খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ কর্মসংস্থান খাতে মালদ্বীপের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ কর্মসংস্থান খাতে মালদ্বীপের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ কর্মসংস্থান খাতে মালদ্বীপের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশের সঙ্গে মালদ্বীপের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউনীন রশীদ এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় দুই দেশের মধ্যকার পারস্পরিক আস্থা, সৌহার্দ্য এবং অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

সাক্ষাৎকালের একপর্যায়ে হাইকমিশনার মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির কাছে শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন এবং এর জবাবে রাষ্ট্রপতিও মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য কামনা করেন। ঢাকায় একটি বিশেষ বিজনেস সামিট আয়োজনের পরিকল্পনার বিষয়ে হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করলে তিনি এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান। রাষ্ট্রপতির মতে, এই ধরনের উদ্যোগ উভয় দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যকার যোগাযোগ বৃদ্ধি করবে এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।

মালদ্বীপের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালনকারী লক্ষাধিক প্রবাসী বাংলাদেশির অবদানের কথা স্মরণ করে দেশটির সরকারকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থরক্ষার জন্য জনশক্তি রপ্তানি, পর্যটন শিল্পের বিকাশ, মৎস্য ও মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসাবিদ্যার মতো সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোতে অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করার প্রস্তাব করা হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশে মালদ্বীপের শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাশাস্ত্রে অধ্যয়নের সুযোগ আগামী দিনেও অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়।

আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে পুনরুজ্জীবিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়, যাতে এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও কার্যকর হয়। এই লক্ষ্য অর্জনে মালদ্বীপের ইতিবাচক ভূমিকা ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করা হয়। আলোচনা শেষে উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করে যে, আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্ব আরও বেশি সুদৃঢ় ও বিস্তৃত হবে।

advertisement
advertisement

পুরোনো বাস দিয়ে ছয় রুটে নতুন ব্যবস্থা চালু রোববার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পুরোনো বাস দিয়ে ছয় রুটে নতুন ব্যবস্থা চালু রোববার

পুরোনো বাস দিয়ে ছয় রুটে নতুন ব্যবস্থা চালু রোববার

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানী ঢাকাসহ সংলগ্ন এলাকায় গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে একটি নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ব্যবস্থার আওতায় কিছু নির্দিষ্ট রুটে পুরোনো বাসগুলোকেই নতুন রূপ দিয়ে নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন ধরে চলা বিশৃঙ্খলা দূর করতে এবং যাত্রীদের যাতায়াত কিছুটা হলেও সহজ করতেই এই অন্তর্বর্তীকালীন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে পুরোনো বাসগুলোকে নতুন রঙে রাঙিয়ে তোলার কাজ চলছে। বাসগুলোর বাহ্যিক রূপ পরিবর্তন করার পাশাপাশি এগুলোর ফিটনেস ও অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা নিয়েও কাজ করা হচ্ছে। মূলত যাত্রীদের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং পরিবহনে একটি পরিপাটি ভাব আনার জন্যই এই নান্দনিক পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এই নতুন পরিবহন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য মোট ছয়টি আলাদা কোম্পানিকে পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব কোম্পানি নির্দিষ্ট নিয়ম ও শৃঙ্খলার মধ্যে থেকে রুটগুলোতে বাস পরিচালনা করবে। এর ফলে পরিবহন মালিকদের মধ্যকার অসম প্রতিযোগিতা এবং রুট দখলের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

আগামী রোববার থেকে নির্ধারিত ছয়টি রুটে এই নতুন ব্যবস্থাপনায় বাস চলাচল আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, এই উদ্যোগ পুরোপুরি সফল হলে নগরবাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ বহুলাংশে লাঘব হবে এবং সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষায় এটি একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।

প্রবীণদের সুস্থ রাখতে দূরকরতে হবে একাকিত্ব

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রবীণদের সুস্থ রাখতে দূরকরতে হবে একাকিত্ব

