খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

অবিশ্বাস্য কম মূল্যে বারডেমে ক্যানসার পরীক্ষা, জানা যাচ্ছে চিকিৎসার ধরনও

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অবিশ্বাস্য কম মূল্যে বারডেমে ক্যানসার পরীক্ষা, জানা যাচ্ছে চিকিৎসার ধরনও

অবিশ্বাস্য কম মূল্যে বারডেমে ক্যানসার পরীক্ষা, জানা যাচ্ছে চিকিৎসার ধরনও

স্বাস্থ্য ডেস্ক: বিদেশে যে ক্যানসার জিন পরীক্ষার জন্য দেড় লাখ টাকার বেশি খরচ হয়, রাজধানীর বারডেম জেনারেল হাসপাতালে তা এখন মাত্র ১২ হাজার থেকে ৬৫ হাজার টাকায় করা সম্ভব হচ্ছে। হাসপাতালের প্রধান গবেষণা কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ সোহরাব আলমের মতে, আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন মাইসিক ও নেক্সটসিক ৫৫০ যন্ত্রের সাহায্যে ক্যানসারসংশ্লিষ্ট জিনের বিভিন্ন পরিবর্তন বা মিউটেশন অত্যন্ত নিখুঁতভাবে শনাক্ত করা হচ্ছে। এর ফলে রোগীরা দেশেই সাশ্রয়ী খরচে নিজেদের ক্যানসারের জিনগত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করার সুযোগ পাচ্ছেন।

বারডেমের বিশেষায়িত অণু-পরীক্ষা গবেষণাগারে বর্তমানে প্রায় ১৪০টি জিনের পরিবর্তন পরীক্ষা করার ব্যবস্থা রয়েছে যার মধ্যে ১১টি ডিএনএ এবং ২৯টি আরএনএ জিন অন্তর্ভুক্ত। স্তন, ডিম্বাশয়, ফুসফুস, পাকস্থলী, যকৃৎ ও মলাশয়সহ মানবদেহের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের ক্যানসারসংশ্লিষ্ট জিন এই পরীক্ষার মাধ্যমে সফলভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। ডিএনএ এবং আরএনএ উপাদানের এই সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের মাধ্যমে ক্যানসার কোষে ঘটিত পরিবর্তনগুলো দ্রুত চিহ্নিত করা সম্ভব হয় যা চিকিৎসকদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জিনের গঠন বা ডিএনএতে পরিবর্তন বা মিউটেশন ঘটলেই ক্যানসারের মতো মারাত্মক রোগ সৃষ্টি হতে পারে। প্রচলিত পদ্ধতিতে চিকিৎসকেরা কেবল নির্দিষ্ট একটি জিন পরীক্ষা করতে পারলেও এই নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক জিন বিশ্লেষণ করা যায়। এর ফলে রোগীর জিনগত বৈচিত্র্য ও ক্যানসারের ধরন নিখুঁতভাবে বুঝে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করা সহজ হয়, যা নির্দিষ্ট ওষুধে ভালো ফল পাওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

দেশে এই পরীক্ষার সুযোগ থাকায় রোগীদের যেমন বিদেশ যাওয়ার ভোগান্তি ও যাতায়াত খরচ কমছে, তেমনি মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রাও সাশ্রয় হচ্ছে। পরীক্ষার জন্য রোগীর টিস্যুর নমুনা কিংবা প্রয়োজন অনুযায়ী রক্ত সংগ্রহ করে তা পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণ করা হয়। বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে এই গবেষণাগারটিকে খুব শীঘ্রই আইএসও সনদ অর্জনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে এবং ভবিষ্যতে একটি স্বতন্ত্র ক্যানসার হাসপাতাল নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে।

advertisement
advertisement

লিভারপুলকে হারিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
লিভারপুলকে হারিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল

লিভারপুলকে হারিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল

খেলা ডেস্ক: দীর্ঘদিনের আক্ষেপ ঘুচিয়ে অ্যানফিল্ডে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়েছে আর্সেনাল। লিভারপুলের ঘরের মাঠে তাদের বিপক্ষে এক গোলের ব্যবধানে জয় পেয়ে প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে লন্ডনের ক্লাবটি। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই ভেন্যুতে জয়হীন থাকার ধারা ভেঙে কোচ মিকেল আর্তেতার দল এক অবিস্মরণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের আক্রমণ ও প্রতিআক্রমণে লড়াই জমে ওঠে, যা শেষ পর্যন্ত দর্শকদের রোমাঞ্চ উপহার দেয়।

ম্যাচের ষোলো মিনিটে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে লিড নেয় গানাররা। লিভারপুলের গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারের একটি দুর্বল পাস কাজে লাগিয়ে আক্রমণ তৈরি করে আর্সেনাল। ডান দিক থেকে ডিক্লান রাইসের নিখুঁত নিচু ক্রসে দারুণ ফিনিশিং করে দলকে এগিয়ে নেন জার্মান ফরোয়ার্ড কাই হাভার্টজ। এই একটি মাত্র গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয় এবং অতিথিদের জয়ের পথ প্রশস্ত করে।

