খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বৈষম্যের বিরুদ্ধে শ্রমিকের লড়াই মূলত আমাদের সবারই লড়াই: নাহিদ ইসলাম

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:১৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বৈষম্যের বিরুদ্ধে শ্রমিকের লড়াই মূলত আমাদের সবারই লড়াই: নাহিদ ইসলাম

বৈষম্যের বিরুদ্ধে শ্রমিকের লড়াই মূলত আমাদের সবারই লড়াই: নাহিদ ইসলাম

রাজনীতি ডেস্ক: জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, শ্রমিকের রক্ত ও ঘামের ওপর নির্ভরশীল অর্থনীতিতে চলমান বৈষম্যের বিরুদ্ধে শ্রমিকদের সংগ্রাম মূলত দেশের প্রতিটি মানুষেরই অধিকার আদায়ের লড়াই। সম্প্রতি নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এই কথা বলেন। দেশের অন্যতম প্রধান শিল্পাঞ্চল গাজীপুর, মিরপুর, আশুলিয়া ও সাভারসহ বিভিন্ন এলাকায় গত কিছুদিন ধরে পোশাক শ্রমিকরা ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে রাজপথে আন্দোলন করছেন। দিনভর সেলাই মেশিনের সামনে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করা এসব সাধারণ মানুষ মাস শেষে কেবল একটি সম্মানজনক ও মানবিক জীবনযাপনের সুযোগ দাবি করছেন। তাদের এই চাওয়া কোনো বিলাসিতা নয়, বরং বেঁচে থাকার তাগিদে অত্যন্ত যৌক্তিক একটি দাবি। অথচ এই ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়ার পরিবর্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে শ্রমিকদের ওপর লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ এবং নানামুখী দমনপীড়ন চালানো হচ্ছে, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

পোশাক শ্রমিকদের মজুরি সর্বশেষ ২০২৩ সালে বাড়িয়ে ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু গত কয়েক বছরে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, বাসাভাড়া এবং চিকিৎসা খরচসহ সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বহুগুণ বেড়ে গেছে। এই স্বল্প আয়ে বর্তমান বাজারে পরিবার পরিচালনা করা শ্রমিকদের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, মূল্যস্ফীতির কথা বলে সম্প্রতি সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন স্কেল ও পেনশন সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। একই বাজার থেকে কেনাকাটা করার পরও সরকারি কর্মচারীদের বেলায় যা মূল্যস্ফীতির অজুহাত, ঠিক একই পরিস্থিতিতে শ্রমিকের দাবিকে ষড়যন্ত্র বলে চালিয়ে দেওয়া পরিষ্কার দ্বিচারিতা। ঐতিহ্যগতভাবেই শ্রমিকদের যেকোনো ন্যায্য দাবিকে দমন করতে সেটিকে রাজনৈতিক চক্রান্ত বা বিরোধী দলের উসকানি হিসেবে চিহ্নিত করার পুরোনো অপচেষ্টা এখনও অব্যাহত রয়েছে। কোনো নিষিদ্ধ সংগঠন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তার নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার হওয়া উচিত, কিন্তু সেই অজুহাতে হাজার হাজার সাধারণ শ্রমিকের অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে ষড়যন্ত্র হিসেবে ট্যাগ দেওয়া মূলত গোয়েন্দা ও প্রশাসনের ব্যর্থতা ঢাকার একটি অপচেষ্টা মাত্র।

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে রাজপথে রক্ত ও জীবন দিয়ে যাঁরা রাজনৈতিক পরিবর্তন এনেছিলেন, ক্ষমতার পালাবদল হলেও আজ তাঁদের ওপরই আগের আমলের মতো দমনপীড়নের ভাষা ও পদ্ধতি প্রয়োগ করা হচ্ছে। আন্দোলন দমনে পুলিশ ও বিজিবির লাঠিচার্জের কারণে ইতোমধ্যে বহু মানুষ আহত হয়েছেন, এমনকি সংবাদকর্মী ও সাধারণ পথচারীরাও এই হামলার শিকার হয়েছেন। একইসঙ্গে শ্রমিক নেতাদের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতামত প্রকাশের অপরাধে সাধারণ শ্রমিকদের গ্রেফতারের ঘটনা বাকস্বাধীনতা ও মৌলিক মানবাধিকারের পরিপন্থী। যে রাষ্ট্র ন্যূনতম মজুরির দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের দমনে রাজপথে বিজিবি মোতায়েন করে, সেই রাষ্ট্রের জনকল্যাণমুখী ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। চলমান তীব্র চাপের মুখে সরকার সম্প্রতি যে ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ড গঠন করেছে, তা মূলত আন্দোলন সাময়িক সময়ের জন্য থামানোর একটি কৌশল ছাড়া আর কিছু নয়। অতীতেও এই ধরনের বোর্ডের মাধ্যমে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি করে শেষ পর্যন্ত নামমাত্র মজুরি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল, এবং বর্তমান বোর্ডেও ক্ষমতাসীন দলঘেঁষা শ্রমিক প্রতিনিধি রাখায় এর নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

