খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২২ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

পরাগরেণুর অ্যালার্জি থেকে কোয়ান্টাম বিপ্লব: কণিকাদের অনিশ্চিত জগতের ইতিবৃত্ত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পরাগরেণুর অ্যালার্জি থেকে কোয়ান্টাম বিপ্লব: কণিকাদের অনিশ্চিত জগতের ইতিবৃত্ত

ছবি ১৪: শ্রোডিঙ্গারের বিখ্যাত তরঙ্গ সমীকরণ। ১৯২৫ সালে আবিষ্কৃত এই সমীকরণটি পুরো কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানকে এক নতুন রূপ দিয়েছিল। সমীকরণের ত্রিশূলের মতো দেখতে ψ চিহ্নটিকে বলা হয় সাই। একে বলা হয় ওয়েভফাংশন। এটি আসলে কোনো দৃশ্যমান তরঙ্গ নয়; এটি নির্দেশ করে কোনো মুহূর্তে একটি অতিপারমাণবিক কণা (যেমন ইলেকট্রন) মহাশূন্যের কোথায় থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি!

পরমাণুর স্থায়িত্ব কিংবা হাইড্রোজেন পরমাণুর নির্দিষ্ট বর্ণের আলো শোষণ ও নিঃসরণের রহস্য বোরের পরমাণু মডেল চমৎকারভাবে সমাধান করলেও তা সার্বজনীন হতে পারেনি। পর্যায় সারণির অন্যান্য মৌলগুলোর আলো গ্রহণ ও বিকিরণের আচরণ ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে মডেলটি সম্পূর্ণ অকার্যকর প্রমাণিত হয়। ফলে বিশ শতকের শুরুর দিকে বিজ্ঞানীরা উপলব্ধি করেন যে অতিক্ষুদ্র জগতের ক্ষেত্রে সনাতন পদার্থবিজ্ঞান আর কাজ করছে না। প্রায় এক শতাব্দী আগে আজকের সুপরিচিত কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হওয়ার পেছনে অদ্ভুত এক অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছিল মানুষের চুলের প্রস্থের সমান কাঁটাযুক্ত অতিসাধারণ এক পরাগরেণু।

১৯২৫ সালের গ্রীষ্মকালে জার্মান পদার্থবিদ ওয়ার্নার হাইজেনবার্গ পরাগরেণুর সংক্রমণে তীব্র হে ফিভার ও অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হন। চোখ-মুখ ফুলে এতটাই বিকৃত হয়েছিল যে তাঁর বাড়িওয়ালি ভেবেছিলেন তিনি কারও সঙ্গে মারামারিতে জড়িয়েছেন। অস্বস্তিকর শারীরিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে ২৩ বছর বয়সী এই বিজ্ঞানী অ্যাসপিরিন থেকে শুরু করে তখনকার চিকিৎসার অংশ হিসেবে ব্যবহৃত কোকেন পর্যন্ত গ্রহণ করেন। শেষমেশ কোনো উপশম না পেয়ে নিস্তার পেতে তিনি পাড়ি জমান জার্মানির উপকূলবর্তী উদ্ভিদহীন হেলিগোল্যান্ড দ্বীপে। সেই নির্জন স্থানে তিনি ইলেকট্রনের চিরায়ত অবিচ্ছিন্ন গতিপথের ধারণা বাতিল করে পর্যবেক্ষণযোগ্য বৈশিষ্ট্য, বিশেষত ইলেকট্রনের শক্তি এবং বিভিন্ন শক্তিস্তরে তার কোয়ান্টাম লাফের ওপর নির্ভর করে নতুন তত্ত্বের ভাবনা শুরু করেন।

সেই গ্রীষ্মেরই এক রাতভর গণনা শেষে ভোররাত তিনটার দিকে হাইজেনবার্গ তাঁর ঐতিহাসিক গাণিতিক সমাধানে পৌঁছান। আবিষ্কৃত হয় কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ গাণিতিক রূপ, যা কেবল হাইড্রোজেন নয়, মহাবিশ্বের অন্য সব পরমাণু, উপ-পারমাণবিক কণা ও অণুর বৈশিষ্ট্য উদ্ঘাটনে সক্ষম ছিল। প্রবল উত্তেজনায় না ঘুমিয়ে তিনি রাতের অন্ধকারে দ্বীপের একটি পাথুরে পাহাড়ের চূড়ায় উঠে বসেন এবং কোয়ান্টাম যুগের সূচনালগ্নে নতুন সূর্যের উদয় প্রত্যক্ষ করেন। যদিও জটিল ম্যাট্রিক্স বা সংখ্যার সারণিতে আবদ্ধ এই তত্ত্বে কোয়ান্টাম জগতের কোনো চাক্ষুষ রূপ দেখা যেত না।

