খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বিনার গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্র উদ্বোধন, কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়বে ১২ মাস পর্যন্ত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:২৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিনার গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্র উদ্বোধন, কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়বে ১২ মাস পর্যন্ত

বিনার গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্র উদ্বোধন, কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়বে ১২ মাস পর্যন্ত

ডেস্ক রিপোর্ট: কৃষিপণ্যের অপচয় রোধ ও সংরক্ষণ ক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সম্প্রতি একটি নতুন গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বা বিনা আয়োজিত এই উদ্যোগ দেশের কৃষিখাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। আধুনিক এই প্রযুক্তির সাহায্যে এখন থেকে কৃষিপণ্য অনেক দীর্ঘ সময় পর্যন্ত তাজা ও উপযোগী রাখা সম্ভব হবে।

বিনার মহাপরিচালক সম্প্রতি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই প্রকল্পের বিভিন্ন ইতিবাচক দিক তুলে ধরেন। তিনি জানান যে এই বিশেষ বিকিরণ কেন্দ্র চালুর ফলে প্রতিবছর প্রায় ছাপ্পান্ন হাজার পাঁচশত টন কৃষিপণ্যের সংগ্রহোত্তর ক্ষতি সফলভাবে কমানো সম্ভব হবে। এর ফলে কৃষিজ পণ্যের পচন রোধ করা এবং বাজারজাতকরণের প্রক্রিয়া আরও সহজতর করা যাবে।

প্রযুক্তির এই ব্যবহারের ফলে আর্থিক দিক থেকেও দেশ বড় ধরনের লাভবান হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। মহাপরিচালকের তথ্য অনুযায়ী, এই কেন্দ্রটি কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে প্রতিবছর অন্তত তিপ্পান্ন কোটি সত্তর লাখ টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। কৃষিপণ্যের অপচয় কমার কারণে উৎপাদক ও ভোক্তা উভয় পক্ষই এর সুফল ভোগ করবেন।

কৃষিবিদরা আশা করছেন যে এই সংরক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষিপণ্যের মেয়াদ বারো মাস পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব হবে, যা খাদ্য নিরাপত্তায় বিশেষ ভূমিকা রাখবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উৎপাদিত কৃষিপণ্য সঠিক সময়ে সংরক্ষণ করে সারাবছর এর সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা যাবে। এ ধরনের উদ্যোগ কৃষকদের অর্থনৈতিক সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক খাদ্য অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

advertisement
advertisement

ব্যবসা সহজ করতে নিয়ন্ত্রণ কমানো হচ্ছে ১০৭ ক্ষেত্রে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ব্যবসা সহজ করতে নিয়ন্ত্রণ কমানো হচ্ছে ১০৭ ক্ষেত্রে

ব্যবসা সহজ করতে নিয়ন্ত্রণ কমানো হচ্ছে ১০৭ ক্ষেত্রে

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সহজ ও গতিশীল করার লক্ষ্যে ১০৭টি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে আনার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের অধীনে থাকা ১২টি খাতের এই প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘদিনের এসব ব্যবসায়িক জটিলতা এবং লালফিতার দৌরাত্ম্য দূর করতে ইতোমধ্যে ২২ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। সরকারের শীর্ষপর্যায়ের নির্দেশনায় গঠিত এই কমিটি সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে দ্রুত বিনিয়ন্ত্রণ কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সবচেয়ে বেশি ৩৭টি সমস্যা রয়েছে আয়কর, শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত। এছাড়া বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন সংক্রান্ত ২১টি, ইনভেস্ট বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক সংক্রান্ত ১৯টি করে, পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও বেপজার তিনটি করে, এসএমই ফাউন্ডেশনের দুটি এবং যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মের পরিদপ্তরের সঙ্গে একটি জটিলতা চিহ্নিত করা হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত টাস্কফোর্সের প্রথম বৈঠকে এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যবসা সহজীকরণের বিভিন্ন সফল মডেল অনুসরণ করে বাংলাদেশও এই সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। ভিয়েতনাম, ভারত, জর্জিয়া ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোতে প্রশাসনিক সংস্কার ও অপ্রয়োজনীয় শর্ত বাতিলের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়েছে। আমাদের দেশেও ব্যবসা শুরুর সময় কমানো এবং ডিজিটাল সেবা চালুর মাধ্যমে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির কাজ চলছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ব্যবসা শুরুর সময় ৩৫৫ দিন থেকে কমিয়ে মাত্র ১৪ দিনে নামিয়ে আনার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে কাজ করছে।

সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চলতি বছরেই অনলাইনে করপোরেট রিটার্ন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির পরিধি বৃদ্ধি, বন্ড অডিট শিথিল করা এবং কন্টিনিউয়াস বন্ড সুবিধা দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ঋণপত্রের বাধ্যতামূলক ব্যবহার শিথিলের বিষয়টিও বাংলাদেশ ব্যাংক বিবেচনা করছে। পরিবেশ অধিদপ্তরসহ অন্যান্য সংস্থাও ছাড়পত্র প্রদান প্রক্রিয়া অনলাইনভিত্তিক ও সহজতর করার উদ্যোগ নিয়েছে।

বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছেন। তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি এবং নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা শুল্কায়ন জটিলতা, পরিদর্শনের নামে হয়রানি এবং বন্ড লাইসেন্সসংক্রান্ত সমস্যাগুলো দ্রুত দূর করার দাবি জানিয়েছেন। সরকারের নীতিনির্ধারকরাও ব্যবসায়ীদের এসব যৌক্তিক দাবি আমলে নিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

৪ নভেম্বর থেকে সারা দেশে তিন দিন গ্যাস সরবরাহ কেন কম থাকবে জানাল পেট্রোবাংলা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৪ নভেম্বর থেকে সারা দেশে তিন দিন গ্যাস সরবরাহ কেন কম থাকবে জানাল পেট্রোবাংলা

৪ নভেম্বর থেকে সারা দেশে তিন দিন গ্যাস সরবরাহ কেন কম থাকবে জানাল পেট্রোবাংলা

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী ৪ নভেম্বর থেকে তিন দিন দেশজুড়ে গ্যাস সরবরাহ হ্রাস পাবে। বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশন বা পেট্রোবাংলা সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে গ্যাসের দৈনিক সরবরাহ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে আসবে বলে জানানো হয়েছে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত এই সময়ে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাসের সরবরাহ ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে হ্রাস পেয়ে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসবে। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কম সরবরাহ করা হবে। আগামী ৪ নভেম্বর সকাল আটটা থেকে শুরু হয়ে এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজ ৭ নভেম্বর বিকেল চারটা পর্যন্ত একটানা চলবে।

এলএনজি টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন বা প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার কারণে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় এই ঘাটতি দেখা দেবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকার গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে এবং রান্নাবান্না ও শিল্পকারখানার উৎপাদনে কিছু বিঘ্ন ঘটতে পারে।

জরুরি এই কাজের কারণে গ্রাহকদের সাময়িক এই অসুবিধার মুখে পড়তে হওয়ায় পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে গভীর দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। নির্ধারিত তিন দিন পর রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সফলভাবে শেষ হলে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি পুনরায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম

বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম

অর্থনীতি ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান সামরিক সংঘাত থামানোর লক্ষ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরালো হওয়ার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে উল্লেখযোগ্য পতন ঘটেছে। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি শান্ত করার এই কূটনৈতিক উদ্যোগে তেলের আন্তর্জাতিক বাজার অনেকটাই স্বস্তি ফিরে পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন। এশিয়া অঞ্চলের শেয়ার ও পণ্যের বাজারে লেনদেনের শুরুতেই জ্বালানি তেলের এই দরপতন লক্ষ্য করা যায়।

সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্য এক শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে। মূলত ইরান ও কাতারের উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা চলমান সংকট নিরসনে এবং একটি স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে ধারাবাহিক বৈঠক চালিয়ে যাচ্ছেন। টানা তিন দিন ধরে চলা এই আলোচনা ইতিবাচক দিকে মোড় নেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ সংকট কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সর্বশেষ বাজারভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বহুল প্রচলিত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৫১ ডলার বা ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড বর্তমানে ১শ ১১ দশমিক ৯২ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে গত কিছুদিন ধরে তেলের বাজারে যে অস্থিরতা বিরাজ করছিল, এই দরপতনের মাধ্যমে তা কিছুটা হলেও কমল।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দামও সমহারে হ্রাস পেয়েছে। এই ক্ষেত্রে প্রতি ব্যারেলের দাম ১ দশমিক ৭৮ ডলার বা ১ দশমিক ৭১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১শ ২ দশমিক ৩৪ ডলারে। কূটনৈতিক আলোচনার ফলস্বরূপ মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদন ও সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার প্রত্যাশা তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের এই দরপতন ঘটে বলে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন।