খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

মাদক-সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান এমপি ফখরুলের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৫৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মাদক-সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান এমপি ফখরুলের

মাদক-সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান এমপি ফখরুলের

রাজনীতি ডেস্ক: মাদক, সন্ত্রাস, দখলবাজি এবং চাঁদাবাজমুক্ত একটি সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ফখরুল ইসলাম। সম্প্রতি যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই জোরালো আহ্বান জানান। কোম্পানীগঞ্জ সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে বসুরহাট পৌরসভা ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দলীয় নেতাকর্মীদের ইতিবাচক ভূমিকা পালনের তাগিদ দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফখরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সবসময় সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে কাজ করে আসছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং শীর্ষ নেতৃত্ব এদেশের মানুষের হৃদয়ের অত্যন্ত কাছাকাছি অবস্থান করছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে দেশের সাধারণ মানুষ বিএনপিকে নিজেদের নিরাপদ আশ্রয় মনে করে বলেই অতীতে বড় রাজনৈতিক জয় এনে দিয়েছে। বর্তমান সরকার কোনো ধরনের অন্যায় ও রক্তচক্ষুকে ভয় পায় না এবং দেশের স্বার্থে কাউকেই বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা দেন।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন এই সংসদ সদস্য। জাতীয় নির্বাচনের মতো একই রকম ঐক্য ও সংহতি বজায় রেখে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা এবং পৌরসভা নির্বাচনে যুবদলসহ দলের সব স্তরের নেতাকর্মীদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। স্থানীয় পর্যায়ে দলের ভিত্তি আরও মজবুত করতে ঘরে ঘরে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। দলের এই নীতি বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আলোচনা সভায় জেলা যুবদলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বহু নেতাকর্মী উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। সভায় বক্তারা বলেন, বিএনপি সবসময় জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সোচ্চার ছিল এবং ভবিষ্যতেও জনগণের সেবা প্রদানে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। সভাপতির বক্তব্যে স্থানীয় যুবদলের শীর্ষ নেতা পুরো আয়োজনে সহযোগিতা করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং আগামী দিনে দলের যেকোনো আন্দোলন সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ থাকার শপথ গ্রহণ করেন।

advertisement
advertisement

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে শুরু হচ্ছে এআই বিষয়ক সার্টিফিকেট কোর্স

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে শুরু হচ্ছে এআই বিষয়ক সার্টিফিকেট কোর্স

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে শুরু হচ্ছে এআই বিষয়ক সার্টিফিকেট কোর্স

শিক্ষা ডেস্ক: আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে করপোরেট পেশাজীবীদের দক্ষতা বাড়াতে একটি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। পরিবর্তিত ব্যবসায়িক পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে করপোরেট নির্বাহীদের জন্য ছয় সপ্তাহ মেয়াদি একটি বিশেষ সার্টিফিকেট কোর্স চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্রোগ্রামটি মূলত ডিজিটাল যুগে ব্যবস্থাপকদের প্রযুক্তিগত সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাস্তবমুখী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কৌশলে দক্ষ করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সাজানো হয়েছে। বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজারে টিকে থাকতে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পেশাজীবীদের কর্মক্ষেত্রে আরও বেশি উদ্ভাবনী ও আধুনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ছয় সপ্তাহের এই নিবিড় প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে আধুনিক ব্যবসা ব্যবস্থাপনায় জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তবমুখী ব্যবহার, প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং স্বয়ংক্রিয় কর্মপদ্ধতি পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। অংশগ্রহণকারীরা ব্যবসায়িক চিঠিপত্র তৈরি, উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেলের সঠিক প্রয়োগ সম্পর্কে বিস্তারিত শিখবেন। এ ছাড়া ব্যক্তিগত ও করপোরেট প্রম্পট লাইব্রেরি তৈরি, দৈনন্দিন কাজ স্বয়ংক্রিয় করা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক দল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা।

এই কোর্সে অংশ নিতে হলে প্রার্থীদের যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রির পাশাপাশি অন্তত পাঁচ বছরের পেশাগত কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, তবে ব্যতিক্রমী যোগ্যতার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা শিথিলযোগ্য। কোর্সটিতে ভর্তির জন্য আগ্রহীদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে এবং প্রাথমিক বাছাইয়ের পর নির্বাচিতদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। চূড়ান্তভাবে মনোনীত প্রার্থীদের জন্য কোর্স ফি নির্ধারণ করা হয়েছে চল্লিশ হাজার টাকা এবং প্রতিটি ক্লাসে অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের নিজ দায়িত্বে ল্যাপটপ সঙ্গে আনতে হবে।

