খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে মহানবী (সা.) যে ৩ শর্ত বলেছেন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে মহানবী (সা.) যে ৩ শর্ত বলেছেন

বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে মহানবী (সা.) যে ৩ শর্ত বলেছেন

ধর্ম ডেস্ক: বর্তমান সমাজে বিয়ের জন্য পাত্র বা পাত্রী নির্বাচনের সময় বাহ্যিক সৌন্দর্য এবং আর্থিক সচ্ছলতাকেই প্রধান মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে ইসলাম ধর্ম এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ বাস্তবমুখী ও দূরদর্শী কিছু মানদণ্ড নির্ধারণ করে দিয়েছেন। মানুষের সাময়িক রূপ বা ক্ষণস্থায়ী সম্পদের চেয়েও তিনি মানুষের অভ্যন্তরীণ গুণাবলি এবং চরিত্রকে অনেক বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন।

ইসলামের সোনালী ইতিহাস এবং হাদিসের বাণী বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, একটি সফল ও শান্তিপূর্ণ পরিবার গঠনের জন্য বাহ্যিক রূপের চেয়ে মানসিক মেলবন্ধন ও আত্মিক প্রশান্তি অত্যন্ত জরুরি। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে মূলত তিনটি বিশেষ গুণের ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এই নির্দেশনার মূল উদ্দেশ্য হলো বৈবাহিক জীবনে দীর্ঘস্থায়ী সুখ, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং একটি আদর্শ নৈতিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।

পাত্রী বা পাত্র নির্বাচনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রথম এবং প্রধান শর্ত হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে ধর্মীয় অনুশাসন ও ভালো চরিত্রকে। কারণ পার্থিব সৌন্দর্য ও অর্থ একসময় ফুরিয়ে যেতে পারে, কিন্তু ধার্মিকতা ও নৈতিকতা সারাজীবন মানুষের জীবনকে সুন্দর ও সুরক্ষিত রাখে। একজন সৎ ও খোদাভীরু মানুষ কখনোই তার জীবনসঙ্গীর প্রতি অবিচার করতে পারে না, যা পারিবারিক জীবনকে সবসময় শান্তিময় করে তোলে।

দ্বিতীয়ত, বংশমর্যাদা বা পারিবারিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক মর্যাদার বিষয়টিও ইসলামের দৃষ্টিতে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। একটি ভালো পরিবারে বেড়ে ওঠা মানুষ সাধারণত সামাজিক মূল্যবোধ, শিষ্টাচার এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকে। এই পারিবারিক পটভূমি বা পরিবেশ দম্পতির ভবিষ্যৎ জীবন এবং তাদের সন্তান সন্ততির লালন-পালনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

সর্বোপরি, এই গুণগুলোর পাশাপাশি পাত্র-পাত্রীর পারস্পরিক পছন্দ এবং মনের মিলের বিষয়টিও সমানভাবে গুরুত্ব পায়। বাহ্যিক রূপ বা সম্পদের মোহ ত্যাগ করে যদি এই মূলনীতিগুলো মেনে জীবনসঙ্গী নির্বাচন করা হয়, তবে সেই পরিবারে আল্লাহর রহমত বজায় থাকে। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় এভাবেই একটি সুখী, সমৃদ্ধ এবং স্থিতিশীল পরিবার গঠনের পথনির্দেশনা স্পষ্টভাবে দেওয়া হয়েছে।

advertisement
advertisement

ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন-অর-রশিদকে বরখাস্ত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন-অর-রশিদকে বরখাস্ত

ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন-অর-রশিদকে বরখাস্ত

জাতীয় ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার গুরুতর অভিযোগে পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক বা ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তা মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করেছে সরকার। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বা ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবে ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস দায়িত্বে থাকাকালীন তিনি এই শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা ঘটান। প্রচলিত সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী তার এই স্বেচ্ছায় অনুপস্থিতিকে আইনগতভাবে পলায়ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী এই কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা শাখা থেকে সম্প্রতি এই বরখাস্তের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয় এবং সরকারি আদেশ অনুযায়ী এই বরখাস্তের সিদ্ধান্ত ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের ষষ্ঠ দিন থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে। কর্মস্থলে তার এই অনুপস্থিতির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের জন্য তার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার পাশাপাশি ইলেকট্রনিক ঠিকানায় একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কর্মস্থলে যোগদান করা থেকে বিরত থাকেন।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠায় পুলিশ অধিদপ্তর। এর ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয় এবং আনীত অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়। তবে তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নোটিশের কোনো লিখিত জবাব দেওয়া থেকে বিরত থাকেন এবং সময় বাড়ানোর জন্যও কোনো ধরনের আবেদন করেননি।

দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন দায়িত্বশীল পদে থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে এবং বিভাগীয় কার্যক্রমে সহযোগিতা না করায় তার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপ অনিবার্য হয়ে ওঠে। এই প্রজ্ঞাপন জারির মধ্য দিয়ে পুলিশ বাহিনীতে শৃঙ্খলা বজায় রাখার বার্তা দেওয়া হয়েছে এবং পলাতক এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক বিধি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপগুলো সম্পন্ন করা হচ্ছে।

আমাদের দাবি আদায়ে একদফার ডাক আসতে পারে: জামায়াত আমির

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আমাদের দাবি আদায়ে একদফার ডাক আসতে পারে: জামায়াত আমির