এর মাত্র এক বছর পরই অস্ট্রিয়ান-আইরিশ পদার্থবিজ্ঞানী আরউইন শ্রোডিঙ্গার কোয়ান্টাম মেকানিক্সের এক সমতুল্য ও দৃশ্যমান বিকল্প মডেল উপস্থাপন করেন। ১৯২৫ সালের তরঙ্গ সমীকরণ এবং গ্রিক অক্ষর সাই (ψ) দ্বারা চিহ্নিত তরঙ্গ ফাংশনের মাধ্যমে তিনি দেখান যে, কোয়ান্টাম কণিকারা কোনো সুনির্দিষ্ট বিন্দুতে আটকে না থেকে সম্ভাবনার মেঘ হিসেবে স্থানজুড়ে ছড়িয়ে থাকে। যেখানে তরঙ্গের চূড়া থাকে সেখানে কণাটি খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি এবং দূরবর্তী লেজের অংশে তা অত্যন্ত ক্ষীণ হলেও বিদ্যমান। ডাবল-স্লিট পরীক্ষার মতো ঘটনায় ইলেকট্রনের তরঙ্গধর্ম ও আত্ম-ব্যতিচারের ব্যাখ্যাও এই সমীকরণের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়। যেখানে সনাতন পদার্থবিজ্ঞান ফলাফল নিশ্চিত করে, সেখানে কোয়ান্টাম কাঠামো সম্ভাবনার ভিত্তিতে সময়ের সঙ্গে তরঙ্গ ফাংশনের বিবর্তন নির্দেশ করে।

পরবর্তীতে ১৯২৭ সালে হাইজেনবার্গ প্রণয়ন করেন তাঁর যুগান্তকারী অনিশ্চয়তা নীতি, যা কোয়ান্টাম জগতের এই অনির্ধারিত স্বভাবকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করে। সমীকরণটি হলো Δx . Δp ≥ ℏ/2, যেখানে Δx এবং Δp যথাক্রমে x-দিক বরাবর অবস্থান ও ভরবেগের অনিশ্চয়তা নির্দেশ করে এবং ℏ হলো মৌলিক সংশোধিত প্লাঙ্ক ধ্রুবক। এই নীতি অনুসারে কোনো যন্ত্রের ত্রুটি ছাড়াই প্রকৃতির অন্তর্নিহিত নিয়মে কণার অবস্থান যত নিখুঁতভাবে জানা যাবে, তার ভরবেগ ততটাই অনির্দিষ্ট হয়ে পড়বে। দাঁড়িপাল্লার ভারসাম্যের মতো অবস্থান নিশ্চিত করতে গেলে কণার গতি বা ভরবেগের অনিশ্চয়তা বেড়ে যায়। ফলস্বরূপ, কোয়ান্টাম কণাকে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে স্থায়ীভাবে আটকে রাখা অসম্ভব; তাকে আবদ্ধ করার চেষ্টা করলেই তা স্থানজুড়ে ঝাপসা সম্ভাবনার মেঘের আকারে পুনরায় ছড়িয়ে পড়ে।

advertisement
advertisement

চিড়িয়াখানার উদ্বৃত্ত চিত্রা হরিণ মিলছে ৫০ হাজার টাকায়, মানতে হবে বন অধিদপ্তরের শর্ত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৫৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চিড়িয়াখানার উদ্বৃত্ত চিত্রা হরিণ মিলছে ৫০ হাজার টাকায়, মানতে হবে বন অধিদপ্তরের শর্ত

মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায় ঢুকতেই হরিণের বিচরণস্থল। হরিণের মুখে ঘাস তুলে দেওয়ার আনন্দে মেতেছে শিশুরা। ৬ নভেম্বর

মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানায় অতিরিক্ত হয়ে পড়া চিত্রা হরিণ বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগ্রহী ক্রেতাদের প্রতিটি হরিণের জন্য ৫০ হাজার টাকা গুনতে হবে এবং একবারে অন্তত এক জোড়া হরিণ কেনা আবশ্যক। চিড়িয়াখানার পরিচালক মো. শাহিনুর আলম জানান, সেখানে বর্তমানে প্রায় ৩৫০টি চিত্রা হরিণ রয়েছে। প্রজননের উচ্চ হারের দরুন ধারাবাহিকভাবে সংখ্যা বাড়তে থাকায় সেখানে স্থানের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

কেউ যদি শৌখিনতার খাতিরে কিংবা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে হরিণ লালন-পালন করতে চান, তবে তাকে অবশ্যই বন অধিদপ্তরের পূর্বানুমোদন নিতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট সব বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। এসব হরিণের ওপর সরকারের সার্বক্ষণিক নজরদারি বলবৎ থাকে। পাশাপাশি, কোনোভাবেই হরিণের মাংস খাওয়া কিংবা মাংস হিসেবে তা বিক্রির কোনো সুযোগ রাখা হয়নি।

মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় এবার মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় মরুভূমির প্রাণী দুম্বা পালনের অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত গবাদিপশুর পাশাপাশি ভিন্নধর্মী এই প্রাণীটি লালন-পালন করে সফলতার মুখ দেখার চেষ্টা করছেন এ অঞ্চলের উদ্যোক্তারা। মূলত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং খাদ্যাভ্যাস মিলে যাওয়ায় এই দেশীয় খামারগুলোতে দুম্বা বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে বেড়ে উঠছে।

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, দুম্বা পালনের জন্য খুব বড় পরিসরে কোনো অবকাঠামোর প্রয়োজন হয় না এবং এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেশ ভালো। সাধারণ ছাগল বা ভেড়ার মতো করেই এদের পরিচর্যা করা সম্ভব, যা খামারিদের জন্য বাড়তি সুবিধা তৈরি করেছে। এর প্রধান খাদ্য হিসেবে ঘাস, খড় ও দানাদার খাবারের পাশাপাশি দেশীয় প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে, যা খরচ অনেকটাই কমিয়ে আনছে।

বর্তমানে বাজারে দুম্বার মাংসের প্রচুর চাহিদা থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে এর অর্থনৈতিক সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কোরবানি ঈদ কিংবা বড় কোনো সামাজিক আয়োজনে এসব দুম্বার চড়া দাম পাওয়া যায়, যা খামারিদের মোটা অঙ্কের মুনাফা অর্জনে সাহায্য করছে। সাধারণ গরুর খামারের তুলনায় কম খরচে ও স্বল্প সময়ে দুম্বা বিক্রি করে বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব হওয়ায় নতুন অনেকেই এই ব্যবসায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকেও দুম্বা পালনকারী উদ্যোক্তাদের সার্বিক পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে চুয়াডাঙ্গার গণ্ডি পেরিয়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এই লাভজনক দুম্বা পালন ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা প্রকাশ করছেন খামারি ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০২৬, ১:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

প্রযুক্তি ডেস্ক: ইউরোপের সাতটি দেশের অসংখ্য সুপারমার্কেটের হিমায়ন ব্যবস্থায় বড় ধরনের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই আকস্মিক সাইবার আক্রমণের ফলে দোকানগুলোর বহু রেফ্রিজারেটর এবং ডিপ ফ্রিজ সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়ে। এর ফলে বিপণি বিতানগুলোতে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ কাঁচা ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর একাধিক সুপারমার্কেট চেইন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আক্রান্ত হওয়া দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বেলজিয়াম, সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড এবং লুক্সেমবার্গ। বেলজিয়াম ও লুক্সেমবার্গে ডেলহেইজের প্রায় চল্লিশটি শাখা এই হামলার শিকার হয়েছে। এছাড়া ফরাসি মালিকানাধীন সুপারমার্কেট ক্যারেফোরের বেলজিয়াম শাখা এবং কোলরুইট গ্রুপের পরিচালনাধীন স্পার স্টোরের বেশ কয়েকটি দোকানেও একই সমস্যা দেখা দিয়েছে। সুইডেনের আইকিয়া, আইসিএ এবং কুপের পাশাপাশি আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের বিভিন্ন খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানও এই হামলার কবলে পড়েছে।

ফ্রিজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সাবকোবেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফান মোয়েলানস বেলগা সংবাদ সংস্থাকে জানান যে হ্যাকাররা সুনির্দিষ্ট কৌশলে ফ্রিজগুলোর ইভাপোরেটর ডিফ্রস্ট মোডে পাঠিয়ে দেয়। এর ফলে যন্ত্রগুলোর তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে এবং কিছু ক্ষেত্রে তা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়। এর আগে কিছুদিন আগে ফ্রান্সেও একই কায়দায় সাইবার হামলা চালানো হয়েছিল। ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার সুবাদে দূর থেকেই এই ত্রুটি ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রগুলো নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করতে কারিগরি দলগুলো রাতভর পরিশ্রম করেছে।

এই সাইবার হামলার পেছনে কারা জড়িত রয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে এটি করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। বেলজিয়াম, সুইডেন ও যুক্তরাজ্যের জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাগুলো যৌথভাবে পুরো বিষয়টি গভীর পর্যবেক্ষণে রেখেছে। মার্কিন সামরিক ঘাঁটির হিমায়ন ব্যবস্থায় সম্প্রতি ঘটিত কোনো ত্রুটির সঙ্গে ইউরোপের এই ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে কি না, তাতি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বেলজিয়ামের একটি শাখা কর্তৃপক্ষ প্রায় এক লাখ ইউরো মূল্যের পণ্য নষ্ট হওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছে।