর সুখস্মৃতি

খেলা ডেস্ক: ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথম তিন ম্যাচ হেরে আগেই শিরোপা হাতছাড়া করেছিল নিউজিল্যান্ড। তবে সিরিজের শেষ অংশে এসে দুর্দান্ত কামব্যাক করেছে কিউইরা। শেষ দুটি ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে তারা ভারত সফরের একটি সুখকর ও সন্তোষজনক সমাপ্তি টেনেছে। পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ভারতকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে সফরকারী দল। দুর্দান্ত ব্যাটিং ও বোলিং প্রদর্শনী উপহার দিয়ে শেষ পর্যন্ত মাঠ ছেড়েছে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা।

ভারতের দেওয়া ১৯২ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউজিল্যান্ড। ইনিংসের একদম শুরুতে মাত্র ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার ফিন অ্যালেন। তবে শুরুর সেই চাপ বেশ ভালোভাবে সামলে নেন টিম শেইফার্ট ও ড্যারেল মিচেল। দ্বিতীয় উইকেটে তাদের জুটিতে আসে মূল্যবান ৭৩ রান, যা দলের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। এরপর শেইফার্ট গ্লেন ফিলিপসকে সঙ্গে নিয়ে আরও ৮৬ রানের এক অসাধারণ জুটি গড়েন।

ম্যাচে সেঞ্চুরির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের ওপেনার টিম শেইফার্ট। মাত্র সাত রান দূরে থাকতে তিনি আউট হন, তবে তার আগে ৫০ বলে ৯৩ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। এছাড়া গ্লেন ফিলিপস ৩৮ বলে অপরাজিত ৬৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন। এই দুই ব্যাটারের অসাধারণ পারফরম্যান্সের সুবাদে ১৮ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল ভারত। দলীয় ১৯ রান তুলতেই সাজঘরে ফিরে যান দুই ওপেনার সাঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা। এরপর শ্রেয়াস আইয়ার ও ঈশান কিষান দলের হাল ধরেন এবং পাল্টা আক্রমণ চালান। ঈশান ৩২ বলে ৬১ এবং আইয়ার মাত্র ২৩ বলে ৫০ রানের চমৎকার ইনিংস খেলেন। শেষ পর্যন্ত নমন ধীর ও নিতিশ কুমার রেড্ডির ছোট কিন্তু কার্যকরী অবদানে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৯১ রানের পুঁজি পায় ভারত।

ভারতের বিশাল সংগ্রহ আটকে রাখতে নিউজিল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেন অ্যাডাম মিলনে। তিনি মাত্র ১৯ রান খরচ করে শিকার করেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৪টি উইকেট। এছাড়া নাথান স্মিথ ও ব্লাইর টিকনার প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট দখল করেন। বোলিংয়ে এমন নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সের ফলেই ভারত বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হয় এবং শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হেরে মাঠ ছাড়ে।