আমাদের দাবি আদায়ে একদফার ডাক আসতে পারে: জামায়াত আমির

রাজনীতি ডেস্ক: সম্প্রতি বাগেরহাটের কাটাখালীতে আয়োজিত একটি পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন যে তাদের উত্থাপিত সাত দফা দাবি কেবল দলীয় কোনো এজেন্ডা নয়, বরং এটি দেশের সাধারণ মানুষের প্রাণের দাবি। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেন যে জনগণের এই অধিকার যেকোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করা হবে এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে অচিরেই একদফার কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে। এ সময় তিনি দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান এবং আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের প্রস্তুতি নিতে বলেন।

চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও গণভোটের রায় প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান মন্তব্য করেন যে জনগণের রায় কোনোভাবেই উপেক্ষা করা চলবে না এবং বিএনপিকে অবশ্যই তা বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন যে গণভোটের রায়ের সঙ্গে কোনো ধরনের প্রতারণা বা গড়িমসি বরদাস্ত করা হবে না। দেশের ১১ দলের লংমার্চে হাজার হাজার মুক্তিকামী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন যে জনগণের এই সম্মিলিত রায়কে সম্মান জানাতে হবে এবং কোনো অজুহাত দেখিয়ে তা এড়ানোর সুযোগ নেই।

বিএনপির উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিয়ে জামায়াত আমির বলেন যে সময় থাকতেই যেন তারা জনগণের এই রায় স্বেচ্ছায় মেনে নেয়, অন্যথায় সাধারণ জনতাই নিজেদের অধিকার বুঝে নিতে জানে। একই সভায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক তীব্র সমালোচনা করে বলেন যে বিগত নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে ক্ষমতায় বসলেও গণভোটের রায়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না। তিনি আরও সতর্ক করে বলেন যে সরকার যদি জনগণের এই রায়ের বাস্তবায়ন না করে, তবে ১১ দলীয় জোট যেকোনো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে।

উক্ত পথসভায় ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ অভিযোগ করেন যে বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাস চাঁদাবাজি ও জুলাইয়ের শহীদদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাস। তিনি বলেন যে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে এবং খুন ও গুমের সংস্কৃতি থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে দলটি। বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে এই লংমার্চের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান তিনি, যাতে জনগণের সামনে বিএনপির নানা অনিয়ম ও ব্যর্থতার ইতিহাস তুলে ধরা যায়।

ইনানীতে গ্যাস ও জ্বালানি তেল প্রাপ্তির সম্ভাবনা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে গ্যাস ও জ্বালানি তেল প্রাপ্তির সম্ভাবনা

ইনানীতে গ্যাস ও জ্বালানি তেল প্রাপ্তির সম্ভাবনা

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার ইনানী এলাকায় একটি বাড়িতে নলকূপ স্থাপনের সময় মাটির গভীর থেকে গ্যাস ও জ্বালানি তেল বের হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি ওই এলাকায় নলকূপ বসানোর কাজ চলার সময় ভূগর্ভের প্রায় এক হাজার ফুট গভীরে পাইপ পৌঁছানোর পর প্রাকৃতিকভাবে গ্যাস নির্গত হতে শুরু করে এবং একপর্যায়ে তাতে আগুন ধরে যায়। এই আকস্মিক ঘটনায় উৎসস্থল থেকে টানা কয়েক দিন ধরে আগুন জ্বলতে থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় গত ২৭ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে একটি উচ্চপর্যায়ের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, উখিয়া উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলের আশপাশের ২০০ মিটারের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশ, ঘোরাফেরা এবং আগুন জ্বালানোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। নিরাপত্তার স্বার্থে সেখানে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করা হয় এবং এলাকাটিতে লাল পতাকা টানিয়ে ও কাঁটাতারের বেড়া বসিয়ে অবরুদ্ধ করা হয়। তা সত্ত্বেও প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে উৎসুক মানুষ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভিড় জমায়, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ঘটনার পর বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড তথা বাপেক্স এবং পেট্রোবাংলার উচ্চপর্যায়ের একটি কারিগরি দল একাধিকবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পেট্রোবাংলার প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, নির্গত হওয়া এই গ্যাস অগভীর কোনো প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত বা শ্যালো রিজার্ভার থেকে আসছে। এছাড়া আগুনের শিখার বিশেষ রং দেখে বিশেষজ্ঞরা অনুমান করছেন যে, এই গ্যাসের সঙ্গে মূল্যবান জ্বালানি তেল বা কনডেনসেটও থাকতে পারে। গ্যাস ও জ্বালানি তেলের এই মজুত যদি উৎপাদন উপযোগী বলে প্রমাণিত হয়, তবে তা দেশের জ্বালানি খাতে নতুন এক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

আগুন ও গ্যাস নির্গমনের প্রকৃত প্রকৃতি সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পেট্রোবাংলা ও বাপেক্স যৌথভাবে আগামী ১৫ দিন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণের সময় যদি গ্যাসের প্রবাহ বা আগুনের তীব্রতা না কমে, তবে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে আধুনিক সাইড ট্র্যাকিং প্রযুক্তির সাহায্যে একটি রিলিফ কূপ খনন করা হবে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন ধরনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠিয়েছে। বিশ্বজুড়ে এ ধরনের ভূতাত্ত্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এই প্রযুক্তি সফলভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এবং বিশেষজ্ঞ দল আশা করছে নিজস্ব সক্ষমতা দিয়েই এই সংকট সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।