খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে চায় বেকো

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে চায় বেকো

বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে চায় বেকো

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশে নিজেদের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ব্যবসা আরও সম্প্রসারিত করতে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার জোরালো প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তুরস্কের বিখ্যাত কচ্ গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বেকো। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা বাংলাদেশ সফর করেছেন এবং এ দেশের বাজারে তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন। এই সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল এ অঞ্চলের বর্তমান বাজার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা এবং উৎপাদন খাতের পরিধি আরও বড় করা।

সফরকালে তুরস্কের কচ্ হোল্ডিং ও বেকোর উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলটি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক স্থাপনা সরেজমিন পরিদর্শন করেন। প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন কচ্ হোল্ডিংয়ের কনজ্যুমার ডিউরেবলস গ্রুপের প্রেসিডেন্ট পোলাট সেন, বেকো এশিয়া, রাশিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা এবং আর্সেলিক-হিটাচির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাফর উস্টুনার এবং বেকোর প্রধান উৎপাদন ও প্রযুক্তি কর্মকর্তা নিহাত বায়িজ। তারা সবাই মিলে সিঙ্গার বাংলাদেশের প্রধান উৎপাদন কারখানা, অত্যাধুনিক ধারণাভিত্তিক বিক্রয়কেন্দ্র বা কনসেপ্ট স্টোর এবং করপোরেট কার্যালয় ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শন শেষে আয়োজিত বৈঠকে সিঙ্গার বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম এইচ এম ফাইরোজ অতিথিদের সামনে দেশের সার্বিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার দিকগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সিঙ্গার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং এ দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তাদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সামনে দেশের বাজারের এই ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরায় ব্যবসার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৈঠকে আরও আলোচনা হয় সিঙ্গার বাংলাদেশের সার্বিক কার্যপদ্ধতির আধুনিকায়ন এবং কর্মপরিবেশ উন্নয়নের নানা দিক নিয়ে। প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্মকর্তা জানান যে তারা উৎপাদন প্রক্রিয়া, বিপণন কৌশল এবং কর্মীদের কর্মপরিবেশ—এই তিনটি প্রধান ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তুর্কি প্রতিনিধি দল সিঙ্গার বাংলাদেশের এই রূপান্তর ও অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং এ দেশের বাজারে তাদের অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

advertisement
advertisement

প্রবীণদের সুস্থ রাখতে দূরকরতে হবে একাকিত্ব

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রবীণদের সুস্থ রাখতে দূরকরতে হবে একাকিত্ব

প্রবীণদের সুস্থ রাখতে দূরকরতে হবে একাকিত্ব

স্বাস্থ্য ডেস্ক: আমাদের সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক সুস্থতার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে অনেক সময় বয়স্ক ব্যক্তিদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি উপেক্ষিত থেকে যায়, যা তাদের সামগ্রিক জীবনযাত্রাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। বিশেষ করে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে বহু প্রবীণ মানুষ মারাত্মক নিঃসঙ্গতা বা একাকিত্বের শিকার হন। এই মানসিক চাপ তাদের শারীরিক অসুস্থতাকেও আরও বাড়িয়ে তোলে। তাই তাদের জীবনের মান উন্নত করতে হলে এই একাকিত্বের সমস্যাটির কার্যকর সমাধান করা অত্যন্ত জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বয়স্ক মানুষেরা কেবল অর্থবিত্ত কিংবা বস্তুগত সুখের মাধ্যমে ভালো থাকতে পারেন না। অনেক প্রবীণ ব্যক্তির পর্যাপ্ত ধনসম্পদ এবং আরাম-আয়েশের উপকরণ থাকলেও তাঁরা তীব্র একাকিত্বে ভুগে থাকেন। পরিবার ও সমাজের মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং স্নেহ-ভালোবাসার অভাব তাদের মানসিকভাবে দুর্বল করে দেয়। বস্তুগত সমৃদ্ধি কখনোই মানসিক শান্তির বিকল্প হতে পারে না, বরং প্রিয়জনদের সান্নিধ্য ও আন্তরিকতাই প্রবীণদের আনন্দময় জীবন নিশ্চিত করতে পারে।

পরিবার এবং সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা যদি প্রবীণদের পর্যাপ্ত সময় দেন এবং তাঁদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন, তবে এই নিঃসঙ্গতা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। অবসর সময়ে তাঁদের বিভিন্ন সামাজিক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত রাখতে হবে, যেন তাঁরা নিজেদের সমাজের বোঝা না ভেবে বরং মূল্যবান অংশ মনে করেন। নাতি-নাতনি ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত আড্ডা এবং কুশল বিনিময় প্রবীণদের মনে নতুন প্রাণশক্তি জোগাতে সাহায্য করে।

