খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩১ ভাদ্র, ১৪৩৩
advertisement

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে সদস্য হলেন সালমান ওমর রুবেল

Md. Zahangir Hasan
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে সদস্য হলেন সালমান ওমর রুবেল

ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সালমান ওমর রুবেল।

য়মনসিংহ প্রতিনিধি

জাতীয় সংসদের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সালমান ওমর রুবেল।

সংসদীয় গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্ব পাওয়ায় তার নির্বাচনী এলাকার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সমাজকল্যাণ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের অধিকার ও কল্যাণে আরও কার্যকরভাবে কাজ করার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন মো. শাহজাহান (নোয়াখালী-৪)। কমিটির সদস্যরা হলেন— ফারজানা শারমিন (নওগাঁ-১), সৈয়দ আহসানুল হোসেন (চট্টগ্রাম-১০), মোহাম্মদ সালমান ওমর (ময়মনসিংহ-১), আফরোজা সুলতানা (মহিলা আসন-৩০), নীলা রায় চৌধুরী (মহিলা আসন-১১), মো. মুজিবুর রহমান (রাজশাহী-২), মো. মাহবুবুর রহমান (গাইবান্ধা-১) এবং মো. মোজাফ্ফিরুর রহমান (কুড়িগ্রাম-৪)।

নতুন দায়িত্বের মাধ্যমে আলহাজ্ব সালমান ওমর রুবেল দেশের সমাজকল্যাণ খাতের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি আরও কার্যকর করা এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

তার এই দায়িত্বপ্রাপ্তিতে হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং দলীয় নেতাকর্মীরা অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, সংসদীয় এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি এলাকার মানুষের পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়েও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।
advertisement
advertisement

সুটকেসে দ্বিখণ্ডিত নারীর লাশ উদ্ধার ৫ বছরের প্রেম, তারপর হত্যা:

Md. Zahangir Hasan
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:২৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সুটকেসে দ্বিখণ্ডিত নারীর লাশ উদ্ধার ৫ বছরের প্রেম, তারপর হত্যা:

গাজীপুরের জয়দেবপুরে ডোবার পানিতে সুটকেস ও প্লাস্টিকের বস্তায় ভাসমান দ্বিখণ্ডিত ও অর্ধগলিত নারীর লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি :

গাজীপুরের জয়দেবপুরে ডোবার পানিতে সুটকেস ও প্লাস্টিকের বস্তায় ভাসমান দ্বিখণ্ডিত ও অর্ধগলিত নারীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক তথ্য। পাঁচ বছরের প্রেমের সম্পর্ক, বিয়ে নিয়ে বিরোধ ও জমে থাকা ক্ষোভের জেরে প্রেমিক মিশন ইসলামের হাতে খুন হন ডলি আক্তার (৩০)। হত্যার পর পরিচয় গোপন ও লাশ গুম করতে বটি দা ও ব্লেড দিয়ে কোমর থেকে লাশ দ্বিখণ্ডিত করে একাংশ সুটকেসে এবং অপরাংশ বস্তায় ভরে খালের পানিতে ফেলে দেওয়া হয়।

চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), গাজীপুর জেলা। হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রেমিক মিশন ইসলাম (২২), তার মা বানু আক্তার (৪৩) ও সহযোগী মিজানুর রহমান মিল্টনকে (২৪) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার তিনজনই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) গাজীপুর মহানগরের রাজদীঘির উত্তর পাড়ে পিবিআই গাজীপুর জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডের লোমহর্ষক বর্ণনা দেন পিবিআই গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মোঃ রকিবুল আক্তার।

তিনি জানান,নিহত ডলি আক্তার ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানার পাহাড়পাবিজান গ্রামের বাদশা মিয়ার মেয়ে। তিনি গাজীপুরের জয়দেবপুর থানাধীন বানিয়ারচালা মেম্বারবাড়ী এলাকায় ভাড়া বাসায় একা বসবাস করতেন। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি বাঘের বাজার এলাকার গোল্ডেন রিপিট গার্মেন্টসে সুইং অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

গত ১১ সেপ্টেম্বর বিকেলে জয়দেবপুর থানাধীন ভবানীপুর এলাকার হামজা অ্যাপারেলস লিমিটেডের উত্তর পাশে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পশ্চিম পাশের খালের পানিতে একটি ব্রিফকেস ও প্লাস্টিকের বস্তা ভাসতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্রিফকেসের ভেতর ও বস্তায় রাখা এক নারীর খণ্ডিত ও অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে।

