খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ইতালির গ্রন্থাগারে নবম শতাব্দীর পাণ্ডুলিপিতে মিলল ইংরেজি ভাষার আদি কবিতার মূল পাঠ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইতালির গ্রন্থাগারে নবম শতাব্দীর পাণ্ডুলিপিতে মিলল ইংরেজি ভাষার আদি কবিতার মূল পাঠ

আয়ারল্যান্ডের ট্রিনিটি কলেজ ডাবলিনের একদল গবেষক ইতালির রোমের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে নবম শতাব্দীর একটি বইয়ের ডিজিটাল কপি ঘাঁটছিলেন

হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ কীভাবে ইংরেজিতে কথা বলত, তা জানতে আগ্রহী? আধুনিক ইংরেজির সঙ্গে প্রাচীন ইংরেজির বিস্তর ফারাক ছিল। সম্প্রতি গবেষকদের এক যুগান্তকারী আবিষ্কার তাঁদের বিস্মিত করেছে। ইতালির একটি প্রাচীন গ্রন্থাগারের বইয়ের ভেতরে লুকিয়ে থাকা ইংরেজি ভাষার প্রাচীনতম কবিতাটি এখন মূল রূপে উন্মোচিত হয়েছে।

আজ থেকে প্রায় ১ হাজার ৩০০ বছর আগে ইংল্যান্ডের হুইটবি অঞ্চলের এক সাধারণ রাখাল, ক্যাডমন, এই কবিতার রচয়িতা। তিনি কোনো প্রথাগত কবি বা লেখক ছিলেন না; তাঁর দিন কাটত খামারের কাজে। কিন্তু একদিন এক রাতে তিনি এক স্বপ্ন দেখেন, যা থেকে জেগে উঠে তিনি অদ্ভুত এক অনুপ্রেরণা লাভ করেন এবং আপন মনে একটি কবিতা রচনা করেন। মাত্র ৯ লাইনের এই কবিতাটিই আজ 'ক্যাডমন্স হিমন' বা 'ক্যাডমনের স্তবগান' নামে পরিচিত এবং এটি ইংরেজি ভাষার প্রাচীনতম কবিতা হিসেবে ইংরেজি সাহিত্যের সূচনা বলে বিবেচিত হয়।

ক্যাডমন নিজে অবশ্য তাঁর কবিতাটি লিখে যাননি। তাহলে এটি কীভাবে এতকাল টিকে ছিল? ইংল্যান্ডের সন্ন্যাসী ও পণ্ডিত ভেনেরাবল বিড তাঁর বিখ্যাত ইতিহাস গ্রন্থ ‘একলেসিয়াস্টিক্যাল হিস্ট্রি অব দ্য ইংলিশ পিপল’-এ ক্যাডমনের এই কবিতার উল্লেখ করেছিলেন। তবে বিডের বইয়ের বিভিন্ন সংস্করণে কবিতাটি মূলত লাতিন ভাষায় লিপিবদ্ধ ছিল, এবং প্রাচীন ইংরেজি অনুবাদটি হয়তো পরে কেউ পৃষ্ঠার এক কোণে যোগ করে দিয়েছিলেন বলে মনে করা হতো।

তবে সম্প্রতি আয়ারল্যান্ডের ট্রিনিটি কলেজ ডাবলিনের গবেষকদের একটি দল ইতালির রোমের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত নবম শতাব্দীর একটি বইয়ের ডিজিটাল কপি পরীক্ষা করার সময় এক অভাবনীয় আবিষ্কার করেন। তাঁরা দেখতে পান যে, বইটির মূল লেখার অংশ হিসেবেই প্রাচীন ইংরেজিতে ক্যাডমনের সেই কবিতাটি লেখা রয়েছে! এটি কোনো পরবর্তী সংযোজন নয়, বরং মূল পাণ্ডুলিপিরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। গবেষক এলিসাবেত্তা মানিয়ান্তি এই আবিষ্কার প্রসঙ্গে বলেন, "আমরা রীতিমতো স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলাম। আমাদের কথা বলার ভাষা হারিয়ে গিয়েছিল! প্রথমবার দেখে আমরা নিজেদের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।" এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের খবর ‘আর্লি মেডিওভ্যাল ইংল্যান্ড অ্যান্ড ইটস নেইবারস’ নামক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

এই আবিষ্কারের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রাচীন ইংরেজি ছিল আধুনিক ইংরেজির আদি রূপ, যা মধ্যযুগের শুরুর দিকে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হতো। গবেষক মার্ক ফকনার ব্যাখ্যা করেন, "প্রাচীন ইংরেজিতে লেখা অন্যান্য যে সকল রচনা আমরা আজ পর্যন্ত পেয়েছি, সেগুলোর প্রায় সবই দশম বা একাদশ শতাব্দীর। কিন্তু নবম শতাব্দীর এই বইতে পাওয়া ক্যাডমনের কবিতাটি আমাদের প্রাচীন ইংরেজি ভাষা সম্পর্কে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে। পণ্ডিত বিড তাঁর মূল বইয়ে কবিতাটি লাতিন ভাষায় লিখেছিলেন। কিন্তু এই নতুন পাণ্ডুলিপি থেকে বোঝা যায়, বিড তাঁর বই শেষ করার ১০০ বছরের মধ্যেই মূল প্রাচীন ইংরেজি কবিতাটি আবার লাতিন লেখার ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এর অর্থ হলো, সে যুগের পাঠকরাও ইংরেজি ভাষাকে অবহেলা করতেন না।"