গোল হজম করার পর ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে অলরেডরা। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে সমতা আনার চমৎকার সুযোগ পেলেও ফ্লোরিয়ান উইর্টজের ফ্রি-কিক ক্রসবারে লেগে প্রতিহত হয়। এছাড়া আলেক্সিস মাক অ্যালিস্টার ফাঁকায় থেকেও হেড করে বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হন। বিরতির পর বলের দখল নিজেদের রাখলেও আর্সেনালের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি স্বাগতিকরা।

ম্যাচের শেষভাগে সমতা ফেরাতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করে লিভারপুল। তবে আর্সেনালের গোলরক্ষক ডেভিড রায়া চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে একাধিক নিশ্চিত গোল রক্ষা করেন। রক্ষণভাগের দৃঢ়তা বজায় রেখে শেষ পর্যন্ত এক গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। এই ঐতিহাসিক জয়ের ফলে শিরোপা লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করল আর্সেনাল।

ইউক্রেনের রুশ নিয়ন্ত্রিত ওলেশকিতে শেষ হলো যুদ্ধবিরতি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইউক্রেনের রুশ নিয়ন্ত্রিত ওলেশকিতে শেষ হলো যুদ্ধবিরতি

ইউক্রেনের রুশ নিয়ন্ত্রিত ওলেশকিতে শেষ হলো যুদ্ধবিরতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউক্রেনের খেরসন অঞ্চলের রুশ নিয়ন্ত্রিত ওলেশকি শহরে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হয়েছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই শহরটি কৌশলগত কারণে বেশ কিছুদিন ধরে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

উল্লেখ্য যে, দুই বছর আগে রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করার পরপরই রুশ বাহিনী ওলেশকি শহরের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয়। গুরুত্বপূর্ণ নিপার নদীর বাম তীরে এবং খেরসন শহরের ঠিক বিপরীতে অবস্থিত হওয়ায় কৌশলগত দিক থেকে এই এলাকাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই এই জনপদে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে চলেছে।

যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সংঘাতের কারণে ইতোমধ্যে এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে অন্যত্র সরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ওলেশকি শহরের বর্তমান পরিস্থিতি এই অঞ্চলে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে। যুদ্ধবিরতি পুনরুজ্জীবিত করার কোনো উদ্যোগ এখনই দেখা যাচ্ছে না। ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে আগামী দিনে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।

পাস করলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে অনিশ্চয়তা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৪:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাস করলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে অনিশ্চয়তা

পাস করলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে অনিশ্চয়তা

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা সম্পূরক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেলেও ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী কয়েকটি বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এই শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে সম্পূরক পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হলেও এর ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩১ ডিসেম্বরের দিকে। অথচ দেশের অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সময়ের অনেক আগেই ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে। ফলে সম্পূরক পরীক্ষায় পাস করা সত্ত্বেও এই শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফলাফল হাতে না পাওয়ায় চলতি শিক্ষাবর্ষে উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় তাদের স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদন ও পরীক্ষার সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হবে আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ২৫ নভেম্বর এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। অথচ এই সময়ের বেশ কিছুদিন পর সম্পূরক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে আবেদন করার নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর ফলাফল প্রকাশ হওয়ায় শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে আবেদন করার সুযোগ পাবেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির ক্ষেত্রে এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় নির্দিষ্ট জিপিএ অর্জনের পাশাপাশি অন্য প্রাতিষ্ঠানিক শর্ত পূরণ করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু এইচএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা সম্পূরক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্ত সনদ বা নম্বরপত্র না পাওয়া পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রদর্শন করতে পারছেন না। ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে পর্যায়ক্রমে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হলেও এখনো আবেদন শুরু হয়নি, আবার কিছু প্রতিষ্ঠান এখনো পুরো সূচি প্রকাশ করেনি। ফলে যেসকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফলাফল প্রকাশের আগেই আবেদন শেষ হয়ে যাচ্ছে, সেখানে এই শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন একপ্রকার থমকে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

সার a সার্বিক পরিস্থিতিতে সম্পূরক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ হারাতে বসা এসব শিক্ষার্থী চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে যারা নিয়মিত পড়াশোনা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছিলেন, তাদের জন্য এই জটিলতা বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা তাদের হাতে এসে পৌঁছায়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য শিক্ষা অধ্যাপক আবদুস সালাম জানিয়েছেন যে এই বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা এলেও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এখনো প্রাতিষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। একইভাবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য শিক্ষা অধ্যাপক আল-আমিন জানিয়েছেন বিষয়টি নতুন হওয়ায় প্রচলিত নিয়মের সঙ্গে সমন্বয় করতে ভর্তি কমিটির সভায় আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।