খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে সদস্য হলেন সালমান ওমর রুবেল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে সদস্য হলেন সালমান ওমর রুবেল

ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সালমান ওমর রুবেল।

য়মনসিংহ প্রতিনিধি

জাতীয় সংসদের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সালমান ওমর রুবেল।

সংসদীয় গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্ব পাওয়ায় তার নির্বাচনী এলাকার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সমাজকল্যাণ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের অধিকার ও কল্যাণে আরও কার্যকরভাবে কাজ করার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন মো. শাহজাহান (নোয়াখালী-৪)। কমিটির সদস্যরা হলেন— ফারজানা শারমিন (নওগাঁ-১), সৈয়দ আহসানুল হোসেন (চট্টগ্রাম-১০), মোহাম্মদ সালমান ওমর (ময়মনসিংহ-১), আফরোজা সুলতানা (মহিলা আসন-৩০), নীলা রায় চৌধুরী (মহিলা আসন-১১), মো. মুজিবুর রহমান (রাজশাহী-২), মো. মাহবুবুর রহমান (গাইবান্ধা-১) এবং মো. মোজাফ্ফিরুর রহমান (কুড়িগ্রাম-৪)।

নতুন দায়িত্বের মাধ্যমে আলহাজ্ব সালমান ওমর রুবেল দেশের সমাজকল্যাণ খাতের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি আরও কার্যকর করা এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

তার এই দায়িত্বপ্রাপ্তিতে হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং দলীয় নেতাকর্মীরা অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, সংসদীয় এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি এলাকার মানুষের পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়েও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।
advertisement
advertisement

শুধু জিপিএ নয়, নৈতিকতাসম্পন্ন মানুষ হওয়াই শিক্ষার সার্থকতা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৫:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শুধু জিপিএ নয়, নৈতিকতাসম্পন্ন মানুষ হওয়াই শিক্ষার সার্থকতা

শুধু জিপিএ নয়, নৈতিকতাসম্পন্ন মানুষ হওয়াই শিক্ষার সার্থকতা

শিক্ষা ডেস্ক: কেবল ভালো ফল কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক সনদ অর্জনই শিক্ষার একমাত্র উদ্দেশ্য হতে পারে না। প্রকৃত সুনাগরিক, নৈতিকতাসম্পন্ন এবং দেশপ্রেমিক মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে ওঠেই শিক্ষার আসল সার্থকতা। ভোলার চরফ্যাশনে অবস্থিত বেগম রহিমা ইসলাম কলেজে একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বক্তারা এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। শশীভূষণ থানা এলাকার কলেজ প্রাঙ্গণে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই নবীনবরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানটির শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয় এবং কলেজ প্রাঙ্গণে উপস্থিত নতুন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও বরণ করে নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজ ম্যানেজিং কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক রেজাউল করিম খন্দকার। আলোচনা সভার প্রথম পর্বে কলেজটির শিক্ষক ও অতিথিরা নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তাদের মূল্যবান দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য তুলে ধরেন।

নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম উল্লেখ করেন যে, স্কুলজীবন পেরিয়ে শিক্ষার্থীরা আজ উচ্চমাধ্যমিকের এক নতুন ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। তিনি শিক্ষার্থীদের কলেজ জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত ইতিবাচক ও সৃজনশীল কাজে ব্যয় করার পরামর্শ দেন। একইসঙ্গে নিয়মানুবর্তিতা বজায় রাখা এবং মাদকসহ সব ধরনের খারাপ সঙ্গ থেকে নিজেদের দূরে রাখার কঠোর তাগিদ দেন তিনি। মেধা ও যোগ্যতার পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটিয়ে আগামী দিনের দক্ষ নেতৃত্ব হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করার আহ্বান জানান এই শিক্ষাবিদ।

এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের স্থানীয় নেতারা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কাজী অনিক, বিএনপি নেতা ছালাম জমাদার, শশীভূষণ থানা যুবদল নেতা রাছেল ফরাজী ও কামরুজ্জামান শাহিন বক্তব্য দেন। এছাড়া স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারাও অনুষ্ঠানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

আলোচনা সভা শেষে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় ও আকর্ষণীয় পর্বে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই পরিবেশনায় কলেজের নিজেদের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ঢাকা ও বরিশাল থেকে আমন্ত্রিত শিল্পীরাও অংশ নেন। তাদের পরিবেশিত গান ও নৃত্য উপস্থিত সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অতিথিদের দারুণভাবে আনন্দিত করে এবং পুরো অনুষ্ঠানটিকে একটি উৎসবমুখর পরিবেশে রূপ দেয়।

কলেজে শিক্ষক ৮ জন, পরীক্ষার্থী একজন—তিনিও ফেল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কলেজে শিক্ষক ৮ জন, পরীক্ষার্থী একজন—তিনিও ফেল