কবিতাটি মূলত সৃষ্টিকর্তার মহিমা বর্ণনা করে লেখা, যিনি মানবজাতির জন্য এই চমৎকার পৃথিবী তৈরি করেছেন। কবিতাটির আধুনিক ইংরেজি রূপ নিচে দেওয়া হলো:
‘Now let us praise heaven-kingdoms guardian,
The maker's might and his mind's thoughts,
The work of the glory-father—of every wonder,
Eternal Lord. He established a beginning.
He first shaped for men's sons
Heaven as a roof, the holy creator
Then middle-earth mankind's guardian,
Eternal Lord, afterwards prepared
The earth for men, the Lord Almighty.’

বাংলায় এর অর্থ দাঁড়ায়:
‘চলো, এখন আমরা স্বর্গরাজ্যের রক্ষাকর্তার প্রশংসা করি,
সেই স্রষ্টার শক্তি এবং তাঁর মনের ভাবনার,
মহিমান্বিত পিতার কাজ—সকল বিস্ময়ের,
অনন্ত ঈশ্বর। তিনিই একটি সূচনা করেছিলেন।
তিনি প্রথমে মানবসন্তানদের জন্য আকার দিলেন
ছাদ হিসেবে এই স্বর্গের, সেই পবিত্র স্রষ্টা
তারপর এই মধ্যপৃথিবীর, মানবজাতির রক্ষাকর্তা,
অনন্ত ঈশ্বর, এরপর প্রস্তুত করলেন
মানুষের জন্য এই পৃথিবী, সেই সর্বশক্তিমান ঈশ্বর।’

এই তথ্য সায়েন্টিফিক আমেরিকান সূত্র থেকে প্রাপ্ত।

advertisement
advertisement

যকৃৎ প্রতিস্থাপনে প্রয়োজন ৫০ লাখ টাকা: জীবন বাঁচাতে আর্থিক সহায়তা চান শিক্ষক সাধন চক্রবর্তী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:০০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যকৃৎ প্রতিস্থাপনে প্রয়োজন ৫০ লাখ টাকা: জীবন বাঁচাতে আর্থিক সহায়তা চান শিক্ষক সাধন চক্রবর্তী

সাধন চক্রবর্তী

মারাত্মক লিভার সিরোসিস ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েছেন নোয়াখালীর মাইজদী বালিকা বিদ্যানিকেতনের ৪৩ বছর বয়সী শিক্ষক সাধন চক্রবর্তী। ভারতের দিল্লির চিকিৎসকেরা তাঁকে অনতিবিলম্বে যকৃৎ প্রতিস্থাপনের তাগিদ দিয়েছেন। এই জটিল অস্ত্রোপচারের জন্য তাঁর স্ত্রী সম্ভাব্য অঙ্গদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তবে এই চিকিৎসার পেছনে প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ের কথা জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। দীর্ঘদিন ধরে ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি বর্তমানে সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।

এমতাবস্থায় নিজের জীবন রক্ষার্থে সমাজের সর্বস্তরের হৃদয়বান ও বিভিন্ন পেশার মানুষের প্রতি জরুরি আর্থিক সহায়তার আকুল আবেদন জানিয়েছেন সাধন চক্রবর্তী। তাঁকে সহযোগিতা করার বিস্তারিত তথ্য—হিসাবের নাম: সাধন চক্রবর্তী, হিসাব নম্বর: ৪৯০৮১০১০০২৫৪০, রাউটিং নম্বর: ১৭৫৭৫১৫৪৭, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, মাইজদী বাজার শাখা। এ ছাড়া বিকাশ ও নগদ সেবার মাধ্যমে অর্থ পাঠানো যাবে এই নম্বরে: 01717589193।

লোকসংগীতের গ্রাম সিংহীমারী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
লোকসংগীতের গ্রাম সিংহীমারী

