খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ই-টায়ারে রানার্সআপ বাংলাদেশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৫৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ই-টায়ারে রানার্সআপ বাংলাদেশ

ই-টায়ারে রানার্সআপ বাংলাদেশ

খেলা ডেস্ক: ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যাল আসরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে ই-টায়ার প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশ দল। টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বে পঞ্চম স্থানে থাকা দলগুলোকে নিয়ে গঠিত এই বিশেষ ই-টায়ার পর্বে লাল-সবুজের কিশোর ফুটবলাররা দারুণ লড়াই চালিয়ে ফাইনালে নিজেদের জায়গা করে নেয়। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের কাছে পরাজিত হলেও তাদের এই সাফল্য দেশের ফুটবলের জন্য একটি বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ফাইনাল ম্যাচে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যের কাছে ৪-১ গোলের ব্যবধানে হেরে মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশি কিশোরদের। ম্যাচের প্রথমার্ধেই প্রতিপক্ষের ফরোয়ার্ড মোহি দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করে দলকে চালকের আসনে বসিয়ে দেন, যেখানে তিনি ১৪, ২৬ ও ৩৯ মিনিটে গোলগুলো করেন। এছাড়া ১৬ মিনিটের মাথায় পেনেলের করা আরও একটি গোল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ প্রতিপক্ষের হাতে পুরোপুরি তুলে দেয়।

বাংলাদেশ দলের পক্ষে ম্যাচের ২৩ মিনিটে একমাত্র গোলটি করেন তাকিব, যা ব্যবধান কমালেও শেষ পর্যন্ত পরাজয় এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। এই একটিমাত্র গোলের সুবাদে বাংলাদেশ লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করলেও সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের সুসংগঠিত রক্ষণভাগ ও আক্রমণভাগের চাপ সামলে উঠতে পারেনি। এর ফলে ই-টায়ারের রানার্সআপ ট্রফি নিয়েই তাদের এবারের বিশ্বকাপ মিশনের সফল সমাপ্তি ঘটে।

এর আগে পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে বেশ চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ফাইনালে পৌঁছায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ দল। ওয়েলসের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপ মিশন শুরুর পর পর্তুগালের কাছে হার এবং ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ড্রয়ের মুখ দেখে দলটি। তবে পরের ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়িয়ে ফিজিকে পরাজিত করা এবং টাইব্রেকারে সিশেলস ও সিঙ্গাপুরকে হারিয়ে নকআউট পর্বে নিজেদের শক্তির প্রমাণ দেয় তারা। পরবর্তীতে কোয়ার্টার ফাইনালে মন্টেনেগ্রোকে এবং সেমিফাইনালে গ্যাবনকে পরাজিত করে ফাইনালে ওঠার টিকিট নিশ্চিত করেছিল উদীয়মান এই ফুটবলাররা।

advertisement
advertisement

ভূমির লাগামহীন বাণিজ্যিকীকরণে বসবাসের যোগ্যতা হারাচ্ছে রাজধানী: নগর বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভূমির লাগামহীন বাণিজ্যিকীকরণে বসবাসের যোগ্যতা হারাচ্ছে রাজধানী: নগর বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ

দ্য ডেইলি স্টারের ‘মহানগর ঢাকা: ইতিহাস ও রূপান্তর’ শীর্ষক ইতিহাস আড্ডার ৩৫তম পর্বে আলোচকেরা। রাজধানীর দ্য ডেইলি স্টার সেন্টারে, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

অব্যবস্থাপনাপূর্ণ নগরায়ণ, করপোরেট মুনাফার লোভ এবং ভূমির মাত্রাতিরিক্ত বাণিজ্যিক ব্যবহারের কারণে ঢাকা দিন দিন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠছে বলে সতর্ক করেছেন নগর–পরিকল্পনাবিদ ও স্থপতিরা। তাঁদের অভিমত, জনকল্যাণকে গুরুত্ব না দিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং যথাযথ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ব্যর্থতায় নগরীর পরিবেশ, জলাধার ও সামগ্রিক নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বিপর্যস্ত হচ্ছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর দ্য ডেইলি স্টার সেন্টারে পত্রিকাটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘মহানগর ঢাকা: ইতিহাস ও রূপান্তর’ শীর্ষক ইতিহাস আড্ডার ৩৫তম পর্বে বক্তারা এসব বিষয় তুলে ধরেন। পর্বটি পরিচালনা করেন দ্য ডেইলি স্টারের সাংবাদিক ইমরান মাহফুজ।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক শায়ের গফুর মন্তব্য করেন, জমির অনিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যিকীকরণের কারণেই ঢাকা বাসযোগ্যতা হারিয়েছে, যা কর্তৃপক্ষের পরোক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় প্রসার পেয়েছে। এই বাণিজ্যিকীকরণের রাশ না টেনে বাসযোগ্য নগর গড়ার কথা বলা স্পষ্টতই পরস্পরবিরোধী। একই সুর তুলে ধরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও নগর–পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, বিগত তিন দশকে ঢাকাকে স্রেফ একটি বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত করা হয়েছে। নগর–পরিকল্পনা থেকে শুরু করে ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ—সবখানেই জনস্বার্থকে পাশ কাটিয়ে করপোরেট মুনাফাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

