খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বাংলাদেশে পুশব্যাক করা নারীকে খুঁজে বের করতে কেন্দ্র ও অসম সরকারকে গুয়াহাটি হাইকোর্টের কড়া নির্দেশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশে পুশব্যাক করা নারীকে খুঁজে বের করতে কেন্দ্র ও অসম সরকারকে গুয়াহাটি হাইকোর্টের কড়া নির্দেশ

বাংলাদেশ–ভারত সীমান্ত

ভারত থেকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া এক নারীর হদিস পেতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং অসম প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের কড়া নির্দেশ জারি করেছেন গুয়াহাটি হাইকোর্ট। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত মে মাসে অসমের নগাঁও জেলার চার নম্বর ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল চত্বর থেকে মমতাজ বেগম নামের এক গৃহবধূকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে তাঁকে গোয়ালপাড়ার মাটিয়া আটককেন্দ্র থেকে সীমান্তে নিয়ে গিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মাধ্যমে সীমান্ত পার করিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হয়। ট্রাইব্যুনালের রায়ের প্রতিলিপি না পাওয়ায় উচ্চ আদালতে প্রতিকার চাওয়ার সুযোগও তিনি পাননি, যা পরবর্তীকালে তাঁর স্বামীর দায়ের করা হেবিয়াস কর্পাস মামলায় প্রকাশ্যে আসে। নাগরিকত্ব প্রমাণের সুযোগ না দিয়ে বহিষ্কারের বিষয়ে সম্প্রতি ভারতের সুপ্রিম কোর্টও ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং পূর্বে এমন একটি ঘটনায় গুয়াহাটি হাইকোর্ট ভুক্তভোগী এক ভারতীয় নাগরিকের স্বামীকে দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার রায় দিয়েছিল। এছাড়া ভারতীয়দের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলে সম্প্রতি সরব হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

গত বুধবার বিচারপতি কল্যাণ রাই সুরানা এবং বিচারপতি প্রাঞ্জল দাসের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানান যে, বিদেশ মন্ত্রক ও রাজ্য সরকারকে অতি দ্রুত নিখোঁজ ওই নারীর বর্তমান অবস্থান শনাক্ত করতে হবে। জানা গেছে, মে মাসের রায়ের সারসংক্ষেপ তৈরির নির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে একটি প্রশাসনিক তদন্ত সমাপ্ত হয়েছে এবং সেই সংক্রান্ত রিপোর্টটি আদালতে পেশ করার প্রস্তুতি চলছে। ইতিপূর্বে বিদেশ মন্ত্রকের কৌঁসুলি আদালতকে অবহিত করেছিলেন যে সংশ্লিষ্ট নারীকে খুঁজে বের করার তৎপরতা ইতিপূর্বে শুরু হয়েছে। ২০১৯ সালেও ট্রাইব্যুনাল মমতাজ বেগমকে বিদেশি আখ্যা দিয়েছিল, তবে উচ্চ আদালত সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করে পুনরায় বিবেচনার নির্দেশ দেন। কিন্তু শুনানির নির্দিষ্ট দিনে আদালতে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য প্রশাসনের হলফনামা জমার পর আগামী নভেম্বর মাসে মামলাটির পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

advertisement
advertisement

জুহুতে টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলিবর্ষণ: আহত চালককে নিয়ে নিজেই হাসপাতালে ছোটেন তারকা, তদন্তে ১৫ দল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জুহুতে টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলিবর্ষণ: আহত চালককে নিয়ে নিজেই হাসপাতালে ছোটেন তারকা, তদন্তে ১৫ দল

অভিনেতা টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলি চালানোর ঘটনায় অজ্ঞাতনামা তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছে মুম্বাই পুলিশ

বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলিবর্ষণের ঘটনার জেরে অজ্ঞাতপরিচয় তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে মুম্বাই পুলিশ। হামলাকারীদের পাকড়াও করতে গঠন করা হয়েছে ১৫টি বিশেষ দল। পালিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত সন্দেহে আন্ধেরি রেলস্টেশনের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে। এদিকে লরেন্স বিষ্ণোই চক্রের নাম জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দায় স্বীকারের একটি বার্তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা, যদিও এই গোষ্ঠীর প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পুলিশ এখনও নিশ্চিত করেনি। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার সন্ধ্যায় জুহু এলাকায় ফুটবল ম্যাচ শেষে ফেরার পথে হামলার মুখে পড়েন টাইগার। সে সময় তাঁর গাড়ি নিশানা করে পাঁচটি গুলি চালানো হয়। অভিনেতা অক্ষত থাকলেও তাঁর চালক ফেরদৌসের বাঁ হাতে এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত উমেশ চবন নামের আরেক ব্যক্তির শরীরে গুলি লাগে। তবে বর্তমানে তাঁরা দুজনই শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।

এনডিটিভি ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে ঘটনার বিবরণ দিয়ে জানানো হয়, ফুটবল খেলে বের হওয়ার পর ভক্তদের অভিবাদন জানিয়ে গাড়িতে উঠছিলেন টাইগার। হঠাৎই দুই হামলাকারী গাড়ির কাছে এসে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে এবং তাদের আরেক সহযোগী পালানোর জন্য মোটরসাইকেল প্রস্তুত রাখে। গুলির একপর্যায়ে এক হামলাকারীর অস্ত্র অকেজো হয়ে গেলে তারা দ্রুত মোটরসাইকেলে চড়ে চম্পট দেয়। চালক ফেরদৌস রক্তাক্ত হলে পরিস্থিতি সংকটজনক হয়ে ওঠে। সে সময় এক নারীর ‘তাড়াতাড়ি নিয়ে যাও, টাইগার’ চিৎকারের মধ্যে অভিনেতা কালবিলম্ব না করে নিজেই বিএমডব্লিউর স্টিয়ারিং ধরে চালককে নানাবতী হাসপাতালে নিয়ে যান। গাড়িটি চলে যাওয়ার পর রাস্তায় রক্তের চিহ্ন দেখা যায়।

ঘটনার পর উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলের চেসিস নম্বর ও নম্বরপ্লেটের সূত্র ধরে মালিকানা যাচাই করা হচ্ছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের পালানোর পথ চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। আহত চালকের জবানবন্দি গ্রহণ করেছে মুম্বাই পুলিশ ও ক্রাইম ব্রাঞ্চ। হত্যাচেষ্টাসহ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ও অস্ত্র আইনের বিভিন্ন ধারায় দায়ের করা হয়েছে মামলা। অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনিল পণ্ডিত ও হারমান সান্ধুর নাম ব্যবহার করে বিষ্ণোই চক্রের তরফে এক পোস্টে দাবি করা হয়, টাইগারকে আগেই টেলিফোনে সতর্কবার্তা দেওয়া হলেও তিনি তা শোনেননি। এমনকি সালমান খানের সঙ্গে কাজ করা ব্যক্তিদেরও সেখানে নিশানা করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। অনিল পণ্ডিতের নামে ছড়িয়ে পড়া এক অডিও বার্তায় ১৯৯৮ সালে রাজস্থানে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় দুটি কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের ঘটনায় সালমানকে বিষ্ণোই সমাজের কাছে ক্ষমা প্রার্থনার নির্দেশ দেওয়া হয়। ২০১৮ সালে প্রকাশ্যে সালমানকে হত্যার হুমকি দেওয়া লরেন্স বিষ্ণোইয়ের চক্রের বিরুদ্ধেই ২০২৪ সালের ১৪ এপ্রিল বান্দ্রার গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টসের বাইরে গুলিবর্ষণ এবং একই বছরের অক্টোবরে সালমানের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক নেতা বাবা সিদ্দিকিকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার পর ইন্ডিয়া টুডেকে টাইগারের বাবা জ্যাকি শ্রফের দল জানিয়েছে যে অভিনেতা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত আছেন, যা শুনে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন মা আয়েশা শ্রফও। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডনবিশ টেলিফোনে টাইগারের সঙ্গে কথা বলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। রোববার রাতে সশরীরে অভিনেতার বাড়ি গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে। সাক্ষাৎকালে টাইগারের হাতে ব্যান্ডেজ ও শরীরে ড্রেসিং দেখা যায়। পরে সাংবাদিকদের শিন্ডে জানান, সরাসরি গুলি না লাগলেও বারুদ এবং ভাঙা কাচের টুকরোয় সামান্য জখম হয়েছেন টাইগার এবং মা-ছেলে উভয়েই মানসিক ধাক্কায় আছেন। মুম্বাইয়ে কোনো ধরনের সহিংসতা বা সন্ত্রাসের আধিপত্য বিস্তার বরদাস্ত করা হবে না বলে কড়া বার্তা দিয়ে পরিবারটিকে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও সংস্কারকৃত ওসমানী উদ্যানের দ্বার উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও সংস্কারকৃত ওসমানী উদ্যানের দ্বার উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সোমবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করেন