পরে অজ্ঞাত নারীর দ্বিখণ্ডিত লাশ উদ্ধারের ঘটনাটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে পিবিআই গাজীপুর জেলা স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ছায়া তদন্ত শুরু করে। পিবিআইয়ের ক্রাইমসিন টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি, প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ, গোয়েন্দা তথ্য ও বিশ্বস্ত স্থানীয় সোর্সের সমন্বয়ে শুরু হয় নিবিড় অনুসন্ধান। তদন্তের একপর্যায়ে শনাক্ত হয় নিহত নারীর পরিচয়। একই সঙ্গে উন্মোচিত হয় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের ঘটনাও।

পিবিআইয়ের তদন্ত ও আসামিদের আদালতে দেওয়া জবানবন্দি অনুযায়ী, ডলি আক্তারের সঙ্গে মিশন ইসলামের প্রায় পাঁচ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একই গার্মেন্টসে চাকরির সুবাদে তাদের পরিচয় হয়। ডলি প্রায়ই মিশনের ভাড়া বাসায় যাতায়াত করতেন।

গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে ডলি মিশনের ভাড়া বাসায় যান। সেখানে মিশন, তার মা বানু আক্তার ও ডলি একসঙ্গে রাতের খাবার খান। পরে বানু আক্তার পাশের কক্ষে ঘুমাতে গেলে মিশন ও ডলি একই কক্ষে অবস্থান করেন।

পিবিআই জানায়, পূর্বের বিভিন্ন বিষয় ও বিয়ে সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মিশনের মনে ক্ষোভ তৈরি হয়। একপর্যায়ে ডলিকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয় সে। আসামির জবানবন্দি অনুযায়ী, ওই রাতে ডলিকে ঘুমের ওষুধ ও অ্যালার্জির ওষুধ খাওয়ানো হয়। তিনি ঘুমিয়ে পড়লে রাত আনুমানিক ২টার দিকে মিশন লুঙ্গি দিয়ে তার গলায় পেঁচিয়ে এবং পরে বালিশ দিয়ে মুখ চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর লাশটি চৌকির নিচে লুকিয়ে রাখে।

পরদিন সকালে ঘর পরিষ্কার করার সময় বানু আক্তার চৌকির নিচে ডলির লাশ দেখতে পান। এরপর লাশ গুমের পরিকল্পনা করা হয়। মিশন একটি সুটকেস সংগ্রহ করে। কিন্তু পুরো লাশ সুটকেসে না ধরায় ব্লেড ও বটি দা দিয়ে কোমর থেকে লাশটি দ্বিখণ্ডিত করা হয়।

লাশের একাংশ সুটকেসে এবং অপরাংশ পলিথিনে মুড়িয়ে প্লাস্টিকের বস্তায় রাখা হয়। পরে মিশন তার বন্ধু মিজানুর রহমান মিল্টনকে বাসা পরিবর্তনের কথা বলে ডেকে আনে। মিল্টন এসে সুটকেস ও বস্তা অটোরিকশায় তুলে দিতে সহযোগিতা করে।

পরে মিশন, তার মা বানু আক্তার ও মিল্টন মিলে সুটকেস ও বস্তা নিয়ে প্রথমে রাজেন্দ্রপুর এবং সেখান থেকে সিএনজি অটোরিকশাযোগে ভবানীপুর এলাকায় যায়। ভবানীপুর ব্রিজ এলাকা থেকে মিশন ও মিল্টন সুটকেস ও বস্তা খালের পানিতে ফেলে দেয়।

এ সময় মিল্টনের হাতে রক্ত লাগলে সুটকেস ও বস্তার ভেতরে কী রয়েছে জানতে চায় সে। একপর্যায়ে মিশন তাকে জানায়, সেখানে তার প্রেমের সম্পর্ক থাকা ডলি আক্তারের লাশ রয়েছে। পরে তারা নিজ নিজ বাসায় ফিরে যায়।

নিহতের বড় ভাই সোহেল (৪৪) বাদী হয়ে ১২ সেপ্টেম্বর জয়দেবপুর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগে মামলা করেন। মামলাটি তদন্তে নিয়ে পিবিআই দ্রুত সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করে।

১২ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে গাজীপুর মহানগরের সদর মেট্রো থানাধীন বাহাদুরপুর তুলসীভিটা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মিজানুর রহমান মিল্টনকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পৃথক ভাড়া বাসা থেকে মিশন ইসলাম ও তার মা বানু আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আসামিদের দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে মিশনের ভাড়া বাসা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি বটি দা, লাশ প্যাকেজিংয়ে ব্যবহৃত স্কচটেপের অবশিষ্টাংশ, নিহত ডলি আক্তারের জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যবহৃত বাটন মোবাইল ফোন ও এক জোড়া জুতা উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি সুটকেস কেনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পিবিআই।

