খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৮ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আশঙ্কাজনক ২

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আশঙ্কাজনক ২

সড়ক দুর্ঘটনা

যশোর সদর উপজেলার অন্তর্গত যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের নতুনহাট এলাকায় দুটি মোটরসাইকেলের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার গভীর রাতের এ দুর্ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর জখম হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে; তাঁরা হলেন সদর উপজেলার মণ্ডলগাতী গ্রামের সিয়াম হোসেন এবং জেলা শহরের শংকরপুর এলাকার আরিফুল ইসলাম। তবে অপর নিহতের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিরা হলেন মণ্ডলগাতী এলাকার আবদুল কাদেরের ছেলে ওমর ফারুক এবং রুহুল আমিনের ছেলে রাকিব হাসান। তাঁদের সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিয়াম, ওমর ফারুক ও রাকিব একই মোটরসাইকেলে চড়ে মণ্ডলগাতী থেকে বেনাপোলের অভিমুখে রওনা হয়েছিলেন। পথিমধ্যে নতুনহাট এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা অন্য একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তাঁদের মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু ঘটে। তাঁদের মধ্যে সিয়াম প্রথম মোটরসাইকেলে ছিলেন এবং বাকি দুজন ছিলেন বিপরীত দিক থেকে আসা যানের আরোহী।

খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। সেখানকার চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, চিকিৎসাধীন দুজনের শারীরিক অবস্থাই অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন প্রথম আলোকে জানান, নিহত একজনের কাছে আরিফুল ইসলাম নামের একটি জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে এবং তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে অপর নিহতের পরিচয় বের করতে ও দুর্ঘটনার বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তে পুলিশের কয়েকটি দল তৎপর রয়েছে।

advertisement
advertisement

একই ম্যাচে অর্ধশতক ও শতক: বাবার পদচিহ্ন ধরে এগোচ্ছেন রাজ্জাকপুত্র আলী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮:২৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
একই ম্যাচে অর্ধশতক ও শতক: বাবার পদচিহ্ন ধরে এগোচ্ছেন রাজ্জাকপুত্র আলী

আবদুল রাজ্জাকের ছেলে আলী রাজ্জাক

বাবার মতো নিজেকে পুরোপুরি অলরাউন্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে না পারলেও উইলো হাতে নিজের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দিয়ে চলেছেন পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার আবদুল রাজ্জাকের ছেলে আলী রাজ্জাক। দেশটির ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্ট প্রেসিডেন্টস ট্রফির সর্বশেষ রাউন্ডে এক ম্যাচেই ৬৪ এবং অপরাজিত ১১১ রানের নজরকাড়া দুটি ইনিংস খেলে ক্রিকেট মহলের দৃষ্টি কেড়েছেন ২২ বছর বয়সী এই তরুণ ক্রিকেটার।

ঘানির হয়ে খেলা আলীর সামনে প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল অয়েল অ্যান্ড গ্যাস। দলটির বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ঘানি যখন মাত্র ১৪৯ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে গভীর সংকটে পড়ে, তখন সাতে নেমে ত্রাণকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন আলী। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে তিনি আরেক অলরাউন্ডার হুসাইন তালাতের সঙ্গে যোগ করেন ১০৯ রান; তালাত তুলে নেন ১০৮ রান। এরপর সপ্তম উইকেটে হাশিবুল্লাহ খানের সঙ্গে আলীর অবিচ্ছিন্ন জুটিতে আসে আরও ১২০ রান। শেষ পর্যন্ত ৮টি চার ও ৬টি ছক্কায় সাজানো ১৫১ বলে ১১১ রানের হার না মানা ইনিংস উপহার দেন আলী। ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ড্রয়ে নিষ্পত্তি পায়।

প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে এটি আলীর তৃতীয় ও চলতি আসরে দ্বিতীয় শতরান। একই ম্যাচের প্রথম ভাগে ৭টি চার ও ২টি ছক্কায় ৬৪ রান করেছিলেন তিনি, যার সৌজন্যে ঘানি সংগ্রহ করে ২৩২ রান। বিপরীতে ইমাম-উল-হকের দ্বিশতকে ভর দিয়ে ৯ উইকেটে ৪১০ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেছিল অয়েল অ্যান্ড গ্যাস।