পরিবহন ব্যবস্থার অসঙ্গতি তুলে ধরে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) উপপরিবহন পরিকল্পনাবিদ ধ্রুব আলম জানান, দীর্ঘ সময় ধরে ঢাকার যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়ন একটি টেকসই কাঠামোর বদলে বিচ্ছিন্ন ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের ওপর ভিত্তি করে এগিয়েছে। এমনকি জাতীয় নগর পরিবহন নীতিমালায় পথচারীদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ থাকলেও পরিবহন পরিকল্পনার মোট বাজেটের ১ শতাংশেরও কম অর্থ তাঁদের সুবিধার জন্য খরচ করা হয়।

প্রবীণদের সুস্থতায় একাকিত্ব দূর ও অভিজ্ঞতা মূল্যায়নের তাগিদ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রবীণদের সুস্থতায় একাকিত্ব দূর ও অভিজ্ঞতা মূল্যায়নের তাগিদ

বক্তব্য দেন জাতীয় অধ্যাপক বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি চিকিৎসক এ কে আজাদ খান। ৩১ অক্টোবর

প্রবীণদের সুস্থ ও সুন্দর জীবন নিশ্চিতে তাঁদের একাকিত্ব মোচনের বিকল্প নেই। এজন্য পারিবারিক ভালোবাসা ও সান্নিধ্যের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং তাঁদের জীবনলব্ধ অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে। আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ সিনিয়র সিটিজেনস ওয়েলফেয়ার সোসাইটি আয়োজিত গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব মতামত তুলে ধরেন আলোচকেরা। তাঁরা প্রবীণ ও নবীন প্রজন্মের মাঝে নিয়মিত যোগাযোগ ও মেলবন্ধনের ওপর বিশেষ জোর দেন।

অনুষ্ঠানে সমাজের তিনজন বরেণ্য ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সংবর্ধিত ব্যক্তিরা হলেন—জাতীয় অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ডা. এ কে আজাদ খান, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং কৃষিবিজ্ঞানী জহুরুল করিম।

সম্মাননা গ্রহণ করে ডা. এ কে আজাদ খান বলেন, দেশে প্রবীণ মানুষের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাই তাঁদের অবহেলার কোনো সুযোগ নেই। প্রবীণদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা সমাজের বড় সম্পদ, যা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে লাগানো দরকার। শুধু অর্থবিত্ত থাকলেই প্রবীণরা ভালো থাকেন না; তাঁদের মানসিক শক্তি জোগাতে পরিবারের সন্তানদের নৈকট্য ও স্নেহ অত্যন্ত জরুরি। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সোসাইটির চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, সহমর্মিতার মনোভাব নিয়ে প্রবীণবান্ধব সমাজের পাশাপাশি নারী ও শিশুদের উপযোগী পরিবেশও তৈরি করতে হবে। প্রবীণরা করুণার পাত্র নন, বরং শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার দাবিদার। তরুণ ও প্রবীণদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে উভয় পক্ষই উপকৃত হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রবীণ জীবনের সংকট প্রসঙ্গে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রচুর সম্পদ থাকার পরও অনেকে নিঃসঙ্গতায় ভোগেন। আবার এমন অনেকেই আছেন যাঁদের দেখভালের কেউ নেই, তাঁদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা নিশ্চিত করা আবশ্যক। এ ছাড়া বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার জন্য দেশে বিশেষায়িত জেরিয়াট্রিক স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন। একজন কৃষকের সন্তান হিসেবে আজীবন কৃষির সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারায় গর্ব প্রকাশ করেন কৃষিবিজ্ঞানী জহুরুল করিম। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে এখনো জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা ও নিরাপদ আশ্রয়ের বড় ঘাটতি রয়েছে। প্রবীণদের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি সোসাইটির কার্যক্রম গ্রামপর্যায়েও ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন বাংলাদেশ লায়ন্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এ কে এম রেজাউল হক। এই আয়োজনকে ‘আলোকিত মানুষের সংবর্ধনা’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর দেশে অবকাঠামোগত বহু অগ্রগতি হলেও প্রবীণদের কল্যাণে সংশ্লিষ্টদের যথেষ্ট অদক্ষতা ও সীমাবদ্ধতা দেখা যায়। তিনি এই ঘাটতি দূর করে জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের কল্যাণে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