পিবিআই গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মোঃ রকিবুল আক্তার বলেন, লাশটি অজ্ঞাত ও অর্ধগলিত অবস্থায় থাকায় প্রথমে মৃতার পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন ছিল। কিন্তু পিবিআইয়ের ক্রাইমসিন বিশ্লেষণ, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য ও বিশ্বস্ত সোর্সের সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে মৃতার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদেরও আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি বলেন, তদন্তে পাওয়া আলামত, প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ, পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করে হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতা স্পষ্ট হয়েছে। অপরাধী যত কৌশলেই অপরাধ সংঘটিত করুক না কেন, পেশাদার তদন্তের মাধ্যমে তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব। পিবিআই গাজীপুর জেলা এ ঘটনায় তারই একটি উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই গাজীপুরের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান জানায়, গ্রেপ্তার তিন আসামিই আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কোনো ব্যক্তি জড়িত আছে কি না এবং উদ্ধার করা আলামত ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের মোটর সাইকেল পুড়ালো বিপদগামী যুবক

Md. Zahangir Hasan
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের মোটর সাইকেল পুড়ালো বিপদগামী যুবক

সাইকেল পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে নেশাগ্রস্থ বিপদগামী যুবকের বিরুদ্ধে।

সরিষাবাড়ি,জামালপুর-

জামালপুরের সরিষাবাড়িতে  পিংনা ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি নাজমুল ইসলাম নাজু"র বিশ্ব বিদ্যালয় পড়ূয়া একমাত্র ছেলে তাসলিমূল ইসলামের মোটর সাইকেল পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে নেশাগ্রস্থ বিপদগামী যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিপদগামী যুবক হাসানকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দায়েরের খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ২নং পোগল দিঘা ইউনিয়নের যমুনা সার কারখানা আবাসিক কলোনীতে বলে জানা যায়।
 ভুক্তভোগী পরিবার ও অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,গত ৭ সেপ্টেম্বর বিকেল আনুমানিক  ৫ টার সময় জেএফসিএল এলাকার কলেজ জীবনের সহপাঠি জিল্লুর ছেলে মহাইমিনুর রহমান বিদ্যুৎ (২৮) নূরুল ইসলামের ছেলে নিয়াজুল ইসলাম(২৭) ও রফিকুল ইসলামের ছেলে আব্দুল্লাহ আল ফারাবী রাফির সাথে কলোনীতে বেড়াতে যায় তাসলিমুল। কলেজ অধ্যয়নের সময় পরিচয় হয় মোঃ মাহমুদুল হাসান ও তাসকিমুলের। তাসলিমুল হাসানকে বড় ভাই হিসেবে শ্রদ্ধা করতো। দীর্ঘদিন তাদের দেখা সাক্ষাত নাই। ঘটনার দিন (হাসান-৩৫) তাসলিমুলকে দেখা মাত্রই কোন কারণ ছাড়াই অকথ্য ভাষায় গালি- গালাজ করতে থাকে। তাসলিমুল হাসানের কথার কোন প্রতিবাদ না করিয়া সঙ্গীঁয় বন্ধুদের নিয়ে সহপাঠি মহাইমিনুর রহমান বিদ্যুতের জেএফসিএল কলোনীর বাসায় চলে আসে।বাসা নং ই-৩। বিদ্যুতের বাসায় গিয়ে এবং স্থানীয় লোকজনের মুখে তাসলিমুল জানতে পারে হাসান মাদকাসক্ত বিপদগামী এবং বন্ধু বিদ্যুতের সহিত মাহমুদুল হাসান (হাসান)র  পূর্ব শত্রুতাপূর্ণ আচরণ করিয়া আসিতেছে। ওই দিন রাত ৯টার সময় হাসান তাসলিমুলের মুঠো ফোনে কল দিয়ে  তাসলিমুল কে দেখা করতে বলে। তাসলিমুল মাদকাসক্ত জেনে হাসানের সহিত দেখা করবে না বলে জানায়। রাত ১০ টায় হাসান পুনরায় ফোন দিয়ে তাসলিমুলকে কলোনী থেকে বের হতে দেবে না এবং প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বাসার আসপাশে দেশীয় অস্ত্রনিয়ে ঘোরাঘুরি করে। ভয়ে তাসলিমুল রাতে বের না হয়ে বিদ্যুতের বাসায় ঘুমিয়ে পড়ে। এক পর্য্যায় তাকে না পেয়ে কলোনীর ই-৩ নং বাসার সিড়ির নীচে রাখা তাসলিমুলের ব্যবহৃত ইয়ামাহা আর ওয়ান ফাইভ ডিথ্রি মোটর সাইকেল, যার রেজিঃ নং জামালপুর -ল ১১-৫৫ ৯৯ তে  ৮/৯/২৬ইং  রাত ৩:৩০ পেট্টোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। মেট্টোলের আগুনে মোটর সাইকেল পুড়ানোর শেষ পর্য্যায় বিকট শব্দে তাসলিমুলের ঘুম ভেঙ্গেঁ যায়। এ সময় বন্ধুদের জাগিয়ে জানালার ফাঁক দিয়ে হাসানকে ঘটনা স্থলে দেখতে পায় এবং তারা এগিয়ে এলে হাসান হুমকি দিয়ে দৌড়ে তার বাসার ছাদে আশ্রয় নেয় এবং চিল্লায়ে চিল্লায়ে প্রাণ নাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে জানা যায়।
এ বিষয়ে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তাসলিমুল বলেন থানায় অভিযোগ দিয়েছি। জানতে চাইলে ৫ নং পিংনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও বাদী তাসলিমুলের পিতা নাজমূল ইসলাম নাজু সকালের সময়কে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,হাসান বিগত দিনে অনেক অপকর্ম করেছে। তার বিরুদ্ধে নানা অপরাধের একাধিক মামলাও রয়েছে। ছেলের আবদার মিটাতে প্রায় সাড়ে ৫ লক্ষ টাকায় শখ করে আর ওয়ান ফাইভ মোটর সাইকেল কিনে দিয়েছি। সেটিকে মাদক ব্যবসায়ী হাসান পুড়েছে। আমি প্রয়োজনে স্বরাষ্ট্ট মন্ত্রীর কাছে যাবো।এর শেষ দেখেই ছাড়বো। মামলা করেছি।দারোগা এসে ছিলেন।
এ বিষয়ে তারাকান্দি তদন্ত কেন্দ্রের কর্মকর্তার নিকট  অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন সরিষাবাড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। 
এ বিষয়ে বিএনপি নেতা মোর্শেদ তালুকদারের নিকট মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন,নাজুকে বলে ছিলাম তার ছেলের প্রতি নজর দিতে। সে আমার কথায় কান না দিয়ে আমাকে দোষারোপ করে। তবে বিষয়টি বসে  মীমাংসা করবেন এবং নিউজ করা থেকেও বিরত থাকতে বলেন তিনি। 
এ  বিষয়ে এসআই জুলহাসের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,পুড়ানো মোটর সাইকেলটি এমপ্লয়িজ ক্লাব থেকে জব্দ করা হয়।স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে ওখানে জমা রেখেছিলো। অভিযোগে গাড়ীর নাম্বার উল্লেখ না থাকায় বাদী অভিযোগ সংশোধনের পর    মামলা রেকর্ড ও কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও তিনি বলেন।
এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তর ইউরিয়া উৎপাদনকারী সার কারখানা জেএফসিএল আবাসিক কলোনীর ভিতর রাতের অন্ধকারে মোটর সাইকেল পুড়ানো নিরাপত্তা প্রতি হুমকি বলে দেখছেন সুধিজন। মাদক এবং অন্য কোন আপত্তিকর বিষয় রয়েছে কি- না এবং প্রকৃত ঘটনা উম্মোচন ও প্রয়োজনীয় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সর্ব্বোচ্চ আইন প্রয়োগকারি সংস্থার প্রতি দৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসিসহ সচেতন মহল।