এবারের প্রেসিডেন্টস ট্রফিতে ১১ ইনিংসে ৫৩.৬৬ গড়ে দুটি সেঞ্চুরি ও তিনটি হাফসেঞ্চুরিসহ আলীর ব্যাট থেকে এসেছে মোট ৪৮৩ রান। দলের হয়ে এই মৌসুমে তিনি দ্বিতীয় শীর্ষ রানসংগ্রাহক। এর আগে মৌসুমে তাঁর প্রথম শতকটি (১০১ রান) এসেছিল টুর্নামেন্টের ফাইনালিস্ট স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের বিপক্ষে, যদিও সেই লড়াইয়ে ঘানি এক ইনিংস ও ১৮ রানে পরাজয় বরণ করে।

বোলিংয়ে বাবার মতো অতটা বিধ্বংসী হতে না পারলেও পেস হাত ঘোরাতে পারেন আলী। বর্তমান মৌসুমে ৭ ইনিংসে ২৬.৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ঝুলিতে পুরেছেন দুটি উইকেট। এখন পর্যন্ত ১৬টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ৩৯.৪৮ গড়ে তাঁর সংগ্রহ ৯৮৭ রান। এর আগে চলতি বছরের প্রারম্ভে ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপেও হইচই ফেলেছিলেন এই অলরাউন্ডার। টুর্নামেন্টে লাহোর ব্লুজের জার্সিতে মুলতান রিজিয়নের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে ২৬ বলে ৪৫ রান করার পথে এক ওভারেই তুলেছিলেন ২৬ রান। এবার দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটেও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখলেন রাজ্জাকপুত্র।

পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে ৬ হাজার ৬০৯ কোটি টাকার ৫ হাজার ৮৩০টি যানবাহন কেনার উদ্যোগ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৫৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে ৬ হাজার ৬০৯ কোটি টাকার ৫ হাজার ৮৩০টি যানবাহন কেনার উদ্যোগ

কোলাজ: প্রথম আলো

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর তীব্র যানবাহনসংকট কাটাতে ৬ হাজার ৬০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে মোট ৫ হাজার ৮৩০টি নতুন গাড়ি সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে পুলিশ সদর দপ্তর দুটি পৃথক উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করেছে। এর মধ্যে সাধারণ ও অভিযান পরিচালনাসংক্রান্ত যানবাহন খাতে ৪ হাজার ৩২৮ কোটি টাকা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষায়িত যানবাহনের জন্য ২ হাজার ২৮১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্প দুটি অনুমোদনের জন্য তোলার কথা রয়েছে। অনুমোদন পেলে ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় সারা দেশে পুলিশের মোট ১ হাজার ৭৪টি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার মধ্যে ৪৫৫টি গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়া সাংগঠনিক কাঠামো ও সাজসরঞ্জাম তালিকায় (টিওঅ্যান্ডই) আগে থেকেই যানবাহনের ঘাটতি ছিল এবং পুরোনো বহু গাড়ি দায়িত্ব পালনকালে বিকল হয়ে পড়ে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় অতিরিক্ত আইজিপি মুশফেকুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নয় সদস্যের একটি কমিটি প্রকল্প দুটির সম্ভাব্যতা যাচাই করে। তবে বর্তমান রাজস্ব পরিস্থিতির মধ্যে এত বিপুল অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ দেওয়া নিয়ে পরিকল্পনা কমিশন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে সংশয় দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জিপ কেনায় নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি জ্বালানি, মেরামত, টায়ার ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় মেটানোর সুনির্দিষ্ট রূপরেখা এবং কেনাকাটায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

