খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধে প্রস্তুত রাশিয়া, তবে আমরা যুদ্ধ চাই না: পুতিন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধে প্রস্তুত রাশিয়া, তবে আমরা যুদ্ধ চাই না: পুতিন

ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধে প্রস্তুত রাশিয়া, তবে আমরা যুদ্ধ চাই না: পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়ানোর কোনো ইচ্ছে রাশিয়ার নেই বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নরওয়ে ও ফিনল্যান্ডের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপের পর তিনি এই অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে ইউরোপীয় ভূখণ্ডে কোনো ধরনের আগ্রাসন বা যুদ্ধ শুরু হলে তার কঠোর জবাব দিতে মস্কো সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমা বিশ্বের পক্ষ থেকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের যে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, তার জবাবে এই মন্তব্য করেন রুশ এই নেতা।

এর আগে ব্রিটিশ গণমাধ্যম টেলিগ্রাফকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পুতিন একই ধরনের মনোভাব প্রকাশ করে জানিয়েছিলেন যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে লড়াই করার কোনো পরিকল্পনা তাঁদের নেই। তবে ইউরোপের কোনো দেশ যদি নিজ থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার পাল্টা জবাব দিতে ক্রেমলিন প্রস্তুত রয়েছে। রুশ নেতার মতে, রাশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হলে তা উভয় পক্ষের জন্যই মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনবে এবং এই যুদ্ধে কোনো পক্ষই জয়ী হতে পারবে না। তিনি ইউরোপীয় নেতাদের এই বিষয়টি সবসময় স্মরণে রাখার আহ্বান জানান।

কয়েকদিন আগে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার স্টাব এবং নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্তোরের সঙ্গে রুশ রাষ্ট্রপতির ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। ইউরোপীয় নেতাদের আমন্ত্রণে এই আলাপটি সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে পুতিন জানান যে এই আলোচনা দুই পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। ইউরোপের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের স্বার্থে যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার প্রতিও নিজের জোরালো সমর্থনের কথা জানান তিনি।

এদিকে পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোর কার্যক্রম নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে মস্কো। পুতিন বরাবরই ন্যাটোর পূর্বমুখী সম্প্রসারণকে বর্তমান ভূরাজনৈতিক সংকটের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে পশ্চিমা সামরিক উপস্থিতি কমানোর দাবি জানিয়ে আসছেন। এর পাশাপাশি, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে ন্যাটোর সামরিক সক্ষমতা যাচাই করতে সীমান্তবর্তী দেশগুলোতে নানা ধরনের তৎপরতা চালাতে পারে রাশিয়া। তবে সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামরিক প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে রুশ প্রশাসন।

advertisement
advertisement

অনুমতি পেলেও ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিনে যেতে পারছেন না পর্যটকেরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অনুমতি পেলেও ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিনে যেতে পারছেন না পর্যটকেরা

অনুমতি পেলেও ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিনে যেতে পারছেন না পর্যটকেরা

জাতীয় ডেস্ক: সরকারি পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য সেন্ট মার্টিন দ্বীপ উন্মুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা পেছাচ্ছে। পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে নির্ধারিত সময়ে দ্বীপটিতে ভ্রমণ করতে যেতে পারছেন না সাধারণ পর্যটকেরা। পরিবেশ সংরক্ষণের নানা দিক বিবেচনা করেই এই সময়সীমা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

পরিবেশ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, সেন্ট মার্টিন দ্বীপে অতিরিক্ত পর্যটক সমাগমের কারণে সেখানকার সামুদ্রিক পরিবেশ এবং প্রবাল প্রাচীর মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে। গত কয়েক বছর ধরে পর্যটকদের অনিয়ন্ত্রিত চলাফেরা এবং প্লাস্টিক দূষণের ফলে দ্বীপের প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের পক্ষ থেকে পর্যটন মৌসুম শুরুর সময় কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে কিছুটা আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। তবে পরিবেশবাদীরা সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, দ্বীপটির ভঙ্গুর পরিবেশ রক্ষায় পর্যটকদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং ভ্রমণের নিয়মকানুন কঠোর করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছিল।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, সেন্ট মার্টিনে যাতায়াত এবং সেখানে অবস্থানের ক্ষেত্রে নতুন কিছু নিয়ম ও শর্ত আরোপ করা হতে পারে। কবে নাগাদ পর্যটকেরা সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন, সে বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে খুব শীঘ্রই নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে। দ্বীপটির জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজও চলমান থাকবে।