মালিকপক্ষ প্রায়ই বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা বা কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাত দিলেও, ভালো সময়ে একাকী মুনাফা ভোগ করে সংকটের সব দায় ও বোঝা শুধু শ্রমিকের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া কখনোই কোনো টেকসই অর্থনৈতিক নীতি হতে পারে না। আন্তর্জাতিক ক্রেতা ব্র্যান্ডগুলোর কাছ থেকে পণ্যের ন্যায্যমূল্য আদায় এবং কারখানা মালিকদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। দেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগই আসে এই কোটি শ্রমিকের ঘাম ঝরানো শ্রম থেকে। তাঁদের পরিশ্রমে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্ফীত হলেও মাস শেষে তাঁদের নিজেদের পরিবারে ঠিকমতো খাবার জোটে না, যা সমগ্র জাতির জন্যই অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। অবিলম্বে শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে অর্থপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে একটি সম্মানজনক ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করতে হবে। পাশাপাশি গ্রেপ্তারকৃত সকল শ্রমিক ও নেতার মুক্তি, পুলিশি হামলার নিরপেক্ষ বিচার, অন্যায়ভাবে শ্রমিক ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তকরণ বন্ধ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশসহ ট্রেড ইউনিয়নের পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

advertisement
advertisement

আমুসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আমুসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল

আমুসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল

আইন-আদালত ডেস্ক: মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার অংশ হিসেবে সাবেক মন্ত্রী আমীর হোসেন আমুসহ মোট সাতজন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা এই অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেন। এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মামলার বিচার কার্যক্রমের পরবর্তী ধাপের দিকে অগ্রসর হলো ট্রাইব্যুনাল।

প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, অভিযুক্ত সাতজনের মধ্যে ছয়জন বর্তমানে দেশের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি রয়েছেন। তবে এই মামলার অপর এক আসামি এখনও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

অভিযোগ দাখিলের পর ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী কার্যদিবসে এসব অভিযোগের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ আশা করছে, শিগগিরই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে বলে মনে করছেন তারা।

গত জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলন কেন্দ্র করে সংঘটিত বিভিন্ন সহিংসতার ঘটনায় এসব আসামির সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত সংস্থার দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর এই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ প্রস্তুত করা হয়। দেশবাসীর দৃষ্টি এখন এই ট্রাইব্যুনালের রায়ের দিকে নিবদ্ধ রয়েছে।

ডিসেম্বরের কথা বলে পলাতক নেতাদের ‘বুস্টআপ’ করার চেষ্টা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ডিসেম্বরের কথা বলে পলাতক নেতাদের ‘বুস্টআপ’ করার চেষ্টা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডিসেম্বরের কথা বলে পলাতক নেতাদের ‘বুস্টআপ’ করার চেষ্টা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজনীতি ডেস্ক: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলতি বছরের শেষভাগে দেশে ফিরবেন—এমন নানা ধরনের বক্তব্য দিয়ে মূলত আত্মগোপনে থাকা ও পলাতক রাজনৈতিক নেতাদের মানসিকভাবে চাঙ্গা করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। সম্প্রতি সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক বিষয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই এই ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন যে, বিগত সরকারের অনেক প্রভাবশালী নেতা বর্তমানে দেশের বাইরে কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে রয়েছেন। এই পলাতক ব্যক্তিরা নিজেদের কর্মী-সমর্থকদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে এবং নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে নানা রকম বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন। বিশেষ করে ডিসেম্বরের মধ্যে পরিস্থিতি পাল্টে যাওয়ার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে তারা নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছেন বলে জানান তিনি।

সরকার এই ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য ও অপপ্রচারের বিষয়ে সম্পূর্ণ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন যে, সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার যেকোনো ধরনের চক্রান্ত কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে এবং দেশের সার্বিক শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন সদা তৎপর রয়েছে। যারা আইন অমান্য করে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চালাবে, তাদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করাকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশবাসীকে যেকোনো ধরনের গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের কান না দিয়ে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পলাতক ও ষড়যন্ত্রকারী চক্রের প্রতিটি কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন ৩৫ জনের চাকরি, বেতন নতুন পে স্কেলে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন ৩৫ জনের চাকরি, বেতন নতুন পে স্কেলে

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন ৩৫ জনের চাকরি, বেতন নতুন পে স্কেলে

চাকরি ডেস্ক: দেশের বেকার যুবকদের জন্য চাকরির নতুন সুযোগ তৈরি করে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটে জনবল নিয়োগের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন শূন্য পদে মোট ৩৫ জন যোগ্য প্রার্থীকে স্থায়ীভাবে কাজের সুযোগ দেওয়া হবে। সরকারি নিয়মকানুন অনুসরণ করে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে এই কর্মী নিয়োগের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চাকরিপ্রার্থীরা নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পদগুলোর জন্য আবেদন করতে পারবেন। এসব পদে নির্বাচিত প্রার্থীরা সরকারের সর্বশেষ পে স্কেল অনুযায়ী আকর্ষণীয় মূল বেতনসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা লাভ করবেন। সরকারি চাকরির এই সুযোগটি গ্রহণ করতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে বা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।

আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়সসীমা এবং অন্যান্য অভিজ্ঞতা সংশ্লিষ্ট পদের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী নির্ধারিত হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা যাতে সহজেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন, তার জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে যাবতীয় নিয়মাবলি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না বিধায় প্রার্থীদের দ্রুত আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সরকারি এই দপ্তরে জনবল বৃদ্ধির ফলে দাপ্তরিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বিশেষ করে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটের কাজের পরিধি বিস্তৃতির সঙ্গে সঙ্গে নতুন কর্মীদের যোগদান তদন্ত কার্যক্রমকে আরও শানিত করবে। দেশের শিক্ষিত তরুণ সমাজের কর্মসংস্থানে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।