পরিশেষে, প্রবীণ নাগরিকদের অবমূল্যায়ন না করে তাঁদের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানকে মূল্যায়ন করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। রাষ্ট্রীয় এবং সামাজিক পর্যায়ে প্রবীণদের কল্যাণে বিভিন্ন বিনোদনমূলক কেন্দ্র, ক্লাব এবং কাউন্সেলিং সেবার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যদি প্রবীণদের চারপাশের এই একাকিত্বের প্রাচীর ভেঙে ফেলা যায়, তবে তাঁরা একটি সুন্দর, আনন্দময় এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবন উপভোগ করতে পারবেন।

শুধু শাসকের পরিবর্তন হয়েছে, রাষ্ট্রের ক্ষমতা-কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তন হয়নি: জেএসডি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শুধু শাসকের পরিবর্তন হয়েছে, রাষ্ট্রের ক্ষমতা-কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তন হয়নি: জেএসডি

শুধু শাসকের পরিবর্তন হয়েছে, রাষ্ট্রের ক্ষমতা-কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তন হয়নি: জেএসডি

রাজনীতি ডেস্ক: জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল বা জেএসডি মনে করে যে দেশে কেবল রাজনৈতিক শাসকের পরিবর্তন ঘটেছে, কিন্তু রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কাঠামোর কোনো মৌলিক পরিবর্তন সাধিত হয়নি। দলটির পক্ষ থেকে সম্প্রতি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই মূল্যায়ন তুলে ধরা হয় যেখানে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও কাঠামোগত সংস্কারের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বক্তারা বলেন যে রাষ্ট্র পরিচালনায় পুরোনো পদ্ধতি বহাল থাকায় জনজীবনে কাঙ্ক্ষিত সুফল আসছে না এবং সাধারণ মানুষের অধিকারগুলো সুরক্ষিত হচ্ছে না।

অনুষ্ঠানে সাবেক সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য শরীফ ভূঁইয়া অংশ নিয়ে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন নীতি ও পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন যে গত জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা, জাতীয় সনদ এবং গণভোটের রায় যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। এমনকি রাষ্ট্র মেরামতের জন্য দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির পক্ষ থেকে ঘোষিত ৩১ দফার অঙ্গীকারগুলোও কার্যকর করার ক্ষেত্রে কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন যে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে জনগণ যে পরিবর্তনের আশা করেছিল, নীতিনির্ধারকদের অনীহার কারণে তা আজ হোঁচট খাচ্ছে। রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার ছাড়া কেবল সরকার পরিবর্তন করলেই জনগণের ভাগ্য বদলানো সম্ভব নয় বলে তারা দৃঢ় মত প্রকাশ করেন। অবিলম্বে সংস্কার এজেন্ডাগুলো বাস্তবায়নের পথে না হাঁটলে জনগণের মধ্যে হতাশা আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে তারা সতর্ক করে দেন।

পরিশেষে, বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে এক প্ল্যাটফর্মে এসে রাষ্ট্রীয় সংস্কারের রূপরেখা বাস্তবায়নে চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানান জেএসডির নেতারা। তারা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন যে জনগণের প্রকৃত অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত তাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে এবং ক্ষমতার যথেচ্ছাচার রোধে তারা সোচ্চার থাকবেন।

জঙ্গল সলিমপুরে বিএনপির ৭১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জঙ্গল সলিমপুরে বিএনপির ৭১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি

জঙ্গল সলিমপুরে বিএনপির ৭১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি

রাজনীতি ডেস্ক: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বহুল আলোচিত পাহাড়ি এলাকা জঙ্গল সলিমপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) একটি নতুন সাংগঠনিক ওয়ার্ড কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির পক্ষ থেকে ৭১ সদস্যবিশিষ্ট এই পূর্ণাঙ্গ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। পাহাড়ি জনপদ হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চলে রাজনৈতিক কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

ঘোষিত এই কমিটিতে বোরহান উদ্দিন জিয়াকে সভাপতি এবং মিজানুর রহমান রাজু সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মোড় জাহাঙ্গীর আলম ও সদস্যসচিব খ ম নাজিম উদ্দিন যৌথভাবে এই কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন। স্থানীয় পর্যায়ে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই শীর্ষ নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়েছে।

কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদের মধ্যে আবদুর সাত্তারকে সিনিয়র সহসভাপতি এবং মো. হেলাল উদ্দিন মিয়াকে সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে। এ ছাড়া আহমদ উল্লাহ যুগ্ম সম্পাদক, শাহজাহান বাদশা সাংগঠনিক সম্পাদক, মো. হাসান সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও শরীফ হোসেন অর্থ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন। পাশাপাশি কার্যকরী সদস্য পদে সাইদুল হক ছাদুসহ অন্যান্য নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নবগঠিত কমিটির নেতারা জানিয়েছেন, জঙ্গল সলিমপুরে বিএনপির সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়াতে এবং দলকে আরও গতিশীল করতে তারা কাজ করবেন। বর্তমান গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করার পাশাপাশি স্থানীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে এই কমিটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য যে, জঙ্গল সলিমপুর এলাকাটি অতীতে বিভিন্ন কারণে আলোচনায় ছিল এবং বর্তমানে সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রয়েছে।