‘বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অপারেশনাল যানবাহন ক্রয়’ শীর্ষক প্রথম প্রকল্পে ৪ হাজার ৩২৮ কোটি টাকায় ৪ হাজার ৮২৯টি গাড়ি কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর বড় অংশই ব্যয় হবে ডাবল কেবিন পিকআপে; প্রতিটি ৮৬ লাখ টাকা দরে ২ হাজার ৯০৯টি পিকআপ কিনতে প্রয়োজন হবে ২ হাজার ৫০১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। কর্মকর্তাদের জন্য মোট ৭৪৫টি জিপের প্রস্তাব করা হয়েছে, যার মধ্যে ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা দরে ২ হাজার ৭০০ সিসির ৪০০টি জিপে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৭৬ কোটি টাকা এবং ৭৫ লাখ টাকা দরে ২ হাজার সিসির ৩৪৫টি জিপে লাগবে প্রায় ২৫৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এছাড়া ৫২ লাখ টাকা মূল্যের ২১৪টি মাইক্রোবাস কিনতে প্রায় ১১১ কোটি ২৮ লাখ টাকা ব্যয়ের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের পরিবহনে ৫২ লাখ টাকা দরে ১৪৮টি বড় নন-এসি বাস ও ১ কোটি ২০ লাখ টাকা দরে ১৪৮টি এসি মিনিবাস কেনা হবে। এই প্রকল্পের তালিকায় আরও রয়েছে ৯৫ লাখ টাকা দরে ১১৫টি প্রিজন ভ্যান, ৬৫ লাখ টাকা দরে ১০০টি প্যাট্রোল কার, ৫৫ লাখ টাকা দরে ৫০টি অ্যাম্বুলেন্স, ৮০ কোটি টাকায় ১০০টি স্পিডবোট এবং অন্যান্য প্রায় ৩০০টি যানবাহন। এসব গাড়ির দর নির্ধারণ করেছে চার পুলিশ কর্মকর্তা ও বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের এক সহকারী অধ্যাপকের সমন্বয়ে গঠিত পাঁচ সদস্যের প্রাক্কলন কমিটি।

অন্যদিকে ২ হাজার ২৮১ কোটি টাকা ব্যয়ের ‘বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষায়িত যানবাহন ক্রয়’ প্রকল্পের মাধ্যমে ১ হাজার একটি উন্নত প্রযুক্তির গাড়ি সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। এতে শ্রমিক অসন্তোষসহ বিভিন্ন সংকট মোকাবিলায় ১৩২ কোটি টাকায় ১১টি আর্মড পারসোনেল ক্যারিয়ার (এপিসি), ১২৮ কোটি টাকায় ১০ হাজার লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ২০টি ওয়াটার ক্যানন, ২২০ কোটি টাকায় ২০টি ক্রাউড কন্ট্রোল ভেহিকেল এবং ১৮৭ কোটি টাকায় সোয়াট ও বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের জন্য ১৫টি বিশেষ ভ্যান কেনার প্রস্তাব রয়েছে। এ ছাড়া ৫৬ কোটি টাকায় ১০০টি বিশেষ প্যাট্রোল কার, ৪৩ কোটি টাকায় গ্রেপ্তারকৃতদের নিরাপত্তাবেষ্টিত পরিবহনের ১৩টি ভ্যান, ৩৩ কোটি টাকায় ৫৫টি প্রিজন ভ্যান, ১৬০ কোটি টাকায় ২০০টি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল, ডগ স্কোয়াডের জন্য ৫৫ কোটি টাকায় ৫০টি ইউটিলিটি টেরেইন ভেহিকেল, দুর্গম পথের জন্য ৫০টি অল টেরেইন ভেহিকেল এবং পাহাড়ি এলাকার জন্য ১০০টি হিল মোটরসাইকেল রাখা হয়েছে। গোয়েন্দা নজরদারিতে ১১৪ কোটি টাকায় ৬টি মোবাইল সার্ভিল্যান্স গাড়ি, উপকূল ও নদীতে টহলের জন্য ১৫০ কোটি টাকায় ১৫টি কুইক রেসপন্স বোট, ১৫টি উদ্ধারকারী বোট, ফিল্ড কমান্ডারদের জন্য ১৮৯ কোটি টাকায় ১০৫টি সাব-আরবান ভেহিকেল, ৯৬ কোটি টাকায় ৮০টি ফ্রিজার ভ্যান, ৬০ কোটি টাকায় ৮০টি স্মল ডিপ্লয়মেন্ট ইউটিলিটি ভেহিকেল, ১৪ কোটি টাকায় ঘোড়া পরিবহনের ১০টি যান এবং আরও প্রায় ৫৬টি বিবিধ যান কেনার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রসচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী প্রথম আলোকে জানান, অভ্যুত্থানে বিপুলসংখ্যক গাড়ি ধ্বংস হওয়ায় মাঠপর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের অভিযান পরিচালনায় প্রচণ্ড বেগ পেতে হচ্ছে এবং তাদের চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বেশি সংখ্যায় পিকআপ কেনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিপুলসংখ্যক গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণে পুলিশের নিজস্ব ব্যবস্থা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এগুলোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতে গণমাধ্যমেরও ভূমিকা থাকবে। সচিব আরও উল্লেখ করেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনে গমনকারী সদস্যদের জন্যও কিছু বিশেষায়িত গাড়ি কেনা হচ্ছে, যার আর্থিক ব্যয় পরবর্তীতে জাতিসংঘ থেকে প্রতিপূরণ করা হবে।