লোকসংগীতের গ্রাম সিংহীমারী

ফিচার ডেস্ক: কুড়িগ্রাম-রংপুর মহাসড়কের ছিনাই বাজার থেকে একটু ভেতরে প্রবেশ করলেই সবুজে ঘেরা বৈদ্যেরবাজার সিংহীমারী গ্রামে কান পাতলে ভেসে আসে শিশুদের কণ্ঠে লালনগীতির সুর। স্থানীয় সংগীতজ্ঞ নারায়ণ চন্দ্র রায়ের বাড়িতে নিয়মিত বসে এই লোকসংগীতের আসর, যা স্থানীয়ভাবে সেবালয় গুরুগৃহ হিসেবে পরিচিত। এখানে গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকবাদ্যযন্ত্রের তালে তালে কচিকাঁচাদের গান শেখানোর এক অনন্য কর্মযজ্ঞ চলছে। হারিয়ে যেতে বসা লোকসংস্কৃতিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে বাঁচিয়ে রাখতে দীর্ঘ এক দশক ধরে এই উদ্যোগ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সেবালয় গুরুগৃহ ছাড়াও মায়ের তরী নামের একটি সংগঠনের উদ্যোগে কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটে বর্তমানে মোট নয়টি গুরুগৃহ পরিচালিত হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে প্রতি ছুটির দিনে শিশু-কিশোরদের সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে দোতারা, একতারা, বাঁশিসহ বিভিন্ন লোকবাদ্যযন্ত্র ও লোকসংগীতের তালিম দেওয়া হয়। নরওয়ের লোকগবেষক উয়েরা সেথেরের অনুপ্রেরণায় এবং স্থানীয় সংস্কৃতিসেবীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই সংগঠনটি গড়ে উঠেছে। মূলত গ্রামীণ সংস্কৃতির গভীর জীবনদর্শন ও মানবিক শিক্ষা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতেই এই গুরুগৃহগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

স্বেচ্ছাশ্রম ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা থেকে এই কার্যক্রম পরিচালিত হলেও অর্থসংকট ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাব এর বড় চ্যালেঞ্জ। বাদ্যযন্ত্র সংগ্রহ, মেরামত এবং প্রশিক্ষকদের সম্মানী দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রায়ই নানামুখী অর্থনৈতিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় আয়োজকদের। তা সত্ত্বেও গুরুদের আন্তরিকতা ও শিক্ষার্থীদের প্রবল আগ্রহের কারণে এই লোকসংগীতের চর্চা থেমে থাকেনি। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরাও এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত বোধ করছেন।

মায়ের তরী সংগঠনের পক্ষ থেকে লোকসংস্কৃতি রক্ষায় বেশ কিছু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রান্তিক ও অবহেলিত প্রবীণ শিল্পীদের জন্য একটি আনন্দ আশ্রম প্রতিষ্ঠা, উত্তরাঞ্চলের লোকসংগীত ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষণ এবং একটি পূর্ণাঙ্গ লোকসংগীত ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার স্বপ্ন রয়েছে। সংগঠকদের মতে, লোকসংস্কৃতি কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি একটি জাতির ইতিহাস ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক। তাই এই ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে সমাজের বিত্তবানদের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা অত্যন্ত জরুরি।

পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইন্ধন দেখছে সরকার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইন্ধন দেখছে সরকার

পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইন্ধন দেখছে সরকার

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের পোশাক শিল্প খাতে চলমান সংকট নিরসনে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হলেও রাজধানী ঢাকা ও তার আশপাশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে শ্রমিক বিক্ষোভ এবং ভাংচুরের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। এমন এক অস্থির ও থমথমে পরিস্থিতির মধ্যে গত রোববার রাতে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের শীর্ষস্থানীয় নীতিনির্ধারকদের এই বৈঠকে সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষের পেছনের কারণ এবং এর নেপথ্য চক্রান্ত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত ওই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সরকারের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী মন্ত্রী অংশ নেন, যার মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং শ্রমমন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই বৈঠকে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সংগৃহীত বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়। বৈঠকে মূলত শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবির আড়ালে কোনো বিশেষ রাজনৈতিক মহল পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে কি না, সে বিষয়ে গভীর পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠক শেষে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক মহল থেকে জানানো হয় যে, সাধারণ শ্রমিকদের অসন্তোষকে পুঁজি করে এবং তাদের কাঁধে ভর দিয়ে দেশের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে পরিচিত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবে এই সহিংসতা ও ভাংচুরের ইন্ধন জুগিয়ে যাচ্ছে। সরকারের মতে, পোশাক খাতকে অস্থিতিশীল করার মাধ্যমে দেশে একটি অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র চলছে এবং এর পেছনে ওই রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে মন্ত্রীরা এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পক্ষে মত দেন।

এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার শ্রমিকদের ধৈর্য ধারণ করার এবং যেকোনো সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানানো হলেও মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি সহজে শান্ত হচ্ছে না। সাধারণ শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার আন্তরিক থাকলেও স্বার্থান্বেষী মহলের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে অর্থনীতি ও রপ্তানি আয়ের মূল চালিকাশক্তি এই খাতটি বর্তমানে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার এখন একদিকে যেমন শ্রমিকদের দাবি দাওয়া পূরণে দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি এই নাশকতার পেছনে জড়িত কুশীলবদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও জোরদার করেছে।