খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

দেশে জ্বালানি তেলের দাম নভেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দেশে জ্বালানি তেলের দাম নভেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে

দেশে জ্বালানি তেলের দাম নভেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আগামী নভেম্বর মাসেও অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জারি করা একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ ভোক্তা ও পরিবহন খাতের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা চলতি অক্টোবর মাসের নির্ধারিত মূল্যেই পরবর্তী মাসজুড়ে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারবেন। বিশ্ববাজারের সার্বিক পরিস্থিতি এবং দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সরকারের নতুন এই সিদ্ধান্ত আগামী বছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ নভেম্বর থেকে পুরো দেশের জন্য কার্যকর হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যের ওঠানামার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি মাসেই নতুন মূল্য নির্ধারণ করার কথা থাকলেও, এই দফায় দাম বাড়ানোর কোনো প্রয়োজন দেখেনি কর্তৃপক্ষ। ফলে ডিজেল, পেট্রল, অকটেলসহ সব ধরনের জ্বালানি তেল পূর্বনির্ধারিত দামেই বিক্রি অব্যাহত থাকবে।

এর আগে গত মাসগুলোতেও আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণের প্রক্রিয়া অব্যাহত ছিল। তবে সম্প্রতি বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও মূল্যে কিছুটা স্থিতিশীলতা বিরাজ করায় সরকার দেশের বাজারেও স্বস্তি বজায় রাখার নীতি গ্রহণ করেছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর এই পদক্ষেপ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

নতুন এই দাম কার্যকর হওয়ার পর দেশের কোথাও নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে জ্বালানি তেল বিক্রির সুযোগ নেই। সরকারের পক্ষ থেকে দেশের সব ডিলার, বিপণন কোম্পানি এবং ফিলিং স্টেশনগুলোকে সরকারি নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোথাও অনিয়ম বা বেশি দাম নেওয়ার প্রমাণ পেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

advertisement
advertisement

পুরোনো বাস দিয়ে ছয় রুটে নতুন ব্যবস্থা চালু রোববার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পুরোনো বাস দিয়ে ছয় রুটে নতুন ব্যবস্থা চালু রোববার

পুরোনো বাস দিয়ে ছয় রুটে নতুন ব্যবস্থা চালু রোববার

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানী ঢাকাসহ সংলগ্ন এলাকায় গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে একটি নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ব্যবস্থার আওতায় কিছু নির্দিষ্ট রুটে পুরোনো বাসগুলোকেই নতুন রূপ দিয়ে নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন ধরে চলা বিশৃঙ্খলা দূর করতে এবং যাত্রীদের যাতায়াত কিছুটা হলেও সহজ করতেই এই অন্তর্বর্তীকালীন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে পুরোনো বাসগুলোকে নতুন রঙে রাঙিয়ে তোলার কাজ চলছে। বাসগুলোর বাহ্যিক রূপ পরিবর্তন করার পাশাপাশি এগুলোর ফিটনেস ও অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা নিয়েও কাজ করা হচ্ছে। মূলত যাত্রীদের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং পরিবহনে একটি পরিপাটি ভাব আনার জন্যই এই নান্দনিক পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এই নতুন পরিবহন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য মোট ছয়টি আলাদা কোম্পানিকে পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব কোম্পানি নির্দিষ্ট নিয়ম ও শৃঙ্খলার মধ্যে থেকে রুটগুলোতে বাস পরিচালনা করবে। এর ফলে পরিবহন মালিকদের মধ্যকার অসম প্রতিযোগিতা এবং রুট দখলের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

আগামী রোববার থেকে নির্ধারিত ছয়টি রুটে এই নতুন ব্যবস্থাপনায় বাস চলাচল আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, এই উদ্যোগ পুরোপুরি সফল হলে নগরবাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ বহুলাংশে লাঘব হবে এবং সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষায় এটি একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।

প্রবীণদের সুস্থ রাখতে দূরকরতে হবে একাকিত্ব

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রবীণদের সুস্থ রাখতে দূরকরতে হবে একাকিত্ব

প্রবীণদের সুস্থ রাখতে দূরকরতে হবে একাকিত্ব

স্বাস্থ্য ডেস্ক: আমাদের সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক সুস্থতার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে অনেক সময় বয়স্ক ব্যক্তিদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি উপেক্ষিত থেকে যায়, যা তাদের সামগ্রিক জীবনযাত্রাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। বিশেষ করে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে বহু প্রবীণ মানুষ মারাত্মক নিঃসঙ্গতা বা একাকিত্বের শিকার হন। এই মানসিক চাপ তাদের শারীরিক অসুস্থতাকেও আরও বাড়িয়ে তোলে। তাই তাদের জীবনের মান উন্নত করতে হলে এই একাকিত্বের সমস্যাটির কার্যকর সমাধান করা অত্যন্ত জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বয়স্ক মানুষেরা কেবল অর্থবিত্ত কিংবা বস্তুগত সুখের মাধ্যমে ভালো থাকতে পারেন না। অনেক প্রবীণ ব্যক্তির পর্যাপ্ত ধনসম্পদ এবং আরাম-আয়েশের উপকরণ থাকলেও তাঁরা তীব্র একাকিত্বে ভুগে থাকেন। পরিবার ও সমাজের মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং স্নেহ-ভালোবাসার অভাব তাদের মানসিকভাবে দুর্বল করে দেয়। বস্তুগত সমৃদ্ধি কখনোই মানসিক শান্তির বিকল্প হতে পারে না, বরং প্রিয়জনদের সান্নিধ্য ও আন্তরিকতাই প্রবীণদের আনন্দময় জীবন নিশ্চিত করতে পারে।

পরিবার এবং সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা যদি প্রবীণদের পর্যাপ্ত সময় দেন এবং তাঁদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন, তবে এই নিঃসঙ্গতা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। অবসর সময়ে তাঁদের বিভিন্ন সামাজিক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত রাখতে হবে, যেন তাঁরা নিজেদের সমাজের বোঝা না ভেবে বরং মূল্যবান অংশ মনে করেন। নাতি-নাতনি ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত আড্ডা এবং কুশল বিনিময় প্রবীণদের মনে নতুন প্রাণশক্তি জোগাতে সাহায্য করে।

পরিশেষে, প্রবীণ নাগরিকদের অবমূল্যায়ন না করে তাঁদের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানকে মূল্যায়ন করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। রাষ্ট্রীয় এবং সামাজিক পর্যায়ে প্রবীণদের কল্যাণে বিভিন্ন বিনোদনমূলক কেন্দ্র, ক্লাব এবং কাউন্সেলিং সেবার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যদি প্রবীণদের চারপাশের এই একাকিত্বের প্রাচীর ভেঙে ফেলা যায়, তবে তাঁরা একটি সুন্দর, আনন্দময় এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবন উপভোগ করতে পারবেন।

শুধু শাসকের পরিবর্তন হয়েছে, রাষ্ট্রের ক্ষমতা-কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তন হয়নি: জেএসডি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শুধু শাসকের পরিবর্তন হয়েছে, রাষ্ট্রের ক্ষমতা-কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তন হয়নি: জেএসডি

শুধু শাসকের পরিবর্তন হয়েছে, রাষ্ট্রের ক্ষমতা-কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তন হয়নি: জেএসডি

রাজনীতি ডেস্ক: জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল বা জেএসডি মনে করে যে দেশে কেবল রাজনৈতিক শাসকের পরিবর্তন ঘটেছে, কিন্তু রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কাঠামোর কোনো মৌলিক পরিবর্তন সাধিত হয়নি। দলটির পক্ষ থেকে সম্প্রতি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই মূল্যায়ন তুলে ধরা হয় যেখানে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও কাঠামোগত সংস্কারের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বক্তারা বলেন যে রাষ্ট্র পরিচালনায় পুরোনো পদ্ধতি বহাল থাকায় জনজীবনে কাঙ্ক্ষিত সুফল আসছে না এবং সাধারণ মানুষের অধিকারগুলো সুরক্ষিত হচ্ছে না।

অনুষ্ঠানে সাবেক সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য শরীফ ভূঁইয়া অংশ নিয়ে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন নীতি ও পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন যে গত জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা, জাতীয় সনদ এবং গণভোটের রায় যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। এমনকি রাষ্ট্র মেরামতের জন্য দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির পক্ষ থেকে ঘোষিত ৩১ দফার অঙ্গীকারগুলোও কার্যকর করার ক্ষেত্রে কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন যে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে জনগণ যে পরিবর্তনের আশা করেছিল, নীতিনির্ধারকদের অনীহার কারণে তা আজ হোঁচট খাচ্ছে। রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার ছাড়া কেবল সরকার পরিবর্তন করলেই জনগণের ভাগ্য বদলানো সম্ভব নয় বলে তারা দৃঢ় মত প্রকাশ করেন। অবিলম্বে সংস্কার এজেন্ডাগুলো বাস্তবায়নের পথে না হাঁটলে জনগণের মধ্যে হতাশা আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে তারা সতর্ক করে দেন।

পরিশেষে, বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে এক প্ল্যাটফর্মে এসে রাষ্ট্রীয় সংস্কারের রূপরেখা বাস্তবায়নে চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানান জেএসডির নেতারা। তারা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন যে জনগণের প্রকৃত অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত তাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে এবং ক্ষমতার যথেচ্ছাচার রোধে তারা সোচ্চার থাকবেন।