কলেজে শিক্ষক ৮ জন, পরীক্ষার্থী একজন—তিনিও ফেল

শিক্ষা ডেস্ক: পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চরম বিপর্যয়কর ফলাফল সামনে এসেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, ওই প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া একমাত্র শিক্ষার্থীও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি। অথচ তাকে পড়ানোর জন্য প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত ছিলেন মোট আটজন শিক্ষক। কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় এই প্রতিষ্ঠানটির এবারের পাসের হার সম্পূর্ণ শূন্যে নেমে গেছে। উপজেলার মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের সুলতানাবাদ গ্রামে অবস্থিত এমপিওবিহীন মজিদবাড়িয়া কলেজে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। রাজু আহমেদ নামের ওই পরীক্ষার্থী এক বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার কারণে কলেজটির গৌরবের কিছু অবশিষ্ট থাকেনি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুই দশকেরও বেশি সময় আগে অর্থাৎ ২০০২ সালে এই কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ চব্বিশ বছর পেরিয়ে গেলেও প্রতিষ্ঠানটি আজও এমপিওভুক্ত হতে পারেনি। সরকারি কোনো অনুদান বা আর্থিক সহায়তা না থাকায় কলেজটির পরিচালনা এবং শিক্ষকদের জীবনযাত্রা অত্যন্ত দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আটজন শিক্ষক সম্পূর্ণ বিনা বেতনে পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন। দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি স্বীকৃতি না পাওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে যেমন হতাশা কাজ করছে, তেমনি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রমেও এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির বর্তমান অবকাঠামোগত অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় বলে জানা গেছে। কলেজটির কোনো নিজস্ব পাকা ভবন বা স্থায়ী অবকাঠামো নেই। বর্তমানে একটি জীর্ণদশাগ্রস্ত টিনশেড ঘরের মধ্যে কোনো রকমে পঠনপাঠন ও দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় শ্রেণিকক্ষ, ব্লাকবোর্ড, বসার বেঞ্চ এবং অন্যান্য শিক্ষা উপকরণের চরম অভাব রয়েছে। মৌলিক সুযোগ-সুবিধার এই তীব্র সংকটের কারণে এলাকার শিক্ষার্থীরা এই কলেজে ভর্তি হতে কোনো আগ্রহ দেখায় না। অভিভাবকেরাও তাদের সন্তানদের এমন ভঙ্গুর প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে ভরসা পান না।

কলেজের অধ্যক্ষ মো নূরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, প্রতিষ্ঠার শুরুর দিকে কলেজটিতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বেশ সন্তোষজনক ছিল। কিন্তু দীর্ঘ চব্বিশ বছরেও কলেজটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় এবং অবকাঠামোগত তীব্র সংকটের কারণে শিক্ষার্থী সংখ্যা দিন দিন কমতে থাকে। ভালো মানের শিক্ষার্থীরা এখন আর এখানে ভর্তি হতে চায় না বললেই চলে। বাধ্য হয়ে তারা কম মেধার বা ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের ওপর ভরসা করে পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন, যা ফল বিপর্যয়ের অন্যতম প্রধান কারণ।

এ বিষয়ে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এবারের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় মজিদবাড়িয়া কলেজ থেকে কেবল একজন শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। প্রকাশিত ফলাফলের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাজু আহমেদ নামের সেই একমাত্র পরীক্ষার্থী এক বিষয়ে ফেল করায় কলেজটির শতভাগ শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছে। এই ঘটনাটি স্থানীয় শিক্ষা মহলে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

দেবিদ্বারে এক মাদ্রাসার ২১ পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দেবিদ্বারে এক মাদ্রাসার ২১ পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল

দেবিদ্বারে এক মাদ্রাসার ২১ পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল

শিক্ষা ডেস্ক: কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় অনুষ্ঠিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট তথা এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে ব্যাপক বিপর্যয় দেখা গেছে। উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ বছর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ প্রয়োজনীয় নম্বর তুলতে পারেনি। এর ফলে স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষাবিদদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে এবং সার্বিক শিক্ষা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।

উপজেলা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে এবারের পরীক্ষায় দেবিদ্বার থেকে মোট দুই হাজার ছয়ানব্বই জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে সব বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে পেরেছে মাত্র এক হাজার একান্ন জন শিক্ষার্থী। পুরো উপজেলায় সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র বিয়াল্লিশ দশমিক ছয় চার শতাংশ, যা গত কয়েক বছরের তুলনায় বেশ হতাশাজনক। এছাড়া পুরো উপজেলাজুড়ে মাত্র ছয়জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

এবারের ফলাফলে সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে বাগমারা ইসলামী আলিম মাদ্রাসা থেকে, যেখান থেকে কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। ওই মাদ্রাসা থেকে একুশজন শিক্ষার্থী আলিম পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও তাদের একজনও সফলতার মুখ দেখেনি, ফলে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার নেমে এসেছে শূন্য শতাংশে। এমন ফলাফল কেবল ওই প্রতিষ্ঠানের জন্যই নয়, বরং পুরো উপজেলার শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি বড় লজ্জার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মানসম্মত পাঠদান ও তদারকির অভাবে প্রতিষ্ঠানটির এই বেহাল দশা তৈরি হয়েছে।

ফলাফল বিপর্যয়ের এই সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন দেবিদ্বার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা। তিনি জানান, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল অত্যন্ত হতাশাজনক এবং বিশেষ করে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। খুব দ্রুত সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান ও পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে আলোচনা করে এই বিপর্যয়ের নেপথ্য কারণগুলো খুঁজে বের করা হবে। শিক্ষার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে এবং প্রয়োজনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।