খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

১৯তম বিজেএস প্রিলির ফলে চমক: ২৫০ পদের জন্য লিখিত পরীক্ষা দেবেন মাত্র ৩৪৩ প্রার্থী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১৯তম বিজেএস প্রিলির ফলে চমক: ২৫০ পদের জন্য লিখিত পরীক্ষা দেবেন মাত্র ৩৪৩ প্রার্থী

১৯তম বিজেএস প্রিলির ফলে চমক: ২৫০ পদের জন্য লিখিত পরীক্ষা দেবেন মাত্র ৩৪৩ প্রার্থী

আইন-আদালত ডেস্ক: বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ঊনবিংশ বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস বা বিজেএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। এই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, যারা পরবর্তীতে মূল লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এবারের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অত্যন্ত কঠোর বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জুডিসিয়াল সার্ভিসে মোট আড়াইশো জন সহকারী জজ নিয়োগ দেওয়ার কথা রয়েছে। এই সীমিত সংখ্যক শূন্য পদের বিপরীতে হাজার হাজার প্রার্থীর অংশগ্রহণে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু মেধা ও যোগ্যতার কঠোর মানদণ্ড বজায় রাখার ফলে প্রিলিমিনারি ধাপে অত্যন্ত সীমিত সংখ্যক প্রার্থী উত্তীর্ণ হতে পেরেছেন।

চূড়ান্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে মাত্র তিনশো তিরাচল্লিশ জন প্রার্থী এই প্রাথমিক ধাপের বৈতরণী পার হতে সক্ষম হয়েছেন। অর্থাৎ, নির্ধারিত আড়াইশো পদের বিপরীতে লিখিত পরীক্ষার জন্য মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামবেন এই অল্প সংখ্যক প্রার্থী। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার এই নাটকীয় ফলাফলে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রাথমিক এই বাছাইপর্বে সফলভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এবার পরবর্তী ধাপ অর্থাৎ লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেবেন। জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী খুব শীঘ্রই লিখিত পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি ও আনুষঙ্গিক নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে। লিখিত পরীক্ষার এই ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করার পর উত্তীর্ণ প্রার্থীরা মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাক পাবেন।

advertisement
advertisement

সনদ অর্জনের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে গবেষণায় মনোযোগ দিতে হবে: জবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সনদ অর্জনের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে গবেষণায় মনোযোগ দিতে হবে: জবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সনদ অর্জনের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে গবেষণায় মনোযোগ দিতে হবে: জবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সনদ সর্বস্ব মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি মনে করেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কেবল চাকরি পাওয়ার মাধ্যম হিসেবে দেখলে চলবে না, বরং এগুলোকে মুক্তচিন্তা ও গবেষণার আসল কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে দক্ষ, প্রযুক্তিনির্ভর এবং জ্ঞানভিত্তিক জনশক্তি তৈরির কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেশের বিশাল একটি জনগোষ্ঠী বর্তমানে শিক্ষিত বেকারত্বের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। শুধু প্রথাগত সনদ অর্জনের মাধ্যমে একটি জাতির সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, তাই শিক্ষার গুণগত মানে পরিবর্তন আনা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তর পাস করা সব শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষার পেছনে না ছুটে কারিগরি ও দক্ষতানির্ভর শিক্ষায় মনোনিবেশ করার তাগিদ দেন তিনি।

বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান গতিপ্রকৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সেমিকন্ডাক্টরের মতো আধুনিক প্রযুক্তিগুলো ভবিষ্যৎ বিশ্ব অর্থনীতিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এসব সমসাময়িক প্রযুক্তি নিয়ে কতটা গবেষণা ও জ্ঞানচর্চা করছে, তা খতিয়ে দেখার সময় এসেছে। এছাড়া বিশ্ববাজারে বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগাতে দেশের জনশক্তিকে আরও বেশি প্রশিক্ষিত ও দক্ষ করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস স্মরণ করে তিনি বলেন, দীর্ঘ লড়াই ও সংগ্রামের পর জাতীয় সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা লাভ করে। কেরানীগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণ এবং শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকটসহ অন্যান্য দাবিগুলোর বিষয়ে সরকার ইতিবাচক রয়েছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। তবে যৌক্তিক দাবির পক্ষে কথা বললেও অপ্রাসঙ্গিক আন্দোলন এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন তিনি।

