খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় মায়ের সংগ্রাম, নটর ডেম থেকে ছেলের জিপিএ–৫

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় মায়ের সংগ্রাম, নটর ডেম থেকে ছেলের জিপিএ–৫

গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় মায়ের সংগ্রাম, নটর ডেম থেকে ছেলের জিপিএ–৫

জাতীয় ডেস্ক: ছেলের উন্নত ভবিষ্যতের স্বপ্ন বুকে নিয়ে বরিশালের উজিরপুর উপজেলা থেকে রাজধানীর ঢাকায় পাড়ি জমিয়েছিলেন এক সংগ্রামী মা। স্বামীর সীমিত আয়ের সংসারে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি ছেলেকে পড়ালেখার সুযোগ করে দেওয়ার পণ করেছিলেন। রাজধানীর একটি ছোট সাবলেট বাসায় থেকে মা ও ছেলে জীবনের নানা সংগ্রাম মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে থাকেন। মায়ের এই অদম্য জেদ এবং সীমাহীন ত্যাগের মূল উদ্দেশ্যই ছিল একমাত্র সন্তানকে মানুষের মতো মানুষ করে তোলা।

পরিবারের এই কঠিন লড়াইয়ের কাঙ্ক্ষিত প্রতিদান মিলেছে সাম্প্রতিক প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষার ফলাফলে। মর্যাদাপূর্ণ নটর ডেম কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে অংশ নিয়ে সর্বোচ্চ ফলাফল তথা জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন মোহাম্মদ জুবায়ের ইসলাম হামিদ। ফলাফল প্রকাশের পর এই আনন্দের মুহূর্তটি মা ও ছেলের বিগত দিনের সব কষ্ট ও না পাওয়ার বেদনাকে এক নিমিষেই মুছে দিয়েছে। সন্তানের এমন সাফল্যের পেছনে মায়ের নিরলস পরিশ্রম ও ধূপের মতো জ্বলে ওঠার গল্প এখন সবার মুখে মুখে।

শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই জুবায়ের অত্যন্ত মনোযোগী ও মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন বলে জানিয়েছেন তার শিক্ষকরা। অর্থনৈতিক সংকট এবং রাজধানীর জটিল নাগরিক জীবন তাদের জন্য কখনোই সহজ ছিল না, কিন্তু কোনো বাধাই তাদের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। সাবলেট বাসার ছোট্ট একটি ঘরে আলো জ্বালিয়ে রাতদিন পড়াশোনা করতেন জুবায়ের, আর পাশে থেকে ছায়া হয়ে তাকে অনুপ্রেরণা জুগিয়ে গেছেন তার মা। কষ্টের দিনগুলোতে মা কখনোই ছেলেকে বুঝতে দেননি পরিবারের আর্থিক সীমাবদ্ধতার কথা, বরং সবসময় পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।

উচ্চমাধ্যমিকের এই দুর্দান্ত সাফল্যের পর জুবায়েরের চোখে এখন আরও বড় ও সুদূরপ্রসারী স্বপ্ন। তিনি ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে একজন দক্ষ প্রকৌশলী হয়ে দেশের সেবা করতে চান এবং নিজের মায়ের সব কষ্টের ঋণ পরিশোধ করতে চান। তার এই অভাবনীয় সাফল্যে এলাকাবাসী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও তাকে এবং তার সংগ্রামশীল মাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়েছে। সমাজের সাধারণ মানুষের কাছে এই মা-ছেলের জুটি এখন এক অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে উঠেছে, যা প্রমাণ করে যে সততা ও কঠোর পরিশ্রম থাকলে সব প্রতিকূলতা জয় করা সম্ভব।

advertisement
advertisement

দীর্ঘ বিরতির পর আবার পড়াশোনা, ৫২ বছরে শেফালীর এইচএসসি জয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দীর্ঘ বিরতির পর আবার পড়াশোনা, ৫২ বছরে শেফালীর এইচএসসি জয়