সাত দফা দাবি না মানলে এক দফার আন্দোলন অনিবার্য: কুষ্টিয়ায় জামায়াত আমির

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাত দফা দাবি না মানলে এক দফার আন্দোলন অনিবার্য: কুষ্টিয়ায় জামায়াত আমির

কুষ্টিয়ায় লংমার্চে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান। শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম মাঠে

কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম মাঠে শনিবার দিবাগত রাতে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের সমাপনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তাদের ঘোষিত দাবিগুলোর একটিও দলীয় স্বার্থে নয়, বরং সবই জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য। তিনি উল্লেখ করেন, সাত দফা দাবি মেনে নেওয়া হলে এক দফার কোনো প্রয়োজন পড়বে না, তবে তা অগ্রাহ্য করা হলে এক দফার আন্দোলন অনিবার্য হয়ে উঠবে এবং দেশ, জনগণ ও নাগরিক অধিকারের স্বার্থেই সেই ডাক দিতে তারা বাধ্য হবেন।

শনিবার রাত ১১টা ৩৩ মিনিটে শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জামায়াত আমির অনুষ্ঠানমঞ্চে আসন গ্রহণ করেন এবং রাত ১১টা ৪৮ মিনিটে বক্তব্য দিতে শুরু করে মাত্র ৬ মিনিট কথা বলেন। বক্তব্যে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জনগণের ভোটে গঠিত সংসদের পাশাপাশি একটি সংস্কার পরিষদ গঠনের প্রত্যাশা ছিল, যা সংসদে বসেই সংকট নিরসন করত; কিন্তু কৌশলী ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন কবজা করে এখন ঔদ্ধত্য দেখানো হচ্ছে। অতীতের ইতিহাস টেনে তিনি সতর্ক করেন যে, গণরায় অবমাননাকারীদের পরিণতি সবসময়ই করুণ হয়েছে। ঢাকা থেকে লংমার্চ নিয়ে কুষ্টিয়ায় আসার কথা উল্লেখ করে তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, এক দফার প্রয়োজনে কুষ্টিয়া থেকে পুনরায় ঢাকা যাওয়ার ডাক এলে তারা প্রস্তুত কি না। তিনি স্পষ্ট জানান, কাউকে দেওয়ার মতো বিরিয়ানি বা অর্থ তাদের নেই, তবে অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে জীবন গেলেও অন্যায়ের কাছে তারা নতি স্বীকার করবেন না।

কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমির খন্দকার এ কে এম আলী মুহসিন ও সেক্রেটারি এনামুল হকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, মাত্র আট মাসের মাথায় কেন তাদের রাজপথে নামতে হলো তা বিএনপির নেতারা বুঝতে পারছেন না। সরকার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, লুটপাট ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, সচিবালয় থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত দলীয়করণ হয়েছে এবং সারের একটি ডিলারশিপের জন্য ১২ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হয়েছে। একই সমাবেশে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, দেশকে আর কোনো ভিনরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য বা কারও পৈতৃক তালুকদারি হতে দেওয়া হবে না এবং সাত দফা পূরণ না হলে যে কোনো সময় ঢাকার উদ্দেশ্যে এক দফার ডাক আসবে। এছাড়া কর্নেল অলি আহমদ বলেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত সুশাসনের প্রত্যাশা থাকলেও বর্তমান সরকারের আমলে মানুষ তা পাচ্ছে না, ফলে বিগত সরকারের সঙ্গে এদের কোনো পার্থক্য নেই। সমাবেশে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল হান্নান মাসউদসহ এনসিপি, এবি পার্টি, জাগপা, লেবার পার্টি ও ছাত্রশিবিরের শীর্ষ ও স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন নেতা এবং সংসদ সদস্যরা বক্তব্য রাখেন।

এর আগে শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে। হানিফ ফ্লাইওভার ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, খুলনা, রূপসা সেতু, যশোর, ঝিনাইদহ এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক অতিক্রম করে রাত ১১টার দিকে বহরটি কুষ্টিয়ায় পৌঁছায়। প্রায় ৪২৫ কিলোমিটারের এই দীর্ঘ যাত্রাপথে ১৯টি জেলা স্পর্শ করার পাশাপাশি একাধিক পথসভা অনুষ্ঠিত হয় এবং রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে লংমার্চের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। এর পূর্বে গত ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম ও ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে লংমার্চ সম্পন্ন করেছিল ১১ দলীয় ঐক্য। খুলনা বিভাগের কর্মসূচি শেষে আগামী ২১ নভেম্বর সিলেট অভিমুখে পরবর্তী লংমার্চ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে জোটের।