ভবিষ্যতের বাংলাদেশ বিনির্মাণের রূপরেখা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যে জাতির জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার ক্ষেত্র যত বেশি বিস্তৃত, সে জাতির অগ্রগতির সম্ভাবনাও তত বেশি প্রখর। আগামী একশ বছরের লক্ষ্য সামনে রেখে তরুণ প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে হবে এবং দেশের স্বার্থে রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে হবে।

ভবন নির্মাণে জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভবন নির্মাণে জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ভবন নির্মাণে জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্পের সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি জোরদার করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুতি ও করণীয় শীর্ষক এক উচ্চপর্যায়ের সভায় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। দেশের প্রতিটি এলাকায় ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে জাতীয় বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে অনুসরণ করার তাগিদ দিয়ে তিনি ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরোনো স্থাপনাগুলো দ্রুত শনাক্ত করার নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু গণমাধ্যমকে এই বৈঠকের বিস্তারিত বিষয়াদি অবহিত করেন।

জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনার সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করেন যে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনতে বহুমুখী প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে রাজধানীসহ দেশের সকল ভূমিকম্পপ্রবণ জনপদে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ওপর তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেন। দুর্যোগকালীন উদ্ধার কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে আধুনিক সরঞ্জামের পর্যাপ্ততা এবং উদ্ধারকর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার কথাও জানান তিনি।

দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, রাজউক, ফায়ার সার্ভিস এবং অন্যান্য জরুরি সেবাদানকারী সংস্থার মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় বাড়ানোর আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, যেকোনো বড় ধরনের দুর্যোগে সম্মিলিতভাবে কাজ না করলে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া সম্ভব নয়। তাই প্রতিটি সংস্থাকে নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে সজাগ থেকে পূর্বপ্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে, যাতে যেকোনো সংকটময় মুহূর্তে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেওয়া যায়। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে ভূমিকম্প বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রম চালুর ওপরও তিনি জোর দেন।

সভাটিতে হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো জনবহুল ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এসব প্রতিষ্ঠানে যাতে কোনো ত্রুটিপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ কাঠামো না থাকে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে। উক্ত সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম রিজুসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ফেরদৌসীর শূন্য আসনে সংসদ সদস্য হলেন এলিজা জামান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৯:২২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফেরদৌসীর শূন্য আসনে সংসদ সদস্য হলেন এলিজা জামান

ফেরদৌসীর শূন্য আসনে সংসদ সদস্য হলেন এলিজা জামান

রাজনীতি ডেস্ক: প্রয়াত সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া আসনে নতুন জনপ্রতিনিধি চূড়ান্ত করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী দিনে এই ঘোষণা আসে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় এই আসনটিতে নতুন বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়।

নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে যে, নির্ধারিত ওই আসনে একাধিক প্রার্থী চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নেননি। একমাত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকে বিজয়ী বলে ঘোষণা করে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি বিশেষ প্রজ্ঞাপন বা গেজেট জারি করা হয়।

এর আগে আকস্মিক ওই আসনটি শূন্য হওয়ায় দেশজুড়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছিল। পরবর্তীতে সাংবিধানিক নিয়ম মেনে উপনির্বাচনের উদ্যোগ নেয় নির্বাচন কমিশন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব ধরনের প্রশাসনিক ও নির্বাচনী প্রস্তুতি গ্রহণ করা হলেও শেষ পর্যন্ত একক প্রার্থী থাকায় ভোটাভুটির প্রয়োজন পড়েনি।

নতুন এই সংসদ সদস্যের দায়িত্ব গ্রহণকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রস্তুতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সংসদীয় কার্যক্রমে অংশ নিতে এবং নিজ এলাকার উন্নয়নমূলক কাজগুলো এগিয়ে নিতে তিনি খুব শীঘ্রই শপথ গ্রহণ করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এলাকার সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে এই অর্জনের জন্য শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।