দীর্ঘ বিরতির পর আবার পড়াশোনা, ৫২ বছরে শেফালীর এইচএসসি জয়

শিক্ষা ডেস্ক: জীবনের পঞ্চান্ন বছর পেরিয়ে এসে শিক্ষার আলোয় নতুন এক ইতিহাস গড়লেন নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার কালিগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা শেফালী বেগম। দীর্ঘ শিক্ষাবিরতি, পারিবারিক নানা প্রতিবন্ধকতা এবং জীবনের শত ব্যস্ততাকে পেছনে ফেলে তিনি এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ চার দশমিক একুশ অর্জন করেছেন। তাঁর এই অভাবনীয় সাফল্য কেবল নিজের পরিবার নয়, বরং পুরো সমাজকে নতুন করে স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছে। এই বয়সে এসেও এমন সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, ইচ্ছা থাকলে প্রতিকূল পরিস্থিতি জয় করা সম্ভব।

শেফালী বেগমের শিক্ষাজীবনের এই পথচলা ছিল বেশ দীর্ঘ ও সংগ্রামমুখর। মাত্র দেড় বছর বয়সে ফুফাতো ভাই মোকছেদুল আলমের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল এবং ১৯৮৫ সালে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় তাঁকে স্বামীর বাড়িতে চলে যেতে হয়। এরপর থেকেই পড়াশোনার দীর্ঘ বিরতি শুরু হয় এবং তিনি সংসার ও সন্তানদের লালন-পালনে পুরোপুরি মনোনিবেশ করেন। তবে পারিবারিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি জনপ্রতিনিধি হিসেবেও সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ২০১১ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এলাকায় নেতৃত্ব দিয়েছেন।

পরিবারের পূর্ণ সমর্থন ও নিজের প্রবল ইচ্ছাশ জোরে ২০২০ সালে তিনি দীর্ঘদিনের সুপ্ত বাসনাকে বাস্তবে রূপ দিতে আবারও পড়াশোনা শুরু করেন। স্বামী ও সন্তানের উৎসাহে তিনি ডোমার উপজেলার গোমনাতি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজে ভর্তি হন এবং ২০২৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ চার দশমিক ঊনত্রিশ অর্জন করেন। কোনো ধরনের গৃহশিক্ষক ছাড়াই নিজের চেষ্টায় প্রতিদিন রাতের বেলা পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন তিনি, এমনকি অনেক সময় গভীর রাত পর্যন্ত জেগে পড়ালেখা করেছেন। তাঁর এই নিরলস পরিশ্রম ও ধৈর্যই তাঁকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে।

শেফালী বেগমের এই সাফল্যে তাঁর পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তাঁর স্বামী মোকছেদুল আলম জানিয়েছেন যে তারা সবসময় তাঁর পড়াশোনার পথে পাশে থেকেছেন এবং সংসারের কাজে সহযোগিতা করেছেন যাতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেন। অন্যদিকে তাঁর বড় ছেলে আব্দুর রাজ্জাক মায়ের এই অর্জনে নিজের আনন্দ প্রকাশ করে নিজেকে একজন সৌভাগ্যবান সন্তান হিসেবে অভিহিত করেছেন। শেফালী বেগম এখানেই থেমে থাকতে চান না, বরং তিনি এবার উচ্চশিক্ষার জন্য অনার্সে ভর্তি হয়ে সামনে আরও এগিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবেন না: বিএনপিকে ডা. শফিকুর রহমান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবেন না: বিএনপিকে ডা. শফিকুর রহমান

জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবেন না: বিএনপিকে ডা. শফিকুর রহমান

রাজনীতি ডেস্ক: জনগণের অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনে রক্ত ও জীবন দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, কোনো অবস্থাতেই সাধারণ মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসভঙ্গ করা হবে না। সম্প্রতি যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কঠোর অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জনগণের প্রকৃত রায় ও গণভোটের ফলাফলের প্রতি পূর্ণ সম্মান প্রদর্শন করলেই কেবল সরকার যথাযথ সম্মান অর্জন করতে সক্ষম হবে।

বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে আয়োজিত লংমার্চের অংশ হিসেবে এই পথসভার আয়োজন করা হয়। গণভোটের রায় যথাযথভাবে বাস্তবায়ন, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা এবং জ্বালানি ও সারের চলমান সংকট দূর করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দেশে সব ধরনের দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি কঠোরভাবে বন্ধ করার জোরালো দাবিও উত্থাপন করা হয় এই কর্মসূচি থেকে।

বর্তমান সরকারকে ফ্যাসিবাদের পুরোনো পথ পরিহার করে জনকল্যাণমুখী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ১১ দলীয় জোটের উপস্থাপিত দাবিগুলো অত্যন্ত স্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত। সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যেই তারা রাজপথে নেমেছেন এবং জনগণের এই দাবি পুরোপুরি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাবেন না। সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই।

সংক্ষিপ্ত এই পথসভা শেষ হওয়ার পর জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোটের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে লংমার্চের মূল বহরটি যশোরের অভয়নগর থেকে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। ওই পথসভায় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আতিকুর রহমান, ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেনসহ স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ।

ভবিষ্যৎ ফ্যাসিবাদ রোধে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভবিষ্যৎ ফ্যাসিবাদ রোধে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভবিষ্যৎ ফ্যাসিবাদ রোধে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আর কোনো স্বৈরশাসক বা ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থার উত্থান রোধ করতে প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যে দেশের সংবিধান সংশোধনের কাজটি ব্যাপক রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে সম্পন্ন করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি উল্লেখ করেন যে, গণতন্ত্রকে সুরক্ষার জন্য বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা, একটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার স্থায়ী আইনি রূপ এবং গণমাধ্যমের স্বাধীন সত্তা অপরিহার্য। একই সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে কার্যকর সব তদারকি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কথা বলেন তিনি।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মনসুন থিয়েটারে আয়োজিত গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা সেমিনার সিরিজের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মতামত তুলে ধরেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের সাংবিধানিক সংকট ও বাকশাল শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। জাদুঘরের মহাপরিচালক এহসান মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য ফিরোজ আহমেদ এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাবিবুর রহমান।

আলোচনায় অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন যে, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনার সুনির্দিষ্ট বিধান থাকার পরও ১৯৭৫ সালে বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একদলীয় শাসনব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এর মাধ্যমেই মূলত দেশে সাংবিধানিক সংকট এবং স্বৈরতন্ত্রের বীজ রোপিত হয়েছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন। পরবর্তীতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করার প্রক্রিয়াটিকেও তিনি গণতন্ত্র ধ্বংসের একটি বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন, যা শেষ পর্যন্ত চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের পথ প্রশস্ত করেছিল।

ভবিষ্যতের রাষ্ট্র কাঠামো নিয়ে রূপরেখা তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান যে, নতুন রাজনৈতিক ধারায় জনগণের প্রকৃত ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিচারকদের জবাবদিহিও সুনির্দিষ্ট আইনের আওতায় আনতে হবে যাতে কোনো একক প্রতিষ্ঠান অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার অধিকারী হতে না পারে। এছাড়া উচ্চকক্ষ চালুর বিষয়টি ছাড়াও নির্বাচন ব্যবস্থায় সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব এবং গণভোটের বিধান চালুর ক্ষেত্রে বিরোধী দলসহ সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছানোর তাগিদ দেন তিনি।

বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন যে প্রশাসন কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কিংবা বিভাজনের পক্ষে নয়। জুলাই অভ্যুত্থানের মূল চেতনা এবং তরুণ সমাজের প্রত্যাশাকে পুরোপুরি ধারণ করে একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে সব রাজনৈতিক দলসহ আপামর জনসাধারণের পারস্পরিক ঐক্য একান্ত প্রয়োজন। আলাপ-আলোচনা ও রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমেই কেবল একটি টেকসই ও জনবান্ধব রাষ্ট্রব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।