মগবাজারে আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, কাউকে সন্দেহ করছেন না স্ত্রী মিতু

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮:২৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মগবাজারে আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, কাউকে সন্দেহ করছেন না স্ত্রী মিতু

আসিফ আকবর

রাজধানীর মগবাজার এলাকায় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত গাড়ি নিশানা করে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার ভোর আনুমানিক পৌনে পাঁচটার দিকে মগবাজারের বিশাল সেন্টারের সম্মুখভাগে এ ঘটনা ঘটে। তবে আক্রমণের সময় আসিফ আকবর গাড়ির ভেতর উপস্থিত ছিলেন না। এ ঘটনায় তিনি কাউকে সন্দেহ করছেন কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত কোনো ধারণা দিতে পারেননি তাঁর সহধর্মিণী সালমা আসিফ মিতু।

শনিবার সকাল দশটার দিকে প্রথম আলোর সাথে আলাপকালে সালমা আসিফ মিতু জানান, আসিফ তাঁকে জানিয়েছেন যে অজ্ঞাত কেউ তাঁর গাড়িতে গুলিবর্ষণ করে ক্ষতিসাধন করেছে। তিনি উপর থেকে সিসিটিভি ফুটেজে তা প্রত্যক্ষ করেন এবং গুলির আওয়াজও শুনতে পান। এরপর নিরাপত্তাকর্মীর চিৎকারে তিনি নিচে নেমে আসেন এবং সে সময় কাউকে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, কারও ওপর তাঁদের কোনো ধরনের সন্দেহ নেই এবং আসিফের জীবনে কখনো এমন সন্দেহ করার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হয়নি। আসিফ সর্বদা সবার সাথে সদ্ভাব বজায় রেখে ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলে এসেছেন। আকস্মিক এই ঘটনায় তারা হতবাক হলেও আসিফ বর্তমানে নিরাপদে ও সুস্থ আছেন এবং ঘুমাচ্ছেন।

হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, বিশাল সেন্টারের সামনে আসিফ আকবরের নিজস্ব কার্যালয়ের কাছে তাঁর গাড়িটি রাখা ছিল। ভোরের দিকে গাড়িটিতে গুলিবর্ষণ করা হলেও এতে কোনো ব্যক্তি আহত হননি। হামলার নেপথ্যে কারা ছিল কিংবা তাদের কী উদ্দেশ্য ছিল, তা এখনো স্পষ্ট নয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিশাল সেন্টার মার্কেটের নিচের পার্কিংয়ে গাড়িটি রাখা অবস্থায় ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি এসে একটি গুলি ছোড়ে। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে অবগত হয়ে হাতিরঝিল থানা পুলিশ দ্রুত সেখানে পৌঁছায়। পুলিশ নিশ্চিত হয়, গুলির সময় আসিফ আকবর ওই ভবনের তৃতীয় তলায় নিজের অফিসে ছিলেন। পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্ত গাড়িটির পেছনের জানালা খুলে ভেতর থেকে ব্যবহৃত একটি গুলির কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।