আইবিএ ভবন সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সেকশন অনুযায়ী ক্লাসগুলোতে প্রতি সপ্তাহের ছুটির দিনগুলোতে তিন ঘণ্টা করে মোট বারোটি ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। কোর্স সম্পর্কিত যেকোনো ধরনের বিস্তারিত তথ্য ও সহায়তার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ ভবনের চতুর্থ তলার নির্দিষ্ট কার্যালয়ে বা প্রদত্ত যোগাযোগ নম্বরে সরাসরি যোগাযোগ করা যাবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগের ফলে দেশের করপোরেট খাতের ব্যবস্থাপকরা বিশ্বমানের প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন এবং দেশের সার্বিক ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপনায় এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

রাজশাহী কর আপিল অঞ্চলে চাকরির সুযোগ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাজশাহী কর আপিল অঞ্চলে চাকরির সুযোগ

রাজশাহী কর আপিল অঞ্চলে চাকরির সুযোগ

চাকরি ডেস্ক: রাজশাহী কর আপিল অঞ্চলের কার্যালয়ে জনবল নিয়োগের জন্য নতুন একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। সরকারি এই প্রতিষ্ঠানে ১৩ থেকে ২০ গ্রেডের বিভিন্ন পদে মোট এগারো জনকে চাকরি দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। দেশের চাকরিপ্রার্থীদের জন্য এটি একটি চমৎকার সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বিভিন্ন পদে যোগ্য প্রার্থী নিয়োগ করা হবে। পদের তালিকায় রয়েছে ব্যক্তিগত সহকারী, উচ্চমান সহকারী, সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক এবং অফিস সহায়ক পদ। পদভেদে বেতন স্কেল নির্ধারিত হয়েছে এবং ভিন্ন ভিন্ন গ্রেডে এই বেতন প্রদান করা হবে।

আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ২৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখের মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে ফরম পূরণের মাধ্যমে প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন এবং পদের ধরন অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণে আবেদন ফি জমা দিতে হবে।

এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাজশাহী কর আপিল অঞ্চলে শূন্য পদগুলো পূরণ করা হবে। যারা সরকারি চাকরির প্রত্যাশায় আছেন, তারা সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। বিস্তারিত তথ্য এবং নির্দেশনার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা প্রকাশিত মূল বিজ্ঞপ্তি দেখে নেওয়া যেতে পারে।

‘মোদিকে পালাতে দেওয়া হবে না’, বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ বিরোধীদের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘মোদিকে পালাতে দেওয়া হবে না’, বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ বিরোধীদের

‘মোদিকে পালাতে দেওয়া হবে না’, বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ বিরোধীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং এসআইআর বাতিলের দাবিতে রাজধানী দিল্লিতে জোরালো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের আহ্বানে গত রবিবার সকাল থেকেই রামলীলা ময়দানে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হতে শুরু করে। নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুপুরের দিকে হুডখোলা গাড়িতে করে সমাবেশে এসে পৌঁছান কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এই সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা ফারুক আবদুল্লাহসহ জোটের অন্যান্য বিশিষ্ট নেতারা। ক্ষমতাসীন সরকারের নানা নীতির প্রতিবাদে মুখর হয়ে ওঠেন বিরোধী নেতারা এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন।

সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জোরালো করার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন রাহুল গান্ধী। তিনি দেশের যুবসমাজ ও সাধারণ মানুষকে উদ্দেশ করে বলেন যে বর্তমান নির্বাচন কমিশনারকে তার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে এবং তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে। রাহুল গান্ধীর মতে, বর্তমান নির্বাচন কমিশনের সহায়তা ছাড়া নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ তাদের ক্ষমতার মসনদ ধরে রাখতে পারতেন না। বিরোধী দলের এই শীর্ষ নেতা আরও দাবি করেন যে ক্ষমতাসীন প্রশাসনের সহযোগিতাতেই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়ম সংঘটিত হচ্ছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে সরাসরি আক্রমণ করে রাহুল গান্ধী বলেন যে তাদের ক্ষমতার দিন ফুরিয়ে আসছে এবং বর্তমান প্রশাসনের জমানার অবসান ঘটানো হবে। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা করেন যে প্রধানমন্ত্রী যতই চেষ্টা করুন না কেন, তাকে পার পেতে দেওয়া হবে না এবং আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে সব অনিয়মের হিসাব নেওয়া হবে। দেশের সংবিধানকে কোনোভাবেই ধ্বংস হতে দেওয়া হবে না বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন কংগ্রেসের এই প্রভাবশালী নেতা। বিরোধী জোটের এই আন্দোলন আগামী দিনে আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।

সাম্প্রতিক এই রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিরোধী দলগুলো সরকারের বিরুদ্ধে নিজেদের ঐক্য ও শক্তির প্রদর্শন করল। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে জনগণের মনে যে সংশয় তৈরি হয়েছে, তা দূর করার দাবি জানান জোটের নেতারা। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। বিরোধী শিবিরের এই কঠোর অবস্থানের ফলে দেশটির জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে এবং ক্ষমতাসীন দল বিজেপির পক্ষ থেকেও এর পাল্টা প্রতিক্রিয়া আসার সম্ভাবনা রয়েছে।