সরকারি চাকরিজীবীরা সরকারি বাসা নিয়ে কেন ভাড়া দেন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সরকারি চাকরিজীবীরা সরকারি বাসা নিয়ে কেন ভাড়া দেন

সরকারি চাকরিজীবীরা সরকারি বাসা নিয়ে কেন ভাড়া দেন

জাতীয় ডেস্ক: সরকারি কোয়ার্টার বরাদ্দ নিয়ে নিজেরা না থেকে তা অন্যমুল্যে ভাড়া বা সাবলেট দেওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছে প্রশাসন। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারি আবাসন সুবিধা নিয়ে এই অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, যা রোধ করতে সম্প্রতি সরকারি আবাসন পরিদপ্তর থেকে একটি বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, বরাদ্দ পাওয়া কর্মচারীদের বাইরে অন্য কোনো ব্যক্তিকে সরকারি বাসায় রাখা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রায় ১৯ হাজার সরকারি বাসা রয়েছে, যেগুলোতে বসবাসের জন্য কর্মচারীদের নির্দিষ্ট হারে বাসাভাড়া ভাতা কেটে নেওয়া হয়। কোয়ার্টারগুলোতে খোলামেলা পরিবেশ, খেলার মাঠ এবং উন্নত নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকায় এগুলোর প্রতি চাকরিজীবীদের চাহিদা সবসময়ই অনেক বেশি। তবে অনেকেই এই সুযোগের অপব্যবহার করে পুরো বাসা অথবা বাসার নির্দিষ্ট কিছু কক্ষ অন্যদের কাছে চড়া মূল্যে ভাড়া দিয়ে নিজেরা অন্যত্র বসবাস করছেন কিংবা অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মূলত কয়েকটি সুনির্দিষ্ট কারণে সরকারি বাসাগুলো ভাড়া দেওয়া হয় যার মধ্যে রয়েছে অতিরিক্ত আয় করা, সচ্ছলতার সুবাদে পুরোনো বাসায় না থেকে সেটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা এবং নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে সংসার খরচ মেলাতে বাধ্য হয়ে কক্ষ সাবলেট দেওয়া। আজিমপুরসহ বিভিন্ন সরকারি কলোনিতে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়। তবে বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা অনুযায়ী সরকারি বাসায় বরাদ্দ গ্রহীতার পরিবর্তে অন্য কাউকে রাখা বা ভাড়া দেওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

নতুন এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাসা থেকে অবৈধ ভাড়াটে বা সাবলেট সরাতে হবে, অন্যথায় কোনো ধরনের কারণ দর্শানো নোটিশ ছাড়াই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বরাদ্দ বাতিল করা হবে। শুধু বরাদ্দ বাতিলই নয়, বিধিমালা অনুযায়ী অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধানের মাধ্যমে কঠোর বিভাগীয় বা শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিদপ্তরের এই আকস্মিক ও কঠোর পদক্ষেপে অনেক চাকরিজীবী বিপাকে পড়েছেন এবং অল্প সময়ের নোটিশ নিয়ে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সরকারি আবাসন অবৈধভাবে ভাড়া দেওয়ার অপসংস্কৃতি বন্ধে প্রশাসনের এই কড়াকড়ি সময়োপযোগী হলেও নোটিশের সময়সীমা আরও কিছুটা বাড়ানো উচিত ছিল। সাধারণ কর্মচারীদের একাংশ মনে করেন দীর্ঘদিনের এই অনিয়ম দূর করার পাশাপাশি আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে আরও সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়া অনুসরণ করা প্রয়োজন, যাতে কোনো ধরনের জটিলতা তৈরি না হয়। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখন অবৈধ দখলদার ও ভাড়াটেদের উৎখাতে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করছে।

স্কুলের গণ্ডি না পেরোনো কারখানা শ্রমিকই হলেন চীনের সবচেয়ে ধনী নারী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
স্কুলের গণ্ডি না পেরোনো কারখানা শ্রমিকই হলেন চীনের সবচেয়ে ধনী নারী

স্কুলের গণ্ডি না পেরোনো কারখানা শ্রমিকই হলেন চীনের সবচেয়ে ধনী নারী

অর্থনীতি ডেস্ক: কৈশোরে বিদ্যালয়ের গণ্ডি পার হওয়ার আগেই পড়ালেখায় ইতি টেনেছিলেন এক তরুণী। ঘড়ি তৈরির একটি কারখানায় সামান্য বেতনে দৈনিক মজুরির শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। কারখানার সেই ঝরে পড়া কর্মীটিই আজ পরিশ্রম ও মেধার জোরে চীনের সবচেয়ে ধনী নারীতে পরিণত হয়েছেন। প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান লেন্স টেকনোলজির প্রতিষ্ঠাতা ঝৌ ছুনফেইর এই সাফল্যের গল্প এখন বিশ্বজুড়ে আলোচিত। হুরুন রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রকাশিত শীর্ষ ধনী নারীদের তালিকা অনুযায়ী এই সফল উদ্যোক্তা আবার নিজের শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেছেন। গত এক বছরে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে।

১৯৭০ সালে চীনের হুনান প্রদেশে জন্ম নেওয়া ঝৌ শৈশবেই জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন। তরুণ বয়সে পড়াশোনা ছেড়ে তিনি শেনজেন শহরে পাড়ি জমান এবং একটি কাচ তৈরির কারখানায় চাকরি নেন। সেখানে কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি তিনি কাচ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও আধুনিক নকশা তৈরির নানা কৌশল নিপুণভাবে আয়ত্ত করেন। মাত্র তেইশ বছর বয়সে তিনি নিজের একটি ছোট কাচ প্রক্রিয়াজাতকরণ কর্মশালা চালু করেন। পরবর্তীতে এই ছোট উদ্যোগটিই লেন্স টেকনোলজিতে রূপ নেয়, যা স্মার্টফোনের পর্দার জন্য উন্নত মানের কাচের কভার উৎপাদনে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করে।

২০০৭ সালে প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের প্রথম আইফোনের জন্য কাচের কভার সরবরাহের সুযোগ পাওয়ার পর ঝৌয়ের ব্যবসা সম্প্রসারণে নতুন গতি আসে। পরবর্তী সময়ে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ধাক্কা ও বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি হলেও তিনি থেমে থাকেননি। স্মার্টফোনের বাইরে বৈদ্যুতিক গাড়ি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশ এবং রোবোটিকস খাতের মতো উদীয়মান ক্ষেত্রগুলোতে লেন্স টেকনোলজির ব্যবসা সফলভাবে ছড়িয়ে দেন এই উদ্যোক্তা। হংকংয়ের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তাদের মূলধন আরও শক্তিশালী করে।

বেইজিংয়ে আয়োজিত একটি উচ্চপর্যায়ের রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে আমন্ত্রিত হয়ে ঝৌ নিজের প্রভাবশালী অবস্থানের প্রমাণ দেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে কেবল কম্পিউটিং সক্ষমতা নয়, বরং সামগ্রিক প্রযুক্তিব্যবস্থায় ধারাবাহিক উদ্ভাবনের ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন। হুরুনের তথ্য অনুযায়ী চীনের শীর্ষ ধনী নারীদের একটি বড় অংশই সম্পূর্ণ নিজেদের প্রচেষ্টায় এই অবস্থানে পৌঁছেছেন, যা নারী উদ্যোক্তাদের ক্রমবর্ধমান শক্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।