শহীদ পরিবারের স্বজনদের সাথে নিয়ে রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ওসমানী উদ্যানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সকাল ১০টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে প্রাণ হারানো আবু সাঈদের পিতা মো. মকবুল হোসেন, মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের পিতা মোস্তাফিজুর রহমান, শাহারিয়ার খান আনাসের মাতা সানজিদা খান দীপ্তি এবং ওয়াসিম আকরামের পিতা মোহাম্মদ শফিউল আলমকে সঙ্গে নিয়ে স্মৃতিস্তম্ভটির উন্মোচন করেন। এরপর তিনি সেখানে একটি বৃক্ষরোপণ করেন এবং নবসজ্জিত উদ্যান ও তৎসংলগ্ন পাঠাগার ঘুরে দেখেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার এবং ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের দুই প্রশাসক যথাক্রমে আবদুস সালাম ও শফিকুল ইসলাম খান। জুলাই আন্দোলনের বীর শহীদদের অবদান স্মরণীয় করে রাখা এবং নগরবাসীর জন্য আধুনিক পরিবেশ সৃষ্টির প্রয়াসে এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে।

স্মৃতি সংরক্ষণের অংশ হিসেবে প্রায় এক একর ভূমির ওপর গড়ে তোলা হয়েছে ৯০ ফুট উচ্চতার ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’। স্থাপনাটিতে লেজার প্রযুক্তির সাহায্যে ৮৩৪ জন শহীদের নাম খোদাই করা হয়েছে এবং এর সম্মুখভাগে রাখা হয়েছে ২০টি প্রতীকী সমাধিফলক। স্মৃতিস্তম্ভের বহির্ভাগে ১৬৩ ফুট দৈর্ঘ্য ও সাড়ে ৪ ফুট উচ্চতার এবং অভ্যন্তরে ১৭১ ফুট দৈর্ঘ্য ও সাড়ে ৭ ফুট উচ্চতার রিলিফ ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছে, যাতে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট প্রতিফলিত হয়েছে।

অন্যদিকে, পুরান ও নতুন ঢাকার মিলনস্থলে অবস্থিত ঐতিহাসিক ২৩ একর আয়তনের ওসমানী উদ্যানকে একটি সবুজ ও নিরাপদ নাগরিক বিনোদনকেন্দ্রে রূপ দেওয়া হয়েছে। এই আধুনিকায়নে পুরোনো জলাধার সংস্কারের পাশাপাশি নতুন পাঁচটি জলাশয় তৈরি করা হয়েছে এবং বিদ্যমান বৃক্ষরাজি অক্ষুণ্ণ রেখে নতুন গাছ রোপণ ও সবুজ চত্বর সাজানো হয়েছে। পার্কে নাগরিকদের জন্য প্রায় ৩ দশমিক ১ কিলোমিটারের পদচারণ পথ, শরীরচর্চাকেন্দ্র, প্যাগোডা, গণশৌচাগার, গাড়ি পার্কিং ও ঘাটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া উদ্যানটিতে ৫০ হাজার লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন বৃষ্টির পানি সংরক্ষণাগার রয়েছে এবং সড়ক থেকে দুই মিটার উঁচুতে তৈরি করা হয়েছে দ্রুত চলাচলের দোতলা বিশিষ্ট হাঁটার পথ।