জনবান্ধব কাজেই সরকারের অঙ্গীকার: বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী

Md. Zahangir Hasan
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জনবান্ধব কাজেই সরকারের অঙ্গীকার: বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী

ছবির ক্যাপশন: ময়মনসিংহ জেলার সার্বিক উন্নয়নের লক্ষে সমন্বয় সভা ময়মনসিংহ জেলার আইন-শৃঙ্খলা, মাদক নিয়ন্ত্রন, সুশাসন,স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, জনকল্যানমুলক ও উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি সংক্রান্ত সমন্বয় সভা।

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ:

জনগণের উন্নয়ন ও জনবান্ধব কার্যক্রম বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর বলে মন্তব্য করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি।

তিনি বলেন, জনকল্যাণে কাজ করতে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রয়োজনে জনগণের স্বার্থে ত্যাগ স্বীকার করেও কাজ করতে হবে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় ময়মনসিংহ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি নিয়ে আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে জনগণ তাদের প্রত্যাশিত সেবা ও অধিকার পাবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের প্রতি জনগণের যে আশা-আকাঙ্ক্ষা রয়েছে, তা পূরণে সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে জনগণ আমাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে।

উন্নয়ন প্রকল্পের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, জেলার চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বচ্ছতা ও সুশাসনের সঙ্গে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতা প্রয়োজন। মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকারও আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। জনগণের স্বপ্ন বাস্তবায়নে ভবিষ্যতে এ কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় জেলা উন্নয়ন কমিটির সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।