প্রবীণদের সুস্থ রাখতে দূরকরতে হবে একাকিত্ব

স্বাস্থ্য ডেস্ক: আমাদের সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক সুস্থতার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে অনেক সময় বয়স্ক ব্যক্তিদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি উপেক্ষিত থেকে যায়, যা তাদের সামগ্রিক জীবনযাত্রাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। বিশেষ করে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে বহু প্রবীণ মানুষ মারাত্মক নিঃসঙ্গতা বা একাকিত্বের শিকার হন। এই মানসিক চাপ তাদের শারীরিক অসুস্থতাকেও আরও বাড়িয়ে তোলে। তাই তাদের জীবনের মান উন্নত করতে হলে এই একাকিত্বের সমস্যাটির কার্যকর সমাধান করা অত্যন্ত জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বয়স্ক মানুষেরা কেবল অর্থবিত্ত কিংবা বস্তুগত সুখের মাধ্যমে ভালো থাকতে পারেন না। অনেক প্রবীণ ব্যক্তির পর্যাপ্ত ধনসম্পদ এবং আরাম-আয়েশের উপকরণ থাকলেও তাঁরা তীব্র একাকিত্বে ভুগে থাকেন। পরিবার ও সমাজের মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং স্নেহ-ভালোবাসার অভাব তাদের মানসিকভাবে দুর্বল করে দেয়। বস্তুগত সমৃদ্ধি কখনোই মানসিক শান্তির বিকল্প হতে পারে না, বরং প্রিয়জনদের সান্নিধ্য ও আন্তরিকতাই প্রবীণদের আনন্দময় জীবন নিশ্চিত করতে পারে।

পরিবার এবং সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা যদি প্রবীণদের পর্যাপ্ত সময় দেন এবং তাঁদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন, তবে এই নিঃসঙ্গতা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। অবসর সময়ে তাঁদের বিভিন্ন সামাজিক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত রাখতে হবে, যেন তাঁরা নিজেদের সমাজের বোঝা না ভেবে বরং মূল্যবান অংশ মনে করেন। নাতি-নাতনি ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত আড্ডা এবং কুশল বিনিময় প্রবীণদের মনে নতুন প্রাণশক্তি জোগাতে সাহায্য করে।

পরিশেষে, প্রবীণ নাগরিকদের অবমূল্যায়ন না করে তাঁদের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানকে মূল্যায়ন করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। রাষ্ট্রীয় এবং সামাজিক পর্যায়ে প্রবীণদের কল্যাণে বিভিন্ন বিনোদনমূলক কেন্দ্র, ক্লাব এবং কাউন্সেলিং সেবার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যদি প্রবীণদের চারপাশের এই একাকিত্বের প্রাচীর ভেঙে ফেলা যায়, তবে তাঁরা একটি সুন্দর, আনন্দময় এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবন উপভোগ করতে পারবেন।

শুধু শাসকের পরিবর্তন হয়েছে, রাষ্ট্রের ক্ষমতা-কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তন হয়নি: জেএসডি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শুধু শাসকের পরিবর্তন হয়েছে, রাষ্ট্রের ক্ষমতা-কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তন হয়নি: জেএসডি

শুধু শাসকের পরিবর্তন হয়েছে, রাষ্ট্রের ক্ষমতা-কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তন হয়নি: জেএসডি

রাজনীতি ডেস্ক: জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল বা জেএসডি মনে করে যে দেশে কেবল রাজনৈতিক শাসকের পরিবর্তন ঘটেছে, কিন্তু রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কাঠামোর কোনো মৌলিক পরিবর্তন সাধিত হয়নি। দলটির পক্ষ থেকে সম্প্রতি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই মূল্যায়ন তুলে ধরা হয় যেখানে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও কাঠামোগত সংস্কারের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বক্তারা বলেন যে রাষ্ট্র পরিচালনায় পুরোনো পদ্ধতি বহাল থাকায় জনজীবনে কাঙ্ক্ষিত সুফল আসছে না এবং সাধারণ মানুষের অধিকারগুলো সুরক্ষিত হচ্ছে না।

অনুষ্ঠানে সাবেক সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য শরীফ ভূঁইয়া অংশ নিয়ে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন নীতি ও পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন যে গত জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা, জাতীয় সনদ এবং গণভোটের রায় যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। এমনকি রাষ্ট্র মেরামতের জন্য দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির পক্ষ থেকে ঘোষিত ৩১ দফার অঙ্গীকারগুলোও কার্যকর করার ক্ষেত্রে কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন যে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে জনগণ যে পরিবর্তনের আশা করেছিল, নীতিনির্ধারকদের অনীহার কারণে তা আজ হোঁচট খাচ্ছে। রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার ছাড়া কেবল সরকার পরিবর্তন করলেই জনগণের ভাগ্য বদলানো সম্ভব নয় বলে তারা দৃঢ় মত প্রকাশ করেন। অবিলম্বে সংস্কার এজেন্ডাগুলো বাস্তবায়নের পথে না হাঁটলে জনগণের মধ্যে হতাশা আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে তারা সতর্ক করে দেন।

পরিশেষে, বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে এক প্ল্যাটফর্মে এসে রাষ্ট্রীয় সংস্কারের রূপরেখা বাস্তবায়নে চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানান জেএসডির নেতারা। তারা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন যে জনগণের প্রকৃত অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত তাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে এবং ক্ষমতার যথেচ্ছাচার রোধে তারা সোচ্চার থাকবেন।