বুটেক্সে স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু ২৫ অক্টোবর, পরীক্ষা ৪ ডিসেম্বর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বুটেক্সে স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু ২৫ অক্টোবর, পরীক্ষা ৪ ডিসেম্বর

বুটেক্সে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতকোত্তর ভর্তি ২৫ অক্টোবর শুরু এবং ৪ ডিসেম্বর ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতকোত্তর (এমএসসি) শ্রেণিতে ভর্তির আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। দেশ-বিদেশের টেক্সটাইল ও ফ্যাশন খাতের জন্য দক্ষ জনবল গড়ে তোলার প্রত্যয়ে ফুলটাইম ও পার্টটাইম এই প্রোগ্রামগুলোতে আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে অনলাইনে ভর্তির আবেদন গ্রহণ শুরু হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়টির পাঁচটি অনুষদের অধীন বিভিন্ন বিভাগে উচ্চশিক্ষার এই সুযোগ রাখা হয়েছে। এমএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের আওতায় ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং, ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং, ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং, অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্ট, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টেক্সটাইল মেশিনারি ডিজাইন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স—এই সাতটি বিভাগের প্রতিটিতে আসন রয়েছে ১৫টি করে। এ ছাড়া এমএসসি ইন সাসটেইনেবিলিটি ইন টেক্সটাইলস প্রোগ্রামের আওতায় এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ১৫টি এবং এমএসসি ইন ফ্যাশন মার্চেন্ডাইজিং অ্যান্ড রিটেইলিং কোর্সের অধীনে টেক্সটাইল ফ্যাশন অ্যান্ড ডিজাইন বিভাগের জন্য ১৫টি আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বুটেক্স কিংবা যেকোনো অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় হতে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা টেকনোলজিতে বিএসসি ডিগ্রিধারীরা ভর্তির আবেদন করতে পারবেন। তবে আবেদনকারীর ৪.০০ স্কেলের সিজিপিএ পদ্ধতিতে ন্যূনতম ৩.০০ বা প্রথম শ্রেণি থাকতে হবে। আগ্রহীদের বুটেক্সের ভর্তিসংক্রান্ত পোর্টালে প্রবেশ করে ‘এমএসসি অ্যাডমিশন’ অপশনের মাধ্যমে পছন্দসই কোর্স নির্ধারণ করে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

নির্ধারিত দুই হাজার টাকা ফি পরিশোধ সাপেক্ষে প্রার্থীরা ২৫ অক্টোবর থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন। এরপর আগামী ৪ ডিসেম্বর ১০০ নম্বরের দেড় ঘণ্টার লিখিত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। এই পরীক্ষার সিলেবাসে ডিপার্টমেন্টাল বিষয়ের জন্য ৪০, জেনারেল টেক্সটাইল বিষয়ে ৪০ এবং ইংরেজির ওপর ২০ নম্বর বরাদ্দ রয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল আগামী ১০ ডিসেম্বর প্রকাশ করা হবে এবং এর প্রাপ্ত মেধার আলোকেই চূড়ান্ত শিক্ষার্থী তালিকা প্রস্তুত করা হবে। ভর্তি প্রক্রিয়ার বিস্তারিত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে। এ সংক্রান্ত অতিরিক্ত প্রয়োজনে রেজিস্ট্রার দপ্তরের একাডেমিক শাখার ০১৫৫৪-৯২৬২২০ নম্বরে সরাসরি যোগাযোগের জন্য বলা হয়েছে।